০৮:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্থানে এনরনের ছায়া, তবে ধস অনিবার্য নয় বিষণ্নতা আসার আগেই জানাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, চার বছর আগেই মিলবে সতর্কবার্তা ছুঁয়ে না দেখেই বস্তু চিনবে রোবট, চীনের নতুন ‘ইলেকট্রিক ইল’ প্রযুক্তিতে এআই এজেন্টের ভয়ংকর আচরণ: প্রতিদ্বন্দ্বীকে ‘হত্যা’, নজরদারি ফাঁকি ও প্রতারণার তথ্য প্রকাশ ভিসা বাতিল, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ মেক্সিকোর সাবেক প্রেসিডেন্টপুত্রের আফ্রিকায় গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রা হয়ে উঠতে পারে চীনের ইউয়ান, কমছে ডলারের নির্ভরতা জোকবো: পুরুষের বংশলিপির ভেতর নারীর হারানো ইতিহাস ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপে ইতিহাস গড়লেন অ্যাবি ডনেলি, নারীদের ম্যারাথনে ব্রিটেনের প্রথম পদক সিলিকনকে পেছনে ফেলে চীনের সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তিতে নতুন সাফল্য মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা: রান্নার গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে ভারতের নতুন উদ্যোগ

রোমাঞ্চকর সময় (পর্ব -৩৭)

  • Sarakhon Report
  • ০৮:০০:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৫
  • 90

আর্কাদি গাইদার

চতুর্থ পরিচ্ছেদ

বেতের টুকরিটা ঘাড় য়ে থাকেন তাহলে নিশ্চয়ই মাওজারটা সঙ্গে করে নিয়ে খ্যান মিমাতিাহলেরে তাহলে নিশ্চয়ই কিছুক্ষণের জন্যে ওটা বাড়িতেই কোথাও লুকিয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু তা কোথায় হতে পারত? সঙ্গে সঙ্গে মনে হল, কাবার্ডের ওপর দিকের টানাটায় নিশ্চয়। কারণ ওই একটা টানাই ছিল চাবিবন্ধ।
আমার মনে পড়ল, অনেক দিন আগে একবার মা ওষুধের দোকান থেকে ‘করোসিভ সাব লিমেট’-এর ছোট-ছোট গোলাপী বড়ি কিনে এনে সেগুলো ওই টানায় চাবিবন্ধ করে রেখে দিয়েছিলেন। যাতে আমরা ওতে হাত না-দিতে পারি সেজন্যে। আমাদের ছোট্ট কুকুরের একটা থাবা সিমাকভরা ভেঙে দেয়ায় ফেকা আর আমি তাদের লালচে বেড়ালটাকে মেরে ফেলার মতলব এ’টেছিলুম। আর কতগুলো ভাঙাচোরা লোহায় আবর্জনার মধ্যে হাতড়াতে-হাতড়াতে আমরা তখন একটা চাবি পেয়ে গিয়েছিলুম, যেটা দিয়ে সেবার টানাটা খোলা গিয়েছিল। সে-সময়ে মাত্র একটা বড়ি চুরি করে আমরা চাবিটা ফের যথাস্থানে রেখে দিয়েছিলুম।
ভাঙাচোরা জিনিসপত্র রাখার ঘরটায় গিয়ে একটা ভারি ড্রয়ার টেনে বের করলুম। টুকরো-টুকরো পুরনো লোহা, নাটবল্টু, স্ফু এই সব হাতড়াতে-হাতড়াতে এক-টুকরো টিনে ঘ্যাঁচ করে হাতটা গেল কেটে। কিন্তু সেদিকে নজর দেবার সময় ছিল না। হঠাৎ গোটা তিনেক জং ধরা চাবি পেয়ে গেলুম। ভাবলুম, এর মধ্যে একটাতে নিশ্চয়ই টানাটা খুলবে… খুব সম্ভব এই চাবিতেই খুলবে।
কাবার্ডের কাছে ফিরে গিয়ে জোর করে তালার মধ্যে চাবিটা ঢোকালুম। কিছুক্ষণ ক্যাঁচকোঁচ আওয়াজ করতে করতে হঠাৎ খুট করে তালা গেল খুলে। টানাটা খুললুম। হ্যাঁ, ওই তো আমার মাওজার। আর ওই তো খাপটা আলাদা পড়ে আছে। দুটো জিনিসই উঠিয়ে নিয়ে টানাটা ফের চাবিবন্ধ করে চাবিটা জানলা গলিয়ে বাগানে ফেলে দিলুম। তারপর এক ছুটে রাস্তায় বেরিয়ে পড়লুম। এদিক-ওদিক তাকাতে- তাকাতে এগোচ্ছি, হঠাৎ দেখি মা বাজার থেকে ফিরছেন। চট করে মোড় নিয়ে অন্য রাস্তায় চলে এলুম, তারপর কবরখানার দিকে লাগালুম ছুট।

