০৮:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে শি জিনপিংয়ের বৈঠক মুহাররমের চাঁদ দেখা যায়নি, পাকিস্তানে ২৬ জুন পালিত হবে আশুরা রয়টার্স এর প্রতিবেদনঃ বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লি বিমানবন্দরে ‘জিজ্ঞাসাবাদ’ করার প্রতিবাদ জানিয়েছে লালমনিরহাটে শিশু হত্যাকাণ্ড ঘিরে সংঘর্ষ: এসপি-ওসিসহ আহত ২০, আটক প্রধান সন্দেহভাজন ডেঙ্গুতে আরও ১ জনের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১১৩ চুয়াডাঙ্গায় ২ হাজার ফুটের আর্জেন্টিনা পতাকা নিয়ে বিশ্বকাপ র‍্যালি, জনসমুদ্রে রূপ নিল শহর ছয় নবজাতকের মৃত্যুর পর সংস্কার কর্মসূচি ঘোষণা আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের ইসলামী ব্যাংকে পেশাদার পরিচালনা পর্ষদ গঠনের দাবি, গভর্নরের কাছে স্মারকলিপি চাঁদপুর-কুমিল্লা মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার জুলাই আন্দোলনের হামলা মামলায় শাস্তি কমাল জাবি, আপিলে অব্যাহতি পেলেন কয়েকজন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১২)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ মার্চ ২০২৫
  • 333

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

সামাজিক কাঠামোর তৃতীয় স্তর গড়ে উঠেছিল ‘দাস’ বা লাকোতিন (Tlacotin) দের নিয়ে। সমাজে এদের বিশেষ স্থান বা গুরুত্ব ছিল। সমাজে কারও বেশি মাত্রায় ধার দেনা থাকলে সে ‘দাসে’ পরিণত হত। এই ঋণ শোধ করতে না পারার জন্য তাদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হত এবং অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী শাস্তি পেতে হত এবং কখনো কখনো জেল খাটতেও হত।

তবে এ প্রসঙ্গে উল্লেখ করা ভাল যে দাস হওয়া বা এই ব্যবস্থাটি বংশানুক্রমিক নয়। দাসদের ছেলেমেয়েরা সাধারণ বা স্বাভাবিক বা মুক্ত অবস্থায় সব অধিকার বা সামাজিক মর্যাদা ভোগ করতে পারত। এ বিষয়টিও উল্লেখের দাবি রাখে যে কোন দাস বা দাসদের প্রতি অন্যায় ব্যবহার, অবিচার করা হয়েছে এ প্রমাণিত হলে সে স্বাধীন হতে পারত এবং সাধারণ সুযোগসুবিধা ভোগ করার অধিকার অর্জন করত।

দাসদের এই ক্ষেত্রে ছেলে বা মেয়ে থাকলে তাদের উঁচু ঘরে বিয়ে দেবার ব্যবস্থাও স্বীকৃত ছিল। আবার অনেকক্ষেত্রে মালিক বা মনিবের মৃত্যু হলে যেসব দাস এর কাজ প্রশংসা অর্জন করার মত তাদের মুক্ত করে দেওয়া হত। এর সঙ্গে আরেকটি শ্রেণিও ছিল যাদের বলা হত পর্যটন ব্যবসায়ী বা পোচতেকা (Pochteca)। এরা সংখ্যায় খুর্ব জম হলেও গুরুত্ব কম ছিল না। এদের প্রধান কাজ বা দায়িত্ব ছিল বাণিজ্য সাক্রান্তে কাজে সাহায্য করা।

তবে এই পর্যটন ব্যবসায়ীরা যেহেতু বিভিন্ন রাজা বা দেশের বাইরেও যেত সেই সূত্রে গোপন খবর দেওয়া-নেওয়ার কাজও করত। কার্যত আজতেক সাম্রাজ্যের গুপ্তচর-এর কাজও তাদের দিয়ে করানো হত। এছাড়া অন্য একটি সূত্র থেকে জানা যায় আজতেকদের মূল একক এক্সিপাস কালপুরি (Calpull)। প্রতিটি কালপুরি তাদের নিজেদের কাজ পরিচালনা করত। একটি কাউন্সিল গঠন করে। পদস্থ কর্তারা সেই মাধ্যমে কাজ করত। কালপুরি স্কুলে ইতিহাস যুদ্ধ, ধর্ম ইত্যাদি শিক্ষা দেওয়া হত।

(চলবে)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১১)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১১)

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে শি জিনপিংয়ের বৈঠক

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১২)

০৭:০০:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ মার্চ ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

সামাজিক কাঠামোর তৃতীয় স্তর গড়ে উঠেছিল ‘দাস’ বা লাকোতিন (Tlacotin) দের নিয়ে। সমাজে এদের বিশেষ স্থান বা গুরুত্ব ছিল। সমাজে কারও বেশি মাত্রায় ধার দেনা থাকলে সে ‘দাসে’ পরিণত হত। এই ঋণ শোধ করতে না পারার জন্য তাদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হত এবং অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী শাস্তি পেতে হত এবং কখনো কখনো জেল খাটতেও হত।

তবে এ প্রসঙ্গে উল্লেখ করা ভাল যে দাস হওয়া বা এই ব্যবস্থাটি বংশানুক্রমিক নয়। দাসদের ছেলেমেয়েরা সাধারণ বা স্বাভাবিক বা মুক্ত অবস্থায় সব অধিকার বা সামাজিক মর্যাদা ভোগ করতে পারত। এ বিষয়টিও উল্লেখের দাবি রাখে যে কোন দাস বা দাসদের প্রতি অন্যায় ব্যবহার, অবিচার করা হয়েছে এ প্রমাণিত হলে সে স্বাধীন হতে পারত এবং সাধারণ সুযোগসুবিধা ভোগ করার অধিকার অর্জন করত।

দাসদের এই ক্ষেত্রে ছেলে বা মেয়ে থাকলে তাদের উঁচু ঘরে বিয়ে দেবার ব্যবস্থাও স্বীকৃত ছিল। আবার অনেকক্ষেত্রে মালিক বা মনিবের মৃত্যু হলে যেসব দাস এর কাজ প্রশংসা অর্জন করার মত তাদের মুক্ত করে দেওয়া হত। এর সঙ্গে আরেকটি শ্রেণিও ছিল যাদের বলা হত পর্যটন ব্যবসায়ী বা পোচতেকা (Pochteca)। এরা সংখ্যায় খুর্ব জম হলেও গুরুত্ব কম ছিল না। এদের প্রধান কাজ বা দায়িত্ব ছিল বাণিজ্য সাক্রান্তে কাজে সাহায্য করা।

তবে এই পর্যটন ব্যবসায়ীরা যেহেতু বিভিন্ন রাজা বা দেশের বাইরেও যেত সেই সূত্রে গোপন খবর দেওয়া-নেওয়ার কাজও করত। কার্যত আজতেক সাম্রাজ্যের গুপ্তচর-এর কাজও তাদের দিয়ে করানো হত। এছাড়া অন্য একটি সূত্র থেকে জানা যায় আজতেকদের মূল একক এক্সিপাস কালপুরি (Calpull)। প্রতিটি কালপুরি তাদের নিজেদের কাজ পরিচালনা করত। একটি কাউন্সিল গঠন করে। পদস্থ কর্তারা সেই মাধ্যমে কাজ করত। কালপুরি স্কুলে ইতিহাস যুদ্ধ, ধর্ম ইত্যাদি শিক্ষা দেওয়া হত।

(চলবে)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১১)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১১)