০৫:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
কেমোথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় মানসিক সক্ষমতা ধরে রাখতে ব্যায়াম হতে পারে কার্যকর: নতুন গবেষণা সরকারের অনুমোদন: মরক্কো থেকে ৬০ হাজার টন টিএসপি সার আমদানি, ডালও কিনছে সরকার ইসলামী ব্যাংকের অস্থিরতায় উদ্বিগ্ন ব্যাংকাররা, আস্থার সংকটের আশঙ্কা রাজশাহীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ব্যাংক কর্মকর্তাসহ নিহত ২ হামে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৬৩৯, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ শিশুর মৃত্যু অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে জোর দেওয়ার আহ্বান, আজ আসছে ৯.৩৮ লাখ কোটি টাকার বাজেট ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনঃ ভারতের জনসংখ্যা দ্রুতগতিতে কমতে শুরু করবে  নতুন বিশ্বব্যবস্থায় চীনের অবস্থান: কূটনীতি, শক্তির ভারসাম্য ও বৈশ্বিক নেতৃত্বের প্রশ্ন নির্বাচিত প্রতিষ্ঠান যখন ক্ষমতার যুদ্ধে বন্দি যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নজরদারিতে ৭০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল অনুমোদন, ট্রাম্পের স্বাক্ষরের অপেক্ষা

বাংলাদেশ ব্যাংক বিলে আগ্রহ নেই ব্যাংকগুলোর

  • Sarakhon Report
  • ০৩:৩৩:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫
  • 156

সারাক্ষণ রিপোর্ট

সারাংশ

  • বাংলাদেশ ব্যাংক বিলের লাভের ওপর প্রায় ২০% কর ধার্য করা হয়েছে, যেখানে ৯১ দিনের ট্রেজারি বিলের কর মাত্র ৫%
  • ৩০ দিনের বাংলাদেশ ব্যাংক বিল ও ৯১ দিনের ট্রেজারি বিলের মধ্যে লাভের পার্থক্য খুবই কম
  • ব্যাংকগুলো সাধারণত কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ১০% নীতি হারে ঋণ নিয়ে সরকারি সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করছে
  • ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক বিলের পরিবর্তে স্বল্পমেয়াদী স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট সুবিধা (SDF) এবং সরকারি ট্রেজারি বিল ও বন্ডে বিনিয়োগে বেশি আগ্রহী

বাংলাদেশ ব্যাংক তারলতা নিয়ন্ত্রণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক বিল চালু করলেও এটি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে তেমন আকর্ষণীয় হয়ে উঠেনি। ব্যাংকগুলো সাধারণত কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ১০% নীতি হারে ঋণ নিয়ে সরকারি সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করছে, যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তারলতা সংকোচনের প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকা ও বিনিয়োগ কৌশল

বাংলাদেশ ব্যাংক তিন বছরের বিরতির পর ২০ নভেম্বর ২০২৪-এ BB বিল পুনরায় চালু করে অতিরিক্ত তারলতা নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে।

  • ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক বিলের পরিবর্তে সরকারি ট্রেজারি বিল ও বন্ডে বিনিয়োগে আগ্রহী।
  • বাংলাদেশ ব্যাংক বিলের কাট-অফ ইয়িল্ড ৯১ দিনের ট্রেজারি বিলের সাথে মিল রেখে নির্ধারণ করা হলেও সাম্প্রতিক নিলামে এটি কমে ১০.৩৫% হয়েছে।

কর ব্যবধান ও বিনিয়োগের প্রভাব

বাংলাদেশ ব্যাংকের বিলের লাভের উপর প্রায় ২০% কর ধার্য করা হয়েছে, যেখানে ৯১ দিনের ট্রেজারি বিলের কর মাত্র ৫%।

  • বেশি করের কারণে বাংলাদেশ ব্যাংক বিল থেকে নেট লাভ কম হচ্ছে।
  • এর ফলে ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক  বিলের নিলামে অংশ নিতে আগ্রহী নয়।
  • উদাহরণস্বরূপ, ২৬ ফেব্রুয়ারির নিলামে কোনো বিড জমা পড়েনি।

বিকল্প বিনিয়োগ ও ব্যাংকগুলোর প্রতিক্রিয়া

ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক বিলের পরিবর্তে স্বল্পমেয়াদী স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট সুবিধা (SDF) ব্যবহার করছে কারণ:

  • এটি ওভারনাইট ইন্সট্রুমেন্ট, যা তাৎক্ষণিক তারলতা চাহিদা মেটাতে সহায়ক।
  • সরকারি ট্রেজারি বিলে বিনিয়োগ করলে তহবিল সহজে প্রবাহিত রাখা যায়।
  • ট্রেজারি প্রধানদের মতে, করের বোঝা ও লাভের সামান্য পার্থক্যের কারণে BB বিলের প্রতি আগ্রহ কমে গেছে।

উপসংহার

বাংলাদেশ ব্যাংক  বিলের নিলামে অংশগ্রহণ কমার মূল কারণ:

 উচ্চ কর হার (বাংলাদেশ ব্যাংক বিলের ওপর ২০%, ট্রেজারি বিলের ওপর ৫%)

লাভের সামান্য পার্থক্য (৩০ দিনের বাংলাদেশ ব্যাংক  বিল ও ৯১ দিনের ট্রেজারি বিলের মধ্যে

বাংলাদেশ ব্যাংক নিলামের কাট-অফ ইয়িল্ড বাড়ানোর কথা ভাবলেও, ব্যাংকগুলো বর্তমানে SDF ও ট্রেজারি বিলের মতো বিকল্পে বিনিয়োগে বেশি স্বস্তি পাচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কেমোথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় মানসিক সক্ষমতা ধরে রাখতে ব্যায়াম হতে পারে কার্যকর: নতুন গবেষণা

বাংলাদেশ ব্যাংক বিলে আগ্রহ নেই ব্যাংকগুলোর

০৩:৩৩:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫

সারাক্ষণ রিপোর্ট

সারাংশ

  • বাংলাদেশ ব্যাংক বিলের লাভের ওপর প্রায় ২০% কর ধার্য করা হয়েছে, যেখানে ৯১ দিনের ট্রেজারি বিলের কর মাত্র ৫%
  • ৩০ দিনের বাংলাদেশ ব্যাংক বিল ও ৯১ দিনের ট্রেজারি বিলের মধ্যে লাভের পার্থক্য খুবই কম
  • ব্যাংকগুলো সাধারণত কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ১০% নীতি হারে ঋণ নিয়ে সরকারি সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করছে
  • ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক বিলের পরিবর্তে স্বল্পমেয়াদী স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট সুবিধা (SDF) এবং সরকারি ট্রেজারি বিল ও বন্ডে বিনিয়োগে বেশি আগ্রহী

বাংলাদেশ ব্যাংক তারলতা নিয়ন্ত্রণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক বিল চালু করলেও এটি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে তেমন আকর্ষণীয় হয়ে উঠেনি। ব্যাংকগুলো সাধারণত কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ১০% নীতি হারে ঋণ নিয়ে সরকারি সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করছে, যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তারলতা সংকোচনের প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকা ও বিনিয়োগ কৌশল

বাংলাদেশ ব্যাংক তিন বছরের বিরতির পর ২০ নভেম্বর ২০২৪-এ BB বিল পুনরায় চালু করে অতিরিক্ত তারলতা নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে।

  • ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক বিলের পরিবর্তে সরকারি ট্রেজারি বিল ও বন্ডে বিনিয়োগে আগ্রহী।
  • বাংলাদেশ ব্যাংক বিলের কাট-অফ ইয়িল্ড ৯১ দিনের ট্রেজারি বিলের সাথে মিল রেখে নির্ধারণ করা হলেও সাম্প্রতিক নিলামে এটি কমে ১০.৩৫% হয়েছে।

কর ব্যবধান ও বিনিয়োগের প্রভাব

বাংলাদেশ ব্যাংকের বিলের লাভের উপর প্রায় ২০% কর ধার্য করা হয়েছে, যেখানে ৯১ দিনের ট্রেজারি বিলের কর মাত্র ৫%।

  • বেশি করের কারণে বাংলাদেশ ব্যাংক বিল থেকে নেট লাভ কম হচ্ছে।
  • এর ফলে ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক  বিলের নিলামে অংশ নিতে আগ্রহী নয়।
  • উদাহরণস্বরূপ, ২৬ ফেব্রুয়ারির নিলামে কোনো বিড জমা পড়েনি।

বিকল্প বিনিয়োগ ও ব্যাংকগুলোর প্রতিক্রিয়া

ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক বিলের পরিবর্তে স্বল্পমেয়াদী স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট সুবিধা (SDF) ব্যবহার করছে কারণ:

  • এটি ওভারনাইট ইন্সট্রুমেন্ট, যা তাৎক্ষণিক তারলতা চাহিদা মেটাতে সহায়ক।
  • সরকারি ট্রেজারি বিলে বিনিয়োগ করলে তহবিল সহজে প্রবাহিত রাখা যায়।
  • ট্রেজারি প্রধানদের মতে, করের বোঝা ও লাভের সামান্য পার্থক্যের কারণে BB বিলের প্রতি আগ্রহ কমে গেছে।

উপসংহার

বাংলাদেশ ব্যাংক  বিলের নিলামে অংশগ্রহণ কমার মূল কারণ:

 উচ্চ কর হার (বাংলাদেশ ব্যাংক বিলের ওপর ২০%, ট্রেজারি বিলের ওপর ৫%)

লাভের সামান্য পার্থক্য (৩০ দিনের বাংলাদেশ ব্যাংক  বিল ও ৯১ দিনের ট্রেজারি বিলের মধ্যে

বাংলাদেশ ব্যাংক নিলামের কাট-অফ ইয়িল্ড বাড়ানোর কথা ভাবলেও, ব্যাংকগুলো বর্তমানে SDF ও ট্রেজারি বিলের মতো বিকল্পে বিনিয়োগে বেশি স্বস্তি পাচ্ছে।