০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক বিপ্লবের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা চীনা ব্যবসায়ীর ১ কোটি টাকা নিয়ে চালক উধাও, মেসেজে লিখলেন ‘আমি বিশ্বাস ভঙ্গ করেছি’ কম্বোডিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ৩৮ বাংলাদেশি, ফেরার অপেক্ষায় আরও ১,৮০০ অস্ত্রের মুখে বিকাশকর্মীর ৩ লাখ টাকা ছিনতাই, পালাল ৬ দুর্বৃত্ত নেপালে বন্যার তাণ্ডব: ‘নিখোঁজদের দেয়ালে’ স্বজন খুঁজছেন হাজারো মানুষ ভারতের ৭.৮% জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে কেন উঠছে প্রশ্ন? নেপালের বন্যাবিধ্বস্ত উপত্যকায় ধ্বংসস্তূপ ছাড়া কিছুই নেই ১৫ হাজারের বেশি শিশু নিখোঁজ নয়, প্রকৃত তথ্য জানাল পুলিশ সাভারে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু মিশেল কোগান: মিশেলিন তারকা পাওয়া রাঁধুনি, যাঁর পাই এখন নিউইয়র্কে সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত

সোমালিয়ায় সংক্রামক রোগের কেস তিন মাসে দ্বিগুণ

এপ্রিল–জুলাইয়ের মধ্যে সোমালিয়ায় হাম, ডিপথেরিয়া, হুপিং কাফ, কলেরা ও তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কেস ২২,৬০০ থেকে ৪৬,০০০-এর বেশি হয়েছে। শিশুদের অংশ সবচেয়ে বেশি। টিকাদান ব্যাহত, ক্লিনিক বন্ধ/সেবাকম এবং নিরাপত্তাজনিত সীমাবদ্ধতায় ‘ক্যাচ-আপ’ ক্যাম্পেইন আটকে গেছে। ঝুঁকিপূর্ণ প্রদেশগুলোতে ডিপথেরিয়ার তীব্রতা বিশেষ নজর কাড়ছে।

পানীয়জলে দ্রত ডায়রিয়া-কলেরার বিস্তার, পাশাপাশি চিকিৎসাকর্মীদের সুরক্ষা সামগ্রী ঘাটতিতে ক্লিনিকের কার্যক্ষমতা কমছে। শহর-গ্রামে একইসঙ্গে প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নজরদারি টিমের ওপর চাপ বেড়েছে।

তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার
উচ্চঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলোয় টিকাদান অভিযানে ‘মাইক্রোপ্ল্যান’, কোল্ড-চেইন জোরদার এবং কমিউনিটি ভ্যাকসিনেটরের ভাতা পুনর্বহাল করতে হবে। প্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ও ডিপথেরিয়া অ্যান্টিটক্সিনের দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি।

পরবর্তী পদক্ষেপ
বন্যা/খরা পরিস্থিতির মধ্যে পানি-স্বাস্থ্যবিধি (WASH) বাড়ানো ও স্কুলভিত্তিক স্ক্রিনিং শুরু না করলে আগামী মৌসুমে কেস আরও বাড়তে পারে। আন্তর্জাতিক অংশীদারদের জরুরি তহবিল প্রয়োজন।

জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক বিপ্লবের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা

সোমালিয়ায় সংক্রামক রোগের কেস তিন মাসে দ্বিগুণ

০৬:৪০:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

এপ্রিল–জুলাইয়ের মধ্যে সোমালিয়ায় হাম, ডিপথেরিয়া, হুপিং কাফ, কলেরা ও তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কেস ২২,৬০০ থেকে ৪৬,০০০-এর বেশি হয়েছে। শিশুদের অংশ সবচেয়ে বেশি। টিকাদান ব্যাহত, ক্লিনিক বন্ধ/সেবাকম এবং নিরাপত্তাজনিত সীমাবদ্ধতায় ‘ক্যাচ-আপ’ ক্যাম্পেইন আটকে গেছে। ঝুঁকিপূর্ণ প্রদেশগুলোতে ডিপথেরিয়ার তীব্রতা বিশেষ নজর কাড়ছে।

পানীয়জলে দ্রত ডায়রিয়া-কলেরার বিস্তার, পাশাপাশি চিকিৎসাকর্মীদের সুরক্ষা সামগ্রী ঘাটতিতে ক্লিনিকের কার্যক্ষমতা কমছে। শহর-গ্রামে একইসঙ্গে প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নজরদারি টিমের ওপর চাপ বেড়েছে।

তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার
উচ্চঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলোয় টিকাদান অভিযানে ‘মাইক্রোপ্ল্যান’, কোল্ড-চেইন জোরদার এবং কমিউনিটি ভ্যাকসিনেটরের ভাতা পুনর্বহাল করতে হবে। প্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ও ডিপথেরিয়া অ্যান্টিটক্সিনের দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি।

পরবর্তী পদক্ষেপ
বন্যা/খরা পরিস্থিতির মধ্যে পানি-স্বাস্থ্যবিধি (WASH) বাড়ানো ও স্কুলভিত্তিক স্ক্রিনিং শুরু না করলে আগামী মৌসুমে কেস আরও বাড়তে পারে। আন্তর্জাতিক অংশীদারদের জরুরি তহবিল প্রয়োজন।