১০:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
মারডক সাম্রাজ্যের উত্থান-পতন: ক্ষমতা, বিতর্ক ও উত্তরাধিকার সংকটের অন্তরালের কাহিনি উড়ে যাওয়া “বিদ্যুৎচালিত” নৌকা: শহুরে পরিবহন বদলে দেবে কি? ওয়াদারিং হাইটস অবলম্বনে বিতর্কিত নতুন সিনেমা, প্রেম নাকি কেবল শরীরের ঝড়? ক্রিপ্টো শীতের তীব্র প্রহার: বিটকয়েন ও ডিজিটাল মুদ্রা বাজারে মরণঘণ্টা বাজছে আজ চোখের মতো বুদ্ধিমত্তা! রোবটদের দৃষ্টি এবার হবে মানুষের চেয়ে চারগুণ দ্রুত আত্মনির্ভরতার তরঙ্গ: আমেরিকায় সংখ্যালঘু উদ্যোক্তাদের স্টার্টআপ বুম এশিয়ার করপোরেট শাসনে বিপ্লব: জাপানের পথচলা কি বদলে দেবে পুরো অঞ্চলের পুঁজিবাজার? তারেক রহমানের শপথে নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ পাঠানোর পরিকল্পনা বিএনপির ভোটে পরাজিত হলেও সংসদে যেতে পারেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রাহুল গান্ধী ভারতের কটন চাষী ও টেক্সটাইল রফতানিকারীদের ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ অভিযোগ

হুন্ডি, জুয়া ও অর্থপাচার প্রতিরোধে বিকাশের সচেতনতামূলক কর্মশালা

অর্থনৈতিক অপরাধ প্রতিরোধে বিকাশের উদ্যোগ

দেশজুড়ে হুন্ডি, জুয়া ও অর্থপাচারের মতো আর্থিক অপরাধ প্রতিরোধে বিকাশ সম্প্রতি ঢাকা, খুলনা, বগুড়া ও কুমিল্লায় তাদের পরিবেশকদের জন্য চারটি সচেতনতামূলক কর্মশালা আয়োজন করেছে। এসব দিনব্যাপী সেশনে বিকাশের চ্যানেল পার্টনারদের আর্থিক লেনদেনের সঠিক ব্যবস্থাপনা ও নিয়মনীতি মেনে চলার গুরুত্ব সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়।


কর্মশালার মূল লক্ষ্য ও আলোচ্য বিষয়

প্রতিটি কর্মশালায় আলোচিত হয়—

  • সন্দেহজনক লেনদেনের দ্রুত রিপোর্টিং,
  • তহবিলের উৎস শনাক্তকরণ,
  • নিয়মিত তথ্য হালনাগাদ,
  • কর্মীদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ,
  • অননুমোদিত এজেন্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ,
  • এবং প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার।

বিকাশ জানায়, এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে আর্থিক অপরাধ প্রতিরোধে প্রতিষ্ঠানটি তাদের দায়বদ্ধতা আরও শক্তিশালী করতে কাজ করছে।


আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে বিকাশের ভূমিকা

দেশজুড়ে বিকাশের ৩ লাখ ৫০ হাজার এজেন্টের বিশাল নেটওয়ার্ক আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। পরিবেশকরা এই নেটওয়ার্ক পরিচালনা ও তদারকি করেন—
তারা এজেন্টদের প্রশিক্ষণ দেন, লেনদেনের সঠিকতা নিশ্চিত করেন, প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহ দেন এবং সেবার মান বজায় রাখেন।

bKash organise workshop to prevent MFS abuse | Miscellaneous News

পরিবেশকদের অভিজ্ঞতা ও প্রশংসা

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী পরিবেশকরা জানান, কঠোর নিয়মনীতি মেনে চলার ফলে তাদের ব্যবসা আরও শক্তিশালী হয়েছে এবং ঝুঁকি কমেছে।
তারা বিকাশের ধারাবাহিক সচেতনতামূলক উদ্যোগ ও নিরাপদ, স্বচ্ছ আর্থিক পরিবেশ তৈরির প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।


বিকাশ কর্মকর্তাদের বক্তব্য

বিকাশের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা আলী আহম্মেদ বলেন, বিকাশ ও এর পরিবেশকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ৮ কোটি ২০ লাখ গ্রাহকের জন্য একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে।
তিনি জানান, এখন শুধু ‘ক্যাশ ইন’ ও ‘ক্যাশ আউট’ নয়, বরং এজেন্ট পয়েন্টগুলো গ্রাহকদের জন্য নানা আর্থিক সেবার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠছে, যা লেনদেনকে আরও সহজ ও নিরাপদ করছে।

অন্যদিকে, বিকাশের ডিস্ট্রিবিউশন ও রিটেইল ব্যবসার প্রধান মোহাম্মদ ইরফানুল হক বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রিত একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিকাশ আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও দেশের ডিজিটাল পেমেন্ট অবকাঠামো গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।


