০২:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
শিক্ষক শুধু শিক্ষক নন, শিক্ষার্থীদের অদৃশ্য আশ্রয়ও চট্টগ্রামে আগুন নেভাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বিএনপির সাবেক নেতা নিহত ভারতীয় ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্টে বড় পরিবর্তন, একসঙ্গে ১৫ দিনের স্লট রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলের নাম চূড়ান্ত, ২০ আগস্ট নির্বাচনের প্রস্তুতি পৃথিবীর বাইরে জীবনের খোঁজে নতুন আশার আলো, বায়ুমণ্ডলসহ সম্ভাবনাময় গ্রহের সন্ধান ইউক্রেনের যুদ্ধের মানবিক চিত্র বদলে দিচ্ছে মার্কিন ধর্মপ্রচারকদের মনোভাব পারি মনির ধর্ষণচেষ্টা মামলা: ৩০ নভেম্বর ফের জেরার মুখোমুখি অভিনেত্রী কিছুই ঘটবে না—এই বাজি কি ফেডের জন্য বিপজ্জনক? ৪৩ বছর বয়সেও ‘চিরকিশোর’ রাজনীতিক! জ্যাক পোলানস্কিকে ঘিরে ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক হরমুজ ও লোহিত সাগরের ঝুঁকি বাড়তেই বিশ্বজুড়ে তেল পাইপলাইনে বিনিয়োগের হিড়িক

আদানি প্রকল্পে ব্যয়–অস্বচ্ছতা নিয়ে উত্তর প্রদেশে চুক্তি স্থগিত

উত্তর ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আদানি গ্রুপের নতুন ২ বিলিয়ন ডলারের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের সঙ্গে করা বিদ্যুৎ ক্রয়–চুক্তি অনুমোদন স্থগিত করেছে। ব্যয়সংক্রান্ত অস্পষ্টতা এবং আর্থিক বিশ্লেষণের ঘাটতির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


উত্তর প্রদেশের চুক্তি স্থগিত

২০২৫ সালের মে মাসে আদানি পাওয়ার ১,৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ৫.৩৮ রুপি-প্রতি-ইউনিট দরে চুক্তি জেতে। কিন্তু নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানায়, প্রকল্প খরচ নিয়ে সঠিক ব্যাখ্যা, না পাওয়ায় চুক্তি অনুমোদন স্থগিত করা হয়েছে।


নিয়ম শিথিল হওয়ায় ব্যয়ের হিসাব বদলেছে

ভারত সরকার ২০২৫ সালের জুলাই মাসে কিছু কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে সালফার ডাইঅক্সাইড অপসারণকারী যন্ত্রপাতি (FGD) বাধ্যতামূলকভাবে স্থাপন করার নিয়ম থেকে অব্যাহতি দেয়।
এই অব্যাহতি আদানি সহ অন্যান্য কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য হাজার কোটি রুপি সাশ্রয় করতে পারে।


তথ্য ও বিশ্লেষণের অভাব

নিয়ন্ত্রকের মতে, উত্তর প্রদেশ পাওয়ার কর্পোরেশন এই যন্ত্রপাতি না লাগানোর ফলে কত টাকা সাশ্রয় হবে—তার নিজস্ব বিশ্লেষণ জমা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
এ কারণে কমিশন আদানি পাওয়ারকে মামলার পক্ষ হিসেবে যুক্ত করা এবং দুই সপ্তাহের মধ্যে বিস্তারিত ব্যয় হিসাব জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে।
আগামী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ ডিসেম্বর।


আগের শুনানির পর্যবেক্ষণ

সেপ্টেম্বরের পূর্ববর্তী শুনানিতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানায়, যন্ত্রপাতি স্থাপন না–করার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর বিদ্যুৎ সংস্থাকে নতুন স্থির চার্জ ও পরিচালন ব্যয় পুনর্নির্ধারণ করে কমিশনের কাছে পাঠানো উচিত ছিল।
সংশোধিত জিএসটি হারের প্রভাবও বিদ্যুৎ ক্রয়–চুক্তিতে যুক্ত করে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন ছিল।


