০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
উড়ে যাওয়া “বিদ্যুৎচালিত” নৌকা: শহুরে পরিবহন বদলে দেবে কি? ওয়াদারিং হাইটস অবলম্বনে বিতর্কিত নতুন সিনেমা, প্রেম নাকি কেবল শরীরের ঝড়? ক্রিপ্টো শীতের তীব্র প্রহার: বিটকয়েন ও ডিজিটাল মুদ্রা বাজারে মরণঘণ্টা বাজছে আজ চোখের মতো বুদ্ধিমত্তা! রোবটদের দৃষ্টি এবার হবে মানুষের চেয়ে চারগুণ দ্রুত আত্মনির্ভরতার তরঙ্গ: আমেরিকায় সংখ্যালঘু উদ্যোক্তাদের স্টার্টআপ বুম এশিয়ার করপোরেট শাসনে বিপ্লব: জাপানের পথচলা কি বদলে দেবে পুরো অঞ্চলের পুঁজিবাজার? তারেক রহমানের শপথে নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ পাঠানোর পরিকল্পনা বিএনপির ভোটে পরাজিত হলেও সংসদে যেতে পারেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রাহুল গান্ধী ভারতের কটন চাষী ও টেক্সটাইল রফতানিকারীদের ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ অভিযোগ আফ্রিকার জাগরণের নতুন পাঠ: উন্নয়নের পথে জনসংখ্যাই কি মোড় ঘোরাবে?

পল্লবীতে পোশাক কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস

রাজধানীর পল্লবী থানাধীন কালশী এলাকায় শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) রাতে একটি বহুতল ভবনের ষষ্ঠ তলায় থাকা পোশাক কারখানায় ভয়াবহ আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় রাত ১২টা ৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। যদিও হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি, ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।


আগুন লাগার সময় ও স্থান

রাত ১০টা ১২ মিনিটে কালশী রোডের ছয়তলা ভবনের ষষ্ঠ তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। জানা গেছে, ওই তলায় একটি তৈরি পোশাক কারখানা অবস্থিত ছিল, যা সেদিন রাতে বন্ধ ছিল। ভবনের নিচতলায় ‘বিয়ে বাড়ি’ নামে একটি কমিউনিটি সেন্টার থাকলেও সেদিন সেখানে কোনো অনুষ্ঠান চলছিল না।


ফায়ার সার্ভিসের অভিযান

ফায়ার সার্ভিস মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা তালহা বিন জসীম জানান, আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর সাড়ে ১০টার দিকে প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। এরপর একে একে আরও ছয়টি ইউনিট যুক্ত হয়ে সমন্বিতভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সতর্কতা হিসেবে আরও কয়েকটি ইউনিট প্রস্তুত রাখা হয়েছিল।


প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা

একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ভবনের ষষ্ঠ তলায় হঠাৎ আগুন জ্বলে ওঠে এবং দ্রুত ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিকভাবে কেউ আগুন নেভানোর মতো প্রস্তুত ছিল না। ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে প্রায় আধা ঘণ্টা সময় নেয়। এরপর তারা আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে এবং ক্রমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।


কারণ ও ক্ষতি

আগুন লাগার কারণ এখনো নির্ধারণ করা যায়নি। যেহেতু কারখানাটি বন্ধ ছিল, তাই শর্ট সার্কিট বা বৈদ্যুতিক ত্রুটি থেকে আগুন লাগার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি।


নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সহায়তা

আগুনের খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে অংশ নেন। বহু মানুষ আগুনের খবর শুনে সেখানে ভিড় করেছিল, কিন্তু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সবাইকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেয়।


তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপ

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, আগুন লাগার কারণ ও ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে একটি তদন্ত দল গঠন করা হবে। প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের পর বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

উড়ে যাওয়া “বিদ্যুৎচালিত” নৌকা: শহুরে পরিবহন বদলে দেবে কি?

পল্লবীতে পোশাক কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস

১০:২১:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

রাজধানীর পল্লবী থানাধীন কালশী এলাকায় শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) রাতে একটি বহুতল ভবনের ষষ্ঠ তলায় থাকা পোশাক কারখানায় ভয়াবহ আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় রাত ১২টা ৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। যদিও হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি, ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।


আগুন লাগার সময় ও স্থান

রাত ১০টা ১২ মিনিটে কালশী রোডের ছয়তলা ভবনের ষষ্ঠ তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। জানা গেছে, ওই তলায় একটি তৈরি পোশাক কারখানা অবস্থিত ছিল, যা সেদিন রাতে বন্ধ ছিল। ভবনের নিচতলায় ‘বিয়ে বাড়ি’ নামে একটি কমিউনিটি সেন্টার থাকলেও সেদিন সেখানে কোনো অনুষ্ঠান চলছিল না।


ফায়ার সার্ভিসের অভিযান

ফায়ার সার্ভিস মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা তালহা বিন জসীম জানান, আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর সাড়ে ১০টার দিকে প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। এরপর একে একে আরও ছয়টি ইউনিট যুক্ত হয়ে সমন্বিতভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সতর্কতা হিসেবে আরও কয়েকটি ইউনিট প্রস্তুত রাখা হয়েছিল।


প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা

একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ভবনের ষষ্ঠ তলায় হঠাৎ আগুন জ্বলে ওঠে এবং দ্রুত ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিকভাবে কেউ আগুন নেভানোর মতো প্রস্তুত ছিল না। ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে প্রায় আধা ঘণ্টা সময় নেয়। এরপর তারা আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে এবং ক্রমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।


কারণ ও ক্ষতি

আগুন লাগার কারণ এখনো নির্ধারণ করা যায়নি। যেহেতু কারখানাটি বন্ধ ছিল, তাই শর্ট সার্কিট বা বৈদ্যুতিক ত্রুটি থেকে আগুন লাগার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি।


নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সহায়তা

আগুনের খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে অংশ নেন। বহু মানুষ আগুনের খবর শুনে সেখানে ভিড় করেছিল, কিন্তু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সবাইকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেয়।


তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপ

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, আগুন লাগার কারণ ও ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে একটি তদন্ত দল গঠন করা হবে। প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের পর বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।