০৮:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
স্টিভেন স্পিলবার্গের নতুন ছবিতে এমিলি ব্লান্ট: অভিনয়ের মধ্যেই খুঁজে পান আত্মিক প্রশান্তি যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষুদ্র ব্যবসায় বড় ধাক্কা, বাড়তি খরচে টিকে থাকাই এখন চ্যালেঞ্জ আফগান সীমান্তে ড্রোন অনুপ্রবেশের দাবি খারিজ, পাকিস্তানের পাল্টা বক্তব্য কাস্ত্রপকে না খেলানো নিয়ে প্রশ্ন, দক্ষিণ কোরিয়ার কোচের সিদ্ধান্তে বিতর্ক কোরিয়ান নাটকে ইন্দোনেশিয়ার কফি ক্যান্ডির ঝড়, জনপ্রিয়তার শীর্ষে কোপিকো ভারতের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আইপিওর পথে রিলায়েন্স জিও, এআই খাতে বিশাল বিনিয়োগের পরিকল্পনা বিশ্বকাপের উন্মাদনায় ‘ক্যাপ্টেন সুবাসা’ এখন এআই ভিডিওতে, নতুন উদ্যোগ পিক্সভার্সের অস্ট্রেলিয়ায় ক্রীড়া বাজির বিজ্ঞাপনে লাগাম, তবু আসক্তি রোধে প্রশ্ন রয়ে গেল ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া কীভাবে দেওয়া হবে? ট্রাম্প প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞায় চাপে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান, বিভ্রান্ত কর্মীরা

হিউএনচাঙ (পর্ব-১২১)

বাংলা ও কামরূপ

নালন্দা থেকে বাংলাদেশের দিকে বেরিয়ে প্রথমে হিউএনচাঙ দিনকতক ‘কপোত’ নামক এক মঠে ছিলেন। ‘এই মঠের মাইলখানেক দূরে একটি চমৎকার নির্জন পাহাড় আছে। তাতে পরিষ্কার জলের ঝরনা, সুগন্ধী ফুল প্রচুর আছে।

সেইজন্যে ঐ পাহাড়ের উপর অনেকগুলি দেবমন্দির আছে আর সেসব দেবমন্দিরে নানারকম অলৌকিক ব্যাপার প্রায়ই দেখা যায়। এই অধিত্যকার মধ্যস্থলে অবলোকিতেশ্বরের একটি চন্দনকাঠে নির্মিত মূর্তি আছে আর কাছাকাছি অনেক জায়গা থেকে এখানে পূজা দিতে লোক আসে।’

এই মূর্তির চারদিকে একটা রেলিঙ ছিল। রেলিঙের বাইরে থেকে ভক্ত যদি ফুলের মালা ছুড়ে এই মূর্তির হাতে পরিয়ে দিতে পারতো তা হলে বুঝতো যে দেবতা তার প্রার্থনা গ্রাহ্য করলেন।

হিউএনচাঙ তিনটি প্রার্থনা করলেন- ‘প্রথম, আমার ইচ্ছা ভারতবর্ষে আমার শিক্ষা সমাপ্ত করে আমি যেন স্বদেশে ফিরতে পারি। এতে যদি সফলতার আশা থাকে তাহলে ফুলগুলি যেন আপনার পূজনীয় হাতে গৃহীত হয়।

(চলবে)

জনপ্রিয় সংবাদ

স্টিভেন স্পিলবার্গের নতুন ছবিতে এমিলি ব্লান্ট: অভিনয়ের মধ্যেই খুঁজে পান আত্মিক প্রশান্তি

হিউএনচাঙ (পর্ব-১২১)

০৯:০০:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫

বাংলা ও কামরূপ

নালন্দা থেকে বাংলাদেশের দিকে বেরিয়ে প্রথমে হিউএনচাঙ দিনকতক ‘কপোত’ নামক এক মঠে ছিলেন। ‘এই মঠের মাইলখানেক দূরে একটি চমৎকার নির্জন পাহাড় আছে। তাতে পরিষ্কার জলের ঝরনা, সুগন্ধী ফুল প্রচুর আছে।

সেইজন্যে ঐ পাহাড়ের উপর অনেকগুলি দেবমন্দির আছে আর সেসব দেবমন্দিরে নানারকম অলৌকিক ব্যাপার প্রায়ই দেখা যায়। এই অধিত্যকার মধ্যস্থলে অবলোকিতেশ্বরের একটি চন্দনকাঠে নির্মিত মূর্তি আছে আর কাছাকাছি অনেক জায়গা থেকে এখানে পূজা দিতে লোক আসে।’

এই মূর্তির চারদিকে একটা রেলিঙ ছিল। রেলিঙের বাইরে থেকে ভক্ত যদি ফুলের মালা ছুড়ে এই মূর্তির হাতে পরিয়ে দিতে পারতো তা হলে বুঝতো যে দেবতা তার প্রার্থনা গ্রাহ্য করলেন।

হিউএনচাঙ তিনটি প্রার্থনা করলেন- ‘প্রথম, আমার ইচ্ছা ভারতবর্ষে আমার শিক্ষা সমাপ্ত করে আমি যেন স্বদেশে ফিরতে পারি। এতে যদি সফলতার আশা থাকে তাহলে ফুলগুলি যেন আপনার পূজনীয় হাতে গৃহীত হয়।

(চলবে)