০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী জাবিতে মাদককাণ্ড: দুই ছাত্রীকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার, একজনের বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ চীনের ইভি যুদ্ধে নতুন অস্ত্র: নিজস্ব স্মার্ট-ড্রাইভিং চিপে ঝুঁকছে গাড়ি নির্মাতারা নরেন্দ্র মোদি ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১৬ মাস পর মুখোমুখি, জি৭ সম্মেলনে পাশাপাশি আসন জি৭ সম্মেলনে রাশিয়ার ওপর আরও চাপের সিদ্ধান্ত, ট্রাম্প-জেলেনস্কি বৈঠকে ইউক্রেন ইস্যুতে নতুন বার্তা উপজেলায় এমপিদের জন্য ‘পরিদর্শন কক্ষ’, প্রতিটি উপজেলায় বরাদ্দ ৬ লাখ টাকা চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে শি জিনপিংয়ের বৈঠক মুহাররমের চাঁদ দেখা যায়নি, পাকিস্তানে ২৬ জুন পালিত হবে আশুরা রয়টার্স এর প্রতিবেদনঃ বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লি বিমানবন্দরে ‘জিজ্ঞাসাবাদ’ করার প্রতিবাদ জানিয়েছে লালমনিরহাটে শিশু হত্যাকাণ্ড ঘিরে সংঘর্ষ: এসপি-ওসিসহ আহত ২০, আটক প্রধান সন্দেহভাজন

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫১)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ মে ২০২৫
  • 184

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

বই-এর শেষ অংশটি পাতলা কাঠের পাতের সঙ্গে শিরিসের আঠা দিয়ে আটকানো হত। এই আশটিই বই-এর প্রচ্ছদ হিসেবে ব্যবহার করা হত। কখনো কখনো এই প্রচ্ছদ নানারকম ছবিতে গাজান হত।

ছবিগুলি দক্ষতার সঙ্গে শিল্পীরা হাতে আঁকত। এই আঁকার কাজে যারা ব্যাস্ত থাকত তাদের জীবিকা বা রুজিরোজগার এই কাজের মধ্য দিয়েই মিটে যেত। এছাড়া বই-এর দুটি দিকেই কিছু লেখা থাকত এবং তার উপর বর্ণময় চিত্রাঙ্কণ করা হত।

এবাদেও বই-এর অনেক পৃষ্ঠার লাইন লাল এবং কালো কালিতে লেখা হত। এই সঙ্গে মজার খবর হল বই-এর প্রতিটি পাতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ার ব্যবস্থা থাকত। বই এবং কাগজ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হল বাসে, শহরের সরকারি বেসরকারি নানা কাজের জন্য অনেক কাঁচামালের প্রয়োজন হত।

একটি হিসেব থেকে জানা যায় যে এই ব্যাপক কাজের জন্য ২৪ হাজার রিম কাগজের উৎপাদন করতে হয়। রাজধানী শহর তেনোচতিতলানে চার লক্ষ আশি হাজার শিট পাঠাতে হত।

(চলবে)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫০)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫০)

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫১)

১০:০০:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ মে ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

বই-এর শেষ অংশটি পাতলা কাঠের পাতের সঙ্গে শিরিসের আঠা দিয়ে আটকানো হত। এই আশটিই বই-এর প্রচ্ছদ হিসেবে ব্যবহার করা হত। কখনো কখনো এই প্রচ্ছদ নানারকম ছবিতে গাজান হত।

ছবিগুলি দক্ষতার সঙ্গে শিল্পীরা হাতে আঁকত। এই আঁকার কাজে যারা ব্যাস্ত থাকত তাদের জীবিকা বা রুজিরোজগার এই কাজের মধ্য দিয়েই মিটে যেত। এছাড়া বই-এর দুটি দিকেই কিছু লেখা থাকত এবং তার উপর বর্ণময় চিত্রাঙ্কণ করা হত।

এবাদেও বই-এর অনেক পৃষ্ঠার লাইন লাল এবং কালো কালিতে লেখা হত। এই সঙ্গে মজার খবর হল বই-এর প্রতিটি পাতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ার ব্যবস্থা থাকত। বই এবং কাগজ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হল বাসে, শহরের সরকারি বেসরকারি নানা কাজের জন্য অনেক কাঁচামালের প্রয়োজন হত।

একটি হিসেব থেকে জানা যায় যে এই ব্যাপক কাজের জন্য ২৪ হাজার রিম কাগজের উৎপাদন করতে হয়। রাজধানী শহর তেনোচতিতলানে চার লক্ষ আশি হাজার শিট পাঠাতে হত।

(চলবে)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫০)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫০)