০৩:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ক্রিপ্টনের ধ্বংসের অন্তরঙ্গ গল্পে নতুন ‘সুপারগার্ল’, ট্রেলারে আবেগ আর প্রতিশোধের ইঙ্গিত ভাবনার প্রত্যাবর্তনে অন্ধকার থ্রিলার ‘অ্যানোমি’, নতুন অধ্যায়ে অভিনেত্রী তাজমহলের ইতিহাস ঘিরে বিতর্কে নতুন আগুন, বলিউডের চলচ্চিত্রে পুরোনো ষড়যন্ত্রের পুনর্জাগরণ ম্যান্ডেলসন কেলেঙ্কারিতে পদত্যাগের চাপেও অনড় স্টারমার, টালমাটাল ব্রিটিশ রাজনীতি ভারত–যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য সমঝোতা: কৃষক, শিল্প ও বাজারে লাভবান হলো ভারত হাইতিতে শাসন সংকট চরমে, মেয়াদ শেষেও অনিশ্চয়তা কাটেনি ২০২৫ সালে আলদারের রেকর্ড মুনাফা, সম্পত্তি বিক্রিতে নজিরবিহীন উল্লম্ফন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. নিয়াজ আহমদ খানের পদত্যাগ ঘোষণা, নির্বাচনের আগে নতুন আলোচনা ধানের শীষে ভোটের ঘোষণা ওমর সানীর, নেটিজেনদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া চট্টগ্রামে আবুল খায়ের গ্রুপের কারখানায় বিস্ফোরণ, আহত ১১

বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বৈত জ্বালানির কনটেইনার জাহাজ বানাল চীন

  • Sarakhon Report
  • ১২:১৯:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫
  • 187

বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বৈত-জ্বালানির কনটেইনার জাহাজ তৈরি করেছে চীনের চায়না স্টেট শিপবিল্ডিং করপোরেশন। মঙ্গলবার শাংহাইতে জাহাজটি হস্তান্তর করা হয়।

জাহাজটির নাম ‘সুপার কার্গো কিং অব দ্য সি’। এটি একসঙ্গে ২৪ হাজার কনটেইনার বহন করতে পারে। মোট বহন সক্ষমতা ২ লাখ ২০ হাজার টন।

জাহাজটি তরল প্রাকৃতিক গ্যাস দিয়ে চলে। একটানা ২০ হাজার নটিক্যাল মাইল পথ পাড়ি দিতে পারবে এটি।

হুতোং-চংহুয়া শিপবিল্ডিং কোম্পানির কর্মকর্তা ওয়াং চিয়াইং বলেন, জাহাজটি খুবই আধুনিক। এটি পরিবেশবান্ধব এবং এর ধারণক্ষমতাও বেশি। একটি জাহাজ ৪-৫ মাসে তৈরি করা যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

কোম্পানির আরেক কর্মকর্তা লিউ চুয়েতোং জানান, ‘জাহাজটি আমরা নির্ধারিত সময়ের ৬ মাস আগেই তৈরি করে হস্তান্তর করেছি।’

সিএমজি বাংলা

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্রিপ্টনের ধ্বংসের অন্তরঙ্গ গল্পে নতুন ‘সুপারগার্ল’, ট্রেলারে আবেগ আর প্রতিশোধের ইঙ্গিত

বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বৈত জ্বালানির কনটেইনার জাহাজ বানাল চীন

১২:১৯:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫

বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বৈত-জ্বালানির কনটেইনার জাহাজ তৈরি করেছে চীনের চায়না স্টেট শিপবিল্ডিং করপোরেশন। মঙ্গলবার শাংহাইতে জাহাজটি হস্তান্তর করা হয়।

জাহাজটির নাম ‘সুপার কার্গো কিং অব দ্য সি’। এটি একসঙ্গে ২৪ হাজার কনটেইনার বহন করতে পারে। মোট বহন সক্ষমতা ২ লাখ ২০ হাজার টন।

জাহাজটি তরল প্রাকৃতিক গ্যাস দিয়ে চলে। একটানা ২০ হাজার নটিক্যাল মাইল পথ পাড়ি দিতে পারবে এটি।

হুতোং-চংহুয়া শিপবিল্ডিং কোম্পানির কর্মকর্তা ওয়াং চিয়াইং বলেন, জাহাজটি খুবই আধুনিক। এটি পরিবেশবান্ধব এবং এর ধারণক্ষমতাও বেশি। একটি জাহাজ ৪-৫ মাসে তৈরি করা যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

কোম্পানির আরেক কর্মকর্তা লিউ চুয়েতোং জানান, ‘জাহাজটি আমরা নির্ধারিত সময়ের ৬ মাস আগেই তৈরি করে হস্তান্তর করেছি।’

সিএমজি বাংলা