০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
আসিয়ান জ্বালানি সংকটে তড়িঘড়ি তেল ভাগাভাগি চুক্তির পথে, হরমুজ ইস্যুতে বাড়ছে উদ্বেগ রেস্তোরাঁ খাত বাঁচাতে কর কমানো ও গ্যাস সংযোগ চালুর দাবি হাওরে ভেজা ধান নিয়ে কৃষকের কান্না, মিলছে না ক্রেতা বা সরকারি সহায়তা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের আসল সংকট সীমান্তে, না অবিশ্বাসে? জ্বালানি সংকটে সংযমের আহ্বান মোদির, আমদানি নির্ভরতা কমাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জোর বিজয়ের উত্থান, কংগ্রেসের সংকট এবং ভারতের বিরোধী রাজনীতির নতুন সমীকরণ জাহানারা ইমাম: এক মায়ের শোক থেকে জাতির বিবেক হয়ে ওঠার গল্প টিকের কামড়ে বাড়ছে ঝুঁকি, যুক্তরাষ্ট্রে ছড়াচ্ছে ছয় বিপজ্জনক রোগ ১৯২৬ সালের ব্রিটিশ সাধারণ ধর্মঘট: শ্রমিকদের হার, না কি শাসকশ্রেণির নৈতিক পরাজয়? মা: ভালোবাসার প্রথম ঠিকানা

বিশ্বে ক্ষুধার্ত মানুষ বাড়ছে, কমছে ধনী দেশের সাহায্য

  • Sarakhon Report
  • ০৫:৪১:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 117

বিশ্বে ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। কমছে ধনী দেশগুলির সাহায্য়ের পরিমাণ। ২০২৫ সালে প্রায় ১২ কোটি মানুষ অভুক্ত থাকবেন।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, তারা যে অর্থ জোগাড় করতে পারবে, তাতে ২০২৫ সালে ৩০ কোটি ৭০ লাখ অভুক্ত মানুষের মধ্যে ১১ কোটি ৭০ লাখ মানুষের কাছে খাবার পৌঁছানো যাবে না।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযাযী, ২০২৪ সালে তারা মানবিক সাহায্যের জন্য চার হাজার ৯৬০ কোটি টাকা তুলতে চেয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা ৪৬ শতাংশ অর্থ তুলতে পেরেছে। এই নিয়ে পরপর দ্বিতীয় বছর প্রয়োজনীয় অর্থের অর্ধেকও জোগাড় করতে পারলো না জাতিসংঘ। এর ফলে কষ্টকর হলেও তাদেরও কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তারা ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে কম খাবার পৌঁছাতে পেরেছে। বেশ কিছু মানুষের কাছে সাহায্য পৌঁছে দিতে পারেনি।

এর ফল কী হতে পারে তা সিরিয়ার মতো অনেক দেশের মানুষ টের পেয়েছেন। জাতিসংঘের সংস্থা ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম(ডাব্লিউএফপি) সিরিয়ায় ৬০ লাখ মানুষের কাছে খাবার পৌঁছে দেয়। এই বছরের পরিস্থিতি দেখে তারা জানিয়েছে, ১০ লাখ মানুষের কাছে তারা খাবার পৌঁছে দিতে পারবে বলে আশা করছে। গত মার্চে দাগেশ-কামারা একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, গত মার্চে তিনি সিরিয়ায় ডাব্লিউএফপি কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন। তারা জানিয়েছিলেন, ক্ষুধার্ত মানুষকে খাবার না দিয়ে তারা অনাহারে থাকা মানুষদেরই শুধু খাবার দিচ্ছেন।

কেন অনুদান কমছে?

বিশ্বের বিবিন্ন জায়গায় সংঘাত, চরম আবহাওয়া এবং ভয়ংকর মুদ্রাস্ফীতির কারণে আরো বেশি করে মানুষের কাছে মানবিক সাহায্য পৌঁছানো দরকার হয়ে পড়েছে। কিন্তু জাতিসংঘের তহবিলে যে দেশগুলি অর্থ দেয়, তাদের দেয়া অর্থের পরিমাণ কমছে।

