০৯:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ফ্রান্সের আরব বিশ্ব ইনস্টিটিউটে পুলিশ তল্লাশি, এপস্টেইনের ছায়া জ্যাক ল্যাং জেসি জ্যাকসন: আমেরিকার সিভিল রাইটস নেতা ও রাষ্ট্রপতি প্রার্থী আর নেই বড় শক্তি সংঘর্ষে ঝুঁকিতে আসিয়ান জলসীমার নিরাপত্তা গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ: হাইকোর্টে রিট আবেদন জমা বিএনপির নতুন মন্ত্রিপরিষদে জ্যেষ্ঠ নেতারা বাদ, চমক সৃষ্টি করল দলীয় অঙ্গনে ফুটবল নায়ক আমিনুল হক পেলেন ক্রীড়া বিষয়ক রাজ্য প্রতিমন্ত্রীর পদ ডাকাতি ও অর্থ তোলার জন্য ‘হানি ট্র্যাপ’ গ্যাংয়ের ১২ সদস্যসহ দুই নারী আটক মোদি আমন্ত্রণ জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও পরিবারের জন্য ভারত সফরে বিসিএসইসি তিন বছরের জন্য অ্যাসিয়াটিক ল্যাবের শেয়ারে লক-ইন বাড়াল এপস্টেইন ক্লাসের মুখোশ উন্মোচন: ক্ষমতা, অর্থ আর গোপন নেটওয়ার্কের অন্ধকার সত্য

ডিএমজে পাড়ি দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় উত্তর কোরীয় সেনার পলায়ন

ডিএমজে অতিক্রম, তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া, কী বার্তা দেয়
রোববার উত্তর কোরিয়ার এক সেনা কোরিয়া উপদ্বীপের কড়া পাহারায় থাকা ডিমিলিটারাইজড জোন (ডিএমজে) পেরিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় আত্মসমর্পণ করেন—দক্ষিণের জয়েন্ট চিফস নিশ্চিত করেছে। বিশ্বের অন্যতম সুরক্ষিত সীমান্ত দিয়ে এমন বিপজ্জনক পলায়ন বিরল; তবু গুলি ছাড়াই ঘটনাটি নিয়ন্ত্রণে আসে। সেনাটিকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে; স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও জিজ্ঞাসাবাদ চলবে—এটাই প্রচলিত প্রক্রিয়া। সিউল তাৎক্ষণিকভাবে সৈনিকের ইউনিট, পদমর্যাদা বা পলায়নের কারণ প্রকাশ করেনি।
ঘটনাটি সাম্প্রতিক টানাপোড়েনের প্রেক্ষিতে ঘটল—পিয়ংইয়ংয়ের বেলুনে আবর্জনা পাঠানো ও সিউলের লাউডস্পিকার সম্প্রচারের পাল্টাপাল্টি প্রদর্শন পর্ব চলছে। ডিএমজে পথে পলায়ন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং অস্বাভাবিক—এটি হতাশা, মানসিক চাপ বা শৃঙ্খলার ভাঙনের ইঙ্গিত হতে পারে। একইসঙ্গে এটি সিউলের জন্য গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের সুযোগ—কিন্তু কূটনৈতিক সংকোচও রয়েছে, কারণ পিয়ংইয়ং প্রথামতো এ ধরনের পলায়নকে “অপহরণ” আখ্যা দেয়।

