০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি রাশিয়ায় মার্কিন গোয়েন্দাপ্রধান, মস্কোয় গোপন বৈঠক ঘিরে জল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে পাল্টা শুল্ক কানাডার, তীব্র হচ্ছে বাণিজ্যযুদ্ধ বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, উত্তর আমেরিকায় নতুন কারখানা নিয়ে হোন্ডার সতর্কবার্তা দেশীয় সংগীতের রানী ডলি পার্টন আর নেই, ৮০ বছর বয়সে শেষ হলো কিংবদন্তির পথচলা ডলি পার্টন: কিংবদন্তি গায়িকার সাত দশকের বর্ণিল জীবন ইসলামাবাদে হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে আগুন, ১৪ শিশুর মৃত্যু কুমিল্লায় পারিবারিক বিরোধে বড় ভাইয়ের মারধরে প্রাণ গেল ভাইয়ের বৃহস্পতিবার বসছে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন পাঁচ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৫)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫
  • 313

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

আজতেকরা কোনো স্থান বা শহর বা অঞ্চলের নামও এইভাবে ধ্বনির সাহায্যে বোঝাতে চেষ্টা করে। উদাহরণ হিসেবে রাজধানী শহর তেনোচতিতলান এর কথা উল্লেখ করা যায়। তেনোচতিতলানকে বোঝাবার জন্য একটা পাথর থেকে বেরিয়েছে একটা কর্কশ ক্যাকটাস।

আসলে আরও স্পষ্টভাবে বলা যায় যে এই চিহ্নগুলি খুব সাজিয়ে পরপর রাখা হয়। অনেকটা লেখায় যেমন অক্ষরগুলি পরপর সাজানোর মত। আজতেক পাণ্ডুলিপি বা লেখা সাধারণভাবে বই যেমন পড়া হয় ঠিক তেমনিভাবে হয় না।

ছবি বা খোদাই চিত্রকে এদিক ওদিক করে একটা ছন্দ তৈরি করা হয়। আর একথাও আমাদের মনে রাখা দরকার যে আজতেকরা কোনোভাবে ধারাবাহিক বা পারম্পর্য (Sequence) এবং যুক্তিসম্মত দূরত্বর ধারণা গড়ে তুলতে পারেনি।

এই ত্রুটি বা ফাঁক তারা মিটিয়ে দিত এই ছবির অবস্থান দিয়ে। কোনো ছবি পৃষ্ঠার সবচেয়ে উপরে বা কোনো ছবি হয়ত নীচের দিকে। আবার রাজার ক্ষেত্রে গুরুত্ব বোঝানো হয় ছবির বড় আকার দিয়ে। আর পরাজিত রাজা, সৈনিকদের ছবি ছোট দেখিয়ে কম গুরুত্ব বোঝানো হয়।

মূল কথা হল আজতেক লিখন বা দেওয়াল চিত্রণ দিয়ে যাবতীয় বিষয় সম্পর্কে সবিস্তার তথ্য পরিবেশন করা হয়।

(চলবে)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৪)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৪)

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৫)

০৭:০০:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

আজতেকরা কোনো স্থান বা শহর বা অঞ্চলের নামও এইভাবে ধ্বনির সাহায্যে বোঝাতে চেষ্টা করে। উদাহরণ হিসেবে রাজধানী শহর তেনোচতিতলান এর কথা উল্লেখ করা যায়। তেনোচতিতলানকে বোঝাবার জন্য একটা পাথর থেকে বেরিয়েছে একটা কর্কশ ক্যাকটাস।

আসলে আরও স্পষ্টভাবে বলা যায় যে এই চিহ্নগুলি খুব সাজিয়ে পরপর রাখা হয়। অনেকটা লেখায় যেমন অক্ষরগুলি পরপর সাজানোর মত। আজতেক পাণ্ডুলিপি বা লেখা সাধারণভাবে বই যেমন পড়া হয় ঠিক তেমনিভাবে হয় না।

ছবি বা খোদাই চিত্রকে এদিক ওদিক করে একটা ছন্দ তৈরি করা হয়। আর একথাও আমাদের মনে রাখা দরকার যে আজতেকরা কোনোভাবে ধারাবাহিক বা পারম্পর্য (Sequence) এবং যুক্তিসম্মত দূরত্বর ধারণা গড়ে তুলতে পারেনি।

এই ত্রুটি বা ফাঁক তারা মিটিয়ে দিত এই ছবির অবস্থান দিয়ে। কোনো ছবি পৃষ্ঠার সবচেয়ে উপরে বা কোনো ছবি হয়ত নীচের দিকে। আবার রাজার ক্ষেত্রে গুরুত্ব বোঝানো হয় ছবির বড় আকার দিয়ে। আর পরাজিত রাজা, সৈনিকদের ছবি ছোট দেখিয়ে কম গুরুত্ব বোঝানো হয়।

মূল কথা হল আজতেক লিখন বা দেওয়াল চিত্রণ দিয়ে যাবতীয় বিষয় সম্পর্কে সবিস্তার তথ্য পরিবেশন করা হয়।

(চলবে)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৪)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৪)