সতর্কতা ও দায়বদ্ধতার আহ্বান

বিকাশ সকল অংশীজনকে আরও সতর্ক, দায়বদ্ধ ও সচেতন থাকার আহ্বান জানায়, যাতে হুন্ডি, জুয়া এবং অর্থপাচারের মতো অবৈধ কর্মকাণ্ড কার্যকরভাবে দমন করা যায়।


#ব্যবসা #অর্থনীতি #বিকাশ #হুন্ডি #অর্থপাচার #ডিজিটালবাংলাদেশ #সারাক্ষণরিপোর্ট

জনপ্রিয় সংবাদ

মারডক সাম্রাজ্যের উত্থান-পতন: ক্ষমতা, বিতর্ক ও উত্তরাধিকার সংকটের অন্তরালের কাহিনি

হুন্ডি, জুয়া ও অর্থপাচার প্রতিরোধে বিকাশের সচেতনতামূলক কর্মশালা

০৮:৩৩:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

অর্থনৈতিক অপরাধ প্রতিরোধে বিকাশের উদ্যোগ

দেশজুড়ে হুন্ডি, জুয়া ও অর্থপাচারের মতো আর্থিক অপরাধ প্রতিরোধে বিকাশ সম্প্রতি ঢাকা, খুলনা, বগুড়া ও কুমিল্লায় তাদের পরিবেশকদের জন্য চারটি সচেতনতামূলক কর্মশালা আয়োজন করেছে। এসব দিনব্যাপী সেশনে বিকাশের চ্যানেল পার্টনারদের আর্থিক লেনদেনের সঠিক ব্যবস্থাপনা ও নিয়মনীতি মেনে চলার গুরুত্ব সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়।


কর্মশালার মূল লক্ষ্য ও আলোচ্য বিষয়

প্রতিটি কর্মশালায় আলোচিত হয়—

  • সন্দেহজনক লেনদেনের দ্রুত রিপোর্টিং,
  • তহবিলের উৎস শনাক্তকরণ,
  • নিয়মিত তথ্য হালনাগাদ,
  • কর্মীদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ,
  • অননুমোদিত এজেন্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ,
  • এবং প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার।

বিকাশ জানায়, এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে আর্থিক অপরাধ প্রতিরোধে প্রতিষ্ঠানটি তাদের দায়বদ্ধতা আরও শক্তিশালী করতে কাজ করছে।


আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে বিকাশের ভূমিকা

দেশজুড়ে বিকাশের ৩ লাখ ৫০ হাজার এজেন্টের বিশাল নেটওয়ার্ক আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। পরিবেশকরা এই নেটওয়ার্ক পরিচালনা ও তদারকি করেন—
তারা এজেন্টদের প্রশিক্ষণ দেন, লেনদেনের সঠিকতা নিশ্চিত করেন, প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহ দেন এবং সেবার মান বজায় রাখেন।

bKash organise workshop to prevent MFS abuse | Miscellaneous News

পরিবেশকদের অভিজ্ঞতা ও প্রশংসা

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী পরিবেশকরা জানান, কঠোর নিয়মনীতি মেনে চলার ফলে তাদের ব্যবসা আরও শক্তিশালী হয়েছে এবং ঝুঁকি কমেছে।
তারা বিকাশের ধারাবাহিক সচেতনতামূলক উদ্যোগ ও নিরাপদ, স্বচ্ছ আর্থিক পরিবেশ তৈরির প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।


বিকাশ কর্মকর্তাদের বক্তব্য

বিকাশের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা আলী আহম্মেদ বলেন, বিকাশ ও এর পরিবেশকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ৮ কোটি ২০ লাখ গ্রাহকের জন্য একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে।
তিনি জানান, এখন শুধু ‘ক্যাশ ইন’ ও ‘ক্যাশ আউট’ নয়, বরং এজেন্ট পয়েন্টগুলো গ্রাহকদের জন্য নানা আর্থিক সেবার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠছে, যা লেনদেনকে আরও সহজ ও নিরাপদ করছে।

অন্যদিকে, বিকাশের ডিস্ট্রিবিউশন ও রিটেইল ব্যবসার প্রধান মোহাম্মদ ইরফানুল হক বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রিত একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিকাশ আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও দেশের ডিজিটাল পেমেন্ট অবকাঠামো গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।


সতর্কতা ও দায়বদ্ধতার আহ্বান

বিকাশ সকল অংশীজনকে আরও সতর্ক, দায়বদ্ধ ও সচেতন থাকার আহ্বান জানায়, যাতে হুন্ডি, জুয়া এবং অর্থপাচারের মতো অবৈধ কর্মকাণ্ড কার্যকরভাবে দমন করা যায়।


#ব্যবসা #অর্থনীতি #বিকাশ #হুন্ডি #অর্থপাচার #ডিজিটালবাংলাদেশ #সারাক্ষণরিপোর্ট