০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
ফিলাডেলফিয়ার রকি মূর্তি সরানো নয়, শহরের জনপরিসর রক্ষার প্রশ্ন ভ্যালেন্তিনোর বিদায়: ফ্যাশনের ঊর্ধ্বে উঠে যিনি গড়েছিলেন চিরন্তন সৌন্দর্যের সাম্রাজ্য দ্রুত ডেলিভারির আড়ালে মানবিক মূল্য রূপচর্চার উত্থান বদলে দিচ্ছে বিশ্ববাজারের মুখ শিক্ষা জীবনে অর্থ যোগ করুক ডেরা ইসমাইল খানে বিয়ের আসরে আত্মঘাতী হামলা, প্রাণ গেল সাতজনের বয়কট গুঞ্জনের মধ্যেই টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করল পাকিস্তান চরম তাপের নাটক পেরিয়ে সিনারের প্রত্যাবর্তন, জোকোভিচের চারশো জয়ের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় বাংলাদেশের বদলে স্কটল্যান্ড, আইসিসির সিদ্ধান্তে ক্ষোভ আফ্রিদি ও গিলেস্পির গণভোটে ‘না’ বললেই স্বৈরাচারের দোসর, আর ‘হ্যাঁ’ প্রচার মানেই নাৎসিবাদের সঙ্গী: জিএম কাদের

ক্রমেই শক্তিশালী হচ্ছে ডিজিটাল মিডিয়ার বাজার

  • Sarakhon Report
  • ০৩:০৭:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 95

সারাক্ষণ রিপোর্ট

সারাংশ

১। ফেসবুক, গুগল, ইউটিউব ও নেটফ্লিক্স দেশের বিজ্ঞাপন বাজারের এক-তৃতীয়াংশ দখল করেছে, যা প্রতি বছর ১৫-২০% হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

২। টেলিভিশন, সংবাদপত্র ও অনলাইন মিডিয়ার বিজ্ঞাপন শেয়ার কমছে, ফলে তারা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে।

৩। ডিজিটাল মাধ্যমগুলোর বাংলাদেশে অফিস না থাকায় কর ও ভ্যাট আদায় কম হচ্ছে, যা অর্থনীতির জন্য চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে।


ডিজিটাল মিডিয়ার উত্থান ও বিজ্ঞাপন বাজারের পরিবর্তন

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ফেসবুক, গুগল, ইউটিউব ও নেটফ্লিক্স দেশের বিজ্ঞাপন বাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। বর্তমানে প্রায় ৪০ বিলিয়ন টাকার বিজ্ঞাপন বাজারের এক-তৃতীয়াংশ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম দখল করেছে, যেখানে টেলিভিশন চ্যানেল, সংবাদপত্র ও অনলাইন মিডিয়া বাকি অংশের জন্য প্রতিযোগিতা করছে।

দেশের প্রতিষ্ঠিত একটি বিজ্ঞাপন সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের অংশীদারিত্ব প্রতি বছর ১৫-২০% হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, বিশেষ করে কোভিড-১৯ মহামারির পর থেকে এই প্রবণতা আরও তীব্র হয়েছে।

প্রচলিত মিডিয়ার বিজ্ঞাপন শেয়ার কমছে

এক গবেষণা অনুযায়ী:

  • টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর বিজ্ঞাপন শেয়ার প্রতি বছর ২-৩% হারে কমছে
  • সংবাদপত্র ও অনলাইন মিডিয়া সংস্থাগুলো বছরে ১০% হারে শেয়ার হারাচ্ছে
    তবে টেলিভিশন এখনও বিজ্ঞাপন বাজারের ৫০% ধরে রেখেছে

বহুজাতিক কোম্পানি ও বিজ্ঞাপন খাতের পরিবর্তন

বহুজাতিক কোম্পানি ও দেশীয় সংস্থাগুলো বিজ্ঞাপন সংস্থার সাথে অংশীদারিত্ব করলেও মোট বিজ্ঞাপন ব্যয়ের ৩৬% কোম্পানির নিজস্ব অভ্যন্তরীণ বিজ্ঞাপন বিভাগ দ্বারা পরিচালিত হয়

স্ট্যাটিস্টার পূর্বাভাস দিয়েছে যে,

  • ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন বাজারের আকার হবে ৬৬৯.১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  • ২০২৯ সালের মধ্যে দেশের মোট বিজ্ঞাপন ব্যয়ের ৭৮% ডিজিটাল উৎস থেকে আসবে