ধনী দেশগুলিও বর্তমান পরিস্থিতিতে আর্থিক দিক থেকে চাপের মধ্যে আছে। তাছাড়া ঘরোয়া রাজনীতির কারণেও কিছু ধনী দেশ তাদের সিদ্ধান্তে বদল আনছে। জাতিসংঘকে যে দেশগুলি প্রচুর অর্থসাহায্য করে তার মধ্যে জার্মানি অন্যতম। কিন্তু ২০২৩-এর তুলনায় ২০২৪ সালে তারা ৫০ কোটি ডলার কম দিয়েছে। তাদের মন্ত্রিসভার সুপারিশ, ২০২৫ সালে একশ কোটি ডলার সাহায্য কম করা হবে। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের পর নতুন পার্লামেন্ট এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আসিয়ান জ্বালানি সংকটে তড়িঘড়ি তেল ভাগাভাগি চুক্তির পথে, হরমুজ ইস্যুতে বাড়ছে উদ্বেগ

বিশ্বে ক্ষুধার্ত মানুষ বাড়ছে, কমছে ধনী দেশের সাহায্য

০৫:৪১:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪

বিশ্বে ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। কমছে ধনী দেশগুলির সাহায্য়ের পরিমাণ। ২০২৫ সালে প্রায় ১২ কোটি মানুষ অভুক্ত থাকবেন।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, তারা যে অর্থ জোগাড় করতে পারবে, তাতে ২০২৫ সালে ৩০ কোটি ৭০ লাখ অভুক্ত মানুষের মধ্যে ১১ কোটি ৭০ লাখ মানুষের কাছে খাবার পৌঁছানো যাবে না।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযাযী, ২০২৪ সালে তারা মানবিক সাহায্যের জন্য চার হাজার ৯৬০ কোটি টাকা তুলতে চেয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা ৪৬ শতাংশ অর্থ তুলতে পেরেছে। এই নিয়ে পরপর দ্বিতীয় বছর প্রয়োজনীয় অর্থের অর্ধেকও জোগাড় করতে পারলো না জাতিসংঘ। এর ফলে কষ্টকর হলেও তাদেরও কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তারা ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে কম খাবার পৌঁছাতে পেরেছে। বেশ কিছু মানুষের কাছে সাহায্য পৌঁছে দিতে পারেনি।

এর ফল কী হতে পারে তা সিরিয়ার মতো অনেক দেশের মানুষ টের পেয়েছেন। জাতিসংঘের সংস্থা ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম(ডাব্লিউএফপি) সিরিয়ায় ৬০ লাখ মানুষের কাছে খাবার পৌঁছে দেয়। এই বছরের পরিস্থিতি দেখে তারা জানিয়েছে, ১০ লাখ মানুষের কাছে তারা খাবার পৌঁছে দিতে পারবে বলে আশা করছে। গত মার্চে দাগেশ-কামারা একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, গত মার্চে তিনি সিরিয়ায় ডাব্লিউএফপি কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন। তারা জানিয়েছিলেন, ক্ষুধার্ত মানুষকে খাবার না দিয়ে তারা অনাহারে থাকা মানুষদেরই শুধু খাবার দিচ্ছেন।

কেন অনুদান কমছে?

বিশ্বের বিবিন্ন জায়গায় সংঘাত, চরম আবহাওয়া এবং ভয়ংকর মুদ্রাস্ফীতির কারণে আরো বেশি করে মানুষের কাছে মানবিক সাহায্য পৌঁছানো দরকার হয়ে পড়েছে। কিন্তু জাতিসংঘের তহবিলে যে দেশগুলি অর্থ দেয়, তাদের দেয়া অর্থের পরিমাণ কমছে।

ধনী দেশগুলিও বর্তমান পরিস্থিতিতে আর্থিক দিক থেকে চাপের মধ্যে আছে। তাছাড়া ঘরোয়া রাজনীতির কারণেও কিছু ধনী দেশ তাদের সিদ্ধান্তে বদল আনছে। জাতিসংঘকে যে দেশগুলি প্রচুর অর্থসাহায্য করে তার মধ্যে জার্মানি অন্যতম। কিন্তু ২০২৩-এর তুলনায় ২০২৪ সালে তারা ৫০ কোটি ডলার কম দিয়েছে। তাদের মন্ত্রিসভার সুপারিশ, ২০২৫ সালে একশ কোটি ডলার সাহায্য কম করা হবে। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের পর নতুন পার্লামেন্ট এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।