০৪:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি রাশিয়ায় মার্কিন গোয়েন্দাপ্রধান, মস্কোয় গোপন বৈঠক ঘিরে জল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে পাল্টা শুল্ক কানাডার, তীব্র হচ্ছে বাণিজ্যযুদ্ধ বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, উত্তর আমেরিকায় নতুন কারখানা নিয়ে হোন্ডার সতর্কবার্তা দেশীয় সংগীতের রানী ডলি পার্টন আর নেই, ৮০ বছর বয়সে শেষ হলো কিংবদন্তির পথচলা ডলি পার্টন: কিংবদন্তি গায়িকার সাত দশকের বর্ণিল জীবন ইসলামাবাদে হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে আগুন, ১৪ শিশুর মৃত্যু কুমিল্লায় পারিবারিক বিরোধে বড় ভাইয়ের মারধরে প্রাণ গেল ভাইয়ের বৃহস্পতিবার বসছে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন পাঁচ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা

হিউএনচাঙ (পর্ব-৮৮)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫
  • 260

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙের মুখে কিন্তু কোনো রকম ভাবান্তর দেখা গেল না। দস্যুরা তাই দেখে আশ্চর্য হল আর তাদের মনও হয়তো একটু নরম হল। পরিত্রাণের কোনো আশা না দেখে হিউএনচাঙ তাদের অনুরোধ করলেন যে তাঁকে টানাছেঁড়া না করে অল্প কিছু সময় যেন দেওয়া হয়।

বললেন, ‘শান্ত আনন্দিত মনে আমাকে যেতে দাও।’তার পর ধর্মগুরু প্রেমপূর্ণ হৃদয়ে বোধিসত্ত্ব মৈত্রেয়ের ধ্যান করলেন, সর্বান্তঃকরণে প্রার্থনা করলেন যে, পুনর্জন্মে যেন তিনি সেই পুণ্যাত্মাদের দেবলোকে জন্মগ্রহণ করে ঐ বোধিসত্ত্বকে আরাধনা করতে, ধর্মোপদেশনা শুনতে আর বোধিলাভ করতে পারেন।

আর তার পর আবার পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করে এই লোকগুলিকে ধর্মশিক্ষা দিতে পারেন, যাতে তারা এই হীন বৃত্তি ত্যাগ করে পুণ্য কাজই করে। তার পর যেন সমস্ত জীবের সুখ শান্তির জন্যে ধর্মপ্রচার করতে পারেন। অবশেষে, তিনি দশমহাদেশের বুদ্ধদের আরাধনা করে মৈত্রেয়ের ধ্যানে বসলেন আর অন্য কোনো চিন্তা মনে উদয় হতে দিলেন না।

(চলবে)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি

হিউএনচাঙ (পর্ব-৮৮)

০৯:০০:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙের মুখে কিন্তু কোনো রকম ভাবান্তর দেখা গেল না। দস্যুরা তাই দেখে আশ্চর্য হল আর তাদের মনও হয়তো একটু নরম হল। পরিত্রাণের কোনো আশা না দেখে হিউএনচাঙ তাদের অনুরোধ করলেন যে তাঁকে টানাছেঁড়া না করে অল্প কিছু সময় যেন দেওয়া হয়।

বললেন, ‘শান্ত আনন্দিত মনে আমাকে যেতে দাও।’তার পর ধর্মগুরু প্রেমপূর্ণ হৃদয়ে বোধিসত্ত্ব মৈত্রেয়ের ধ্যান করলেন, সর্বান্তঃকরণে প্রার্থনা করলেন যে, পুনর্জন্মে যেন তিনি সেই পুণ্যাত্মাদের দেবলোকে জন্মগ্রহণ করে ঐ বোধিসত্ত্বকে আরাধনা করতে, ধর্মোপদেশনা শুনতে আর বোধিলাভ করতে পারেন।

আর তার পর আবার পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করে এই লোকগুলিকে ধর্মশিক্ষা দিতে পারেন, যাতে তারা এই হীন বৃত্তি ত্যাগ করে পুণ্য কাজই করে। তার পর যেন সমস্ত জীবের সুখ শান্তির জন্যে ধর্মপ্রচার করতে পারেন। অবশেষে, তিনি দশমহাদেশের বুদ্ধদের আরাধনা করে মৈত্রেয়ের ধ্যানে বসলেন আর অন্য কোনো চিন্তা মনে উদয় হতে দিলেন না।

(চলবে)