সামাজিক মাধ্যমে বিজ্ঞাপনের বিস্তার ও সরকারের রাজস্ব ক্ষতি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিজ্ঞাপন বাজার দখল করার ফলে সরকার পর্যাপ্ত কর ও ভ্যাট সংগ্রহ করতে পারছে না। কারণ,

  1. এই মাধ্যমগুলোর বাংলাদেশে অফিস নেই।
  2. তাদের কার্যক্রমের উপর পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রণ নেই।

বাংলাদেশি কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের উপার্জন আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় কম। উদাহরণস্বরূপ,

  • ভারতীয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের তুলনায় তাদের উপার্জন এক-তৃতীয়াংশ
  • দর কষাকষির সুযোগ না থাকায় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয় বাড়ছে না।

বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন শিল্পের চ্যালেঞ্জ

  • বিজ্ঞাপন সংস্থাগুলো সামাজিক মাধ্যমে বিজ্ঞাপন সরবরাহ করলেও বিদেশি মুদ্রায় অর্থ প্রদান করতে হয়
  • বাংলাদেশে কোনো সামাজিক মাধ্যমের অফিস নেই, ফলে বিদেশ থেকে ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে।
  • সরকার নীতিগত পদক্ষেপ নিলে রাজস্ব আদায় বাড়ানো সম্ভব

তার মতে– “যদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর অফিস বাংলাদেশে থাকত, তবে সরকার এই খাত থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রাজস্ব আদায় করতে পারত।”

টেলিভিশন ও সংবাদপত্রের ভবিষ্যৎ

একটি বিজ্ঞাপন সংস্থার কর্মকতা সারাক্ষনকে বলেন,

  • সামাজিক মাধ্যমে বিজ্ঞাপন জনপ্রিয় হচ্ছে কারণ এটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু দর্শকদের কাছে সহজেই পৌঁছানোর সুযোগ দেয়।
  • টেলিভিশন চ্যানেল ও সংবাদপত্রের জন্য নির্ভরযোগ্য ডেটার অভাব তাদের বিজ্ঞাপন বাজারে প্রতিযোগিতা দুর্বল করছে।

সমাধান:

  • টেলিভিশন ও সংবাদপত্রের জন্য একটি নিরীক্ষা ব্যুরো গঠন করা
  • সাবস্ক্রিপশন মডেল চালু করা
  • সামাজিক মাধ্যমে কনটেন্ট প্রকাশ করে বিজ্ঞাপন আয় বৃদ্ধি করা

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের ক্ষতি

একটি বেসরকারি টেলিভিশনের বিজ্ঞাপন বিভাগের প্রধান বলেন,

  • বাংলাদেশে ৪০টি টেলিভিশন চ্যানেলকে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে টিকিয়ে রাখা কঠিন
  • বাংলাদেশি চলচ্চিত্র শিল্পও ক্ষতির মুখে, কারণ খুব কম চলচ্চিত্র আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে পৌঁছাতে পারছে।

উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন,

  • মাত্র তিনটি বাংলাদেশি চলচ্চিত্র – এতি তোমারই ঢাকা’, ‘কমলা রকেট’ ও পিপড়া বিদ্যা’ নেটফ্লিক্সে স্থান পেয়েছে
  • নেটফ্লিক্সে তালিকাভুক্ত হতে ভারতীয় এজেন্টের মাধ্যমে প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে

তিনি বলেন, “যদি নেটফ্লিক্সের অফিস বাংলাদেশে থাকত, তাহলে আরও বেশি বাংলাদেশি চলচ্চিত্র বিশ্বব্যাপী প্রদর্শিত হতে পারত।”

সংবাদপত্রের ভবিষ্যৎ ও ডিজিটাল রূপান্তর

এক শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপন ও বিপণন প্রধান জানান,

  • কোভিড-১৯ পরবর্তী সময়ে সংবাদপত্রের পাঠকসংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে
  • বেশিরভাগ পাঠক বর্তমানে অনলাইনে সংবাদ পড়ছেন
  • বেসরকারি বিজ্ঞাপন প্রবাহও কমছে

তিনি বলেন, “সংবাদপত্রের টিকে থাকার জন্য ডিজিটাল মাধ্যমে রূপান্তর অপরিহার্য।”

উপসংহার: ডিজিটাল বিপ্লবের সাথে খাপ খাওয়ানোর প্রয়োজন

বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন শিল্প দ্রুত ডিজিটাল মাধ্যমে রূপান্তরিত হচ্ছে।

  • সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আধিপত্য বাড়ছে
  • প্রচলিত মিডিয়া সংকটে পড়েছে
  • সরকার নীতিগত পদক্ষেপ নিলে রাজস্ব আয় বাড়তে পারে
  • টেলিভিশনসংবাদপত্র ও চলচ্চিত্র শিল্পকে ডিজিটাল রূপান্তরের মাধ্যমে টিকে থাকতে হবে

বিশেষজ্ঞদের মতে, নীতিগত পরিবর্তন এবং প্রযুক্তির সাথে খাপ খাওয়ানোই এই খাতের টিকে থাকার একমাত্র উপায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফিলাডেলফিয়ার রকি মূর্তি সরানো নয়, শহরের জনপরিসর রক্ষার প্রশ্ন

ক্রমেই শক্তিশালী হচ্ছে ডিজিটাল মিডিয়ার বাজার

০৩:০৭:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সারাক্ষণ রিপোর্ট

সারাংশ

১। ফেসবুক, গুগল, ইউটিউব ও নেটফ্লিক্স দেশের বিজ্ঞাপন বাজারের এক-তৃতীয়াংশ দখল করেছে, যা প্রতি বছর ১৫-২০% হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

২। টেলিভিশন, সংবাদপত্র ও অনলাইন মিডিয়ার বিজ্ঞাপন শেয়ার কমছে, ফলে তারা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে।

৩। ডিজিটাল মাধ্যমগুলোর বাংলাদেশে অফিস না থাকায় কর ও ভ্যাট আদায় কম হচ্ছে, যা অর্থনীতির জন্য চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে।


ডিজিটাল মিডিয়ার উত্থান ও বিজ্ঞাপন বাজারের পরিবর্তন

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ফেসবুক, গুগল, ইউটিউব ও নেটফ্লিক্স দেশের বিজ্ঞাপন বাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। বর্তমানে প্রায় ৪০ বিলিয়ন টাকার বিজ্ঞাপন বাজারের এক-তৃতীয়াংশ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম দখল করেছে, যেখানে টেলিভিশন চ্যানেল, সংবাদপত্র ও অনলাইন মিডিয়া বাকি অংশের জন্য প্রতিযোগিতা করছে।

দেশের প্রতিষ্ঠিত একটি বিজ্ঞাপন সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের অংশীদারিত্ব প্রতি বছর ১৫-২০% হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, বিশেষ করে কোভিড-১৯ মহামারির পর থেকে এই প্রবণতা আরও তীব্র হয়েছে।

প্রচলিত মিডিয়ার বিজ্ঞাপন শেয়ার কমছে

এক গবেষণা অনুযায়ী:

  • টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর বিজ্ঞাপন শেয়ার প্রতি বছর ২-৩% হারে কমছে
  • সংবাদপত্র ও অনলাইন মিডিয়া সংস্থাগুলো বছরে ১০% হারে শেয়ার হারাচ্ছে
    তবে টেলিভিশন এখনও বিজ্ঞাপন বাজারের ৫০% ধরে রেখেছে

বহুজাতিক কোম্পানি ও বিজ্ঞাপন খাতের পরিবর্তন

বহুজাতিক কোম্পানি ও দেশীয় সংস্থাগুলো বিজ্ঞাপন সংস্থার সাথে অংশীদারিত্ব করলেও মোট বিজ্ঞাপন ব্যয়ের ৩৬% কোম্পানির নিজস্ব অভ্যন্তরীণ বিজ্ঞাপন বিভাগ দ্বারা পরিচালিত হয়

স্ট্যাটিস্টার পূর্বাভাস দিয়েছে যে,

  • ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন বাজারের আকার হবে ৬৬৯.১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  • ২০২৯ সালের মধ্যে দেশের মোট বিজ্ঞাপন ব্যয়ের ৭৮% ডিজিটাল উৎস থেকে আসবে

সামাজিক মাধ্যমে বিজ্ঞাপনের বিস্তার ও সরকারের রাজস্ব ক্ষতি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিজ্ঞাপন বাজার দখল করার ফলে সরকার পর্যাপ্ত কর ও ভ্যাট সংগ্রহ করতে পারছে না। কারণ,

  1. এই মাধ্যমগুলোর বাংলাদেশে অফিস নেই।
  2. তাদের কার্যক্রমের উপর পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রণ নেই।

বাংলাদেশি কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের উপার্জন আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় কম। উদাহরণস্বরূপ,