প্রেক্ষাপট, ঝুঁকি ও সামনে কী
পলায়নের ঘটনাটি এমন এক সময় এলো যখন পিয়ংইয়ং–মস্কো সামরিক ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে এবং পরমাণু আলোচনাও স্থগিত। সাম্প্রতিক সতর্কতায় সিউল জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া সীমান্তে ট্যাকটিক্যাল পজিশন জোরদার করছে। একক পলায়ন মানেই যে বাহিনীজুড়ে মনোবল ভাঙন—তা নয়; তবে জিজ্ঞাসাবাদে রসদ চেইন, খাদ্যাভাব বা রোটেশন–সংক্রান্ত মূল্যবান তথ্য মিলতে পারে।
উত্তেজনা না বাড়াতে সিউল সীমিত তথ্য প্রকাশেই থাকবে—তবু প্রতিরোধ–সঙ্কেতও দেবে। আপাতত সীমান্তে স্নায়ুযুদ্ধ জারি। শব্দ–প্রচারণা, কড়াকড়ি টহল ও পারস্পরিক দায়ারোপই সবচেয়ে সম্ভাব্য “পরবর্তী দৃশ্য”।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্রান্সের আরব বিশ্ব ইনস্টিটিউটে পুলিশ তল্লাশি, এপস্টেইনের ছায়া জ্যাক ল্যাং

ডিএমজে পাড়ি দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় উত্তর কোরীয় সেনার পলায়ন

০৩:৫৭:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

ডিএমজে অতিক্রম, তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া, কী বার্তা দেয়
রোববার উত্তর কোরিয়ার এক সেনা কোরিয়া উপদ্বীপের কড়া পাহারায় থাকা ডিমিলিটারাইজড জোন (ডিএমজে) পেরিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় আত্মসমর্পণ করেন—দক্ষিণের জয়েন্ট চিফস নিশ্চিত করেছে। বিশ্বের অন্যতম সুরক্ষিত সীমান্ত দিয়ে এমন বিপজ্জনক পলায়ন বিরল; তবু গুলি ছাড়াই ঘটনাটি নিয়ন্ত্রণে আসে। সেনাটিকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে; স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও জিজ্ঞাসাবাদ চলবে—এটাই প্রচলিত প্রক্রিয়া। সিউল তাৎক্ষণিকভাবে সৈনিকের ইউনিট, পদমর্যাদা বা পলায়নের কারণ প্রকাশ করেনি।
ঘটনাটি সাম্প্রতিক টানাপোড়েনের প্রেক্ষিতে ঘটল—পিয়ংইয়ংয়ের বেলুনে আবর্জনা পাঠানো ও সিউলের লাউডস্পিকার সম্প্রচারের পাল্টাপাল্টি প্রদর্শন পর্ব চলছে। ডিএমজে পথে পলায়ন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং অস্বাভাবিক—এটি হতাশা, মানসিক চাপ বা শৃঙ্খলার ভাঙনের ইঙ্গিত হতে পারে। একইসঙ্গে এটি সিউলের জন্য গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের সুযোগ—কিন্তু কূটনৈতিক সংকোচও রয়েছে, কারণ পিয়ংইয়ং প্রথামতো এ ধরনের পলায়নকে “অপহরণ” আখ্যা দেয়।

প্রেক্ষাপট, ঝুঁকি ও সামনে কী
পলায়নের ঘটনাটি এমন এক সময় এলো যখন পিয়ংইয়ং–মস্কো সামরিক ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে এবং পরমাণু আলোচনাও স্থগিত। সাম্প্রতিক সতর্কতায় সিউল জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া সীমান্তে ট্যাকটিক্যাল পজিশন জোরদার করছে। একক পলায়ন মানেই যে বাহিনীজুড়ে মনোবল ভাঙন—তা নয়; তবে জিজ্ঞাসাবাদে রসদ চেইন, খাদ্যাভাব বা রোটেশন–সংক্রান্ত মূল্যবান তথ্য মিলতে পারে।
উত্তেজনা না বাড়াতে সিউল সীমিত তথ্য প্রকাশেই থাকবে—তবু প্রতিরোধ–সঙ্কেতও দেবে। আপাতত সীমান্তে স্নায়ুযুদ্ধ জারি। শব্দ–প্রচারণা, কড়াকড়ি টহল ও পারস্পরিক দায়ারোপই সবচেয়ে সম্ভাব্য “পরবর্তী দৃশ্য”।