০৩:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
চীনের হুয়াংইয়ান দাওয়ে মিলল ৫০টির বেশি বিপন্ন সবুজ সামুদ্রিক কচ্ছপ চীনের ‘গ্লোবাল গভর্ন্যান্স’ শ্বেতপত্র প্রকাশ, বহুপাক্ষিক বিশ্বব্যবস্থার পক্ষে নতুন বার্তা নওগাঁয় রেলস্টেশনের কাছে কলেজশিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ পরিবারের হেফাজতকাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদ: ‘ওপর মহলের নির্দেশে সংবাদ করেছি’ দাবি রুপা ও মোজাম্মেল বাবুর দেড় মাস ধরে মায়ের সঙ্গে কারাগারে দুই বছরের শিশু, কুড়িগ্রাম কারাগারে বন্দি জীবনের বাস্তবতা যুদ্ধাপরাধের বিচার নাকি মতপ্রকাশের শাস্তি? বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালকে ঘিরে নতুন বিতর্ক ট্রাম্প-সমর্থিত ‘টাইগার’ প্রার্থীকে ঘিরে কলম্বিয়ায় বিতর্ক, নারীদের ভোটে স্পষ্ট বিভাজন জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে চাপে ইন্দোনেশিয়ার মধ্যবিত্ত, বাড়ছে মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ছাত্র আন্দোলন “দেউলিয়ার পথে ইন্দোনেশিয়া” রাজপথে আরও তীব্র টেক্সাসের ছোট শহরে স্পেসএক্সের অর্থবৃষ্টি: আইপিও-পরবর্তী উচ্ছ্বাসে বদলে যাচ্ছে বাস্ত্রপ

মিয়ানমারের সংকটের নিখুঁত বিশ্লেষণ

বই পরিচিতি
বই: দ্য গোল্ডেন ল্যান্ড অ্যাব্লেজ: কুপস, ইনসারজেন্টস অ্যান্ড দ্য স্টেট ইন মিয়ানমার
লেখক: বার্টিল লিন্টনার
প্রকাশক: হার্স্ট, ২০২৪

বিপজ্জনক ভ্রমণের সূচনা

১৯৮৫ সালের শেষের দিকে সুইডিশ সাংবাদিক বার্টিল লিন্টনার স্ত্রী ও তিন মাসের কন্যাকে নিয়ে এক গোপন অভিযানে মিয়ানমারে প্রবেশ করেন। তারা তখন ভারতের কোহিমায় গা-ঢাকা দিয়ে ছিলেন এবং উপযুক্ত সময়ের অপেক্ষায় ছিলেন সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার জন্য। মিয়ানমারে প্রবেশের পরপরই জান্তা বাহিনী নাগাল্যান্ড বিদ্রোহীদের একটি ঘাঁটিতে আক্রমণ চালায়। সৌভাগ্যক্রমে তারা অক্ষত অবস্থায় পালাতে সক্ষম হন এবং সাগাইং অঞ্চল থেকে কাচিন পর্যন্ত দুর্গম পাহাড়ি পথে যাত্রা অব্যাহত রাখেন। দীর্ঘ ২২ মাস ও প্রায় ১,৮০০ কিমি পথ অতিক্রমের পর তারা চীন হয়ে থাইল্যান্ডে পৌঁছান।

অভিজ্ঞতা থেকে বই রচনা

এই যাত্রা থেকে জন্ম নেয় তাঁর বিখ্যাত ভ্রমণবৃত্তান্ত ল্যান্ড অব জেড, যা ভারতের উত্তর-পূর্ব থেকে মিয়ানমার ও চীন পর্যন্ত অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে। সেইসঙ্গে ফার ইস্টার্ন ইকোনমিক রিভিউ–তে ধারাবাহিক প্রতিবেদন লেখেন তিনি। পরবর্তীতে এই অভিজ্ঞতা তাকে মিয়ানমারবিষয়ক একাধিক ক্লাসিক বই রচনায় সহায়তা করে, যেমন বার্মা ইন রিভোল্টআং সান সু চি অ্যান্ড বার্মাস স্ট্রাগল ফর ডেমোক্রেসিমার্চেন্টস অব ম্যাডনেস এবং দ্য রাইজ অ্যান্ড ফল অব দ্য কমিউনিস্ট পার্টি অব বার্মা

