০৯:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
জেসি জ্যাকসন: আমেরিকার সিভিল রাইটস নেতা ও রাষ্ট্রপতি প্রার্থী আর নেই বড় শক্তি সংঘর্ষে ঝুঁকিতে আসিয়ান জলসীমার নিরাপত্তা গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ: হাইকোর্টে রিট আবেদন জমা বিএনপির নতুন মন্ত্রিপরিষদে জ্যেষ্ঠ নেতারা বাদ, চমক সৃষ্টি করল দলীয় অঙ্গনে ফুটবল নায়ক আমিনুল হক পেলেন ক্রীড়া বিষয়ক রাজ্য প্রতিমন্ত্রীর পদ ডাকাতি ও অর্থ তোলার জন্য ‘হানি ট্র্যাপ’ গ্যাংয়ের ১২ সদস্যসহ দুই নারী আটক মোদি আমন্ত্রণ জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও পরিবারের জন্য ভারত সফরে বিসিএসইসি তিন বছরের জন্য অ্যাসিয়াটিক ল্যাবের শেয়ারে লক-ইন বাড়াল এপস্টেইন ক্লাসের মুখোশ উন্মোচন: ক্ষমতা, অর্থ আর গোপন নেটওয়ার্কের অন্ধকার সত্য তিন বছরে তিন সরকার: রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিনের বিরল রাজনৈতিক নজির

রাফাহ বন্ধই, ইসরায়েল শনাক্ত করল এক জিম্মির মরদেহ

আসবাবহীন বিরতি, মানবিক চাপ
হামাসের কাছে থাকা দুই মরদেহ রেড ক্রসের মাধ্যমে হস্তান্তরের পর ইসরায়েল জানায়—এগুলোর একটি রোনেন এঙ্গেলের। একই সময়ে মিশরের সঙ্গে রাফাহ স্থলসীমান্ত বন্ধই থাকে—ফলে গাজাবাসীর চিকিৎসা–যাত্রা ও পারাপার স্থবির। যুদ্ধের পর থেকে কিছু মরদেহ ফেরত এসেছে; ইসরায়েলও বহু ফিলিস্তিনির দেহ ফেরত দিয়েছে।
এই শনাক্তকরণ সূক্ষ্ম অস্ত্রবিরতি ও বন্দি–বিনিময় প্রক্রিয়ার সাথে জড়িয়ে আছে, যেখানে বিরতিতে মুক্তি, আবার নতুন অভিযোগ—এভাবেই চক্র ঘোরে। দুই পাড়ার পরিবারগুলোর জন্য প্রতিটি হস্তান্তর সমান মাত্রায় আশা ও আতঙ্ক—আলোচকদের উপরও চাপ বাড়ে।

মানবিক করিডর, রাজনীতি ও জনমত
সাহায্য–সংস্থাগুলো বলছে—সীমান্ত বন্ধ থাকায় চিকিৎসা সেবা ভয়াবহভাবে ব্যাহত। কে আগে কী করবে, কীভাবে যাচাই হবে—এই “সিকোয়েন্সিং” নিয়েই কূটনীতির টানাপোড়েন। ইসরায়েলে জনমানস জিম্মিদের ঘিরে সংবেদনশীল; গাজায় মূল এজেন্ডা—গতি–স্বাধীনতা ও পুনর্গঠন। সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ায় অবস্থানগুলোও কঠিন হচ্ছে।
টেকসই সমাধানে প্রয়োজন বিশ্বাসযোগ্য নজরদারি, ধাপে ধাপে অগ্রগতি ও নাগরিক–স্বার্থকে কেন্দ্রে রাখার কাঠামো। ততদিন প্রতিটি মুক্তি—বা মরদেহ শনাক্ত—আমাদের স্মরণ করিয়ে দেবে, শান্তির সেতু এখনো অনেক দূর।

জনপ্রিয় সংবাদ

জেসি জ্যাকসন: আমেরিকার সিভিল রাইটস নেতা ও রাষ্ট্রপতি প্রার্থী আর নেই

রাফাহ বন্ধই, ইসরায়েল শনাক্ত করল এক জিম্মির মরদেহ

০৪:২১:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

আসবাবহীন বিরতি, মানবিক চাপ
হামাসের কাছে থাকা দুই মরদেহ রেড ক্রসের মাধ্যমে হস্তান্তরের পর ইসরায়েল জানায়—এগুলোর একটি রোনেন এঙ্গেলের। একই সময়ে মিশরের সঙ্গে রাফাহ স্থলসীমান্ত বন্ধই থাকে—ফলে গাজাবাসীর চিকিৎসা–যাত্রা ও পারাপার স্থবির। যুদ্ধের পর থেকে কিছু মরদেহ ফেরত এসেছে; ইসরায়েলও বহু ফিলিস্তিনির দেহ ফেরত দিয়েছে।
এই শনাক্তকরণ সূক্ষ্ম অস্ত্রবিরতি ও বন্দি–বিনিময় প্রক্রিয়ার সাথে জড়িয়ে আছে, যেখানে বিরতিতে মুক্তি, আবার নতুন অভিযোগ—এভাবেই চক্র ঘোরে। দুই পাড়ার পরিবারগুলোর জন্য প্রতিটি হস্তান্তর সমান মাত্রায় আশা ও আতঙ্ক—আলোচকদের উপরও চাপ বাড়ে।

মানবিক করিডর, রাজনীতি ও জনমত
সাহায্য–সংস্থাগুলো বলছে—সীমান্ত বন্ধ থাকায় চিকিৎসা সেবা ভয়াবহভাবে ব্যাহত। কে আগে কী করবে, কীভাবে যাচাই হবে—এই “সিকোয়েন্সিং” নিয়েই কূটনীতির টানাপোড়েন। ইসরায়েলে জনমানস জিম্মিদের ঘিরে সংবেদনশীল; গাজায় মূল এজেন্ডা—গতি–স্বাধীনতা ও পুনর্গঠন। সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ায় অবস্থানগুলোও কঠিন হচ্ছে।
টেকসই সমাধানে প্রয়োজন বিশ্বাসযোগ্য নজরদারি, ধাপে ধাপে অগ্রগতি ও নাগরিক–স্বার্থকে কেন্দ্রে রাখার কাঠামো। ততদিন প্রতিটি মুক্তি—বা মরদেহ শনাক্ত—আমাদের স্মরণ করিয়ে দেবে, শান্তির সেতু এখনো অনেক দূর।