০৮:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬
মিশেল ফাইফারের অভিনয়ের জাদু: দুটি ভিন্ন শোতেই হৃদয় স্পন্দন অনলাইন শিক্ষায় বাবা-মায়ের নতুন কৌশল: বাড়িতে ইউনিফর্ম, ব্যায়াম ও ফলের খোঁজ চাঁদে ফেরার নতুন ইতিহাস: অর্ধশতাব্দী পর মানুষের মহাকাশযাত্রায় বড় পদক্ষেপ চীনের চিপ শিল্পে নতুন মার্কিন চাপ ইউএই-তে পরিবারকেন্দ্রিক ইস্টার উদযাপন: ডিনার থেকে ডিম খোঁজা, সবকিছুই মিলেমিশে উৎসবের আনন্দ বাড়াচ্ছে দামার হ্যামলিনের জীবন বদলে দেওয়া হৃদরোগ সচেতনতার সংগ্রাম: বাঁচার লড়াই থেকে অন্যদের জীবন বাঁচানো পর্যন্ত আত্মার বন্ধুত্বের রহস্যে হারানো: ইমপারফেক্ট উইমেন-এর শোবিশ্লেষণ চাকরি ও শ্রমিকের সমন্বয়, তবে সন্তুষ্টি নেই কম্বোডিয়ার সাইবার অপরাধ দমন আইন প্যাম বন্ডি চেয়ার করেছিলেন মার্জিত বিদায়, কিন্তু ট্রাম্প চাইলেন তাকে বিদায় দিতে

রাফাহ বন্ধই, ইসরায়েল শনাক্ত করল এক জিম্মির মরদেহ

আসবাবহীন বিরতি, মানবিক চাপ
হামাসের কাছে থাকা দুই মরদেহ রেড ক্রসের মাধ্যমে হস্তান্তরের পর ইসরায়েল জানায়—এগুলোর একটি রোনেন এঙ্গেলের। একই সময়ে মিশরের সঙ্গে রাফাহ স্থলসীমান্ত বন্ধই থাকে—ফলে গাজাবাসীর চিকিৎসা–যাত্রা ও পারাপার স্থবির। যুদ্ধের পর থেকে কিছু মরদেহ ফেরত এসেছে; ইসরায়েলও বহু ফিলিস্তিনির দেহ ফেরত দিয়েছে।
এই শনাক্তকরণ সূক্ষ্ম অস্ত্রবিরতি ও বন্দি–বিনিময় প্রক্রিয়ার সাথে জড়িয়ে আছে, যেখানে বিরতিতে মুক্তি, আবার নতুন অভিযোগ—এভাবেই চক্র ঘোরে। দুই পাড়ার পরিবারগুলোর জন্য প্রতিটি হস্তান্তর সমান মাত্রায় আশা ও আতঙ্ক—আলোচকদের উপরও চাপ বাড়ে।

মানবিক করিডর, রাজনীতি ও জনমত
সাহায্য–সংস্থাগুলো বলছে—সীমান্ত বন্ধ থাকায় চিকিৎসা সেবা ভয়াবহভাবে ব্যাহত। কে আগে কী করবে, কীভাবে যাচাই হবে—এই “সিকোয়েন্সিং” নিয়েই কূটনীতির টানাপোড়েন। ইসরায়েলে জনমানস জিম্মিদের ঘিরে সংবেদনশীল; গাজায় মূল এজেন্ডা—গতি–স্বাধীনতা ও পুনর্গঠন। সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ায় অবস্থানগুলোও কঠিন হচ্ছে।
টেকসই সমাধানে প্রয়োজন বিশ্বাসযোগ্য নজরদারি, ধাপে ধাপে অগ্রগতি ও নাগরিক–স্বার্থকে কেন্দ্রে রাখার কাঠামো। ততদিন প্রতিটি মুক্তি—বা মরদেহ শনাক্ত—আমাদের স্মরণ করিয়ে দেবে, শান্তির সেতু এখনো অনেক দূর।

জনপ্রিয় সংবাদ

মিশেল ফাইফারের অভিনয়ের জাদু: দুটি ভিন্ন শোতেই হৃদয় স্পন্দন

রাফাহ বন্ধই, ইসরায়েল শনাক্ত করল এক জিম্মির মরদেহ

০৪:২১:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

আসবাবহীন বিরতি, মানবিক চাপ
হামাসের কাছে থাকা দুই মরদেহ রেড ক্রসের মাধ্যমে হস্তান্তরের পর ইসরায়েল জানায়—এগুলোর একটি রোনেন এঙ্গেলের। একই সময়ে মিশরের সঙ্গে রাফাহ স্থলসীমান্ত বন্ধই থাকে—ফলে গাজাবাসীর চিকিৎসা–যাত্রা ও পারাপার স্থবির। যুদ্ধের পর থেকে কিছু মরদেহ ফেরত এসেছে; ইসরায়েলও বহু ফিলিস্তিনির দেহ ফেরত দিয়েছে।
এই শনাক্তকরণ সূক্ষ্ম অস্ত্রবিরতি ও বন্দি–বিনিময় প্রক্রিয়ার সাথে জড়িয়ে আছে, যেখানে বিরতিতে মুক্তি, আবার নতুন অভিযোগ—এভাবেই চক্র ঘোরে। দুই পাড়ার পরিবারগুলোর জন্য প্রতিটি হস্তান্তর সমান মাত্রায় আশা ও আতঙ্ক—আলোচকদের উপরও চাপ বাড়ে।

মানবিক করিডর, রাজনীতি ও জনমত
সাহায্য–সংস্থাগুলো বলছে—সীমান্ত বন্ধ থাকায় চিকিৎসা সেবা ভয়াবহভাবে ব্যাহত। কে আগে কী করবে, কীভাবে যাচাই হবে—এই “সিকোয়েন্সিং” নিয়েই কূটনীতির টানাপোড়েন। ইসরায়েলে জনমানস জিম্মিদের ঘিরে সংবেদনশীল; গাজায় মূল এজেন্ডা—গতি–স্বাধীনতা ও পুনর্গঠন। সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ায় অবস্থানগুলোও কঠিন হচ্ছে।
টেকসই সমাধানে প্রয়োজন বিশ্বাসযোগ্য নজরদারি, ধাপে ধাপে অগ্রগতি ও নাগরিক–স্বার্থকে কেন্দ্রে রাখার কাঠামো। ততদিন প্রতিটি মুক্তি—বা মরদেহ শনাক্ত—আমাদের স্মরণ করিয়ে দেবে, শান্তির সেতু এখনো অনেক দূর।