০৪:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
সাত মসজিদ এলাকায় অভিযান: মোহাম্মদপুরে ওয়ার্ড পর্যায়ের আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার জাপানের সামনে ব্রাজিল চ্যালেঞ্জ, ‘গুরুতর ব্রাজিল’-এর বিপক্ষে লড়াইয়ে আশাবাদী মোরিয়াসু সুইডেনের সঙ্গে ড্র, নকআউটে উঠে এবার ব্রাজিলের মুখোমুখি জাপান নতুন তেলের যুগের সূচনা: হরমুজ সংকট কি জীবাশ্ম জ্বালানির আধিপত্যে ফাটল ধরাল? চার মাস পর আবারও অপরিশোধিত তেল লোডিং শুরু করেছে সৌদি আরামকো ভেনেজুয়েলায় ধ্বংসস্তূপে উদ্ধার অভিযান, নিখোঁজ প্রায় ৫০ হাজার হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলার পর জাতিসংঘের নিরাপত্তা এসকর্ট কার্যক্রম স্থগিত শি: বাংলাদেশের সঙ্গে উচ্চমানের বিআরআই সহযোগিতায় প্রস্তুত চীন গুদগুদিতে হাসে মানুষ ও বনমানুষ, মিলল হাসির বিবর্তনের ছন্দময় সূত্র ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড জনজীবন, বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

উচ্চ আদালতের নির্দেশ: চাকরিচ্যুত ৮৫ কর্মকর্তার চাকরি ফেরত

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০২:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 133

সারাক্ষণ রিপোর্ট

২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে চাকরিচ্যুত ৮৫ জন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছেন বাংলাদেশের উচ্চ আদালত। পাশাপাশি তাদের সব সুযোগ-সুবিধাও ফেরত দেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়েছে। যেসব কর্মকর্তা মামলার চলাকালীন মারা গেছেন, তাদের পরিবারকেও একই সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

আদালতের রায়

মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বিভাগ এই রায় দেন। এর আগে ২০ ফেব্রুয়ারি পৃথক আবেদনের শুনানি শেষে আদালত আজকের দিনটি রায়ের জন্য নির্ধারণ করেছিলেন।

ঘটনার পেছনের ইতিহাস

  • নিয়োগ ও বিতর্ক:
    ২০০৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে ৩২৭ জনকে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে অস্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগটি চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে হওয়ায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়।
  • মূল্যায়ন ও চাকরিচ্যুতি:
    ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিতর্কিত নিয়োগ পর্যালোচনার জন্য মূল্যায়ন পরীক্ষা নেয়। এর ফলে ৮৫ জনকে ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর চাকরিচ্যুত করা হয়।

  • আইনি লড়াই:
    চাকরিচ্যুত কর্মকর্তারা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তবে ২০০৯ সালের ২৩ মার্চ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল তাদের আবেদন খারিজ করে দেয়।

আদালতের সিদ্ধান্তের গুরুত্ব

এই রায়ের মাধ্যমে দীর্ঘ ১৮ বছর পর চাকরিচ্যুত কর্মকর্তারা তাদের চাকরি ও সব সুবিধা ফেরত পাবেন। এটি শুধু ব্যক্তিগত পুনর্বহাল নয়, বরং প্রশাসনিক ন্যায়বিচারেরও উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাত মসজিদ এলাকায় অভিযান: মোহাম্মদপুরে ওয়ার্ড পর্যায়ের আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার

উচ্চ আদালতের নির্দেশ: চাকরিচ্যুত ৮৫ কর্মকর্তার চাকরি ফেরত

০৯:০২:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সারাক্ষণ রিপোর্ট

২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে চাকরিচ্যুত ৮৫ জন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছেন বাংলাদেশের উচ্চ আদালত। পাশাপাশি তাদের সব সুযোগ-সুবিধাও ফেরত দেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়েছে। যেসব কর্মকর্তা মামলার চলাকালীন মারা গেছেন, তাদের পরিবারকেও একই সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

আদালতের রায়

মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বিভাগ এই রায় দেন। এর আগে ২০ ফেব্রুয়ারি পৃথক আবেদনের শুনানি শেষে আদালত আজকের দিনটি রায়ের জন্য নির্ধারণ করেছিলেন।

ঘটনার পেছনের ইতিহাস

  • নিয়োগ ও বিতর্ক:
    ২০০৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে ৩২৭ জনকে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে অস্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগটি চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে হওয়ায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়।
  • মূল্যায়ন ও চাকরিচ্যুতি:
    ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিতর্কিত নিয়োগ পর্যালোচনার জন্য মূল্যায়ন পরীক্ষা নেয়। এর ফলে ৮৫ জনকে ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর চাকরিচ্যুত করা হয়।

  • আইনি লড়াই:
    চাকরিচ্যুত কর্মকর্তারা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তবে ২০০৯ সালের ২৩ মার্চ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল তাদের আবেদন খারিজ করে দেয়।

আদালতের সিদ্ধান্তের গুরুত্ব

এই রায়ের মাধ্যমে দীর্ঘ ১৮ বছর পর চাকরিচ্যুত কর্মকর্তারা তাদের চাকরি ও সব সুবিধা ফেরত পাবেন। এটি শুধু ব্যক্তিগত পুনর্বহাল নয়, বরং প্রশাসনিক ন্যায়বিচারেরও উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হবে।