  • ভারতীয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের তুলনায় তাদের উপার্জন এক-তৃতীয়াংশ
  • দর কষাকষির সুযোগ না থাকায় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয় বাড়ছে না।

বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন শিল্পের চ্যালেঞ্জ

  • বিজ্ঞাপন সংস্থাগুলো সামাজিক মাধ্যমে বিজ্ঞাপন সরবরাহ করলেও বিদেশি মুদ্রায় অর্থ প্রদান করতে হয়
  • বাংলাদেশে কোনো সামাজিক মাধ্যমের অফিস নেই, ফলে বিদেশ থেকে ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে।
  • সরকার নীতিগত পদক্ষেপ নিলে রাজস্ব আদায় বাড়ানো সম্ভব

তার মতে– “যদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর অফিস বাংলাদেশে থাকত, তবে সরকার এই খাত থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রাজস্ব আদায় করতে পারত।”

টেলিভিশন ও সংবাদপত্রের ভবিষ্যৎ

একটি বিজ্ঞাপন সংস্থার কর্মকতা সারাক্ষনকে বলেন,

  • সামাজিক মাধ্যমে বিজ্ঞাপন জনপ্রিয় হচ্ছে কারণ এটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু দর্শকদের কাছে সহজেই পৌঁছানোর সুযোগ দেয়।
  • টেলিভিশন চ্যানেল ও সংবাদপত্রের জন্য নির্ভরযোগ্য ডেটার অভাব তাদের বিজ্ঞাপন বাজারে প্রতিযোগিতা দুর্বল করছে।

সমাধান:

  • টেলিভিশন ও সংবাদপত্রের জন্য একটি নিরীক্ষা ব্যুরো গঠন করা
  • সাবস্ক্রিপশন মডেল চালু করা
  • সামাজিক মাধ্যমে কনটেন্ট প্রকাশ করে বিজ্ঞাপন আয় বৃদ্ধি করা

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের ক্ষতি

একটি বেসরকারি টেলিভিশনের বিজ্ঞাপন বিভাগের প্রধান বলেন,

  • বাংলাদেশে ৪০টি টেলিভিশন চ্যানেলকে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে টিকিয়ে রাখা কঠিন
  • বাংলাদেশি চলচ্চিত্র শিল্পও ক্ষতির মুখে, কারণ খুব কম চলচ্চিত্র আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে পৌঁছাতে পারছে।

উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন,

  • মাত্র তিনটি বাংলাদেশি চলচ্চিত্র – এতি তোমারই ঢাকা’, ‘কমলা রকেট’ ও পিপড়া বিদ্যা’ নেটফ্লিক্সে স্থান পেয়েছে
  • নেটফ্লিক্সে তালিকাভুক্ত হতে ভারতীয় এজেন্টের মাধ্যমে প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে

তিনি বলেন, “যদি নেটফ্লিক্সের অফিস বাংলাদেশে থাকত, তাহলে আরও বেশি বাংলাদেশি চলচ্চিত্র বিশ্বব্যাপী প্রদর্শিত হতে পারত।”

সংবাদপত্রের ভবিষ্যৎ ও ডিজিটাল রূপান্তর

এক শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপন ও বিপণন প্রধান জানান,

  • কোভিড-১৯ পরবর্তী সময়ে সংবাদপত্রের পাঠকসংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে
  • বেশিরভাগ পাঠক বর্তমানে অনলাইনে সংবাদ পড়ছেন
  • বেসরকারি বিজ্ঞাপন প্রবাহও কমছে

তিনি বলেন, “সংবাদপত্রের টিকে থাকার জন্য ডিজিটাল মাধ্যমে রূপান্তর অপরিহার্য।”

উপসংহার: ডিজিটাল বিপ্লবের সাথে খাপ খাওয়ানোর প্রয়োজন

বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন শিল্প দ্রুত ডিজিটাল মাধ্যমে রূপান্তরিত হচ্ছে।

  • সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আধিপত্য বাড়ছে
  • প্রচলিত মিডিয়া সংকটে পড়েছে
  • সরকার নীতিগত পদক্ষেপ নিলে রাজস্ব আয় বাড়তে পারে
  • টেলিভিশনসংবাদপত্র ও চলচ্চিত্র শিল্পকে ডিজিটাল রূপান্তরের মাধ্যমে টিকে থাকতে হবে

বিশেষজ্ঞদের মতে, নীতিগত পরিবর্তন এবং প্রযুক্তির সাথে খাপ খাওয়ানোই এই খাতের টিকে থাকার একমাত্র উপায়।