০৮:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
জাতিসংঘের প্রতিবেদন প্রত্যাহারের দাবি: শেখ হাসিনার আইনজীবীর চিঠিতে নিহতের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন পিরোজপুরে পৃথক ঘটনায় দুইজনের মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৮৫ যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়ায় গতি, ঢাকায় চালু হচ্ছে দুই দিনের নিষ্পত্তি ব্যবস্থা শর্তহীন সমঝোতা নয়, বাস্তব ফল পেলেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি: ইরানের শীর্ষ আলোচক ডেমরার স্টিল মিলে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৩ শ্রমিক; দুজন নিবিড় পরিচর্যায় প্রকৃতি রক্ষার কর্মসংস্থান: উন্নয়নের নতুন অর্থনীতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে সোনারপুরে হামলা, গ্রেপ্তার ৫: ধৃতদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে শুরু বিতর্ক সংকটের অপেক্ষা না সংস্কারের সাহস: ব্রিটেনের সামনে কঠিন প্রশ্ন দিনাজপুরে ঈদের আনন্দযাত্রা থামল সড়কে, প্রাণ গেল দুই কলেজপড়ুয়া বন্ধুর

সোমালিয়ায় সংক্রামক রোগের কেস তিন মাসে দ্বিগুণ

এপ্রিল–জুলাইয়ের মধ্যে সোমালিয়ায় হাম, ডিপথেরিয়া, হুপিং কাফ, কলেরা ও তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কেস ২২,৬০০ থেকে ৪৬,০০০-এর বেশি হয়েছে। শিশুদের অংশ সবচেয়ে বেশি। টিকাদান ব্যাহত, ক্লিনিক বন্ধ/সেবাকম এবং নিরাপত্তাজনিত সীমাবদ্ধতায় ‘ক্যাচ-আপ’ ক্যাম্পেইন আটকে গেছে। ঝুঁকিপূর্ণ প্রদেশগুলোতে ডিপথেরিয়ার তীব্রতা বিশেষ নজর কাড়ছে।

পানীয়জলে দ্রত ডায়রিয়া-কলেরার বিস্তার, পাশাপাশি চিকিৎসাকর্মীদের সুরক্ষা সামগ্রী ঘাটতিতে ক্লিনিকের কার্যক্ষমতা কমছে। শহর-গ্রামে একইসঙ্গে প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নজরদারি টিমের ওপর চাপ বেড়েছে।

তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার
উচ্চঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলোয় টিকাদান অভিযানে ‘মাইক্রোপ্ল্যান’, কোল্ড-চেইন জোরদার এবং কমিউনিটি ভ্যাকসিনেটরের ভাতা পুনর্বহাল করতে হবে। প্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ও ডিপথেরিয়া অ্যান্টিটক্সিনের দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি।

পরবর্তী পদক্ষেপ
বন্যা/খরা পরিস্থিতির মধ্যে পানি-স্বাস্থ্যবিধি (WASH) বাড়ানো ও স্কুলভিত্তিক স্ক্রিনিং শুরু না করলে আগামী মৌসুমে কেস আরও বাড়তে পারে। আন্তর্জাতিক অংশীদারদের জরুরি তহবিল প্রয়োজন।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘের প্রতিবেদন প্রত্যাহারের দাবি: শেখ হাসিনার আইনজীবীর চিঠিতে নিহতের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন

সোমালিয়ায় সংক্রামক রোগের কেস তিন মাসে দ্বিগুণ

০৬:৪০:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

এপ্রিল–জুলাইয়ের মধ্যে সোমালিয়ায় হাম, ডিপথেরিয়া, হুপিং কাফ, কলেরা ও তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কেস ২২,৬০০ থেকে ৪৬,০০০-এর বেশি হয়েছে। শিশুদের অংশ সবচেয়ে বেশি। টিকাদান ব্যাহত, ক্লিনিক বন্ধ/সেবাকম এবং নিরাপত্তাজনিত সীমাবদ্ধতায় ‘ক্যাচ-আপ’ ক্যাম্পেইন আটকে গেছে। ঝুঁকিপূর্ণ প্রদেশগুলোতে ডিপথেরিয়ার তীব্রতা বিশেষ নজর কাড়ছে।

পানীয়জলে দ্রত ডায়রিয়া-কলেরার বিস্তার, পাশাপাশি চিকিৎসাকর্মীদের সুরক্ষা সামগ্রী ঘাটতিতে ক্লিনিকের কার্যক্ষমতা কমছে। শহর-গ্রামে একইসঙ্গে প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নজরদারি টিমের ওপর চাপ বেড়েছে।

তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার
উচ্চঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলোয় টিকাদান অভিযানে ‘মাইক্রোপ্ল্যান’, কোল্ড-চেইন জোরদার এবং কমিউনিটি ভ্যাকসিনেটরের ভাতা পুনর্বহাল করতে হবে। প্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ও ডিপথেরিয়া অ্যান্টিটক্সিনের দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি।

পরবর্তী পদক্ষেপ
বন্যা/খরা পরিস্থিতির মধ্যে পানি-স্বাস্থ্যবিধি (WASH) বাড়ানো ও স্কুলভিত্তিক স্ক্রিনিং শুরু না করলে আগামী মৌসুমে কেস আরও বাড়তে পারে। আন্তর্জাতিক অংশীদারদের জরুরি তহবিল প্রয়োজন।