০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
দক্ষিণ চীন সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের ‘সবচেয়ে বড় উসকানি’, টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণে ক্ষুব্ধ বেইজিং মধ্যপ্রাচ্যের কূটনীতির নতুন প্রতিযোগিতা: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার মধ্যস্থতাকারী কে? বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন শিথিলতা: বাণিজ্য অর্থায়নে বাড়ল ঋণসীমা কেরালার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন ভি ডি সতীশন, ১৮ মে শপথের সম্ভাবনা পাকিস্তানের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ‘ফাতাহ-৪’ সফল পরীক্ষা, পাল্লা ও নিখুঁত আঘাতের সক্ষমতার দাবি বেইজিং বৈঠকে ইরান ইস্যু, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ বন্ধে ব্রিকসের জোরালো অবস্থান চাইল তেহরান মিয়ানমার নিয়ে বর্ণনার লড়াই: রাষ্ট্র, বৈধতা ও সংবাদমাধ্যমের দায় এল নিনোর শঙ্কায় ফের গম কেনায় ঝুঁকছে এশিয়া, বাড়ছে বৈশ্বিক সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা চীনের সস্তা চিপের চাপে ভারতের সেমিকন্ডাক্টর স্বপ্ন, টাটার নতুন ফ্যাবের সামনে কঠিন লড়াই অভিনেত্রী নীনা ওয়াদিয়া: ‘আমাদের বাড়ির সব দেয়াল ছিল হলুদ, যেন একটা লেবু’

কোন যুদ্ধ বিরতি চুক্তি হয়নি- ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার ঘোষণা দিয়েছেন, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতির চুক্তি হয়েছে এবং তা জিএমটি সময় অনুযায়ী সকাল ৪টা (তেহরান সময় সকাল ৮টা) থেকে কার্যকর হবে।

তবে ট্রাম্পের এই ঘোষণার পরপরই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সামাজিক মাধ্যমে পাল্টা বার্তা দিয়ে বলেছেন, এখনো কোনো যুদ্ধবিরতির চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি

ইরান বলছেচুক্তি হয়নি

আরাঘচি লিখেছেন, “এ মুহূর্তে কোনো যুদ্ধবিরতি বা সামরিক অভিযান বন্ধ করার বিষয়ে চুক্তি হয়নি।”

তবে তিনি ইঙ্গিত দেন, ইসরায়েল হামলা বন্ধ করলে ইরানও আর পাল্টা হামলা চালাবে না। তার ভাষায়, “যদি ইসরায়েলি শাসকগোষ্ঠী তেহরান সময় অনুযায়ী সকাল ৪টার মধ্যে আমাদের জনগণের বিরুদ্ধে অবৈধ আগ্রাসন বন্ধ করে, তাহলে আমরা আর পাল্টা প্রতিক্রিয়া চালিয়ে যাওয়ার কোনো ইচ্ছা রাখি না।”

যুদ্ধবিরতির বাস্তবতা নিয়ে সংশয়

ট্রাম্প প্রশাসনের ঘোষণার পরও ইরানি পক্ষের এই বিবৃতি যুদ্ধবিরতির বাস্তবতা ও তা কতটা দীর্ঘস্থায়ী হবে, তা নিয়ে নতুন করে সংশয় তৈরি করেছে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্টের ঘোষণায় ধারণা দেওয়া হয়েছিল, উভয়পক্ষ একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে, কিন্তু ইরান বলছে বিষয়টি এখনও শর্তসাপেক্ষ।

প্রেক্ষাপট

গত কয়েকদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা বেড়েছে। মার্কিন কূটনৈতিক উদ্যোগে একটি যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে। তবে তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে, তারা আত্মরক্ষার অধিকার সংরক্ষণ করবে এবং কেবল ইসরায়েলের আগ্রাসন বন্ধ হলে তবেই প্রতিক্রিয়া থামাবে।

পরবর্তী পরিস্থিতির দিকেই তাকিয়ে বিশ্ব

এই অবস্থায় এখন আন্তর্জাতিক মহল অপেক্ষায় রয়েছে, ইসরায়েল কী করে এবং ইরান সেই অনুযায়ী কী প্রতিক্রিয়া জানায়। যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হলেও তা বাস্তবে কার্যকর হবে কি না, তা নির্ভর করছে উভয়পক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর।

জনপ্রিয় সংবাদ

দক্ষিণ চীন সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের ‘সবচেয়ে বড় উসকানি’, টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণে ক্ষুব্ধ বেইজিং

কোন যুদ্ধ বিরতি চুক্তি হয়নি- ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

০৩:৩৬:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার ঘোষণা দিয়েছেন, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতির চুক্তি হয়েছে এবং তা জিএমটি সময় অনুযায়ী সকাল ৪টা (তেহরান সময় সকাল ৮টা) থেকে কার্যকর হবে।

তবে ট্রাম্পের এই ঘোষণার পরপরই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সামাজিক মাধ্যমে পাল্টা বার্তা দিয়ে বলেছেন, এখনো কোনো যুদ্ধবিরতির চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি

ইরান বলছেচুক্তি হয়নি

আরাঘচি লিখেছেন, “এ মুহূর্তে কোনো যুদ্ধবিরতি বা সামরিক অভিযান বন্ধ করার বিষয়ে চুক্তি হয়নি।”

তবে তিনি ইঙ্গিত দেন, ইসরায়েল হামলা বন্ধ করলে ইরানও আর পাল্টা হামলা চালাবে না। তার ভাষায়, “যদি ইসরায়েলি শাসকগোষ্ঠী তেহরান সময় অনুযায়ী সকাল ৪টার মধ্যে আমাদের জনগণের বিরুদ্ধে অবৈধ আগ্রাসন বন্ধ করে, তাহলে আমরা আর পাল্টা প্রতিক্রিয়া চালিয়ে যাওয়ার কোনো ইচ্ছা রাখি না।”

যুদ্ধবিরতির বাস্তবতা নিয়ে সংশয়

ট্রাম্প প্রশাসনের ঘোষণার পরও ইরানি পক্ষের এই বিবৃতি যুদ্ধবিরতির বাস্তবতা ও তা কতটা দীর্ঘস্থায়ী হবে, তা নিয়ে নতুন করে সংশয় তৈরি করেছে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্টের ঘোষণায় ধারণা দেওয়া হয়েছিল, উভয়পক্ষ একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে, কিন্তু ইরান বলছে বিষয়টি এখনও শর্তসাপেক্ষ।

প্রেক্ষাপট

গত কয়েকদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা বেড়েছে। মার্কিন কূটনৈতিক উদ্যোগে একটি যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে। তবে তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে, তারা আত্মরক্ষার অধিকার সংরক্ষণ করবে এবং কেবল ইসরায়েলের আগ্রাসন বন্ধ হলে তবেই প্রতিক্রিয়া থামাবে।

পরবর্তী পরিস্থিতির দিকেই তাকিয়ে বিশ্ব

এই অবস্থায় এখন আন্তর্জাতিক মহল অপেক্ষায় রয়েছে, ইসরায়েল কী করে এবং ইরান সেই অনুযায়ী কী প্রতিক্রিয়া জানায়। যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হলেও তা বাস্তবে কার্যকর হবে কি না, তা নির্ভর করছে উভয়পক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর।