০৫:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
বেগুনি রঙের জাদুতে বিশ্বজয়: খাবারের দুনিয়ায় উবের উত্থানের গল্প সময়ের নতুন ভাষা: আধুনিক ঘড়িতে ফিরে এলো ইতিহাসের স্পন্দন স্মৃতির শহর হারিয়ে যাচ্ছে: বোম্বে নিয়ে ডিএজি প্রদর্শনীতে উঠে এল বিস্মৃত ইতিহাস তারকার ঝলক ছাপিয়ে গয়নার জাদু: রেড কার্পেটে নতুন ট্রেন্ডের গল্প ডিলান–লেননের লিমুজিন আলাপ: সঙ্গীতের বন্ধুত্ব, দ্বন্দ্ব আর এক অস্বস্তিকর সত্য প্রোটিন আতঙ্ক নাকি প্রয়োজনীয় পরিবর্তন? স্মার্ট শহরের পথে বাংলাদেশ: প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে নগরজীবন ক্যাটওয়াক শেখার নতুন ট্রেন্ড: হাঁটার ভঙ্গিতেই বদলে যাচ্ছে আত্মবিশ্বাস বিশ্বজুড়ে অস্থিরতার মাঝেও শেয়ারবাজারে চমক, বিনিয়োগকারীদের আয়ে বড় ধাক্কা নয় বেইলি রোড অগ্নিকাণ্ডে বিল ফাঁকিতে গেট বন্ধ রাখার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ — দুই বছর পর তদন্তে চমক

বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বৈত জ্বালানির কনটেইনার জাহাজ বানাল চীন

  • Sarakhon Report
  • ১২:১৯:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫
  • 220

বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বৈত-জ্বালানির কনটেইনার জাহাজ তৈরি করেছে চীনের চায়না স্টেট শিপবিল্ডিং করপোরেশন। মঙ্গলবার শাংহাইতে জাহাজটি হস্তান্তর করা হয়।

জাহাজটির নাম ‘সুপার কার্গো কিং অব দ্য সি’। এটি একসঙ্গে ২৪ হাজার কনটেইনার বহন করতে পারে। মোট বহন সক্ষমতা ২ লাখ ২০ হাজার টন।

জাহাজটি তরল প্রাকৃতিক গ্যাস দিয়ে চলে। একটানা ২০ হাজার নটিক্যাল মাইল পথ পাড়ি দিতে পারবে এটি।

হুতোং-চংহুয়া শিপবিল্ডিং কোম্পানির কর্মকর্তা ওয়াং চিয়াইং বলেন, জাহাজটি খুবই আধুনিক। এটি পরিবেশবান্ধব এবং এর ধারণক্ষমতাও বেশি। একটি জাহাজ ৪-৫ মাসে তৈরি করা যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

কোম্পানির আরেক কর্মকর্তা লিউ চুয়েতোং জানান, ‘জাহাজটি আমরা নির্ধারিত সময়ের ৬ মাস আগেই তৈরি করে হস্তান্তর করেছি।’

সিএমজি বাংলা

জনপ্রিয় সংবাদ

বেগুনি রঙের জাদুতে বিশ্বজয়: খাবারের দুনিয়ায় উবের উত্থানের গল্প

বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বৈত জ্বালানির কনটেইনার জাহাজ বানাল চীন

১২:১৯:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫

বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বৈত-জ্বালানির কনটেইনার জাহাজ তৈরি করেছে চীনের চায়না স্টেট শিপবিল্ডিং করপোরেশন। মঙ্গলবার শাংহাইতে জাহাজটি হস্তান্তর করা হয়।

জাহাজটির নাম ‘সুপার কার্গো কিং অব দ্য সি’। এটি একসঙ্গে ২৪ হাজার কনটেইনার বহন করতে পারে। মোট বহন সক্ষমতা ২ লাখ ২০ হাজার টন।

জাহাজটি তরল প্রাকৃতিক গ্যাস দিয়ে চলে। একটানা ২০ হাজার নটিক্যাল মাইল পথ পাড়ি দিতে পারবে এটি।

হুতোং-চংহুয়া শিপবিল্ডিং কোম্পানির কর্মকর্তা ওয়াং চিয়াইং বলেন, জাহাজটি খুবই আধুনিক। এটি পরিবেশবান্ধব এবং এর ধারণক্ষমতাও বেশি। একটি জাহাজ ৪-৫ মাসে তৈরি করা যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

কোম্পানির আরেক কর্মকর্তা লিউ চুয়েতোং জানান, ‘জাহাজটি আমরা নির্ধারিত সময়ের ৬ মাস আগেই তৈরি করে হস্তান্তর করেছি।’

সিএমজি বাংলা