নতুন বই ও উদ্দেশ্য

তার সর্বশেষ বই দ্য গোল্ডেন ল্যান্ড অ্যাব্লেজ মূলত ২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারির সামরিক অভ্যুত্থানের পটভূমি, রাজনৈতিক দল ও নেতাদের ভূমিকা, বৌদ্ধ ভিক্ষু, সেনাবাহিনী, জাতিগত সংঘাত এবং চলমান স্প্রিং রেভল্যুশনের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করে। লেখক স্পষ্টভাবে বলেন, তার লক্ষ্য মিয়ানমারের সামরিক শক্তির রহস্য ও জটিলতাগুলো ব্যাখ্যা করা, যাতে পাঠকরা উপরিতলীয় বিশ্লেষণ দ্বারা বিভ্রান্ত না হন।

স্প্রিং রেভল্যুশনের ভিন্নতা

পূর্বের বিদ্রোহগুলোর তুলনায় স্প্রিং রেভল্যুশন আলাদা, কারণ এবার কেবল প্রান্তিক জাতিগোষ্ঠী নয়, বামার সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলও সেনাশাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে। ২০১১-২১ সময়ে ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া ও গণতান্ত্রিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সমাজে এক নতুন রাজনৈতিক চেতনা গড়ে তোলে। অভ্যুত্থানের আগে যেখানে ইন্টারনেট ব্যবহার ছিল ১ শতাংশেরও কম, সেখানে তা বেড়ে হয় ৩৫.১ শতাংশ।

জাতিগত জটিলতা ও অবিশ্বাস

মিয়ানমারের দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের মূলে রয়েছে জাতিগত অবিশ্বাস, যা স্বাধীনতার পর থেকেই শুরু। কারেন, কাচিন, চিন, মোন, নাগা ও শান রাজ্যে বিভিন্ন সময়ে বিদ্রোহ শুরু হয়। প্যাংলং চুক্তি ভঙ্গ এবং আং সানের হত্যাকাণ্ড পরিস্থিতিকে আরও ঘনীভূত করে।

চীনের প্রভাব ও স্বার্থ

লিন্টনারের মতে, চীন ১৯৫০-এর দশক থেকেই মিয়ানমারের রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করে—প্রথমে কমিউনিস্ট পার্টি অব বার্মাকে আশ্রয় দিয়ে এবং পরে সরাসরি সহায়তা দিয়ে। বর্তমানে ইউনাইটেড ওয়া স্টেট আর্মির মতো বিদ্রোহী বাহিনীকে সমর্থন দিয়ে চীন তার প্রভাব আরও দৃঢ় করেছে। সম্প্রতি এমএনডিএএ–কে যুদ্ধবিরতিতে রাজি করানো এবং সিএমইসি (চায়না-মিয়ানমার ইকোনমিক করিডোর) দ্রুত শেষ করার প্রচেষ্টা চীনের কৌশলগত উদ্দেশ্যকে স্পষ্ট করে। চীন সরকার-সরকার ও দল-দলের আলাদা কূটনীতি ব্যবহার করে একসঙ্গে সেনাবাহিনী ও বিদ্রোহীদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখে।

ভারতের নীতির সীমাবদ্ধতা

ভারতের মিয়ানমার নীতি তিনটি বিষয়ে আবর্তিত—চীনের প্রভাব মোকাবিলা, ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতি, এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর ঘাঁটি। কিন্তু বড় প্রকল্পগুলো স্থবির, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের উপস্থিতি বহাল, এবং সেনাশাসন ক্রমশ চীনের দিকে ঝুঁকছে। লিন্টনারের মতে, চীনের প্রভাব ভারতকে প্রধান মিত্র হতে দেবে না।

বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ

বর্তমানে জান্তা কার্যকরভাবে দেশের মাত্র ৩০-৪০ শতাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে, বাকিটা প্রতিরোধ বাহিনীর দখলে। তবে এই সীমিত অঞ্চল—মূলত বামার হৃদয়ভূমি—দখল করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বিদ্রোহীদের দুর্বলতা হল ঐক্যের অভাব ও আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রের ঘাটতি। লিন্টনার মনে করেন, সেনাবাহিনীর ভেতরে ব্যাপক বিদ্রোহ না হলে পরিস্থিতি বদলাবে না। এর ফলে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ অবশ্যম্ভাবী।

