০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
খুশি নারীদের কেন টার্গেট করা হয়? অনলাইন বিষাক্ততার বিরুদ্ধে সরব হানিয়া আমির পালারি ফিল্মসের এক দশক: সোনালি ধারায় এগিয়ে চলা নারীর গল্পকে কেন পিছনে রাখা হচ্ছে: পাকিস্তানের বিনোদন জগতের অদৃশ্য বৈষম্যের গল্প ৫ টাকার সেলাই থেকে মাসে লাখ টাকা আয়, গ্রামের ছেলেটির অবিশ্বাস্য উত্থানের গল্প বালি ১৯৫২: লিউ কাংয়ের চোখে এক যাত্রার গল্প পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের মাঝে নারী সংরক্ষণ বিল নিয়ে উত্তাপ, সীমা পুনর্বিন্যাসে বাড়ছে বিতর্ক পয়লা বৈশাখে ‘মাতৃ শক্তি ভরসা কার্ড’ ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ, নির্বাচন বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে সরব তৃণমূল বঙ্গের মাটি থেকে অনুপ্রবেশকারীদের সরানোর হুঁশিয়ারি, নির্বাচনী মঞ্চে শাহর কড়া বার্তা তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের কাছাকাছি, আইইএ বলছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জ্বালানি ধাক্কা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ঐতিহাসিক রাত: ১০ জনের বার্সেলোনাকে ২-০ হারাল অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ

হিউএনচাঙ (পর্ব-১২১)

বাংলা ও কামরূপ

নালন্দা থেকে বাংলাদেশের দিকে বেরিয়ে প্রথমে হিউএনচাঙ দিনকতক ‘কপোত’ নামক এক মঠে ছিলেন। ‘এই মঠের মাইলখানেক দূরে একটি চমৎকার নির্জন পাহাড় আছে। তাতে পরিষ্কার জলের ঝরনা, সুগন্ধী ফুল প্রচুর আছে।

সেইজন্যে ঐ পাহাড়ের উপর অনেকগুলি দেবমন্দির আছে আর সেসব দেবমন্দিরে নানারকম অলৌকিক ব্যাপার প্রায়ই দেখা যায়। এই অধিত্যকার মধ্যস্থলে অবলোকিতেশ্বরের একটি চন্দনকাঠে নির্মিত মূর্তি আছে আর কাছাকাছি অনেক জায়গা থেকে এখানে পূজা দিতে লোক আসে।’

এই মূর্তির চারদিকে একটা রেলিঙ ছিল। রেলিঙের বাইরে থেকে ভক্ত যদি ফুলের মালা ছুড়ে এই মূর্তির হাতে পরিয়ে দিতে পারতো তা হলে বুঝতো যে দেবতা তার প্রার্থনা গ্রাহ্য করলেন।

হিউএনচাঙ তিনটি প্রার্থনা করলেন- ‘প্রথম, আমার ইচ্ছা ভারতবর্ষে আমার শিক্ষা সমাপ্ত করে আমি যেন স্বদেশে ফিরতে পারি। এতে যদি সফলতার আশা থাকে তাহলে ফুলগুলি যেন আপনার পূজনীয় হাতে গৃহীত হয়।

(চলবে)

জনপ্রিয় সংবাদ

খুশি নারীদের কেন টার্গেট করা হয়? অনলাইন বিষাক্ততার বিরুদ্ধে সরব হানিয়া আমির

হিউএনচাঙ (পর্ব-১২১)

০৯:০০:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫

বাংলা ও কামরূপ

নালন্দা থেকে বাংলাদেশের দিকে বেরিয়ে প্রথমে হিউএনচাঙ দিনকতক ‘কপোত’ নামক এক মঠে ছিলেন। ‘এই মঠের মাইলখানেক দূরে একটি চমৎকার নির্জন পাহাড় আছে। তাতে পরিষ্কার জলের ঝরনা, সুগন্ধী ফুল প্রচুর আছে।

সেইজন্যে ঐ পাহাড়ের উপর অনেকগুলি দেবমন্দির আছে আর সেসব দেবমন্দিরে নানারকম অলৌকিক ব্যাপার প্রায়ই দেখা যায়। এই অধিত্যকার মধ্যস্থলে অবলোকিতেশ্বরের একটি চন্দনকাঠে নির্মিত মূর্তি আছে আর কাছাকাছি অনেক জায়গা থেকে এখানে পূজা দিতে লোক আসে।’

এই মূর্তির চারদিকে একটা রেলিঙ ছিল। রেলিঙের বাইরে থেকে ভক্ত যদি ফুলের মালা ছুড়ে এই মূর্তির হাতে পরিয়ে দিতে পারতো তা হলে বুঝতো যে দেবতা তার প্রার্থনা গ্রাহ্য করলেন।

হিউএনচাঙ তিনটি প্রার্থনা করলেন- ‘প্রথম, আমার ইচ্ছা ভারতবর্ষে আমার শিক্ষা সমাপ্ত করে আমি যেন স্বদেশে ফিরতে পারি। এতে যদি সফলতার আশা থাকে তাহলে ফুলগুলি যেন আপনার পূজনীয় হাতে গৃহীত হয়।

(চলবে)