১১:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
রাশিয়ার রপ্তানি সংকটে বাজেট চাপ, মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রে অপ্রাপ্তবয়স্কদের লিঙ্গ পরিবর্তন অস্ত্রোপচারে আপত্তি শীর্ষ চিকিৎসক সংগঠনের মার্কিন অভিজাতদের ‘অশ্লীল ঘনিষ্ঠতা’ ফাঁস, এপস্টিন নথি ঘিরে তীব্র মন্তব্য ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের ভেনেজুয়েলার তেলে শত বিলিয়ন ডলারের বাজি, ভরসা ভাঙা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে ভারতে গণবাতিল উড়ান নিয়ে বড় তদন্ত, প্রতিযোগিতা লঙ্ঘনের অভিযোগে চাপের মুখে ইন্ডিগো ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক কিছুটা স্থবির ও বাধাগ্রস্ত ছিল: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ইউক্রেন-রাশিয়া শান্তি আলোচনায় বন্দি বিনিময় চুক্তি, তবু যুদ্ধবিরতি অনিশ্চিত নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা: অবাধ ভোট না হলে প্রশ্নবিদ্ধ হবে গণতন্ত্র তরুণদের হাতে দেশের হাল ধরার আহ্বান, বেকার ভাতার বদলে দক্ষতা ও মর্যাদার প্রতিশ্রুতি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ফুটবল ফাইনাল ঘিরে রক্তাক্ত সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত অন্তত ২০

উচ্চ আদালতের নির্দেশ: চাকরিচ্যুত ৮৫ কর্মকর্তার চাকরি ফেরত

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০২:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 100

সারাক্ষণ রিপোর্ট

২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে চাকরিচ্যুত ৮৫ জন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছেন বাংলাদেশের উচ্চ আদালত। পাশাপাশি তাদের সব সুযোগ-সুবিধাও ফেরত দেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়েছে। যেসব কর্মকর্তা মামলার চলাকালীন মারা গেছেন, তাদের পরিবারকেও একই সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

আদালতের রায়

মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বিভাগ এই রায় দেন। এর আগে ২০ ফেব্রুয়ারি পৃথক আবেদনের শুনানি শেষে আদালত আজকের দিনটি রায়ের জন্য নির্ধারণ করেছিলেন।

ঘটনার পেছনের ইতিহাস

  • নিয়োগ ও বিতর্ক:
    ২০০৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে ৩২৭ জনকে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে অস্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগটি চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে হওয়ায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়।
  • মূল্যায়ন ও চাকরিচ্যুতি:
    ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিতর্কিত নিয়োগ পর্যালোচনার জন্য মূল্যায়ন পরীক্ষা নেয়। এর ফলে ৮৫ জনকে ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর চাকরিচ্যুত করা হয়।

  • আইনি লড়াই:
    চাকরিচ্যুত কর্মকর্তারা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তবে ২০০৯ সালের ২৩ মার্চ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল তাদের আবেদন খারিজ করে দেয়।

আদালতের সিদ্ধান্তের গুরুত্ব

এই রায়ের মাধ্যমে দীর্ঘ ১৮ বছর পর চাকরিচ্যুত কর্মকর্তারা তাদের চাকরি ও সব সুবিধা ফেরত পাবেন। এটি শুধু ব্যক্তিগত পুনর্বহাল নয়, বরং প্রশাসনিক ন্যায়বিচারেরও উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাশিয়ার রপ্তানি সংকটে বাজেট চাপ, মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়ছে

উচ্চ আদালতের নির্দেশ: চাকরিচ্যুত ৮৫ কর্মকর্তার চাকরি ফেরত

০৯:০২:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সারাক্ষণ রিপোর্ট

২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে চাকরিচ্যুত ৮৫ জন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছেন বাংলাদেশের উচ্চ আদালত। পাশাপাশি তাদের সব সুযোগ-সুবিধাও ফেরত দেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়েছে। যেসব কর্মকর্তা মামলার চলাকালীন মারা গেছেন, তাদের পরিবারকেও একই সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

আদালতের রায়

মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বিভাগ এই রায় দেন। এর আগে ২০ ফেব্রুয়ারি পৃথক আবেদনের শুনানি শেষে আদালত আজকের দিনটি রায়ের জন্য নির্ধারণ করেছিলেন।

ঘটনার পেছনের ইতিহাস

  • নিয়োগ ও বিতর্ক:
    ২০০৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে ৩২৭ জনকে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে অস্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগটি চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে হওয়ায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়।
  • মূল্যায়ন ও চাকরিচ্যুতি:
    ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিতর্কিত নিয়োগ পর্যালোচনার জন্য মূল্যায়ন পরীক্ষা নেয়। এর ফলে ৮৫ জনকে ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর চাকরিচ্যুত করা হয়।

  • আইনি লড়াই:
    চাকরিচ্যুত কর্মকর্তারা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তবে ২০০৯ সালের ২৩ মার্চ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল তাদের আবেদন খারিজ করে দেয়।

আদালতের সিদ্ধান্তের গুরুত্ব

এই রায়ের মাধ্যমে দীর্ঘ ১৮ বছর পর চাকরিচ্যুত কর্মকর্তারা তাদের চাকরি ও সব সুবিধা ফেরত পাবেন। এটি শুধু ব্যক্তিগত পুনর্বহাল নয়, বরং প্রশাসনিক ন্যায়বিচারেরও উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হবে।