১১:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
ভবিষ্যতের ঠিকানা কি এখন চীনে? ভূরাজনীতির ঝুঁকি: কোম্পানি কি প্রস্তুত? জ্বালানি নিরাপত্তার টেকসই পথ হতে পারে নবায়নযোগ্য শক্তি নিউইয়র্কে মোহন ভাগবতের অনুষ্ঠান আয়োজকদের এক্স অ্যাকাউন্ট স্থগিত ৬৪ জেলার দায়িত্ব পেলেন হুইপসহ ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ‘টুকু আসে, টুকু যায়’—সংসদে জ্বালানি সংকট ও দ্রব্যমূল্য নিয়ে রুমিনের কড়া সমালোচনা কঙ্গোয় ইবোলা মহামারি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, ৩ মাসে মৃত্যু ২,৫০০ ছাড়িয়েছে ‘ইনট্রিনসিক ক্যাপাসিটি’: সুস্থভাবে বার্ধক্য মাপার নতুন বৈজ্ঞানিক সূচক নজরুলের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত, কবির প্রেরণায় আন্দোলনের কথা স্মরণ কাদের গনি চৌধুরী হলেন বিএসএসের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৬৪)

“এই পুস্তক ব্রাহ্মস্কুলের প্রধান শিক্ষক শ্রী অনাথ বন্ধু মৌলিক, দীননাথ সিংহ এবং শ্রী কৈলাশচন্দ্র মহাশয়গণের পুস্তকালয়ে বিক্রীত হয়।”

প্রতিটি দোকানের নিশ্চয় নাম ছিল: কিন্তু দোকানের নাম থেকে দোকানের মালিক ছিলেন বেশি পরিচিত বা তাঁকে অধিক গুরুত্ব দেয়া হতো। কারণ, এই ছোট শহরে তাঁরা ছিলেন এলিট শ্রেণির অংশ এবং পরিচিত। উদাহরণস্বরূপ কয়েকটি বিজ্ঞাপন উদ্ধৃত করছি-

ড: দূর্গাদাস করের বিখ্যাত নাটক স্বর্ণশৃঙ্খল নাটক-এর নামপত্র, ১৮৬৩

১৮৬৮ সালে কৈলাসচন্দ্র দে প্রণীত ‘গীতাচ্চুর’-এর শেষ প্রচ্ছদের বিজ্ঞাপন- “মৎ প্রণীত ‘ঘটকাল সন্দর্ভ’ ঢাকার স্কুল ইনস্পেক্টর সাহেবের কেরানী শ্রীযুক্ত দীননাথ সিংহ মহাশয়ের পুস্তকালয়ে বিক্রয়ার্থ প্রস্তুত আছে। শ্রী কৈলাশ চন্দ্র দে।”

১৮৬৯ সালে প্রকাশিত দীননাথ সেনের “বঙ্গদেশের বিবরণ”-এর শেষ প্রচ্ছদে উল্লেখ করা হয়েছে-

“এই পুস্তক ব্রাহ্মস্কুলের প্রধান শিক্ষক শ্রী অনাথ বন্ধু মৌলিক, দীননাথ সিংহ এবং শ্রী কৈলাশচন্দ্র মহাশয়গণের পুস্তকালয়ে বিক্রীত হয়।” এখানে উল্লেখ্য যে এরা সবাই জড়িত ছিলেন ব্রাহ্ম আন্দোলনের সঙ্গে।

পাটুয়াটুলির দুটি দোকানের নাম পেয়েছি-ন্যাশনাল ডিপজিটরী (১৮৭৬), কাব্য প্রকাশ লাইব্রেরি (১৮৭৭) এবং ২৬-২৭ নং পুস্তকালয় (১৮৯৩)। ১৮৭৬ সালে প্রকাশিত ‘১৮৭৬ সালের ৭ আইন’ বইয়ের শেষ প্রচ্ছদের বিজ্ঞাপন- “১৮৭৬ সালের ৭ আইন অর্থাৎ নাম জারির নূতন আইন সাধারণের অবশ্য জ্ঞাতব্য ও প্রয়োজনীয়।

