০৩:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক বিপ্লবের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা চীনা ব্যবসায়ীর ১ কোটি টাকা নিয়ে চালক উধাও, মেসেজে লিখলেন ‘আমি বিশ্বাস ভঙ্গ করেছি’ কম্বোডিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ৩৮ বাংলাদেশি, ফেরার অপেক্ষায় আরও ১,৮০০ অস্ত্রের মুখে বিকাশকর্মীর ৩ লাখ টাকা ছিনতাই, পালাল ৬ দুর্বৃত্ত নেপালে বন্যার তাণ্ডব: ‘নিখোঁজদের দেয়ালে’ স্বজন খুঁজছেন হাজারো মানুষ ভারতের ৭.৮% জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে কেন উঠছে প্রশ্ন? নেপালের বন্যাবিধ্বস্ত উপত্যকায় ধ্বংসস্তূপ ছাড়া কিছুই নেই ১৫ হাজারের বেশি শিশু নিখোঁজ নয়, প্রকৃত তথ্য জানাল পুলিশ সাভারে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু মিশেল কোগান: মিশেলিন তারকা পাওয়া রাঁধুনি, যাঁর পাই এখন নিউইয়র্কে সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত

বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বৈত জ্বালানির কনটেইনার জাহাজ বানাল চীন

  • Sarakhon Report
  • ১২:১৯:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫
  • 308

বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বৈত-জ্বালানির কনটেইনার জাহাজ তৈরি করেছে চীনের চায়না স্টেট শিপবিল্ডিং করপোরেশন। মঙ্গলবার শাংহাইতে জাহাজটি হস্তান্তর করা হয়।

জাহাজটির নাম ‘সুপার কার্গো কিং অব দ্য সি’। এটি একসঙ্গে ২৪ হাজার কনটেইনার বহন করতে পারে। মোট বহন সক্ষমতা ২ লাখ ২০ হাজার টন।

জাহাজটি তরল প্রাকৃতিক গ্যাস দিয়ে চলে। একটানা ২০ হাজার নটিক্যাল মাইল পথ পাড়ি দিতে পারবে এটি।

হুতোং-চংহুয়া শিপবিল্ডিং কোম্পানির কর্মকর্তা ওয়াং চিয়াইং বলেন, জাহাজটি খুবই আধুনিক। এটি পরিবেশবান্ধব এবং এর ধারণক্ষমতাও বেশি। একটি জাহাজ ৪-৫ মাসে তৈরি করা যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

কোম্পানির আরেক কর্মকর্তা লিউ চুয়েতোং জানান, ‘জাহাজটি আমরা নির্ধারিত সময়ের ৬ মাস আগেই তৈরি করে হস্তান্তর করেছি।’

সিএমজি বাংলা

জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক বিপ্লবের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা

বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বৈত জ্বালানির কনটেইনার জাহাজ বানাল চীন

১২:১৯:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫

বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বৈত-জ্বালানির কনটেইনার জাহাজ তৈরি করেছে চীনের চায়না স্টেট শিপবিল্ডিং করপোরেশন। মঙ্গলবার শাংহাইতে জাহাজটি হস্তান্তর করা হয়।

জাহাজটির নাম ‘সুপার কার্গো কিং অব দ্য সি’। এটি একসঙ্গে ২৪ হাজার কনটেইনার বহন করতে পারে। মোট বহন সক্ষমতা ২ লাখ ২০ হাজার টন।

জাহাজটি তরল প্রাকৃতিক গ্যাস দিয়ে চলে। একটানা ২০ হাজার নটিক্যাল মাইল পথ পাড়ি দিতে পারবে এটি।

হুতোং-চংহুয়া শিপবিল্ডিং কোম্পানির কর্মকর্তা ওয়াং চিয়াইং বলেন, জাহাজটি খুবই আধুনিক। এটি পরিবেশবান্ধব এবং এর ধারণক্ষমতাও বেশি। একটি জাহাজ ৪-৫ মাসে তৈরি করা যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

কোম্পানির আরেক কর্মকর্তা লিউ চুয়েতোং জানান, ‘জাহাজটি আমরা নির্ধারিত সময়ের ৬ মাস আগেই তৈরি করে হস্তান্তর করেছি।’

সিএমজি বাংলা