০২:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
মস্তিষ্ক টিউমার অস্ত্রোপচারের পর ঘরে বসেই বাড়তি সহায়তা পাচ্ছেন রোগীরা প্রকৃতির প্রেমে সাইকেলযাত্রা: এক নাগরিকের সতর্ক চোখে বন্যপ্রাণ ও বন রক্ষার লড়াই আকাশে বিমানের সাদা দাগ যত সুন্দর, ততটাই বিপজ্জনক জলবায়ুর জন্য অস্ট্রিয়ার পাহাড়ি গ্রামে গরুর বুদ্ধির চমক, লাঠি দিয়ে চুলকাতে জানে কখন কোন অংশ ব্যবহার করতে হয় মিনিয়াপোলিসে গুলিতে দুই মার্কিন নাগরিক নিহত, ট্রাম্পের অভিবাসন অভিযানে নির্বাচনী উত্তাপ চরমে মিনিয়াপোলিসে ভিডিওর সঙ্গে সাংঘর্ষিক সরকারি দাবি, ফেডারেল গুলিতে মার্কিন নাগরিক নিহত ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তে বড় ধাক্কা, ৮ হাজারের বেশি অভিবাসীর আইনি সুরক্ষা বহাল রাখার নির্দেশ মার্কিন আদালতের সিজোফ্রেনিয়া ও হাড়ের দুর্বলতার জেনেটিক যোগসূত্র, বড় গবেষণায় মিলল চমকপ্রদ ইঙ্গিত গাজীপুরে গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ২৪ লাখ টাকা ছিনতাই প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল

পেঁয়াজের দাম ১১০, দরকার দিল্লির পেঁয়াজ — বলছেন ব্যবসায়ীরা

১. ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানিতে দেরি হলে আরো দুই তিন মাস দেশে দামের আরও ঊর্ধ্বগতি ঘটবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

২. চলতি বছর পেঁয়াজ চাষ শুরু হয়েছে দেরিতে, ফলে উৎপাদন কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

৩. দেশি পেঁয়াজ আগের বছরের তুলনায় দেরিতে বাজারে আসবে, যার ফলে সরবরাহ সংকট আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে।

দেশে পেঁয়াজের দাম প্রতি কেজিতে ১১০ টাকায় পৌঁছেছে। সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাজারে তৈরি হয়েছে নতুন অস্থিরতা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই পরিস্থিতি সামলাতে ভারত—থেকে দ্রুত পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া প্রয়োজন। অন্যদিকে, সরকার বলছে, বাজার স্থিতিশীল রাখতে জরুরি আমদানি অনুমোদনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

দ্রুত মূল্যবৃদ্ধির কারণ

রাজধানীর বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে খুচরায় দেশি পেঁয়াজের দাম ৭৫–৮০ টাকা থেকে বেড়ে ১০০–১১০ টাকায় পৌঁছেছে। পাইকারি বাজারেও কেজিপ্রতি প্রায় ৩০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।
দেশি উৎপাদনের সরবরাহ কমে যাওয়া, নতুন রবি মৌসুমের পেঁয়াজ দেরিতে বাজারে আসা এবং আমদানিতে ঘাটতি—এই তিনটি কারণেই এমন দামের ধাক্কা তৈরি হয়েছে।
পাশাপাশি, একসঙ্গে আমদানির অনুমোদন না থাকায় বাজারে সংকটের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যা দামের ঊর্ধ্বগতি আরও ত্বরান্বিত করছে।

বাজারে কী ঘটছে – ব্যবসায়ীদের দৃষ্টিতে

দেশি পেঁয়াজের মজুত প্রায় ফুরিয়ে আসায় আড়তদার ও পাইকাররা বলছেন, সরবরাহের ঘাটতিই দামের মূল কারণ।
ভারতের বাজারে পেঁয়াজের দাম তুলনামূলকভাবে কম—প্রতি কেজিতে প্রায় ১৫ টাকা কম। ফলে অনেক ব্যবসায়ী দিল্লিসহ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে দ্রুত আমদানির অনুমতি চেয়ে সরকারের কাছে আবেদন করেছেন।
তবে প্রয়োজনীয় অনুমোদন কার্যকর না হওয়ায় বাজারে অনিশ্চয়তা ও তৎপরতা দুই-ই বাড়ছে। ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, এখনই উদ্যোগ না নিলে পরবর্তী দুই–তিন মাস সরবরাহ সংকট আরও তীব্র হতে পারে।

সরকারের পদক্ষেপ ও সম্ভাবনা

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, রবি মৌসুমের পেঁয়াজ বাজারে আসতে আরও কিছুটা সময় লাগবে, কারণ বিভিন্ন জেলায় চারা রোপণে বিলম্ব হয়েছে।
কৃষি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আমদানির আবেদনগুলো দ্রুত যাচাই করা হচ্ছে এবং অনুমোদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
সরকার বলছে, এই মৌসুমে আমদানির অনুমতি দেওয়া হবে—দেশীয় বাজারে মূল্য স্থিতিশীল রাখতে এমন পদক্ষেপই এখন অগ্রাধিকার।

আগামী দিনের সম্ভাবনা

যদি দ্রুত আমদানির অনুমোদন না আসে, তাহলে পেঁয়াজের দাম আরও বেড়ে যেতে পারে। উৎপাদন এলাকায় বৃষ্টিপাত, দেরিতে রোপণ ও সংরক্ষণের ঘাটতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
ভোক্তাদের জন্য সতর্কতা হলো—খুচরায় ১০০ টাকার ওপরে দাম এখন সাধারণ চিত্র।
অন্যদিকে, সরকারের দায়িত্ব হলো আমদানির অনুমতি দ্রুত কার্যকর করা, স্থানীয় উৎপাদন বাড়ানো এবং সংরক্ষণ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা।

