০৬:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
মরোক্কোর সাহারায় হারানো জীবনের খোঁজ: চলচ্চিত্র “সিরাত”-এ মানবতার সন্ধান নিউইয়র্কে ট্যাপ ও কাথক নৃত্য মিলনের জাদু: নারী শিল্পীদের যুগান্তকারী সঙ্গীত যাত্রা মানুষের আক্রমণ থেকে পাহাড়ি সিংহ বাঁচবে কী? লস এঞ্জেলেসে বিশাল বন্যপ্রাণ সেতু নির্মাণ শুরু মির্জা ফখরুলের নির্বাচনী জয়ের পর দেশের জন্য দোয়ার আবেদন ক্যান্সার সার্জারির অভিজ্ঞতা: দেহ ও মনকে যে শিক্ষা দিল ব্যথা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগে ধীরগতি: CMA CGM-এর ২০ বিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি পূরণে বাধা ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক সংকট তীব্র হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে হংকংয়ে রাজনৈতিক নীরবতার শাস্তি: বিতাড়িত আন্দোলনকারীর পিতাকে সাত বছরের কারাদণ্ড যুক্তরাষ্ট্র‑চীন সম্পর্কের নতুন অধ্যায়: ট্রাম্পের এপ্রিল সফর কি বড় সমঝোতার সূচনা হতে পারবে বিচার সংস্কার ঘিরে সার্বিয়ার জন্য ইইউ তহবিল স্থগিতের ভাবনা

লন্ডনে ওয়েমোর রোবোট্যাক্সি আসছে, শুরু পাইলট থেকে

নিয়ন্ত্রক রোডম্যাপ, নিরাপত্তা ও প্রতিযোগিতা

গুগল–সমর্থিত ওয়েমো ২০২৬ সালে লন্ডনে সীমিত স্বচালিত ট্যাক্সি পাইলট চালুর লক্ষ্যে কাজ করছে; চূড়ান্ত অনুমতি সাপেক্ষে বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু হতে পারে পরের বছরেই। টোকিওতে মানচিত্রায়ন ও ডেটা সংগ্রহের অভিজ্ঞতা থাকলেও, লন্ডনের সরু রাস্তা ও জটিল মোড় সফটওয়্যারের জন্য কঠিন পরীক্ষা। ব্রিটিশ সরকার পাইলট চলাকালে সংগৃহীত সুরক্ষা–ডেটা কমপক্ষে এক বছর মূল্যায়নের কথা বলেছে, তারপর ধাপে ধাপে বিস্তৃত চালুর ইঙ্গিত।

অপারেশনাল মডেল ও নাগরিক বাস্তবতা

ফ্লিট–সাপোর্টে ওয়েমো যুক্তরাজ্যে মুভের সঙ্গে কাজ করবে—চার্জিং, রক্ষণাবেক্ষণ ও ডিপো পরিচালনা একই মডেলে চলবে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠানটি ২০২০ সাল থেকে এক কোটির বেশি পেইড রাইড দিয়েছে এবং ফিনিক্স, সান ফ্রান্সিসকো, লস অ্যাঞ্জেলেস, অস্টিন ও আটলান্টায় সেবা চালায়; কিছু শহরে উবার অ্যাপের মাধ্যমেও রাইড মিলে। লন্ডনে প্রথমে সেফটি ড্রাইভারসহ সীমিত করিডর, নির্দিষ্ট সময় ও এলাকায় সেবা চালু করে ধীরে ধীরে বিস্তার—এটাই পরিকল্পনা।

স্থানীয় স্টেকহোল্ডারদের চাহিদা স্পষ্ট: জরুরি প্রতিক্রিয়া প্রটোকল, দূরবর্তী অপারেটর এসকেলেশন, ব্যস্ত রেলস্টেশনের সামনে কার্ব–স্পেস ব্যবস্থাপনা, এবং ইনসুরেন্স কাঠামো। ব্ল্যাক–ক্যাব ইউনিয়নগুলো ন্যায্য লাইসেন্সিং নিয়ম ও রোড–অ্যাক্সেস নিশ্চিত করতে চাপ দিচ্ছে। এদিকে ব্রিটিশ স্টার্টআপ ওয়েভও উবারের সঙ্গে অংশীদার হয়ে স্বচালিত রাইডের পরিকল্পনা জানিয়েছে—প্রতিযোগিতা বাড়ছেই।

