০৫:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
পার্কিনসনের চিকিৎসা: ওষুধের সীমা পেরিয়ে নতুন পথের সন্ধান ভারতের ধর্মের সুরে রাজনীতি: সায়নী ঘোষের বার্তা, বিভাজনের ভাষা না সহাবস্থানের রাজপথ? দিদি বনাম দিদি: পশ্চিমবঙ্গের ভোটে নিঃশব্দ লড়াইয়ের অদৃশ্য রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গের ভোটের শেষ লড়াইয়ের আগে প্রচারের মাঠে বিজেপির মুখের সংকট: পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে নেতৃত্বহীনতার প্রশ্নে নতুন বিতর্ক ইন্দোনেশিয়ার লোককথা থেকে বিশ্বমঞ্চে: ‘পারা পেরাসুক’ ছবির সাফল্যের গল্প শৌখিন অ্যাকুয়ারিয়ামের ‘ সাপুসাপু ‘ মাছ এখন ইন্দোনেশিয়ার বিপদ ইরান যুদ্ধের ধাক্কা: অন্তত আট মাস ভোগান্তিতে ব্রিটিশ অর্থনীতি, সতর্ক করলেন সরকার আমেরিকায় হাম ফিরে আসছে: টিকাদানে শিথিলতা, সামনে আরও বড় স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা ৩০ হাজার হামলা, তবু জয় নেই: ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল কি সত্যিই এগিয়ে?

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৫
  • 76

সত্যেন্দ্রকুমার বসু 

রক্ষী বোধ হয় জীবনে এ রকম বাগ্মীতা কখনও শোনে নি। এই বক্তৃতায় অভিভূত হয়ে আর বোধ হয় ধর্মভাবেও একটু বিচলিত হয়ে সে পথিককে সাহায্য করতে রাজী হল। তার কাছ থেকে কিছু খাদ্য-সামগ্রী নিয়ে এখান থেকে সোজা তিনি চতুর্থ পাহারা-স্তন্তে পৌঁছলেন।

সেই স্তম্ভের রক্ষীও ধার্মিক, আর প্রথম স্তম্ভের রক্ষীর আত্মীয় ছিল। সে বলল, ‘সীমান্তের যে পঞ্চম (শেষ) দুর্গ আছে, তার কাছে যেন তিনি না যান, কারণ সে দুর্গের রক্ষী বৌদ্ধধর্মবিদ্বেষী।’

এই শেষ দুর্গ পরিহার করবার জন্যে হিউএনচাঙকে বাধ্য হয়ে কামুল বা হামিতে যাবার যেটা সাধারণ যাত্রীদের পথ ছিল, সেটায় না গিয়ে, উত্তর-পশ্চিমের আর এক পথ, যেটা গাশুন গোবির মরুভূমির পথ, যাকে চৈনিকরা বালির নদী বলে, সেই পথে যাবার চেষ্টা করতে হল।

তাঁর জীবনী-লেখক বলেন, ‘এই পথে পশু-পক্ষী, জল বা পশুর খাদ্য ঘাস কিছুই ছিল না। পথিক তাঁর নিজের ছায়া দেখে সময় নির্ণয় করতেন, আর প্রজ্ঞাপারমিতা অধ্যয়ন করতে করতে পথ চলতেন।’

চলবে

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৩)

 

 

পার্কিনসনের চিকিৎসা: ওষুধের সীমা পেরিয়ে নতুন পথের সন্ধান

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৪)

০৯:০০:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু 

রক্ষী বোধ হয় জীবনে এ রকম বাগ্মীতা কখনও শোনে নি। এই বক্তৃতায় অভিভূত হয়ে আর বোধ হয় ধর্মভাবেও একটু বিচলিত হয়ে সে পথিককে সাহায্য করতে রাজী হল। তার কাছ থেকে কিছু খাদ্য-সামগ্রী নিয়ে এখান থেকে সোজা তিনি চতুর্থ পাহারা-স্তন্তে পৌঁছলেন।

সেই স্তম্ভের রক্ষীও ধার্মিক, আর প্রথম স্তম্ভের রক্ষীর আত্মীয় ছিল। সে বলল, ‘সীমান্তের যে পঞ্চম (শেষ) দুর্গ আছে, তার কাছে যেন তিনি না যান, কারণ সে দুর্গের রক্ষী বৌদ্ধধর্মবিদ্বেষী।’

এই শেষ দুর্গ পরিহার করবার জন্যে হিউএনচাঙকে বাধ্য হয়ে কামুল বা হামিতে যাবার যেটা সাধারণ যাত্রীদের পথ ছিল, সেটায় না গিয়ে, উত্তর-পশ্চিমের আর এক পথ, যেটা গাশুন গোবির মরুভূমির পথ, যাকে চৈনিকরা বালির নদী বলে, সেই পথে যাবার চেষ্টা করতে হল।

তাঁর জীবনী-লেখক বলেন, ‘এই পথে পশু-পক্ষী, জল বা পশুর খাদ্য ঘাস কিছুই ছিল না। পথিক তাঁর নিজের ছায়া দেখে সময় নির্ণয় করতেন, আর প্রজ্ঞাপারমিতা অধ্যয়ন করতে করতে পথ চলতেন।’

চলবে

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৩)