০৭:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬
ফিলিপ স্টার্নের মৃত্যু: সুইস বিলাসবহুল ঘড়ি শিল্পের এক যুগের অবসান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ হাজার সশস্ত্র আনসার মোতায়েন, ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তায় সরকারের নতুন উদ্যোগ বৈরুতের ধ্বংসস্তূপে ফিরছে জীবন, যুদ্ধের ক্ষত বুকে নিয়েও নতুন আশায় দাহিয়া এবার ব্রডওয়েতে মায়া রুডলফের বাজিমাত, ‘ওহ, মেরি!’ নাটকে দর্শক মাতাচ্ছেন নতুন রূপে রাশিয়ায় যুদ্ধের বাস্তবতা বাড়লেও ঝুঁকি আড়াল করছে সরকার, বাড়ছে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ বাংলাদেশ থেকে বিশ্ব অর্থনীতির দৃষ্টি হরমুজে: শান্তি আলোচনার মাঝেও কৌশলগত চাপ বাড়াচ্ছে ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও সিঙ্গাপুর থেকে ২ লাখ ৭০ হাজার টন গম কিনছে সরকার, ব্যয় ১,০৫২ কোটি টাকা আপন আপন দেশ, এক হৃদয়ের টান: জাপানের ‘লিটল ব্রাজিল’-এ বিশ্বকাপ ঘিরে আবেগের লড়াই আমেরিকার স্বাধীনতার ইতিহাসের স্বাদ, আজও জীবন্ত ১৭৭৬ সালের ঐতিহ্যবাহী পানশালাগুলো চীনের কম খরচের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় কাঁপছে যুক্তরাষ্ট্র, জনপ্রিয়তায় দ্রুত বাড়ছে নতুন প্রতিদ্বন্দ্বী

গ্যংজুতে শি–লি বৈঠক: কোরিয়া–চীন সম্পর্কে ‘প্রাগম্যাটিক’ পুনর্গঠন

রিজিওনাল রিসেট ও বার্তার রাজনীতি

গ্যংজুতে এপেকের আড়ালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ংয়ের বৈঠক এক দশক পর সম্পর্ক উষ্ণ করার ইঙ্গিত দিল। সম্পূর্ণ প্রটোকল, “স্থিতিশীলতা”র ভাষ্য ও নিরাপত্তা–বাণিজ্য চ্যানেল পুনরায় খোলার কথা—সবই দৃশ্যমান। সিউল বলছে, লক্ষ্য বাস্তববাদী: সাপ্লাই চেইন, সেমিকন্ডাক্টর, পর্যটন। বেইজিং “পারস্পরিক সম্মান” জোর দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জোট–টানাপোড়েন ও তাইওয়ান ইস্যু নরম করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের অনুপস্থিতি শিকে আঞ্চলিক মঞ্চে প্রাধান্যের সুযোগ দেয়; কানাডাসহ একাধিক সাক্ষাৎও তিনি সেরেছেন। কোরিয়ার মূল সমীকরণ আগের মতোই—যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ছাতার সঙ্গে চীনে রপ্তানি–নির্ভর অর্থনীতি সামলানো।

Chinese leader Xi Jinping shakes hands with South Korean President Lee Jae Myung during their meeting in Gyeongju, South Korea, on Saturday.

