০১:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
পিতাকে হারিয়ে বড় হওয়া কন্যা, আজ স্বপ্ন পূরণ: ভিন্ন জীবনের পথে ভিনি টান মিডিয়াকর্পের ২০২৬ বিশ্বকাপ সংগ্রহ: ‘জাতীয় সেবা’ নাকি ব্যবসায়িক কৌশল? আসিয়ান কি মায়ানমারের নির্বাচন স্বীকৃতি দেবে? বিভাজন, রাজনৈতিক দ্বিধা ও ভবিষ্যতের অচেনা পথ কৌশলগত এআই ব্যবহারেই ব্যবসা সফল করতে চান সিঙ্গাপুর সরকার: কীভাবে শুরু করবেন বাংলাদেশ ব্যাংক সতর্ক করল ‘নকল নোট’ ব্যবহারের বিষয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে প্রশ্নে অনিশ্চয়তায় বিএনপি মঙ্গলবার সিলেটে কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের জন্য ট্রাফিক নির্দেশিকা জারি ঢাকার স্টক এক্সচেঞ্জে ঝড়ের পর পতন, লেনদেন কমেছে জাতীয় নির্বাচন ইতিহাসে ‘রোল মডেল’: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার মূল্যায়ন

টোকিওর জিম্বোচো—‘কুলেস্ট’ এলাকায় বইপাড়ার নতুন আলো

কেন হঠাৎ আলোচনায়
বইয়ের দোকান, কারি হাউস আর রেট্রো ক্যাফের জন্য পরিচিত টোকিওর জিম্বোচো এবার ‘কুলেস্ট নেইবারহুড’ তালিকার শীর্ষে উঠে বিশ্ব দৃষ্টি কেড়েছে। স্থানীয়রা খুশি হলেও একটু সতর্ক। দোকানিরা বলছেন, তরুণ ক্রেতা বেড়েছে—পুরনো বই ঘাঁটা, ক্লাসিক কাটসু-কারির লাইন। ছোট ব্যবসা আশা করছে প্রকাশনা খাতের মন্দা কিছুটা কাটবে এবং ভাড়া যেন বাড়ানো না হয়। নগর কর্তৃপক্ষ সাপ্তাহিক ছুটির ভিড় সামলাতে সাইনেজ ও ক্রাউড-ম্যানেজমেন্ট ভাবছে; হঠাৎ ভাইরাল হওয়া সরু গলিতে চাপ বাড়াতে পারে।

স্থানীয়দের শর্ত
জিম্বোচোর আকর্ষণ হাতে গড়া—কিউরেটেড তাক, ক্ষুদ্র প্রকাশনা, আর দোকানদার-ক্রেতার আলাপ। বাসিন্দারা চান এমন পর্যটন, যা এ টেক্সচার রক্ষা করে। কেউ কেউ ইংরেজি ইভেন্ট ও মানচিত্র যোগ করছেন, দামও হাতের নাগালে রাখছেন। ইতিহাসবিদরা দেখছেন—জিম্বোচো আবার এশিয়ার ছাত্র-সংগ্রাহকদের মিলনস্থল হতে পারে। ঝুঁকিও আছে: ট্রেন্ডের চাপে চেইন দোকান, সুভেনিরের ভিড়, পুরোনোদের ক্লান্তি। আপাতত এলাকাটি স্পটলাইট উপভোগ করছে—আশা, ইনফ্লুয়েন্সারদের চেয়ে পাঠকরাই বেশি ফিরবেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পিতাকে হারিয়ে বড় হওয়া কন্যা, আজ স্বপ্ন পূরণ: ভিন্ন জীবনের পথে ভিনি টান

টোকিওর জিম্বোচো—‘কুলেস্ট’ এলাকায় বইপাড়ার নতুন আলো

০৩:৪৬:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

কেন হঠাৎ আলোচনায়
বইয়ের দোকান, কারি হাউস আর রেট্রো ক্যাফের জন্য পরিচিত টোকিওর জিম্বোচো এবার ‘কুলেস্ট নেইবারহুড’ তালিকার শীর্ষে উঠে বিশ্ব দৃষ্টি কেড়েছে। স্থানীয়রা খুশি হলেও একটু সতর্ক। দোকানিরা বলছেন, তরুণ ক্রেতা বেড়েছে—পুরনো বই ঘাঁটা, ক্লাসিক কাটসু-কারির লাইন। ছোট ব্যবসা আশা করছে প্রকাশনা খাতের মন্দা কিছুটা কাটবে এবং ভাড়া যেন বাড়ানো না হয়। নগর কর্তৃপক্ষ সাপ্তাহিক ছুটির ভিড় সামলাতে সাইনেজ ও ক্রাউড-ম্যানেজমেন্ট ভাবছে; হঠাৎ ভাইরাল হওয়া সরু গলিতে চাপ বাড়াতে পারে।

স্থানীয়দের শর্ত
জিম্বোচোর আকর্ষণ হাতে গড়া—কিউরেটেড তাক, ক্ষুদ্র প্রকাশনা, আর দোকানদার-ক্রেতার আলাপ। বাসিন্দারা চান এমন পর্যটন, যা এ টেক্সচার রক্ষা করে। কেউ কেউ ইংরেজি ইভেন্ট ও মানচিত্র যোগ করছেন, দামও হাতের নাগালে রাখছেন। ইতিহাসবিদরা দেখছেন—জিম্বোচো আবার এশিয়ার ছাত্র-সংগ্রাহকদের মিলনস্থল হতে পারে। ঝুঁকিও আছে: ট্রেন্ডের চাপে চেইন দোকান, সুভেনিরের ভিড়, পুরোনোদের ক্লান্তি। আপাতত এলাকাটি স্পটলাইট উপভোগ করছে—আশা, ইনফ্লুয়েন্সারদের চেয়ে পাঠকরাই বেশি ফিরবেন।