জনপ্রিয় সংবাদ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্থানে এনরনের ছায়া, তবে ধস অনিবার্য নয়

রোমাঞ্চকর সময় (পর্ব -৩৭)

০৮:০০:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৫

আর্কাদি গাইদার

চতুর্থ পরিচ্ছেদ

বেতের টুকরিটা ঘাড় য়ে থাকেন তাহলে নিশ্চয়ই মাওজারটা সঙ্গে করে নিয়ে খ্যান মিমাতিাহলেরে তাহলে নিশ্চয়ই কিছুক্ষণের জন্যে ওটা বাড়িতেই কোথাও লুকিয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু তা কোথায় হতে পারত? সঙ্গে সঙ্গে মনে হল, কাবার্ডের ওপর দিকের টানাটায় নিশ্চয়। কারণ ওই একটা টানাই ছিল চাবিবন্ধ।
আমার মনে পড়ল, অনেক দিন আগে একবার মা ওষুধের দোকান থেকে ‘করোসিভ সাব লিমেট’-এর ছোট-ছোট গোলাপী বড়ি কিনে এনে সেগুলো ওই টানায় চাবিবন্ধ করে রেখে দিয়েছিলেন। যাতে আমরা ওতে হাত না-দিতে পারি সেজন্যে। আমাদের ছোট্ট কুকুরের একটা থাবা সিমাকভরা ভেঙে দেয়ায় ফেকা আর আমি তাদের লালচে বেড়ালটাকে মেরে ফেলার মতলব এ’টেছিলুম। আর কতগুলো ভাঙাচোরা লোহায় আবর্জনার মধ্যে হাতড়াতে-হাতড়াতে আমরা তখন একটা চাবি পেয়ে গিয়েছিলুম, যেটা দিয়ে সেবার টানাটা খোলা গিয়েছিল। সে-সময়ে মাত্র একটা বড়ি চুরি করে আমরা চাবিটা ফের যথাস্থানে রেখে দিয়েছিলুম।
ভাঙাচোরা জিনিসপত্র রাখার ঘরটায় গিয়ে একটা ভারি ড্রয়ার টেনে বের করলুম। টুকরো-টুকরো পুরনো লোহা, নাটবল্টু, স্ফু এই সব হাতড়াতে-হাতড়াতে এক-টুকরো টিনে ঘ্যাঁচ করে হাতটা গেল কেটে। কিন্তু সেদিকে নজর দেবার সময় ছিল না। হঠাৎ গোটা তিনেক জং ধরা চাবি পেয়ে গেলুম। ভাবলুম, এর মধ্যে একটাতে নিশ্চয়ই টানাটা খুলবে… খুব সম্ভব এই চাবিতেই খুলবে।
কাবার্ডের কাছে ফিরে গিয়ে জোর করে তালার মধ্যে চাবিটা ঢোকালুম। কিছুক্ষণ ক্যাঁচকোঁচ আওয়াজ করতে করতে হঠাৎ খুট করে তালা গেল খুলে। টানাটা খুললুম। হ্যাঁ, ওই তো আমার মাওজার। আর ওই তো খাপটা আলাদা পড়ে আছে। দুটো জিনিসই উঠিয়ে নিয়ে টানাটা ফের চাবিবন্ধ করে চাবিটা জানলা গলিয়ে বাগানে ফেলে দিলুম। তারপর এক ছুটে রাস্তায় বেরিয়ে পড়লুম। এদিক-ওদিক তাকাতে- তাকাতে এগোচ্ছি, হঠাৎ দেখি মা বাজার থেকে ফিরছেন। চট করে মোড় নিয়ে অন্য রাস্তায় চলে এলুম, তারপর কবরখানার দিকে লাগালুম ছুট।