০৪:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
প্রতিদিন গড়ে খুন হচ্ছে ১০ জন, সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ড কেন নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না? ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং বা অন্তর্বর্তী উপবাসের উপকারিতা কি অতিরঞ্জিত? রাশিয়া-যুক্তরাজ্য কি যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে? কূটনীতি সরে গেলে যে বিপদ বাড়ে বাংলাদেশে আবারও বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে নতুন দর ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা ব্যক্তিগত আমানতকারীদের টাকা তোলার সীমা তুলে দিচ্ছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিক সর্বাত্মক চাপ’ ইরানের বিরুদ্ধে, মিত্র দেশগুলোকেও নিষেধাজ্ঞার হুমকি চালক থেকে রোবোট্যাক্সি কর্মী, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নতুন কর্মজীবনের চিত্র কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্থানেই কি আরও গভীর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ঘাটতি? ইরানের সঙ্গে ব্যবসা বন্ধে দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের হুঁশিয়ারি, আপাতত নিষেধাজ্ঞা নয় দীর্ঘমেয়াদি ইয়েনের দুর্বলতায় নতুন কৌশল খুঁজছে জাপানের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৯)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০১:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ মার্চ ২০২৫
  • 160

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙের সময়ে গান্ধারের রাজা যদিও সম্ভবত বর্বর হুণবংশীয়ই ছিলেন, তবু এক শত বছর সভ্য জাতির সংস্পর্শে এসে এদের অনেকটা উন্নতি হয়েছিল। রাজা স্বয়ং উৎসাহী বৌদ্ধ ছিলেন। তাঁর রাজধানী ছিল বর্তমান কাবুলের উত্তরে কাপিশীতে।

হিউএনচাঙ কাপিণীতেই প্রথমে নগ্ন জৈন, আর গায়ে ছাইমাথা, হাড়ের মালা গলায় শৈব সন্ন্যাসীর দেখা পান। কিন্তু তখনো এ প্রদেশের বেশীর ভাগ লোকই বৌদ্ধ ছিল।

হীনযান মহাযান, দুই যানের ভিক্ষুরাই হিউএনচাঙকে নিমন্ত্রণ করলেন, কিন্তু হীনযানী প্রজ্ঞাকার (তুখার থেকে) হিউএনচাঙের পথের সঙ্গী থাকায় তাঁর খাতিরে হিউএনচাঙ একটা হীন-যানী সঙ্ঘারামেই আশ্রয় নিলেন।

পঞ্জ,শির নদীর তীরে এই সঙ্ঘারামের ভগ্নাবশেষ আধুনিক প্রত্নতাত্ত্বিকরা সনাক্ত করেছেন। হিউএনচাঙ বলেন, কনিষ্ক রাজা অনেক রাজাকে যুদ্ধে হারিয়ে রাজপুত্রদের বন্দী করে জামীন-স্বরূপ এই অট্টালিকায় রেখেছিলেন।

সেই অট্টালিকায়ই এই সঙ্ঘারাম হয়েছিল। রাজপুত্রেরা মাটির তলায় ধনরত্ব প্রোথিত করে রেখেছিলেন। হিউএনচাঙ এখানে থাকবার সময়ে সেই গুপ্তধন আবিষ্কার করবার সহায়তা করেছিলেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৮)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৮)

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিদিন গড়ে খুন হচ্ছে ১০ জন, সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ড কেন নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না?

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৯)

০৯:০১:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ মার্চ ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙের সময়ে গান্ধারের রাজা যদিও সম্ভবত বর্বর হুণবংশীয়ই ছিলেন, তবু এক শত বছর সভ্য জাতির সংস্পর্শে এসে এদের অনেকটা উন্নতি হয়েছিল। রাজা স্বয়ং উৎসাহী বৌদ্ধ ছিলেন। তাঁর রাজধানী ছিল বর্তমান কাবুলের উত্তরে কাপিশীতে।

হিউএনচাঙ কাপিণীতেই প্রথমে নগ্ন জৈন, আর গায়ে ছাইমাথা, হাড়ের মালা গলায় শৈব সন্ন্যাসীর দেখা পান। কিন্তু তখনো এ প্রদেশের বেশীর ভাগ লোকই বৌদ্ধ ছিল।

হীনযান মহাযান, দুই যানের ভিক্ষুরাই হিউএনচাঙকে নিমন্ত্রণ করলেন, কিন্তু হীনযানী প্রজ্ঞাকার (তুখার থেকে) হিউএনচাঙের পথের সঙ্গী থাকায় তাঁর খাতিরে হিউএনচাঙ একটা হীন-যানী সঙ্ঘারামেই আশ্রয় নিলেন।

পঞ্জ,শির নদীর তীরে এই সঙ্ঘারামের ভগ্নাবশেষ আধুনিক প্রত্নতাত্ত্বিকরা সনাক্ত করেছেন। হিউএনচাঙ বলেন, কনিষ্ক রাজা অনেক রাজাকে যুদ্ধে হারিয়ে রাজপুত্রদের বন্দী করে জামীন-স্বরূপ এই অট্টালিকায় রেখেছিলেন।

সেই অট্টালিকায়ই এই সঙ্ঘারাম হয়েছিল। রাজপুত্রেরা মাটির তলায় ধনরত্ব প্রোথিত করে রেখেছিলেন। হিউএনচাঙ এখানে থাকবার সময়ে সেই গুপ্তধন আবিষ্কার করবার সহায়তা করেছিলেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৮)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৮)