০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী জাবিতে মাদককাণ্ড: দুই ছাত্রীকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার, একজনের বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ চীনের ইভি যুদ্ধে নতুন অস্ত্র: নিজস্ব স্মার্ট-ড্রাইভিং চিপে ঝুঁকছে গাড়ি নির্মাতারা নরেন্দ্র মোদি ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১৬ মাস পর মুখোমুখি, জি৭ সম্মেলনে পাশাপাশি আসন জি৭ সম্মেলনে রাশিয়ার ওপর আরও চাপের সিদ্ধান্ত, ট্রাম্প-জেলেনস্কি বৈঠকে ইউক্রেন ইস্যুতে নতুন বার্তা উপজেলায় এমপিদের জন্য ‘পরিদর্শন কক্ষ’, প্রতিটি উপজেলায় বরাদ্দ ৬ লাখ টাকা চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে শি জিনপিংয়ের বৈঠক মুহাররমের চাঁদ দেখা যায়নি, পাকিস্তানে ২৬ জুন পালিত হবে আশুরা রয়টার্স এর প্রতিবেদনঃ বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লি বিমানবন্দরে ‘জিজ্ঞাসাবাদ’ করার প্রতিবাদ জানিয়েছে লালমনিরহাটে শিশু হত্যাকাণ্ড ঘিরে সংঘর্ষ: এসপি-ওসিসহ আহত ২০, আটক প্রধান সন্দেহভাজন

হিউএনচাঙ (পর্ব-৮৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫
  • 196

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

অযোধ্যা- প্রয়াগ -কৌশান্বী

তার পর, আবার যাত্রা ক’রে পরিব্রাজক গঙ্গাপার হয়ে অযোধ্যায় এলেন। এই স্থান তখনো হিউএনচাঙের বিশেষ ভক্তিভাজন দুইজন মহাযানী পণ্ডিত অসঙ্গ ও বসুবন্ধু ভ্রাতৃদ্বয়ের যশে পূর্ণ ছিল।

হিউএন-চাঙের দুই শত বছর আগে এঁরা গান্ধারে জন্মেন। প্রথমে এঁরা হীনযানী ছিলেন। হীনযানী বৈভাষিক দর্শনের প্রকাণ্ড অভিধর্মকশশাস্ত্র বঙ্গবন্ধুরই রচনা। ভারতের অন্যান্য বহুগ্রন্থের মত এ গ্রন্থও ভারতবর্ষে পাওয়া যায় না।

কিন্তু হিউএনচাঙ কর্তৃক চীনভাষায় অনূদিত সম্পূর্ণ গ্রন্থ পাওয়া গিয়েছে। পরে এঁরা অযোধ্যায় এসে মৈত্রেয়নাথের শিষ্য হন ও মহাযান-মত গ্রহণ ক’রে মহাযানী যোগাচার-মত স্থাপন করেন। অযোধ্যায় যে সঙ্ঘারামে এঁরা অধ্যায়ন-অধ্যাপনা করেছিলেন, হিউএনচাঙ সেই সঙ্ঘারাম দর্শন করেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৮৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৮৩)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী

হিউএনচাঙ (পর্ব-৮৪)

০৯:০০:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

অযোধ্যা- প্রয়াগ -কৌশান্বী

তার পর, আবার যাত্রা ক’রে পরিব্রাজক গঙ্গাপার হয়ে অযোধ্যায় এলেন। এই স্থান তখনো হিউএনচাঙের বিশেষ ভক্তিভাজন দুইজন মহাযানী পণ্ডিত অসঙ্গ ও বসুবন্ধু ভ্রাতৃদ্বয়ের যশে পূর্ণ ছিল।

হিউএন-চাঙের দুই শত বছর আগে এঁরা গান্ধারে জন্মেন। প্রথমে এঁরা হীনযানী ছিলেন। হীনযানী বৈভাষিক দর্শনের প্রকাণ্ড অভিধর্মকশশাস্ত্র বঙ্গবন্ধুরই রচনা। ভারতের অন্যান্য বহুগ্রন্থের মত এ গ্রন্থও ভারতবর্ষে পাওয়া যায় না।

কিন্তু হিউএনচাঙ কর্তৃক চীনভাষায় অনূদিত সম্পূর্ণ গ্রন্থ পাওয়া গিয়েছে। পরে এঁরা অযোধ্যায় এসে মৈত্রেয়নাথের শিষ্য হন ও মহাযান-মত গ্রহণ ক’রে মহাযানী যোগাচার-মত স্থাপন করেন। অযোধ্যায় যে সঙ্ঘারামে এঁরা অধ্যায়ন-অধ্যাপনা করেছিলেন, হিউএনচাঙ সেই সঙ্ঘারাম দর্শন করেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৮৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৮৩)