০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী জাবিতে মাদককাণ্ড: দুই ছাত্রীকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার, একজনের বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ চীনের ইভি যুদ্ধে নতুন অস্ত্র: নিজস্ব স্মার্ট-ড্রাইভিং চিপে ঝুঁকছে গাড়ি নির্মাতারা নরেন্দ্র মোদি ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১৬ মাস পর মুখোমুখি, জি৭ সম্মেলনে পাশাপাশি আসন জি৭ সম্মেলনে রাশিয়ার ওপর আরও চাপের সিদ্ধান্ত, ট্রাম্প-জেলেনস্কি বৈঠকে ইউক্রেন ইস্যুতে নতুন বার্তা উপজেলায় এমপিদের জন্য ‘পরিদর্শন কক্ষ’, প্রতিটি উপজেলায় বরাদ্দ ৬ লাখ টাকা চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে শি জিনপিংয়ের বৈঠক মুহাররমের চাঁদ দেখা যায়নি, পাকিস্তানে ২৬ জুন পালিত হবে আশুরা রয়টার্স এর প্রতিবেদনঃ বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লি বিমানবন্দরে ‘জিজ্ঞাসাবাদ’ করার প্রতিবাদ জানিয়েছে লালমনিরহাটে শিশু হত্যাকাণ্ড ঘিরে সংঘর্ষ: এসপি-ওসিসহ আহত ২০, আটক প্রধান সন্দেহভাজন

হিউএনচাঙ (পর্ব-৮৮)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫
  • 230

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙের মুখে কিন্তু কোনো রকম ভাবান্তর দেখা গেল না। দস্যুরা তাই দেখে আশ্চর্য হল আর তাদের মনও হয়তো একটু নরম হল। পরিত্রাণের কোনো আশা না দেখে হিউএনচাঙ তাদের অনুরোধ করলেন যে তাঁকে টানাছেঁড়া না করে অল্প কিছু সময় যেন দেওয়া হয়।

বললেন, ‘শান্ত আনন্দিত মনে আমাকে যেতে দাও।’তার পর ধর্মগুরু প্রেমপূর্ণ হৃদয়ে বোধিসত্ত্ব মৈত্রেয়ের ধ্যান করলেন, সর্বান্তঃকরণে প্রার্থনা করলেন যে, পুনর্জন্মে যেন তিনি সেই পুণ্যাত্মাদের দেবলোকে জন্মগ্রহণ করে ঐ বোধিসত্ত্বকে আরাধনা করতে, ধর্মোপদেশনা শুনতে আর বোধিলাভ করতে পারেন।

আর তার পর আবার পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করে এই লোকগুলিকে ধর্মশিক্ষা দিতে পারেন, যাতে তারা এই হীন বৃত্তি ত্যাগ করে পুণ্য কাজই করে। তার পর যেন সমস্ত জীবের সুখ শান্তির জন্যে ধর্মপ্রচার করতে পারেন। অবশেষে, তিনি দশমহাদেশের বুদ্ধদের আরাধনা করে মৈত্রেয়ের ধ্যানে বসলেন আর অন্য কোনো চিন্তা মনে উদয় হতে দিলেন না।

(চলবে)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী

হিউএনচাঙ (পর্ব-৮৮)

০৯:০০:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙের মুখে কিন্তু কোনো রকম ভাবান্তর দেখা গেল না। দস্যুরা তাই দেখে আশ্চর্য হল আর তাদের মনও হয়তো একটু নরম হল। পরিত্রাণের কোনো আশা না দেখে হিউএনচাঙ তাদের অনুরোধ করলেন যে তাঁকে টানাছেঁড়া না করে অল্প কিছু সময় যেন দেওয়া হয়।

বললেন, ‘শান্ত আনন্দিত মনে আমাকে যেতে দাও।’তার পর ধর্মগুরু প্রেমপূর্ণ হৃদয়ে বোধিসত্ত্ব মৈত্রেয়ের ধ্যান করলেন, সর্বান্তঃকরণে প্রার্থনা করলেন যে, পুনর্জন্মে যেন তিনি সেই পুণ্যাত্মাদের দেবলোকে জন্মগ্রহণ করে ঐ বোধিসত্ত্বকে আরাধনা করতে, ধর্মোপদেশনা শুনতে আর বোধিলাভ করতে পারেন।

আর তার পর আবার পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করে এই লোকগুলিকে ধর্মশিক্ষা দিতে পারেন, যাতে তারা এই হীন বৃত্তি ত্যাগ করে পুণ্য কাজই করে। তার পর যেন সমস্ত জীবের সুখ শান্তির জন্যে ধর্মপ্রচার করতে পারেন। অবশেষে, তিনি দশমহাদেশের বুদ্ধদের আরাধনা করে মৈত্রেয়ের ধ্যানে বসলেন আর অন্য কোনো চিন্তা মনে উদয় হতে দিলেন না।

(চলবে)