০৬:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধই কি নতুন স্বাভাবিকতা? কেন আধুনিক সংঘাতের শেষ হচ্ছে না ‘দ্য ওডিসি’ পেরিয়ে গেল ‘দ্য ডার্ক নাইট রাইজেস’, নোলানের ক্যারিয়ারে সর্বোচ্চ আয় শেকড়ের কাছে ফিরে যাওয়া: ‘রুটস’-এর ৫০ বছর এবং অ্যালেক্স হেলির অমর উত্তরাধিকার সৌদি আরবের পরমাণু কর্মসূচিতে যুক্তরাষ্ট্রের সম্মতি, মধ্যপ্রাচ্যে অস্ত্র প্রতিযোগিতার শঙ্কা মানুষের মতো রোবটের যুগ কি দরজায়? চীনের ইউনিট্রির হাত ধরে বদলে যাচ্ছে ভবিষ্যৎ ইমরান খানের বন্দিত্ব ও ওয়াশিংটনের গণতন্ত্র-ভুলে যাওয়া সোনার নিচে লুকিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন খনিজ যুদ্ধ, ইডাহোর খনি ঘিরে তীব্র বিরোধ লিথিয়াম আর ভূতাপীয় বিদ্যুতের স্বপ্নে ক্যালিফোর্নিয়ার ‘হেলস কিচেন’, সামনে পরিবেশের কঠিন প্রশ্ন ব্ল্যাক হিলসে সোনার নতুন দৌড়, বাড়ছে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা গুরুত্বপূর্ণ খনিজের দখলে বিশ্বজুড়ে প্রতিযোগিতা, নিরাপত্তার নতুন লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্র

বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বৈত জ্বালানির কনটেইনার জাহাজ বানাল চীন

  • Sarakhon Report
  • ১২:১৯:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫
  • 295

বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বৈত-জ্বালানির কনটেইনার জাহাজ তৈরি করেছে চীনের চায়না স্টেট শিপবিল্ডিং করপোরেশন। মঙ্গলবার শাংহাইতে জাহাজটি হস্তান্তর করা হয়।

জাহাজটির নাম ‘সুপার কার্গো কিং অব দ্য সি’। এটি একসঙ্গে ২৪ হাজার কনটেইনার বহন করতে পারে। মোট বহন সক্ষমতা ২ লাখ ২০ হাজার টন।

জাহাজটি তরল প্রাকৃতিক গ্যাস দিয়ে চলে। একটানা ২০ হাজার নটিক্যাল মাইল পথ পাড়ি দিতে পারবে এটি।

হুতোং-চংহুয়া শিপবিল্ডিং কোম্পানির কর্মকর্তা ওয়াং চিয়াইং বলেন, জাহাজটি খুবই আধুনিক। এটি পরিবেশবান্ধব এবং এর ধারণক্ষমতাও বেশি। একটি জাহাজ ৪-৫ মাসে তৈরি করা যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

কোম্পানির আরেক কর্মকর্তা লিউ চুয়েতোং জানান, ‘জাহাজটি আমরা নির্ধারিত সময়ের ৬ মাস আগেই তৈরি করে হস্তান্তর করেছি।’

সিএমজি বাংলা

জনপ্রিয় সংবাদ

দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধই কি নতুন স্বাভাবিকতা? কেন আধুনিক সংঘাতের শেষ হচ্ছে না

বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বৈত জ্বালানির কনটেইনার জাহাজ বানাল চীন

১২:১৯:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫

বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বৈত-জ্বালানির কনটেইনার জাহাজ তৈরি করেছে চীনের চায়না স্টেট শিপবিল্ডিং করপোরেশন। মঙ্গলবার শাংহাইতে জাহাজটি হস্তান্তর করা হয়।

জাহাজটির নাম ‘সুপার কার্গো কিং অব দ্য সি’। এটি একসঙ্গে ২৪ হাজার কনটেইনার বহন করতে পারে। মোট বহন সক্ষমতা ২ লাখ ২০ হাজার টন।

জাহাজটি তরল প্রাকৃতিক গ্যাস দিয়ে চলে। একটানা ২০ হাজার নটিক্যাল মাইল পথ পাড়ি দিতে পারবে এটি।

হুতোং-চংহুয়া শিপবিল্ডিং কোম্পানির কর্মকর্তা ওয়াং চিয়াইং বলেন, জাহাজটি খুবই আধুনিক। এটি পরিবেশবান্ধব এবং এর ধারণক্ষমতাও বেশি। একটি জাহাজ ৪-৫ মাসে তৈরি করা যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

কোম্পানির আরেক কর্মকর্তা লিউ চুয়েতোং জানান, ‘জাহাজটি আমরা নির্ধারিত সময়ের ৬ মাস আগেই তৈরি করে হস্তান্তর করেছি।’

সিএমজি বাংলা