০৮:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
রাশিয়ায় মার্কিন গোয়েন্দাপ্রধান, মস্কোয় গোপন বৈঠক ঘিরে জল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে পাল্টা শুল্ক কানাডার, তীব্র হচ্ছে বাণিজ্যযুদ্ধ বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, উত্তর আমেরিকায় নতুন কারখানা নিয়ে হোন্ডার সতর্কবার্তা দেশীয় সংগীতের রানী ডলি পার্টন আর নেই, ৮০ বছর বয়সে শেষ হলো কিংবদন্তির পথচলা ডলি পার্টন: কিংবদন্তি গায়িকার সাত দশকের বর্ণিল জীবন ইসলামাবাদে হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে আগুন, ১৪ শিশুর মৃত্যু কুমিল্লায় পারিবারিক বিরোধে বড় ভাইয়ের মারধরে প্রাণ গেল ভাইয়ের বৃহস্পতিবার বসছে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন পাঁচ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ

হাসপাতালের বেডে উদ্যানতত্ত্ব থেরাপি

  • Sarakhon Report
  • ০৯:৫০:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪
  • 136

ম্যাডাম সিম বুন হোয়ে। ৯০ বছর বয়সী একজন রোগী। হাসপাতালে তার বিছানার পাশে যে গাছটি রাখা আছে সেখানে পানি দেওয়ার জন্য একটি স্প্রে বোতল ব্যবহার করছেন। সিঙ্গাপুরের খু- টেক পুয়াত হাসপাতালের জেরিয়াট্রিক অ্যাকিউট কেয়ার ওয়ার্ডগুলোতে উদ্যানতত্ত্ব থেরাপির সংবেদনশীল উপাদানের অংশ হিসাবে ছয় ধরনের ভেষজ রাখা হয়েছে। সেগুলো হলো- পুদিনা, তুলসী, মুগওয়র্ট, ভারতীয় বোরেজ, পান্ডান এবং বালি আদা রাখা হয়েছে। পাতার ঘ্রাণ এবং বিশেষ অনুভূতির জন্য বেছে নেয়া হয়েছে এ ভেষজগুলো।

সারাক্ষণ ডেস্ক

সিঙ্গাপুরের খু-টেক পুয়াত হাসপাতাল উদ্যানতত্ত্ব থেরাপি প্রকল্পের মাধ্যমে রোগীদের চিকিৎসা করা হচ্ছে। পেশাগত থেরাপিস্টদের একটি দলের নেতৃত্বে হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলোতে ‘বাগান’ করা হয়েছে।

ম্যাডাম সিমের সাথে মিস জিয়াং, যিনি একটি তরুণ ভারতীয় বোরজকে একটি পাত্রে রেখেছেন এবং এটিকে তার নাম দিয়ে লেবেল করেছেন। উদ্ভিদটি ম্যাডাম সিমের দায়িত্বে থাকবে। তাকে উদ্ভিদটির যত্ন চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করা হয়। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলে তিনি এটি বাড়িতে নিয়ে যেতে পারেন।

“একটি বাগানে হাসপাতাল এবং একটি হাসপাতালে একটি বাগান” হিসাবে বিকশিত, খু-টেক পুয়াত হাসপাতাল (কে. টি. পি. এইচ) একটি নিরাময়ের পরিবেশ হিসাবে আরও একধাপ এগিয়ে যায়।

সিনিয়র পেশাগত থেরাপিস্ট গিয়াং থু আন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে, ‘আমাদের প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো রোগীদের সুস্বাস্থ্যের উন্নতি করা। আমাদের অ্যাকিউট কেয়ার ওয়ার্ডগুলোতে থাকা অনেক রোগী বাগানে যাওয়ার মতো উপযুক্ত নয়। এই কারণেই আমরা তাদের কাছে বাগানটি আনতে চাই। এটাই ছিল গার্ডেন বাই দ্য বেডের মূল ধারণা। ”

মিস জিয়াং ২০২২ সালে বেড প্রকল্পের মাধ্যমে বাগানের নেতৃত্ব দেন। তিনি এবং পেশাগত বিশেষজ্ঞ এবং স্বেচ্ছাসেবকদের ছয়জনের একটি দল রোগীদের কাছে প্রকৃতির সৌন্দর্য্য তুলে এনেছে।

প্রকল্পের অংশ হিসেবে মিস জিয়াং-এর সঙ্গে সাধারণভাবে ২০ থেকে ৩০ মিনিট ধরে রোগীদের সাথে মতবিনিময় করেন। তিনি স্ট প্রোগ্রামের জন্য নির্বাচিত ট্রলি থেকে ছয়টি ভিন্ন ভেষজ নির্বাচন করেন। মিস জিয়াং মাঝে মাঝেই রোগীর বিছানার কাছে থামেন এবং উজ্জ্বলভাবে তাকে অভ্যর্থনা জানান।  ৯৫ বছর বয়সী একজন রোগী এক সপ্তাহ ধরে হাসপাতালে রয়েছেন। তিনিও গাছের যত্ন নেন।

 

 

 

মিস জিয়াং বলেন, “আমরা জানি যে, হাসপাতালে রোগীদের বিছানায় দীর্ঘস্থায়ী থাকার কারণে তাদের মেজাজ খুব ভালো থাকে না। আমরা তাদের দিন উজ্জ্বল করতে চাই। এই কারণেই আমরা প্রকৃতিকে আনতে চেয়েছিলাম।