দেশে পেঁয়াজের দাম বেড়ে পৌঁছেছে ১১০ টাকায়। সরবরাহ সংকট ও আমদানিতে দেরির কারণে বাজারে অস্থিরতা বাড়ছে। ব্যবসায়ীরা দ্রুত দিল্লি থেকে আমদানির অনুমতি চাইছেন, আর সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে জরুরি অনুমোদন কার্যক্রমে তৎপর হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মস্তিষ্ক টিউমার অস্ত্রোপচারের পর ঘরে বসেই বাড়তি সহায়তা পাচ্ছেন রোগীরা

পেঁয়াজের দাম ১১০, দরকার দিল্লির পেঁয়াজ — বলছেন ব্যবসায়ীরা

১১:২০:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

১. ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানিতে দেরি হলে আরো দুই তিন মাস দেশে দামের আরও ঊর্ধ্বগতি ঘটবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

২. চলতি বছর পেঁয়াজ চাষ শুরু হয়েছে দেরিতে, ফলে উৎপাদন কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

৩. দেশি পেঁয়াজ আগের বছরের তুলনায় দেরিতে বাজারে আসবে, যার ফলে সরবরাহ সংকট আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে।

দেশে পেঁয়াজের দাম প্রতি কেজিতে ১১০ টাকায় পৌঁছেছে। সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাজারে তৈরি হয়েছে নতুন অস্থিরতা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই পরিস্থিতি সামলাতে ভারত—থেকে দ্রুত পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া প্রয়োজন। অন্যদিকে, সরকার বলছে, বাজার স্থিতিশীল রাখতে জরুরি আমদানি অনুমোদনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

দ্রুত মূল্যবৃদ্ধির কারণ

রাজধানীর বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে খুচরায় দেশি পেঁয়াজের দাম ৭৫–৮০ টাকা থেকে বেড়ে ১০০–১১০ টাকায় পৌঁছেছে। পাইকারি বাজারেও কেজিপ্রতি প্রায় ৩০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।
দেশি উৎপাদনের সরবরাহ কমে যাওয়া, নতুন রবি মৌসুমের পেঁয়াজ দেরিতে বাজারে আসা এবং আমদানিতে ঘাটতি—এই তিনটি কারণেই এমন দামের ধাক্কা তৈরি হয়েছে।
পাশাপাশি, একসঙ্গে আমদানির অনুমোদন না থাকায় বাজারে সংকটের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যা দামের ঊর্ধ্বগতি আরও ত্বরান্বিত করছে।

বাজারে কী ঘটছে – ব্যবসায়ীদের দৃষ্টিতে

দেশি পেঁয়াজের মজুত প্রায় ফুরিয়ে আসায় আড়তদার ও পাইকাররা বলছেন, সরবরাহের ঘাটতিই দামের মূল কারণ।
ভারতের বাজারে পেঁয়াজের দাম তুলনামূলকভাবে কম—প্রতি কেজিতে প্রায় ১৫ টাকা কম। ফলে অনেক ব্যবসায়ী দিল্লিসহ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে দ্রুত আমদানির অনুমতি চেয়ে সরকারের কাছে আবেদন করেছেন।
তবে প্রয়োজনীয় অনুমোদন কার্যকর না হওয়ায় বাজারে অনিশ্চয়তা ও তৎপরতা দুই-ই বাড়ছে। ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, এখনই উদ্যোগ না নিলে পরবর্তী দুই–তিন মাস সরবরাহ সংকট আরও তীব্র হতে পারে।

সরকারের পদক্ষেপ ও সম্ভাবনা

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, রবি মৌসুমের পেঁয়াজ বাজারে আসতে আরও কিছুটা সময় লাগবে, কারণ বিভিন্ন জেলায় চারা রোপণে বিলম্ব হয়েছে।
কৃষি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আমদানির আবেদনগুলো দ্রুত যাচাই করা হচ্ছে এবং অনুমোদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
সরকার বলছে, এই মৌসুমে আমদানির অনুমতি দেওয়া হবে—দেশীয় বাজারে মূল্য স্থিতিশীল রাখতে এমন পদক্ষেপই এখন অগ্রাধিকার।

আগামী দিনের সম্ভাবনা

যদি দ্রুত আমদানির অনুমোদন না আসে, তাহলে পেঁয়াজের দাম আরও বেড়ে যেতে পারে। উৎপাদন এলাকায় বৃষ্টিপাত, দেরিতে রোপণ ও সংরক্ষণের ঘাটতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
ভোক্তাদের জন্য সতর্কতা হলো—খুচরায় ১০০ টাকার ওপরে দাম এখন সাধারণ চিত্র।
অন্যদিকে, সরকারের দায়িত্ব হলো আমদানির অনুমতি দ্রুত কার্যকর করা, স্থানীয় উৎপাদন বাড়ানো এবং সংরক্ষণ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা।

দেশে পেঁয়াজের দাম বেড়ে পৌঁছেছে ১১০ টাকায়। সরবরাহ সংকট ও আমদানিতে দেরির কারণে বাজারে অস্থিরতা বাড়ছে। ব্যবসায়ীরা দ্রুত দিল্লি থেকে আমদানির অনুমতি চাইছেন, আর সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে জরুরি অনুমোদন কার্যক্রমে তৎপর হয়েছে।