১লা নভেম্বর হইতে ৬ মাসের মধ্যে সকলকেই প্রত্যেক মহালে আপন আপন নাম জারি করিতে হইবে। এই আইন ঢাকা সুতারনগর শ্রীযুক্ত আনন্দচন্দ্র সেনের বাসা, কালেক্টরী, কাছারীতে এবং পাটুয়াটুলি ন্যাসনেল ডিপজিটরীতে নগদ মূল্যে বিক্রি হয়।”

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৬৩)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৬৩)

জনপ্রিয় সংবাদ

ভবিষ্যতের ঠিকানা কি এখন চীনে?

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৬৪)

০৭:০০:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫

“এই পুস্তক ব্রাহ্মস্কুলের প্রধান শিক্ষক শ্রী অনাথ বন্ধু মৌলিক, দীননাথ সিংহ এবং শ্রী কৈলাশচন্দ্র মহাশয়গণের পুস্তকালয়ে বিক্রীত হয়।”

প্রতিটি দোকানের নিশ্চয় নাম ছিল: কিন্তু দোকানের নাম থেকে দোকানের মালিক ছিলেন বেশি পরিচিত বা তাঁকে অধিক গুরুত্ব দেয়া হতো। কারণ, এই ছোট শহরে তাঁরা ছিলেন এলিট শ্রেণির অংশ এবং পরিচিত। উদাহরণস্বরূপ কয়েকটি বিজ্ঞাপন উদ্ধৃত করছি-

ড: দূর্গাদাস করের বিখ্যাত নাটক স্বর্ণশৃঙ্খল নাটক-এর নামপত্র, ১৮৬৩

১৮৬৮ সালে কৈলাসচন্দ্র দে প্রণীত ‘গীতাচ্চুর’-এর শেষ প্রচ্ছদের বিজ্ঞাপন- “মৎ প্রণীত ‘ঘটকাল সন্দর্ভ’ ঢাকার স্কুল ইনস্পেক্টর সাহেবের কেরানী শ্রীযুক্ত দীননাথ সিংহ মহাশয়ের পুস্তকালয়ে বিক্রয়ার্থ প্রস্তুত আছে। শ্রী কৈলাশ চন্দ্র দে।”

১৮৬৯ সালে প্রকাশিত দীননাথ সেনের “বঙ্গদেশের বিবরণ”-এর শেষ প্রচ্ছদে উল্লেখ করা হয়েছে-

“এই পুস্তক ব্রাহ্মস্কুলের প্রধান শিক্ষক শ্রী অনাথ বন্ধু মৌলিক, দীননাথ সিংহ এবং শ্রী কৈলাশচন্দ্র মহাশয়গণের পুস্তকালয়ে বিক্রীত হয়।” এখানে উল্লেখ্য যে এরা সবাই জড়িত ছিলেন ব্রাহ্ম আন্দোলনের সঙ্গে।

পাটুয়াটুলির দুটি দোকানের নাম পেয়েছি-ন্যাশনাল ডিপজিটরী (১৮৭৬), কাব্য প্রকাশ লাইব্রেরি (১৮৭৭) এবং ২৬-২৭ নং পুস্তকালয় (১৮৯৩)। ১৮৭৬ সালে প্রকাশিত ‘১৮৭৬ সালের ৭ আইন’ বইয়ের শেষ প্রচ্ছদের বিজ্ঞাপন- “১৮৭৬ সালের ৭ আইন অর্থাৎ নাম জারির নূতন আইন সাধারণের অবশ্য জ্ঞাতব্য ও প্রয়োজনীয়।

১লা নভেম্বর হইতে ৬ মাসের মধ্যে সকলকেই প্রত্যেক মহালে আপন আপন নাম জারি করিতে হইবে। এই আইন ঢাকা সুতারনগর শ্রীযুক্ত আনন্দচন্দ্র সেনের বাসা, কালেক্টরী, কাছারীতে এবং পাটুয়াটুলি ন্যাসনেল ডিপজিটরীতে নগদ মূল্যে বিক্রি হয়।”

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৬৩)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৬৩)