বইয়ের গুরুত্ব

যদিও বইটিতে মানচিত্র ও কিছু ছবি থাকলে পাঠকের ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক ধারণা আরও সুদৃঢ় হতো, তবুও এটি গবেষক, নীতিনির্ধারক, সাংবাদিক ও মিয়ানমারের স্প্রিং রেভল্যুশন সম্পর্কে নিরপেক্ষ ধারণা নিতে আগ্রহীদের জন্য অমূল্য সংযোজন।

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের হুয়াংইয়ান দাওয়ে মিলল ৫০টির বেশি বিপন্ন সবুজ সামুদ্রিক কচ্ছপ

মিয়ানমারের সংকটের নিখুঁত বিশ্লেষণ

০৪:০০:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ অগাস্ট ২০২৫

বই পরিচিতি
বই: দ্য গোল্ডেন ল্যান্ড অ্যাব্লেজ: কুপস, ইনসারজেন্টস অ্যান্ড দ্য স্টেট ইন মিয়ানমার
লেখক: বার্টিল লিন্টনার
প্রকাশক: হার্স্ট, ২০২৪

বিপজ্জনক ভ্রমণের সূচনা

১৯৮৫ সালের শেষের দিকে সুইডিশ সাংবাদিক বার্টিল লিন্টনার স্ত্রী ও তিন মাসের কন্যাকে নিয়ে এক গোপন অভিযানে মিয়ানমারে প্রবেশ করেন। তারা তখন ভারতের কোহিমায় গা-ঢাকা দিয়ে ছিলেন এবং উপযুক্ত সময়ের অপেক্ষায় ছিলেন সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার জন্য। মিয়ানমারে প্রবেশের পরপরই জান্তা বাহিনী নাগাল্যান্ড বিদ্রোহীদের একটি ঘাঁটিতে আক্রমণ চালায়। সৌভাগ্যক্রমে তারা অক্ষত অবস্থায় পালাতে সক্ষম হন এবং সাগাইং অঞ্চল থেকে কাচিন পর্যন্ত দুর্গম পাহাড়ি পথে যাত্রা অব্যাহত রাখেন। দীর্ঘ ২২ মাস ও প্রায় ১,৮০০ কিমি পথ অতিক্রমের পর তারা চীন হয়ে থাইল্যান্ডে পৌঁছান।

অভিজ্ঞতা থেকে বই রচনা

এই যাত্রা থেকে জন্ম নেয় তাঁর বিখ্যাত ভ্রমণবৃত্তান্ত ল্যান্ড অব জেড, যা ভারতের উত্তর-পূর্ব থেকে মিয়ানমার ও চীন পর্যন্ত অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে। সেইসঙ্গে ফার ইস্টার্ন ইকোনমিক রিভিউ–তে ধারাবাহিক প্রতিবেদন লেখেন তিনি। পরবর্তীতে এই অভিজ্ঞতা তাকে মিয়ানমারবিষয়ক একাধিক ক্লাসিক বই রচনায় সহায়তা করে, যেমন বার্মা ইন রিভোল্টআং সান সু চি অ্যান্ড বার্মাস স্ট্রাগল ফর ডেমোক্রেসিমার্চেন্টস অব ম্যাডনেস এবং দ্য রাইজ অ্যান্ড ফল অব দ্য কমিউনিস্ট পার্টি অব বার্মা

নতুন বই ও উদ্দেশ্য

তার সর্বশেষ বই দ্য গোল্ডেন ল্যান্ড অ্যাব্লেজ মূলত ২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারির সামরিক অভ্যুত্থানের পটভূমি, রাজনৈতিক দল ও নেতাদের ভূমিকা, বৌদ্ধ ভিক্ষু, সেনাবাহিনী, জাতিগত সংঘাত এবং চলমান স্প্রিং রেভল্যুশনের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করে। লেখক স্পষ্টভাবে বলেন, তার লক্ষ্য মিয়ানমারের সামরিক শক্তির রহস্য ও জটিলতাগুলো ব্যাখ্যা করা, যাতে পাঠকরা উপরিতলীয় বিশ্লেষণ দ্বারা বিভ্রান্ত না হন।

