০৫:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি রাশিয়ায় মার্কিন গোয়েন্দাপ্রধান, মস্কোয় গোপন বৈঠক ঘিরে জল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে পাল্টা শুল্ক কানাডার, তীব্র হচ্ছে বাণিজ্যযুদ্ধ বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, উত্তর আমেরিকায় নতুন কারখানা নিয়ে হোন্ডার সতর্কবার্তা দেশীয় সংগীতের রানী ডলি পার্টন আর নেই, ৮০ বছর বয়সে শেষ হলো কিংবদন্তির পথচলা ডলি পার্টন: কিংবদন্তি গায়িকার সাত দশকের বর্ণিল জীবন ইসলামাবাদে হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে আগুন, ১৪ শিশুর মৃত্যু কুমিল্লায় পারিবারিক বিরোধে বড় ভাইয়ের মারধরে প্রাণ গেল ভাইয়ের বৃহস্পতিবার বসছে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন পাঁচ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৬৯)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:৫০:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫
  • 201

প্রদীপ কুমার মজুমদার

গুণ করার পদ্ধতি নানা প্রকার ছিল। ব্রহ্মগুপ্ত চার প্রকার গুণনের উল্লেখ করেছেন। সেগুলি হচ্ছে-(১) গোমূত্রিক, (২), খণ্ড (৩) বেদ, (৪) ইষ্ঠ। শ্রীধরাচার্য চার প্রকার গুণের কথা উল্লেখ করেছেন। সেগুলি হচ্ছে- (১) কপাট সন্ধি, (২) তন্ত্র, (৩) রূপ বিভাগ, (৪) স্থান বিভাগ। মহাবীর ধরতে গেলে শ্রীধরাচার্যকে অনুসরণ করেছেন।

প্রগতি ও দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য পাঁচ প্রকার গুণের কথা উল্লেখ করেছেন। দ্বিতীয় আর্যভট ‘কপাট সন্ধি’ পদ্ধতিটি উল্লেখ করেছেন।

ব্রহ্মগুপ্ত গোমূত্রিক পদ্ধতিতে বলেছেন:

গুণকারখগুতুল্যো গুণ্যৌ গোমূত্রিকারুতো গুণিতঃ।

সহিতঃ প্রত্যুত, পত্রো গুণকারভেদতুল্যো বাঃ ৫৫

অর্থাৎ গুণকের খণ্ড করিয়া তৎখণ্ড সংখ্যক স্থলে গুণ্যকে রাখিয়া গোমুত্রিকারে গুণ করিয়া যোগ করিলে ফল উৎপন্ন হইবে দ। ইহা গুণকখণ্ডের ভেদ অনুসারে হইবে।।

গোমূত্রিক বলতে গরুর মূত্রের মত ইতস্ততঃ বিক্ষিপ্তাকারে যে পদ্ধতিতে গুণ। করা হয় তাকে গোমুত্রিক পদ্ধতি বলা হয়।

(চলবে)

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৬৯)

০৩:৫০:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

গুণ করার পদ্ধতি নানা প্রকার ছিল। ব্রহ্মগুপ্ত চার প্রকার গুণনের উল্লেখ করেছেন। সেগুলি হচ্ছে-(১) গোমূত্রিক, (২), খণ্ড (৩) বেদ, (৪) ইষ্ঠ। শ্রীধরাচার্য চার প্রকার গুণের কথা উল্লেখ করেছেন। সেগুলি হচ্ছে- (১) কপাট সন্ধি, (২) তন্ত্র, (৩) রূপ বিভাগ, (৪) স্থান বিভাগ। মহাবীর ধরতে গেলে শ্রীধরাচার্যকে অনুসরণ করেছেন।

প্রগতি ও দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য পাঁচ প্রকার গুণের কথা উল্লেখ করেছেন। দ্বিতীয় আর্যভট ‘কপাট সন্ধি’ পদ্ধতিটি উল্লেখ করেছেন।

ব্রহ্মগুপ্ত গোমূত্রিক পদ্ধতিতে বলেছেন:

গুণকারখগুতুল্যো গুণ্যৌ গোমূত্রিকারুতো গুণিতঃ।

সহিতঃ প্রত্যুত, পত্রো গুণকারভেদতুল্যো বাঃ ৫৫

অর্থাৎ গুণকের খণ্ড করিয়া তৎখণ্ড সংখ্যক স্থলে গুণ্যকে রাখিয়া গোমুত্রিকারে গুণ করিয়া যোগ করিলে ফল উৎপন্ন হইবে দ। ইহা গুণকখণ্ডের ভেদ অনুসারে হইবে।।

গোমূত্রিক বলতে গরুর মূত্রের মত ইতস্ততঃ বিক্ষিপ্তাকারে যে পদ্ধতিতে গুণ। করা হয় তাকে গোমুত্রিক পদ্ধতি বলা হয়।

(চলবে)