ভারতের বিদ্যুৎ চাহিদা ও কয়লাভিত্তিক উৎপাদন

দেশটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি সক্ষমতা বাড়ালেও সন্ধ্যার সময় বিদ্যুৎ চাহিদা হঠাৎ বাড়ার সম্ভাবনা মোকাবেলায় বেশ কয়েকটি রাজ্য দীর্ঘমেয়াদি কয়লাভিত্তিক চুক্তি করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষক শুধু শিক্ষক নন, শিক্ষার্থীদের অদৃশ্য আশ্রয়ও

আদানি প্রকল্পে ব্যয়–অস্বচ্ছতা নিয়ে উত্তর প্রদেশে চুক্তি স্থগিত

১২:২৭:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

উত্তর ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আদানি গ্রুপের নতুন ২ বিলিয়ন ডলারের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের সঙ্গে করা বিদ্যুৎ ক্রয়–চুক্তি অনুমোদন স্থগিত করেছে। ব্যয়সংক্রান্ত অস্পষ্টতা এবং আর্থিক বিশ্লেষণের ঘাটতির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


উত্তর প্রদেশের চুক্তি স্থগিত

২০২৫ সালের মে মাসে আদানি পাওয়ার ১,৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ৫.৩৮ রুপি-প্রতি-ইউনিট দরে চুক্তি জেতে। কিন্তু নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানায়, প্রকল্প খরচ নিয়ে সঠিক ব্যাখ্যা, না পাওয়ায় চুক্তি অনুমোদন স্থগিত করা হয়েছে।


নিয়ম শিথিল হওয়ায় ব্যয়ের হিসাব বদলেছে

ভারত সরকার ২০২৫ সালের জুলাই মাসে কিছু কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে সালফার ডাইঅক্সাইড অপসারণকারী যন্ত্রপাতি (FGD) বাধ্যতামূলকভাবে স্থাপন করার নিয়ম থেকে অব্যাহতি দেয়।
এই অব্যাহতি আদানি সহ অন্যান্য কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য হাজার কোটি রুপি সাশ্রয় করতে পারে।


তথ্য ও বিশ্লেষণের অভাব

নিয়ন্ত্রকের মতে, উত্তর প্রদেশ পাওয়ার কর্পোরেশন এই যন্ত্রপাতি না লাগানোর ফলে কত টাকা সাশ্রয় হবে—তার নিজস্ব বিশ্লেষণ জমা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
এ কারণে কমিশন আদানি পাওয়ারকে মামলার পক্ষ হিসেবে যুক্ত করা এবং দুই সপ্তাহের মধ্যে বিস্তারিত ব্যয় হিসাব জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে।
আগামী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ ডিসেম্বর।


আগের শুনানির পর্যবেক্ষণ

সেপ্টেম্বরের পূর্ববর্তী শুনানিতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানায়, যন্ত্রপাতি স্থাপন না–করার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর বিদ্যুৎ সংস্থাকে নতুন স্থির চার্জ ও পরিচালন ব্যয় পুনর্নির্ধারণ করে কমিশনের কাছে পাঠানো উচিত ছিল।
সংশোধিত জিএসটি হারের প্রভাবও বিদ্যুৎ ক্রয়–চুক্তিতে যুক্ত করে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন ছিল।


ভারতের বিদ্যুৎ চাহিদা ও কয়লাভিত্তিক উৎপাদন

দেশটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি সক্ষমতা বাড়ালেও সন্ধ্যার সময় বিদ্যুৎ চাহিদা হঠাৎ বাড়ার সম্ভাবনা মোকাবেলায় বেশ কয়েকটি রাজ্য দীর্ঘমেয়াদি কয়লাভিত্তিক চুক্তি করছে।