০৩:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
ইসরায়েল ইরানের ইস্পাত কারখানা ও পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা করেছে, ইসরায়েল আরও তীব্র আঘাতের ঘোষণা দিল ইরানে মৃতের সংখ্যা ১,৯৩৭ ছাড়িয়েছে, আহত ২৪,৮০০ — নিহতদের মধ্যে হাজারের বেশি শিশু ও নারী সৌদি আরবে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি হামলা: ১২ সেনা আহত, রিফুয়েলার বিমান ক্ষতিগ্রস্ত তেল আবিবে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রে একজন নিহত, ক্লাস্টার বোমা শহরের আকাশে বিস্ফোরিত হুথিরা যুদ্ধে যোগ দিল: ইসরায়েলে প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র হামলা কেপপ ও কে-ড্রামার পর এবার বিশ্বমঞ্চে ঝড় তুলছে কে-গেমস, নতুন বাস্তবতায় দক্ষিণ কোরিয়ার গেম বিপ্লব ‘সাসের মৃত্যু’ নিয়ে সতর্কবার্তা—এআই যুগে বদলাতে না পারলে টিকে থাকা কঠিন উন্নত বাজারের অনিশ্চয়তা, উদীয়মান অর্থনীতির মতো আচরণ—বিনিয়োগকারীদের নতুন দুশ্চিন্তা মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সংকটে এশিয়ার মুদ্রা চাপে, বাড়ছে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ঝুঁকি  দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ভিড় বাড়ায় নতুন বাজারে ঝুঁকছে চীনা মিল্ক টি ব্র্যান্ড

১৯৯১ সাল থেকে ২০২৪ পর্য্যন্ত কতজনকে ক্ষমা করেছেন রাষ্ট্রপতি, জানতে চান হাইকোর্ট

  • Sarakhon Report
  • ১২:১০:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল ২০২৫
  • 188

নিজস্ব প্রতিনিধি 

১৯৯১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের জুলাই পর্যন্ত – এই ৩৩ বছর সাত মাসে রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে কতজনের কারাদন্ড মওকুফ, দন্ড স্থগিত বা কমিয়েছেন, তার তালিকা কেন প্রকাশ করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব ও রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের জনবিভাগের সচিবকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার বিচারপতি কাজী জিনাত হক ও বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আদালতে এদিন রিটের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার ওমর ফারুক। গত সাড়ে ৩৩ বছরে বিভিন্ন সময় দায়িত্বে থাকা রাষ্ট্রপতিরা কতজনের দন্ড মওকুফ, স্থগিত বা কমিয়েছেন তার তালিকা প্রকাশের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের এ আইনজীবী। এর আগে গত বছরের ২৫ আগস্ট তালিকা জানতে চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ওমর ফারুক।

নোটিশে ১৯৯১ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৩১ জুলাই পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে কতজন দন্ড পাওয়া আসামির কারাদন্ড স্থগিত বা মওকুফ করেছেন, সেই তালিকা ১৫ দিনের মধ্যে প্রকাশের অনুরোধ জানানো হয়। নোটিশে আরও বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি কীভাবে, কোন প্রক্রিয়ায়, কাদের সুপারিশ বা তদবিরে দাগি, ঘৃণিত, কুখ্যাত সাজাপ্রাপ্তদের ক্ষমা করেছেন, তা জানার অধিকার আছে। কয়েক বছর ধরে রাষ্ট্রপতি বহু অপরাধী, হত্যা মামলায় দন্ডপ্রাপ্তদের ক্ষমা করেছেন। রাষ্ট্রপতির ক্ষমা পেয়ে মৃত্যুদন্ড ও যাবজ্জীবন দন্ড পাওয়া অপরাধীরা জেল থেকে বেরিয়ে আবার মাফিয়া ডন হিসেবে সমাজে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

নোটিশে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি কোন প্রক্রিয়ায় সাজাপ্রাপ্তদের দন্ড মওকুফ করেন, দন্ড মওকুফের মানদন্ড কী, সেটা মানুষের জানা দরকার। ১৫ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সাজাপ্রাপ্তদের দন্ড মওকুফের তালিকা দেওয়ার অনুরোধ করা হয় নোটিশে। কিন্তু তাতে সাড়া না পেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন আইনজীবী ওমর ফারুক।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরায়েল ইরানের ইস্পাত কারখানা ও পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা করেছে, ইসরায়েল আরও তীব্র আঘাতের ঘোষণা দিল

১৯৯১ সাল থেকে ২০২৪ পর্য্যন্ত কতজনকে ক্ষমা করেছেন রাষ্ট্রপতি, জানতে চান হাইকোর্ট

১২:১০:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল ২০২৫

নিজস্ব প্রতিনিধি 

১৯৯১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের জুলাই পর্যন্ত – এই ৩৩ বছর সাত মাসে রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে কতজনের কারাদন্ড মওকুফ, দন্ড স্থগিত বা কমিয়েছেন, তার তালিকা কেন প্রকাশ করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব ও রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের জনবিভাগের সচিবকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার বিচারপতি কাজী জিনাত হক ও বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আদালতে এদিন রিটের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার ওমর ফারুক। গত সাড়ে ৩৩ বছরে বিভিন্ন সময় দায়িত্বে থাকা রাষ্ট্রপতিরা কতজনের দন্ড মওকুফ, স্থগিত বা কমিয়েছেন তার তালিকা প্রকাশের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের এ আইনজীবী। এর আগে গত বছরের ২৫ আগস্ট তালিকা জানতে চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ওমর ফারুক।

নোটিশে ১৯৯১ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৩১ জুলাই পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে কতজন দন্ড পাওয়া আসামির কারাদন্ড স্থগিত বা মওকুফ করেছেন, সেই তালিকা ১৫ দিনের মধ্যে প্রকাশের অনুরোধ জানানো হয়। নোটিশে আরও বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি কীভাবে, কোন প্রক্রিয়ায়, কাদের সুপারিশ বা তদবিরে দাগি, ঘৃণিত, কুখ্যাত সাজাপ্রাপ্তদের ক্ষমা করেছেন, তা জানার অধিকার আছে। কয়েক বছর ধরে রাষ্ট্রপতি বহু অপরাধী, হত্যা মামলায় দন্ডপ্রাপ্তদের ক্ষমা করেছেন। রাষ্ট্রপতির ক্ষমা পেয়ে মৃত্যুদন্ড ও যাবজ্জীবন দন্ড পাওয়া অপরাধীরা জেল থেকে বেরিয়ে আবার মাফিয়া ডন হিসেবে সমাজে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

নোটিশে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি কোন প্রক্রিয়ায় সাজাপ্রাপ্তদের দন্ড মওকুফ করেন, দন্ড মওকুফের মানদন্ড কী, সেটা মানুষের জানা দরকার। ১৫ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সাজাপ্রাপ্তদের দন্ড মওকুফের তালিকা দেওয়ার অনুরোধ করা হয় নোটিশে। কিন্তু তাতে সাড়া না পেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন আইনজীবী ওমর ফারুক।