ম্যাডাম সিম তার ইন্ডিয়ান বোরেজকে একটি পাত্রে রেখে মাটি ছেঁকে ফেরেছেন। বাগানের কাজের জন্য গ্লাভস পরা হয় এবং সংক্রমণের বিস্তার রোধ করার জন্য সতর্কতা হিসাবে বিছানার পাশের টেবিলটি ঢেকে রাখার জন্য প্লাস্টিকের চাদর ব্যবহার করা হয়। শুধুমাত্র জৈব প্রিমিয়াম পটিং মাটি ব্যবহার করা হয়। রোগীরা হাসপাতালের বাগান ঘুরেও দেখতে পারে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

রাশিয়ায় মার্কিন গোয়েন্দাপ্রধান, মস্কোয় গোপন বৈঠক ঘিরে জল্পনা

হাসপাতালের বেডে উদ্যানতত্ত্ব থেরাপি

০৯:৫০:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪

ম্যাডাম সিম বুন হোয়ে। ৯০ বছর বয়সী একজন রোগী। হাসপাতালে তার বিছানার পাশে যে গাছটি রাখা আছে সেখানে পানি দেওয়ার জন্য একটি স্প্রে বোতল ব্যবহার করছেন। সিঙ্গাপুরের খু- টেক পুয়াত হাসপাতালের জেরিয়াট্রিক অ্যাকিউট কেয়ার ওয়ার্ডগুলোতে উদ্যানতত্ত্ব থেরাপির সংবেদনশীল উপাদানের অংশ হিসাবে ছয় ধরনের ভেষজ রাখা হয়েছে। সেগুলো হলো- পুদিনা, তুলসী, মুগওয়র্ট, ভারতীয় বোরেজ, পান্ডান এবং বালি আদা রাখা হয়েছে। পাতার ঘ্রাণ এবং বিশেষ অনুভূতির জন্য বেছে নেয়া হয়েছে এ ভেষজগুলো।

সারাক্ষণ ডেস্ক

সিঙ্গাপুরের খু-টেক পুয়াত হাসপাতাল উদ্যানতত্ত্ব থেরাপি প্রকল্পের মাধ্যমে রোগীদের চিকিৎসা করা হচ্ছে। পেশাগত থেরাপিস্টদের একটি দলের নেতৃত্বে হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলোতে ‘বাগান’ করা হয়েছে।

ম্যাডাম সিমের সাথে মিস জিয়াং, যিনি একটি তরুণ ভারতীয় বোরজকে একটি পাত্রে রেখেছেন এবং এটিকে তার নাম দিয়ে লেবেল করেছেন। উদ্ভিদটি ম্যাডাম সিমের দায়িত্বে থাকবে। তাকে উদ্ভিদটির যত্ন চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করা হয়। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলে তিনি এটি বাড়িতে নিয়ে যেতে পারেন।

“একটি বাগানে হাসপাতাল এবং একটি হাসপাতালে একটি বাগান” হিসাবে বিকশিত, খু-টেক পুয়াত হাসপাতাল (কে. টি. পি. এইচ) একটি নিরাময়ের পরিবেশ হিসাবে আরও একধাপ এগিয়ে যায়।

সিনিয়র পেশাগত থেরাপিস্ট গিয়াং থু আন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে, ‘আমাদের প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো রোগীদের সুস্বাস্থ্যের উন্নতি করা। আমাদের অ্যাকিউট কেয়ার ওয়ার্ডগুলোতে থাকা অনেক রোগী বাগানে যাওয়ার মতো উপযুক্ত নয়। এই কারণেই আমরা তাদের কাছে বাগানটি আনতে চাই। এটাই ছিল গার্ডেন বাই দ্য বেডের মূল ধারণা। ”

মিস জিয়াং ২০২২ সালে বেড প্রকল্পের মাধ্যমে বাগানের নেতৃত্ব দেন। তিনি এবং পেশাগত বিশেষজ্ঞ এবং স্বেচ্ছাসেবকদের ছয়জনের একটি দল রোগীদের কাছে প্রকৃতির সৌন্দর্য্য তুলে এনেছে।

প্রকল্পের অংশ হিসেবে মিস জিয়াং-এর সঙ্গে সাধারণভাবে ২০ থেকে ৩০ মিনিট ধরে রোগীদের সাথে মতবিনিময় করেন। তিনি স্ট প্রোগ্রামের জন্য নির্বাচিত ট্রলি থেকে ছয়টি ভিন্ন ভেষজ নির্বাচন করেন। মিস জিয়াং মাঝে মাঝেই রোগীর বিছানার কাছে থামেন এবং উজ্জ্বলভাবে তাকে অভ্যর্থনা জানান।  ৯৫ বছর বয়সী একজন রোগী এক সপ্তাহ ধরে হাসপাতালে রয়েছেন। তিনিও গাছের যত্ন নেন।

 

 

 

মিস জিয়াং বলেন, “আমরা জানি যে, হাসপাতালে রোগীদের বিছানায় দীর্ঘস্থায়ী থাকার কারণে তাদের মেজাজ খুব ভালো থাকে না। আমরা তাদের দিন উজ্জ্বল করতে চাই। এই কারণেই আমরা প্রকৃতিকে আনতে চেয়েছিলাম।

ম্যাডাম সিম তার ইন্ডিয়ান বোরেজকে একটি পাত্রে রেখে মাটি ছেঁকে ফেরেছেন। বাগানের কাজের জন্য গ্লাভস পরা হয় এবং সংক্রমণের বিস্তার রোধ করার জন্য সতর্কতা হিসাবে বিছানার পাশের টেবিলটি ঢেকে রাখার জন্য প্লাস্টিকের চাদর ব্যবহার করা হয়। শুধুমাত্র জৈব প্রিমিয়াম পটিং মাটি ব্যবহার করা হয়। রোগীরা হাসপাতালের বাগান ঘুরেও দেখতে পারে।