১১:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
ফতেহ-২ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ, সক্ষমতা আরও জোরালো করল পাকিস্তান সেনাবাহিনী বৃষ্টিতে ডুবল চট্টগ্রাম, বুকসমান পানিতে অচল সড়ক—দুর্ভোগে নগরবাসী যুদ্ধের ধাক্কায় বিশ্ববাজারে পণ্যমূল্য ঊর্ধ্বমুখী, ২০২৬ সালে বাড়তে পারে ১৬% চট্টগ্রামে চার সামাজিক সংগঠনের হাতে ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকার অনুদান, তৃণমূলে উন্নয়নে জোর নেগেরি সেম্বিলানে ক্ষমতার টানাপোড়েন, আনোয়ার জোটে নতুন সংকট ‘দেশে জঙ্গি নেই’—এই বক্তব্য ভুল, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে: তথ্য উপদেষ্টা খালি পেটে ৪ ঘরোয়া পানীয়, ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহজ অভ্যাস স্বামীর ছুরিকাঘাতে সিলেটে গৃহবধূ নিহত, অভিযুক্ত পলাতক ২০২৬ সালের সেরা বইগুলো: ‘কিন’, ‘লন্ডন ফলিং’সহ আরও কিছু আলোচিত বই অ্যানজ্যাক ডেতে একাই হাজির কেট মিডলটন, নজর কাড়ল বিরল রাজকীয় গয়নার গল্প

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ১২)

আজিমপুর গোরস্থান

ঢাকার সাধারণের জন্য গোরস্থানের ছিল অভাব, পরিকল্পিত গোরস্থান ধারণাটিও অনেকের মধ্যে ছিল না। সেটা ছিল খ্রিষ্টানদের মধ্যে। তারা প্রথম ঢাকার খ্রিষ্টানদের সমাহিত করার জন্য অষ্টাদশ শতকে নারিন্দায় গোরস্থান শুরু করে।

এখন যেখানে গোরস্থান, সেখানে উনিশ শতকের গোড়ায়ও যে গোর দেওয়া হতো না তা নয়। তবে, ১৮৫০ সালে গোরস্থান নিয়ে পরিকল্পনা করা হয় এবং ৩২ একর জমি নিয়ে ঢাকার প্রথম পরিকল্পিত সাধারণের কবরস্থান আজিমপুর গোরস্থান বা কবরস্থান গড়ে ওঠে।

আজিমপুর গোরস্থান

পরে এর সঙ্গে নতুন কিছু জায়গাও যুক্ত হয়। যেটি ‘নতুন কবরস্থান’ নামে পরিচিত। বাংলাদেশের অনেক পরিচিত মানুষের কবর আছে এখানে।

ঢাকার সবচেয়ে পুরণো কবরস্থান আজিমপুর গোরস্থান বা কবরস্থান। অনেকের মতে মোগল আমলেও এখানে কবর দেওয়া হতো। হতে পারে, কারণ, মোগল আমলেই আজিপুর গড়ে ওঠে। ১৮০৭ সালে এখানে কবর দেওয়া হতো বলে জানা গেছে।

গত শতকের ষাটের দশকে প্রায় ৪ একর জায়গা নিয়ে এর সম্প্রসারণ করা হয় যা নতুন কবরস্থান নামে পরিচিতি পায়। এটি ছিল জেলেদের মেলার মাঠ। পুরো গোরস্থানে অনেক মান্যগণ্য ব্যক্তির কবর আছে, যেমন ভাষা শহীদ বরকত, সালাম ও রফিক।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ১১)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ১১)

ফতেহ-২ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ, সক্ষমতা আরও জোরালো করল পাকিস্তান সেনাবাহিনী

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ১২)

০৭:০০:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫

আজিমপুর গোরস্থান

ঢাকার সাধারণের জন্য গোরস্থানের ছিল অভাব, পরিকল্পিত গোরস্থান ধারণাটিও অনেকের মধ্যে ছিল না। সেটা ছিল খ্রিষ্টানদের মধ্যে। তারা প্রথম ঢাকার খ্রিষ্টানদের সমাহিত করার জন্য অষ্টাদশ শতকে নারিন্দায় গোরস্থান শুরু করে।

এখন যেখানে গোরস্থান, সেখানে উনিশ শতকের গোড়ায়ও যে গোর দেওয়া হতো না তা নয়। তবে, ১৮৫০ সালে গোরস্থান নিয়ে পরিকল্পনা করা হয় এবং ৩২ একর জমি নিয়ে ঢাকার প্রথম পরিকল্পিত সাধারণের কবরস্থান আজিমপুর গোরস্থান বা কবরস্থান গড়ে ওঠে।

আজিমপুর গোরস্থান

পরে এর সঙ্গে নতুন কিছু জায়গাও যুক্ত হয়। যেটি ‘নতুন কবরস্থান’ নামে পরিচিত। বাংলাদেশের অনেক পরিচিত মানুষের কবর আছে এখানে।

ঢাকার সবচেয়ে পুরণো কবরস্থান আজিমপুর গোরস্থান বা কবরস্থান। অনেকের মতে মোগল আমলেও এখানে কবর দেওয়া হতো। হতে পারে, কারণ, মোগল আমলেই আজিপুর গড়ে ওঠে। ১৮০৭ সালে এখানে কবর দেওয়া হতো বলে জানা গেছে।

গত শতকের ষাটের দশকে প্রায় ৪ একর জায়গা নিয়ে এর সম্প্রসারণ করা হয় যা নতুন কবরস্থান নামে পরিচিতি পায়। এটি ছিল জেলেদের মেলার মাঠ। পুরো গোরস্থানে অনেক মান্যগণ্য ব্যক্তির কবর আছে, যেমন ভাষা শহীদ বরকত, সালাম ও রফিক।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ১১)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ১১)