স্প্রিং রেভল্যুশনের ভিন্নতা

পূর্বের বিদ্রোহগুলোর তুলনায় স্প্রিং রেভল্যুশন আলাদা, কারণ এবার কেবল প্রান্তিক জাতিগোষ্ঠী নয়, বামার সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলও সেনাশাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে। ২০১১-২১ সময়ে ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া ও গণতান্ত্রিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সমাজে এক নতুন রাজনৈতিক চেতনা গড়ে তোলে। অভ্যুত্থানের আগে যেখানে ইন্টারনেট ব্যবহার ছিল ১ শতাংশেরও কম, সেখানে তা বেড়ে হয় ৩৫.১ শতাংশ।

জাতিগত জটিলতা ও অবিশ্বাস

মিয়ানমারের দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের মূলে রয়েছে জাতিগত অবিশ্বাস, যা স্বাধীনতার পর থেকেই শুরু। কারেন, কাচিন, চিন, মোন, নাগা ও শান রাজ্যে বিভিন্ন সময়ে বিদ্রোহ শুরু হয়। প্যাংলং চুক্তি ভঙ্গ এবং আং সানের হত্যাকাণ্ড পরিস্থিতিকে আরও ঘনীভূত করে।

চীনের প্রভাব ও স্বার্থ

লিন্টনারের মতে, চীন ১৯৫০-এর দশক থেকেই মিয়ানমারের রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করে—প্রথমে কমিউনিস্ট পার্টি অব বার্মাকে আশ্রয় দিয়ে এবং পরে সরাসরি সহায়তা দিয়ে। বর্তমানে ইউনাইটেড ওয়া স্টেট আর্মির মতো বিদ্রোহী বাহিনীকে সমর্থন দিয়ে চীন তার প্রভাব আরও দৃঢ় করেছে। সম্প্রতি এমএনডিএএ–কে যুদ্ধবিরতিতে রাজি করানো এবং সিএমইসি (চায়না-মিয়ানমার ইকোনমিক করিডোর) দ্রুত শেষ করার প্রচেষ্টা চীনের কৌশলগত উদ্দেশ্যকে স্পষ্ট করে। চীন সরকার-সরকার ও দল-দলের আলাদা কূটনীতি ব্যবহার করে একসঙ্গে সেনাবাহিনী ও বিদ্রোহীদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখে।

ভারতের নীতির সীমাবদ্ধতা

ভারতের মিয়ানমার নীতি তিনটি বিষয়ে আবর্তিত—চীনের প্রভাব মোকাবিলা, ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতি, এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর ঘাঁটি। কিন্তু বড় প্রকল্পগুলো স্থবির, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের উপস্থিতি বহাল, এবং সেনাশাসন ক্রমশ চীনের দিকে ঝুঁকছে। লিন্টনারের মতে, চীনের প্রভাব ভারতকে প্রধান মিত্র হতে দেবে না।

বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ

বর্তমানে জান্তা কার্যকরভাবে দেশের মাত্র ৩০-৪০ শতাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে, বাকিটা প্রতিরোধ বাহিনীর দখলে। তবে এই সীমিত অঞ্চল—মূলত বামার হৃদয়ভূমি—দখল করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বিদ্রোহীদের দুর্বলতা হল ঐক্যের অভাব ও আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রের ঘাটতি। লিন্টনার মনে করেন, সেনাবাহিনীর ভেতরে ব্যাপক বিদ্রোহ না হলে পরিস্থিতি বদলাবে না। এর ফলে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ অবশ্যম্ভাবী।

বইয়ের গুরুত্ব

যদিও বইটিতে মানচিত্র ও কিছু ছবি থাকলে পাঠকের ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক ধারণা আরও সুদৃঢ় হতো, তবুও এটি গবেষক, নীতিনির্ধারক, সাংবাদিক ও মিয়ানমারের স্প্রিং রেভল্যুশন সম্পর্কে নিরপেক্ষ ধারণা নিতে আগ্রহীদের জন্য অমূল্য সংযোজন।