১১:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬
চীন প্রভাবেই ধাক্কা: ২০২৬ সালে জাপানে বিদেশি পর্যটক কমার আশঙ্কা পাহাড়ে নীরব প্রত্যাবর্তন: জাবারখেতের বনে বন্যপ্রাণী ও নরম পর্যটনের নতুন পথ হংকংয়ে ইতিহাস গড়ল চীনা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংস্থা, তালিকাভুক্তিতেই উঠল বিপুল অর্থ এআই চাহিদার জোয়ারে স্যামসাংয়ের লাভে উল্লম্ফন, এক ত্রৈমাসিকে তিন গুণ সৌদি আরবের শিংওয়ালা মরু সাপ গ্রিনল্যান্ড ঘিরে নতুন কৌশল, বরফ গলার পথে চীনের ছায়া ঠেকাতে ট্রাম্পের তৎপরতা কেরালার কারিগরদের হাতে ফিরল প্রাচীন নৌযানের গৌরব, সমুদ্রে পাড়ি দিল কৌণ্ডিন্য ইউনিক্লোর ঝলমলে বিক্রি, লাভের পূর্বাভাস বাড়াল ফাস্ট রিটেইলিং ঋণের বদলে যুদ্ধবিমান: সৌদি অর্থ সহায়তা রূপ নিতে পারে জেএফ–সতেরো চুক্তিতে গৌর নদী: বরিশালের শিরা-উপশিরায় ভর করে থাকা এক জীবন্ত স্মৃতি

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১২১)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫
  • 92

প্রদীপ কুমার মজুমদার

ভারতীয় অঙ্কপাতন পদ্ধতির ইউরোপে প্রথম প্রচারক হিসাবে আদেলাদ অব বাথের নাম করা যায়। ইনি আল খোয়ারজমীর পাটীগণিতটি ল্যাটিনে অনুবাদ করেন। এবং এরই ফলে ইউরোপ ভারতীয় অঙ্কপাতন পদ্ধতির সঙ্গে পরিচিত হয়। এরপর ফিবোনাচ্চির নাম উল্লেখ করতে হয়।

বলতে গেলে ফিবোনাচ্চিই ইউরোপে প্রথম পাটীগণিতের প্রবর্তন করে। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ Liber abaci’তে ভারতীয় সংখ্যা সম্বন্ধে সুশৃঙ্খলরূপে আলোচনা করা হয়েছে। মনে হয় ফিবোনাচ্চি কোন মুসলমানের কাছ থেকে দশমিক সংখ্যাপাতন পদ্ধতি শিখেছিলেন।

দশমিক স্থানীয় মান পদ্ধতি আবার সাক্রোবস্কো ও ভিলদিউ ব্যাপক আকারে প্রচার করেন। অবক্ষ সালোবস্কো’র লেখায় দশমিক পদ্ধতির আবিষ্কারক হিসাবে আরবদের নাম উল্লেখ থাকতে দেখা যায়। পরবর্তীকালে সমস্ত জগতের এ ভ্রান্তি বিদূরিত হয়েছিল।

ইউরোপে যে ভারতীয় সংখ্যা প্রণালী যে ব্যাপক প্রসারলাভ করেছিল সে কথা আজ কারও নিকট অবিদিত নয়। তবুও যাঁরা এ ব্যাপারে উৎসাহী তাঁরা স্মীথ ও কারাস্পিনস্কী লিখিত “হিন্দু আরবীয় নিউমেরালস্” গ্রন্থটি দেখতে পারেন। এতে এ সম্পর্কে ব্যাপক অথচ সুশৃংখলভাবে আলোচনা করা হয়েছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১২০)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১২০)

জনপ্রিয় সংবাদ

চীন প্রভাবেই ধাক্কা: ২০২৬ সালে জাপানে বিদেশি পর্যটক কমার আশঙ্কা

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১২১)

০৩:০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

ভারতীয় অঙ্কপাতন পদ্ধতির ইউরোপে প্রথম প্রচারক হিসাবে আদেলাদ অব বাথের নাম করা যায়। ইনি আল খোয়ারজমীর পাটীগণিতটি ল্যাটিনে অনুবাদ করেন। এবং এরই ফলে ইউরোপ ভারতীয় অঙ্কপাতন পদ্ধতির সঙ্গে পরিচিত হয়। এরপর ফিবোনাচ্চির নাম উল্লেখ করতে হয়।

বলতে গেলে ফিবোনাচ্চিই ইউরোপে প্রথম পাটীগণিতের প্রবর্তন করে। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ Liber abaci’তে ভারতীয় সংখ্যা সম্বন্ধে সুশৃঙ্খলরূপে আলোচনা করা হয়েছে। মনে হয় ফিবোনাচ্চি কোন মুসলমানের কাছ থেকে দশমিক সংখ্যাপাতন পদ্ধতি শিখেছিলেন।

দশমিক স্থানীয় মান পদ্ধতি আবার সাক্রোবস্কো ও ভিলদিউ ব্যাপক আকারে প্রচার করেন। অবক্ষ সালোবস্কো’র লেখায় দশমিক পদ্ধতির আবিষ্কারক হিসাবে আরবদের নাম উল্লেখ থাকতে দেখা যায়। পরবর্তীকালে সমস্ত জগতের এ ভ্রান্তি বিদূরিত হয়েছিল।

ইউরোপে যে ভারতীয় সংখ্যা প্রণালী যে ব্যাপক প্রসারলাভ করেছিল সে কথা আজ কারও নিকট অবিদিত নয়। তবুও যাঁরা এ ব্যাপারে উৎসাহী তাঁরা স্মীথ ও কারাস্পিনস্কী লিখিত “হিন্দু আরবীয় নিউমেরালস্” গ্রন্থটি দেখতে পারেন। এতে এ সম্পর্কে ব্যাপক অথচ সুশৃংখলভাবে আলোচনা করা হয়েছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১২০)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১২০)