পরের ধাপ ও সম্ভাব্য প্রভাব

দুই পক্ষ যে দ্রুত কার্যসূচি তুলেছে—রপ্তানি–নিয়ন্ত্রণে সমন্বয়, জন বিনিময় ত্বরান্বিত করা, সমুদ্রে–আকাশে ইন্সিডেন্ট এড়াতে ডিফেন্স হটলাইন পুনরায় চালু—এগুলো বাস্তবায়ন হলে প্রভাব পড়বে ইলেকট্রনিক্স ভ্যালু–চেইনে। তবে জটিলতা রয়ে গেছে—জাপান ও কোরিয়া উপকূলে চীনা সামরিক নড়াচড়া, আর বেইজিং–ওয়াশিংটন প্রতিদ্বন্দ্বিতা। সিউল কি এমন সহযোগিতা বাড়াতে পারবে যাতে সেকেন্ডারি স্যাংশনের ঝুঁকি না বাড়ে? পর্যটন–বাণিজ্য ফিরলে কোরিয়ান এয়ারলাইন, ডিউটি–ফ্রি ও কন্টেন্ট রপ্তানি লাভবান হতে পারে। না হলে চীনে কোরিয়ান কোম্পানির উপর চাপ বাড়তে পারে, আর দেশে কড়া নিরাপত্তা ভঙ্গি দেখা দিতে পারে। সারকথা, অঞ্চলটি ‘ডি–রিস্কিং’ করছে—সম্পর্ক ছিন্ন নয়, বরং ঝুঁকি কমিয়ে ভারসাম্য—এবং কোরিয়া দুই পক্ষের কাছেই অপরিহার্য থাকতে চায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফিলিপ স্টার্নের মৃত্যু: সুইস বিলাসবহুল ঘড়ি শিল্পের এক যুগের অবসান

গ্যংজুতে শি–লি বৈঠক: কোরিয়া–চীন সম্পর্কে ‘প্রাগম্যাটিক’ পুনর্গঠন

০৪:৫৮:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

রিজিওনাল রিসেট ও বার্তার রাজনীতি

গ্যংজুতে এপেকের আড়ালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ংয়ের বৈঠক এক দশক পর সম্পর্ক উষ্ণ করার ইঙ্গিত দিল। সম্পূর্ণ প্রটোকল, “স্থিতিশীলতা”র ভাষ্য ও নিরাপত্তা–বাণিজ্য চ্যানেল পুনরায় খোলার কথা—সবই দৃশ্যমান। সিউল বলছে, লক্ষ্য বাস্তববাদী: সাপ্লাই চেইন, সেমিকন্ডাক্টর, পর্যটন। বেইজিং “পারস্পরিক সম্মান” জোর দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জোট–টানাপোড়েন ও তাইওয়ান ইস্যু নরম করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের অনুপস্থিতি শিকে আঞ্চলিক মঞ্চে প্রাধান্যের সুযোগ দেয়; কানাডাসহ একাধিক সাক্ষাৎও তিনি সেরেছেন। কোরিয়ার মূল সমীকরণ আগের মতোই—যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ছাতার সঙ্গে চীনে রপ্তানি–নির্ভর অর্থনীতি সামলানো।

Chinese leader Xi Jinping shakes hands with South Korean President Lee Jae Myung during their meeting in Gyeongju, South Korea, on Saturday.

পরের ধাপ ও সম্ভাব্য প্রভাব

দুই পক্ষ যে দ্রুত কার্যসূচি তুলেছে—রপ্তানি–নিয়ন্ত্রণে সমন্বয়, জন বিনিময় ত্বরান্বিত করা, সমুদ্রে–আকাশে ইন্সিডেন্ট এড়াতে ডিফেন্স হটলাইন পুনরায় চালু—এগুলো বাস্তবায়ন হলে প্রভাব পড়বে ইলেকট্রনিক্স ভ্যালু–চেইনে। তবে জটিলতা রয়ে গেছে—জাপান ও কোরিয়া উপকূলে চীনা সামরিক নড়াচড়া, আর বেইজিং–ওয়াশিংটন প্রতিদ্বন্দ্বিতা। সিউল কি এমন সহযোগিতা বাড়াতে পারবে যাতে সেকেন্ডারি স্যাংশনের ঝুঁকি না বাড়ে? পর্যটন–বাণিজ্য ফিরলে কোরিয়ান এয়ারলাইন, ডিউটি–ফ্রি ও কন্টেন্ট রপ্তানি লাভবান হতে পারে। না হলে চীনে কোরিয়ান কোম্পানির উপর চাপ বাড়তে পারে, আর দেশে কড়া নিরাপত্তা ভঙ্গি দেখা দিতে পারে। সারকথা, অঞ্চলটি ‘ডি–রিস্কিং’ করছে—সম্পর্ক ছিন্ন নয়, বরং ঝুঁকি কমিয়ে ভারসাম্য—এবং কোরিয়া দুই পক্ষের কাছেই অপরিহার্য থাকতে চায়।