০৮:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে শি জিনপিংয়ের বৈঠক মুহাররমের চাঁদ দেখা যায়নি, পাকিস্তানে ২৬ জুন পালিত হবে আশুরা রয়টার্স এর প্রতিবেদনঃ বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লি বিমানবন্দরে ‘জিজ্ঞাসাবাদ’ করার প্রতিবাদ জানিয়েছে লালমনিরহাটে শিশু হত্যাকাণ্ড ঘিরে সংঘর্ষ: এসপি-ওসিসহ আহত ২০, আটক প্রধান সন্দেহভাজন ডেঙ্গুতে আরও ১ জনের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১১৩ চুয়াডাঙ্গায় ২ হাজার ফুটের আর্জেন্টিনা পতাকা নিয়ে বিশ্বকাপ র‍্যালি, জনসমুদ্রে রূপ নিল শহর ছয় নবজাতকের মৃত্যুর পর সংস্কার কর্মসূচি ঘোষণা আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের ইসলামী ব্যাংকে পেশাদার পরিচালনা পর্ষদ গঠনের দাবি, গভর্নরের কাছে স্মারকলিপি চাঁদপুর-কুমিল্লা মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার জুলাই আন্দোলনের হামলা মামলায় শাস্তি কমাল জাবি, আপিলে অব্যাহতি পেলেন কয়েকজন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৮)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫
  • 237

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙের ভারত-আগমনের দুই শত বছর আগে একদল তাতার হুণরা ভারত আক্রমণ করে। এরা ভীষণ নৃশংস, বর্বর ছিল। উত্তর-পশ্চিম থেকে সমস্ত দেশে লুঠ ও হত্যা করতে করতে নগর, মন্দির, স্ত প, সঙ্ঘারাম, ভাস্কর্য ইত্যাদি ধ্বংস করতে করতে এরা অগ্রসর হল।

কুষানরা উদ্যান ও কাশ্মীরে পালিয়ে গেলেন। গুপ্ত সাম্রাজ্য ধ্বংস হয়ে গেল। বর্বরদের মধ্যেও সৎচেয়ে নৃশংস ছিল তোরমানের পুত্র মিহিরগুল। সৌভাগ্যক্রমে মালবরাজ যশোবর্মণ, মগধের শেষ গুপ্ত সম্রাট বালাদিত্যের সঙ্গে মিলিত হয়ে ৫২৮ খৃস্টাব্দে হুণ সৈন্যদল পরাজিত ক’রে মিহিরগুলকে বন্দী করেন।

কিন্তু (হিউএনচাঙ বলেন, বালাদিত্যের মাতার সুপারিশে) তাকে হত্যা না করে নির্বাসন দিলেন। মিহিরগুল কাশ্মীরে আশ্রয় নিল। কিন্তু যড়যন্ত্র ক’রে আশ্রয়দাতার সঙ্গে যুদ্ধ বাধিয়ে দিল আর কাশ্মীররাজকে হারিয়ে কাশ্মীর আর গান্ধারের অধিবাসীদের হত্যা করতে লাগল।

যা হোক, এর বছর খানেক পরে তার মৃত্যু হয়। আর সেই থেকে হুণদের অত্যাচার ভারতে বন্ধ হয়। উত্তর-পশ্চিমে আর মালবে হুণদের ছোট ছোট রাজ্য টিকে ছিল বটে, কিন্তু ক্রমশ এরাও ভারতীয়ই হয়ে যায়।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৭)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৭)

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে শি জিনপিংয়ের বৈঠক

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৮)

০৯:০০:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙের ভারত-আগমনের দুই শত বছর আগে একদল তাতার হুণরা ভারত আক্রমণ করে। এরা ভীষণ নৃশংস, বর্বর ছিল। উত্তর-পশ্চিম থেকে সমস্ত দেশে লুঠ ও হত্যা করতে করতে নগর, মন্দির, স্ত প, সঙ্ঘারাম, ভাস্কর্য ইত্যাদি ধ্বংস করতে করতে এরা অগ্রসর হল।

কুষানরা উদ্যান ও কাশ্মীরে পালিয়ে গেলেন। গুপ্ত সাম্রাজ্য ধ্বংস হয়ে গেল। বর্বরদের মধ্যেও সৎচেয়ে নৃশংস ছিল তোরমানের পুত্র মিহিরগুল। সৌভাগ্যক্রমে মালবরাজ যশোবর্মণ, মগধের শেষ গুপ্ত সম্রাট বালাদিত্যের সঙ্গে মিলিত হয়ে ৫২৮ খৃস্টাব্দে হুণ সৈন্যদল পরাজিত ক’রে মিহিরগুলকে বন্দী করেন।

কিন্তু (হিউএনচাঙ বলেন, বালাদিত্যের মাতার সুপারিশে) তাকে হত্যা না করে নির্বাসন দিলেন। মিহিরগুল কাশ্মীরে আশ্রয় নিল। কিন্তু যড়যন্ত্র ক’রে আশ্রয়দাতার সঙ্গে যুদ্ধ বাধিয়ে দিল আর কাশ্মীররাজকে হারিয়ে কাশ্মীর আর গান্ধারের অধিবাসীদের হত্যা করতে লাগল।

যা হোক, এর বছর খানেক পরে তার মৃত্যু হয়। আর সেই থেকে হুণদের অত্যাচার ভারতে বন্ধ হয়। উত্তর-পশ্চিমে আর মালবে হুণদের ছোট ছোট রাজ্য টিকে ছিল বটে, কিন্তু ক্রমশ এরাও ভারতীয়ই হয়ে যায়।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৭)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৭)