০৫:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
দুবাইয়ে যুদ্ধের ছায়া: ইরানি হামলায় কেঁপে উঠল উপসাগরের নিরাপত্তার প্রতীক যুদ্ধ আমেরিকার: মূল্য দিচ্ছে আরব দেশগুলো বোমা, ভয় আর ভাঙা স্বপ্নের মাঝখানে ইরান: মুক্তির আশা নাকি ধ্বংসের অন্ধকার? যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিতে হামলার দাবি ইরানে: যুদ্ধের আগুনে কাঁপছে বিশ্ব বাণিজ্য প্রতিদিন যুদ্ধের খরচের প্রায় ৮৯১ মিলিয়ন ডলার  যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা, উপসাগর জুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র আতঙ্ক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কী করছে বাংলাদেশ? যুদ্ধের ছায়ায় দামের অনিশ্চয়তা: স্থিতিশীল মূল্যস্ফীতি, তবু বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নতুন শঙ্কা তেলের বাজারে বড় পদক্ষেপ: যুদ্ধের উত্তাপে ৪০ কোটি ব্যারেল মজুত তেল ছাড়ছে বিশ্ব হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনা চরমে, জাহাজে হামলা বাড়িয়ে দিল ইরান—বিশ্ব তেলের বাজারে বড় ধাক্কার আশঙ্কা

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ১২)

আজিমপুর গোরস্থান

ঢাকার সাধারণের জন্য গোরস্থানের ছিল অভাব, পরিকল্পিত গোরস্থান ধারণাটিও অনেকের মধ্যে ছিল না। সেটা ছিল খ্রিষ্টানদের মধ্যে। তারা প্রথম ঢাকার খ্রিষ্টানদের সমাহিত করার জন্য অষ্টাদশ শতকে নারিন্দায় গোরস্থান শুরু করে।

এখন যেখানে গোরস্থান, সেখানে উনিশ শতকের গোড়ায়ও যে গোর দেওয়া হতো না তা নয়। তবে, ১৮৫০ সালে গোরস্থান নিয়ে পরিকল্পনা করা হয় এবং ৩২ একর জমি নিয়ে ঢাকার প্রথম পরিকল্পিত সাধারণের কবরস্থান আজিমপুর গোরস্থান বা কবরস্থান গড়ে ওঠে।

আজিমপুর গোরস্থান

পরে এর সঙ্গে নতুন কিছু জায়গাও যুক্ত হয়। যেটি ‘নতুন কবরস্থান’ নামে পরিচিত। বাংলাদেশের অনেক পরিচিত মানুষের কবর আছে এখানে।

ঢাকার সবচেয়ে পুরণো কবরস্থান আজিমপুর গোরস্থান বা কবরস্থান। অনেকের মতে মোগল আমলেও এখানে কবর দেওয়া হতো। হতে পারে, কারণ, মোগল আমলেই আজিপুর গড়ে ওঠে। ১৮০৭ সালে এখানে কবর দেওয়া হতো বলে জানা গেছে।

গত শতকের ষাটের দশকে প্রায় ৪ একর জায়গা নিয়ে এর সম্প্রসারণ করা হয় যা নতুন কবরস্থান নামে পরিচিতি পায়। এটি ছিল জেলেদের মেলার মাঠ। পুরো গোরস্থানে অনেক মান্যগণ্য ব্যক্তির কবর আছে, যেমন ভাষা শহীদ বরকত, সালাম ও রফিক।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ১১)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ১১)

জনপ্রিয় সংবাদ

তাঁতিদের আর্তনাদে টাঙ্গাইল শাড়ি: শতাব্দী পুরোনো ঐতিহ্য কি হারিয়ে যাচ্ছে?

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ১২)

০৭:০০:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫

আজিমপুর গোরস্থান

ঢাকার সাধারণের জন্য গোরস্থানের ছিল অভাব, পরিকল্পিত গোরস্থান ধারণাটিও অনেকের মধ্যে ছিল না। সেটা ছিল খ্রিষ্টানদের মধ্যে। তারা প্রথম ঢাকার খ্রিষ্টানদের সমাহিত করার জন্য অষ্টাদশ শতকে নারিন্দায় গোরস্থান শুরু করে।

এখন যেখানে গোরস্থান, সেখানে উনিশ শতকের গোড়ায়ও যে গোর দেওয়া হতো না তা নয়। তবে, ১৮৫০ সালে গোরস্থান নিয়ে পরিকল্পনা করা হয় এবং ৩২ একর জমি নিয়ে ঢাকার প্রথম পরিকল্পিত সাধারণের কবরস্থান আজিমপুর গোরস্থান বা কবরস্থান গড়ে ওঠে।

আজিমপুর গোরস্থান

পরে এর সঙ্গে নতুন কিছু জায়গাও যুক্ত হয়। যেটি ‘নতুন কবরস্থান’ নামে পরিচিত। বাংলাদেশের অনেক পরিচিত মানুষের কবর আছে এখানে।

ঢাকার সবচেয়ে পুরণো কবরস্থান আজিমপুর গোরস্থান বা কবরস্থান। অনেকের মতে মোগল আমলেও এখানে কবর দেওয়া হতো। হতে পারে, কারণ, মোগল আমলেই আজিপুর গড়ে ওঠে। ১৮০৭ সালে এখানে কবর দেওয়া হতো বলে জানা গেছে।

গত শতকের ষাটের দশকে প্রায় ৪ একর জায়গা নিয়ে এর সম্প্রসারণ করা হয় যা নতুন কবরস্থান নামে পরিচিতি পায়। এটি ছিল জেলেদের মেলার মাঠ। পুরো গোরস্থানে অনেক মান্যগণ্য ব্যক্তির কবর আছে, যেমন ভাষা শহীদ বরকত, সালাম ও রফিক।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ১১)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ১১)