০৪:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
১৩ পাউন্ডের ব্রোকলি নিয়ে ক্ষোভ, ‘শো’ হয়ে যাচ্ছে খাবার—রেস্তোরাঁ সংস্কৃতি নিয়ে পপি ও’টুলের তীব্র সমালোচনা সয়াবিন তেলের সংকটে বাজারে চাপ, আমদানি-ব্যাংকিং ও বৈশ্বিক দামের বড় পরীক্ষা কুড়িগ্রামে ট্রাক-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে শিশু সহ নিহত ৩, আহত অন্তত ১১ হবিগঞ্জ হাওরে জ্বালানি সংকট ও বৃষ্টির ধাক্কা: ধানের দাম অর্ধেকে নেমে কৃষকের দুশ্চিন্তা ইরান যুদ্ধ থামাবে না যুদ্ধবিরতি, বরং নতুন এক অন্তহীন সংঘাতের পথ খুলে দিল যুক্তরাষ্ট্র দুই দফা দরপত্রেও সাড়া কম, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় সার বাজারে গভীর সংকট গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন দায়িত্বে ঢাবির সাবেক ভিসি নিয়াজ আহমদ খান পশ্চিমবঙ্গের ভোটে চূড়ান্ত লড়াই, কারচুপির অভিযোগে উত্তপ্ত শেষ ধাপ নাহিদ ইসলাম দুর্নীতি না করলেও নৈতিক অপরাধ করেছেন: রাশেদ খাঁনের মন্তব্যে রাজনৈতিক উত্তাপ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালে আজ লড়াই, সিমিওনের দুর্গ ভাঙতে পারবে কি আর্সেনাল?

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৮)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫
  • 211

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙের ভারত-আগমনের দুই শত বছর আগে একদল তাতার হুণরা ভারত আক্রমণ করে। এরা ভীষণ নৃশংস, বর্বর ছিল। উত্তর-পশ্চিম থেকে সমস্ত দেশে লুঠ ও হত্যা করতে করতে নগর, মন্দির, স্ত প, সঙ্ঘারাম, ভাস্কর্য ইত্যাদি ধ্বংস করতে করতে এরা অগ্রসর হল।

কুষানরা উদ্যান ও কাশ্মীরে পালিয়ে গেলেন। গুপ্ত সাম্রাজ্য ধ্বংস হয়ে গেল। বর্বরদের মধ্যেও সৎচেয়ে নৃশংস ছিল তোরমানের পুত্র মিহিরগুল। সৌভাগ্যক্রমে মালবরাজ যশোবর্মণ, মগধের শেষ গুপ্ত সম্রাট বালাদিত্যের সঙ্গে মিলিত হয়ে ৫২৮ খৃস্টাব্দে হুণ সৈন্যদল পরাজিত ক’রে মিহিরগুলকে বন্দী করেন।

কিন্তু (হিউএনচাঙ বলেন, বালাদিত্যের মাতার সুপারিশে) তাকে হত্যা না করে নির্বাসন দিলেন। মিহিরগুল কাশ্মীরে আশ্রয় নিল। কিন্তু যড়যন্ত্র ক’রে আশ্রয়দাতার সঙ্গে যুদ্ধ বাধিয়ে দিল আর কাশ্মীররাজকে হারিয়ে কাশ্মীর আর গান্ধারের অধিবাসীদের হত্যা করতে লাগল।

যা হোক, এর বছর খানেক পরে তার মৃত্যু হয়। আর সেই থেকে হুণদের অত্যাচার ভারতে বন্ধ হয়। উত্তর-পশ্চিমে আর মালবে হুণদের ছোট ছোট রাজ্য টিকে ছিল বটে, কিন্তু ক্রমশ এরাও ভারতীয়ই হয়ে যায়।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৭)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৭)

১৩ পাউন্ডের ব্রোকলি নিয়ে ক্ষোভ, ‘শো’ হয়ে যাচ্ছে খাবার—রেস্তোরাঁ সংস্কৃতি নিয়ে পপি ও’টুলের তীব্র সমালোচনা

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৮)

০৯:০০:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙের ভারত-আগমনের দুই শত বছর আগে একদল তাতার হুণরা ভারত আক্রমণ করে। এরা ভীষণ নৃশংস, বর্বর ছিল। উত্তর-পশ্চিম থেকে সমস্ত দেশে লুঠ ও হত্যা করতে করতে নগর, মন্দির, স্ত প, সঙ্ঘারাম, ভাস্কর্য ইত্যাদি ধ্বংস করতে করতে এরা অগ্রসর হল।

কুষানরা উদ্যান ও কাশ্মীরে পালিয়ে গেলেন। গুপ্ত সাম্রাজ্য ধ্বংস হয়ে গেল। বর্বরদের মধ্যেও সৎচেয়ে নৃশংস ছিল তোরমানের পুত্র মিহিরগুল। সৌভাগ্যক্রমে মালবরাজ যশোবর্মণ, মগধের শেষ গুপ্ত সম্রাট বালাদিত্যের সঙ্গে মিলিত হয়ে ৫২৮ খৃস্টাব্দে হুণ সৈন্যদল পরাজিত ক’রে মিহিরগুলকে বন্দী করেন।

কিন্তু (হিউএনচাঙ বলেন, বালাদিত্যের মাতার সুপারিশে) তাকে হত্যা না করে নির্বাসন দিলেন। মিহিরগুল কাশ্মীরে আশ্রয় নিল। কিন্তু যড়যন্ত্র ক’রে আশ্রয়দাতার সঙ্গে যুদ্ধ বাধিয়ে দিল আর কাশ্মীররাজকে হারিয়ে কাশ্মীর আর গান্ধারের অধিবাসীদের হত্যা করতে লাগল।

যা হোক, এর বছর খানেক পরে তার মৃত্যু হয়। আর সেই থেকে হুণদের অত্যাচার ভারতে বন্ধ হয়। উত্তর-পশ্চিমে আর মালবে হুণদের ছোট ছোট রাজ্য টিকে ছিল বটে, কিন্তু ক্রমশ এরাও ভারতীয়ই হয়ে যায়।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৭)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৭)