যাত্রীরা শুরুতে সীমিত সুবিধাই পাবেন—নির্দিষ্ট রুটে নির্দিষ্ট সময়ে গাড়ি। তবে ধারাবাহিক পিকআপ, ২৪/৭ কাভারেজ ও কম ক্যান্সেলেশন আস্থা বাড়াতে পারে। সফল হলে ঘনবসতিপূর্ণ শহরে রোবোট্যাক্সির সক্ষমতা প্রমাণে লন্ডন একটি মানদণ্ড হয়ে উঠবে। ব্যর্থ হলে শক্ত নিয়ন্ত্রণে ছোট ফ্লিটেই সীমিত থাকবে। আপাতত দ্রুতগতির রেগুলেটরি রূপরেখার কারণে যুক্তরাজ্যই ইউরোপীয় বাজারে প্রথম বড় পদক্ষেপের সম্ভাব্য ঘাঁটি।

জনপ্রিয় সংবাদ

মরোক্কোর সাহারায় হারানো জীবনের খোঁজ: চলচ্চিত্র “সিরাত”-এ মানবতার সন্ধান

লন্ডনে ওয়েমোর রোবোট্যাক্সি আসছে, শুরু পাইলট থেকে

০৫:৩৯:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

নিয়ন্ত্রক রোডম্যাপ, নিরাপত্তা ও প্রতিযোগিতা

গুগল–সমর্থিত ওয়েমো ২০২৬ সালে লন্ডনে সীমিত স্বচালিত ট্যাক্সি পাইলট চালুর লক্ষ্যে কাজ করছে; চূড়ান্ত অনুমতি সাপেক্ষে বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু হতে পারে পরের বছরেই। টোকিওতে মানচিত্রায়ন ও ডেটা সংগ্রহের অভিজ্ঞতা থাকলেও, লন্ডনের সরু রাস্তা ও জটিল মোড় সফটওয়্যারের জন্য কঠিন পরীক্ষা। ব্রিটিশ সরকার পাইলট চলাকালে সংগৃহীত সুরক্ষা–ডেটা কমপক্ষে এক বছর মূল্যায়নের কথা বলেছে, তারপর ধাপে ধাপে বিস্তৃত চালুর ইঙ্গিত।

অপারেশনাল মডেল ও নাগরিক বাস্তবতা

ফ্লিট–সাপোর্টে ওয়েমো যুক্তরাজ্যে মুভের সঙ্গে কাজ করবে—চার্জিং, রক্ষণাবেক্ষণ ও ডিপো পরিচালনা একই মডেলে চলবে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠানটি ২০২০ সাল থেকে এক কোটির বেশি পেইড রাইড দিয়েছে এবং ফিনিক্স, সান ফ্রান্সিসকো, লস অ্যাঞ্জেলেস, অস্টিন ও আটলান্টায় সেবা চালায়; কিছু শহরে উবার অ্যাপের মাধ্যমেও রাইড মিলে। লন্ডনে প্রথমে সেফটি ড্রাইভারসহ সীমিত করিডর, নির্দিষ্ট সময় ও এলাকায় সেবা চালু করে ধীরে ধীরে বিস্তার—এটাই পরিকল্পনা।

স্থানীয় স্টেকহোল্ডারদের চাহিদা স্পষ্ট: জরুরি প্রতিক্রিয়া প্রটোকল, দূরবর্তী অপারেটর এসকেলেশন, ব্যস্ত রেলস্টেশনের সামনে কার্ব–স্পেস ব্যবস্থাপনা, এবং ইনসুরেন্স কাঠামো। ব্ল্যাক–ক্যাব ইউনিয়নগুলো ন্যায্য লাইসেন্সিং নিয়ম ও রোড–অ্যাক্সেস নিশ্চিত করতে চাপ দিচ্ছে। এদিকে ব্রিটিশ স্টার্টআপ ওয়েভও উবারের সঙ্গে অংশীদার হয়ে স্বচালিত রাইডের পরিকল্পনা জানিয়েছে—প্রতিযোগিতা বাড়ছেই।

যাত্রীরা শুরুতে সীমিত সুবিধাই পাবেন—নির্দিষ্ট রুটে নির্দিষ্ট সময়ে গাড়ি। তবে ধারাবাহিক পিকআপ, ২৪/৭ কাভারেজ ও কম ক্যান্সেলেশন আস্থা বাড়াতে পারে। সফল হলে ঘনবসতিপূর্ণ শহরে রোবোট্যাক্সির সক্ষমতা প্রমাণে লন্ডন একটি মানদণ্ড হয়ে উঠবে। ব্যর্থ হলে শক্ত নিয়ন্ত্রণে ছোট ফ্লিটেই সীমিত থাকবে। আপাতত দ্রুতগতির রেগুলেটরি রূপরেখার কারণে যুক্তরাজ্যই ইউরোপীয় বাজারে প্রথম বড় পদক্ষেপের সম্ভাব্য ঘাঁটি।