১০:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
বুলেট বৈরাগী হত্যা: চাঞ্চল্যকর তথ্য, ৪ জনের জবানবন্দি হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে লেবানন যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুর: মার্চ থেকে ২,৫০৯ জন নিহত, ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত ২০০৩-এর পর প্রথমবার মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন তিনটি বিমানবাহী রণতরী, উত্তেজনা তীব্র টানা ১১তম বছরে রেকর্ড: বৈশ্বিক সামরিক ব্যয় ২০২৫ সালে ২.৯ ট্রিলিয়ন ডলার ২১ বছর পর গাজা ও পশ্চিম তীরে স্থানীয় নির্বাচন, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ নতুন পথে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এআই মামলা শুরু: মাস্ক বনাম অ্যালটম্যান আদালতে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনারে হামলার আসামি আদালতে, ট্রাম্প প্রশাসনকে টার্গেট করার পরিকল্পনা ছিল হরমুজ প্রণালী আর আগের মতো থাকবে না: ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ঘোষণা মার্কিন-ইরান শান্তি আলোচনা ভেঙে পড়েছে, আরাঘচি পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে সেন্ট পিটার্সবার্গে

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৫)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫
  • 253

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

আজতেকরা কোনো স্থান বা শহর বা অঞ্চলের নামও এইভাবে ধ্বনির সাহায্যে বোঝাতে চেষ্টা করে। উদাহরণ হিসেবে রাজধানী শহর তেনোচতিতলান এর কথা উল্লেখ করা যায়। তেনোচতিতলানকে বোঝাবার জন্য একটা পাথর থেকে বেরিয়েছে একটা কর্কশ ক্যাকটাস।

আসলে আরও স্পষ্টভাবে বলা যায় যে এই চিহ্নগুলি খুব সাজিয়ে পরপর রাখা হয়। অনেকটা লেখায় যেমন অক্ষরগুলি পরপর সাজানোর মত। আজতেক পাণ্ডুলিপি বা লেখা সাধারণভাবে বই যেমন পড়া হয় ঠিক তেমনিভাবে হয় না।

ছবি বা খোদাই চিত্রকে এদিক ওদিক করে একটা ছন্দ তৈরি করা হয়। আর একথাও আমাদের মনে রাখা দরকার যে আজতেকরা কোনোভাবে ধারাবাহিক বা পারম্পর্য (Sequence) এবং যুক্তিসম্মত দূরত্বর ধারণা গড়ে তুলতে পারেনি।

এই ত্রুটি বা ফাঁক তারা মিটিয়ে দিত এই ছবির অবস্থান দিয়ে। কোনো ছবি পৃষ্ঠার সবচেয়ে উপরে বা কোনো ছবি হয়ত নীচের দিকে। আবার রাজার ক্ষেত্রে গুরুত্ব বোঝানো হয় ছবির বড় আকার দিয়ে। আর পরাজিত রাজা, সৈনিকদের ছবি ছোট দেখিয়ে কম গুরুত্ব বোঝানো হয়।

মূল কথা হল আজতেক লিখন বা দেওয়াল চিত্রণ দিয়ে যাবতীয় বিষয় সম্পর্কে সবিস্তার তথ্য পরিবেশন করা হয়।

(চলবে)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৪)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৪)

বুলেট বৈরাগী হত্যা: চাঞ্চল্যকর তথ্য, ৪ জনের জবানবন্দি

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৫)

০৭:০০:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

আজতেকরা কোনো স্থান বা শহর বা অঞ্চলের নামও এইভাবে ধ্বনির সাহায্যে বোঝাতে চেষ্টা করে। উদাহরণ হিসেবে রাজধানী শহর তেনোচতিতলান এর কথা উল্লেখ করা যায়। তেনোচতিতলানকে বোঝাবার জন্য একটা পাথর থেকে বেরিয়েছে একটা কর্কশ ক্যাকটাস।

আসলে আরও স্পষ্টভাবে বলা যায় যে এই চিহ্নগুলি খুব সাজিয়ে পরপর রাখা হয়। অনেকটা লেখায় যেমন অক্ষরগুলি পরপর সাজানোর মত। আজতেক পাণ্ডুলিপি বা লেখা সাধারণভাবে বই যেমন পড়া হয় ঠিক তেমনিভাবে হয় না।

ছবি বা খোদাই চিত্রকে এদিক ওদিক করে একটা ছন্দ তৈরি করা হয়। আর একথাও আমাদের মনে রাখা দরকার যে আজতেকরা কোনোভাবে ধারাবাহিক বা পারম্পর্য (Sequence) এবং যুক্তিসম্মত দূরত্বর ধারণা গড়ে তুলতে পারেনি।

এই ত্রুটি বা ফাঁক তারা মিটিয়ে দিত এই ছবির অবস্থান দিয়ে। কোনো ছবি পৃষ্ঠার সবচেয়ে উপরে বা কোনো ছবি হয়ত নীচের দিকে। আবার রাজার ক্ষেত্রে গুরুত্ব বোঝানো হয় ছবির বড় আকার দিয়ে। আর পরাজিত রাজা, সৈনিকদের ছবি ছোট দেখিয়ে কম গুরুত্ব বোঝানো হয়।

মূল কথা হল আজতেক লিখন বা দেওয়াল চিত্রণ দিয়ে যাবতীয় বিষয় সম্পর্কে সবিস্তার তথ্য পরিবেশন করা হয়।

(চলবে)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৪)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৪)