০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের প্রতি সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কদের আহ্বান লুকানো পেটের চর্বি হৃদ্‌যন্ত্রকে দ্রুত বুড়িয়ে দিতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা মানুষের শিশুর মতোই গান শেখে তরুণ ফিঞ্চ পাখি গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৩ নারীর শরীর নিয়ে মন্তব্য করার অধিকার কারও নেই, বললেন নাইমাল খাওয়ার তালেবান শাসনে আফগানিস্তান: বিবাহবিচ্ছেদ থেকে স্মার্টফোন, সর্বত্র নিয়ন্ত্রণের ছায়া ওয়েলসের সর্বোচ্চ পর্বতে লাইন নিয়ে তুমুল বিতর্ক, ‘এটা তো বিনোদনকেন্দ্র নয়’ আফগানিস্তানের বাণিজ্যপথ বদলে যাচ্ছে, বড় ঝুঁকিতে পাকিস্তানের শিল্প-বাণিজ্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অভিবাসন নিয়ম: বিদেশি শিক্ষার্থীদের ১৫ সেপ্টেম্বরের আগেই ফিরতে বলছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৫
  • 100

সত্যেন্দ্রকুমার বসু 

রক্ষী বোধ হয় জীবনে এ রকম বাগ্মীতা কখনও শোনে নি। এই বক্তৃতায় অভিভূত হয়ে আর বোধ হয় ধর্মভাবেও একটু বিচলিত হয়ে সে পথিককে সাহায্য করতে রাজী হল। তার কাছ থেকে কিছু খাদ্য-সামগ্রী নিয়ে এখান থেকে সোজা তিনি চতুর্থ পাহারা-স্তন্তে পৌঁছলেন।

সেই স্তম্ভের রক্ষীও ধার্মিক, আর প্রথম স্তম্ভের রক্ষীর আত্মীয় ছিল। সে বলল, ‘সীমান্তের যে পঞ্চম (শেষ) দুর্গ আছে, তার কাছে যেন তিনি না যান, কারণ সে দুর্গের রক্ষী বৌদ্ধধর্মবিদ্বেষী।’

এই শেষ দুর্গ পরিহার করবার জন্যে হিউএনচাঙকে বাধ্য হয়ে কামুল বা হামিতে যাবার যেটা সাধারণ যাত্রীদের পথ ছিল, সেটায় না গিয়ে, উত্তর-পশ্চিমের আর এক পথ, যেটা গাশুন গোবির মরুভূমির পথ, যাকে চৈনিকরা বালির নদী বলে, সেই পথে যাবার চেষ্টা করতে হল।

তাঁর জীবনী-লেখক বলেন, ‘এই পথে পশু-পক্ষী, জল বা পশুর খাদ্য ঘাস কিছুই ছিল না। পথিক তাঁর নিজের ছায়া দেখে সময় নির্ণয় করতেন, আর প্রজ্ঞাপারমিতা অধ্যয়ন করতে করতে পথ চলতেন।’

চলবে

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৩)

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৪)

০৯:০০:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু 

রক্ষী বোধ হয় জীবনে এ রকম বাগ্মীতা কখনও শোনে নি। এই বক্তৃতায় অভিভূত হয়ে আর বোধ হয় ধর্মভাবেও একটু বিচলিত হয়ে সে পথিককে সাহায্য করতে রাজী হল। তার কাছ থেকে কিছু খাদ্য-সামগ্রী নিয়ে এখান থেকে সোজা তিনি চতুর্থ পাহারা-স্তন্তে পৌঁছলেন।

সেই স্তম্ভের রক্ষীও ধার্মিক, আর প্রথম স্তম্ভের রক্ষীর আত্মীয় ছিল। সে বলল, ‘সীমান্তের যে পঞ্চম (শেষ) দুর্গ আছে, তার কাছে যেন তিনি না যান, কারণ সে দুর্গের রক্ষী বৌদ্ধধর্মবিদ্বেষী।’

এই শেষ দুর্গ পরিহার করবার জন্যে হিউএনচাঙকে বাধ্য হয়ে কামুল বা হামিতে যাবার যেটা সাধারণ যাত্রীদের পথ ছিল, সেটায় না গিয়ে, উত্তর-পশ্চিমের আর এক পথ, যেটা গাশুন গোবির মরুভূমির পথ, যাকে চৈনিকরা বালির নদী বলে, সেই পথে যাবার চেষ্টা করতে হল।

তাঁর জীবনী-লেখক বলেন, ‘এই পথে পশু-পক্ষী, জল বা পশুর খাদ্য ঘাস কিছুই ছিল না। পথিক তাঁর নিজের ছায়া দেখে সময় নির্ণয় করতেন, আর প্রজ্ঞাপারমিতা অধ্যয়ন করতে করতে পথ চলতেন।’

চলবে

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৩)