০৬:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
গাজা ‘বোর্ড অব পিস’ বিতর্ক: ট্রাম্পের নতুন প্ল্যাটফর্মে নেতানিয়াহুর যোগ, সমান্তরাল কূটনীতি নিয়ে প্রশ্ন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৮৮) সোনা–রুপার দামে ইতিহাস, ইউরোপ–আমেরিকা উত্তেজনায় নিরাপদ বিনিয়োগে দৌড় উষ্ণ অ্যান্টার্কটিকায় সময়ের আগেই প্রজনন, বিপন্ন দুই পেঙ্গুইন প্রজাতি প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৫৪) নরওয়ের বরফ রাজ্যে ট্রল ট্রেইল: স্কিতে প্রকৃতি, রোমাঞ্চ আর জীবনের স্বাদ ঝুঁকির খেলায় তরুণেরা, নকল টাকায় বিনিয়োগের রোমাঞ্চে গড়ে উঠছে নতুন অভ্যাস তারকা র‍্যাপারের দোদুল্যমান প্রত্যাবর্তন: এএসএপি রকির নতুন অ্যালবাম কতটা বলার আছে এক দশকের অপহরণ আকাশপথে সন্ত্রাস থেকে আদর্শিক সহিংসতার উত্তরাধিকার অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে টালমাটাল মুহূর্ত পেরিয়ে তৃতীয় রাউন্ডে মাদিসন কিস

প্রায় ভুলে যাওয়া এক দেয়াল

সীমান্ত শহরে পুরোনো লড়াইয়ের পুনরুত্থান

টেক্সাসের সীমান্ত শহর লারেডোর মানুষ আবারও উদ্বেগে—একসময় ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির প্রতীক হয়ে ওঠা সীমান্ত প্রাচীর এবার সত্যি সত্যিই তাদের দরজায় হাজির হতে চলেছে। বহু বছর ধরে যেটিকে শহরবাসী একটি “কদর্য দানব” বলে বিরোধিতা করে এসেছে, সেটির নির্মাণ আবার জোরেশোরে শুরু হতে যাচ্ছে। লারেডোর বাসিন্দারা আশঙ্কা করছেন—এই দেয়াল শুধু তাদের ভূমি দখলই করবে না, বরং মেক্সিকোর সঙ্গে বহু পুরোনো ব্যবসায়িক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ককেও ক্ষতিগ্রস্ত করবে।


জনসভায় তীব্র প্রতিবাদ: ‘চার্চিলের দৃঢ়তা চাই’

১৪ নভেম্বর লারেডো সিটি কাউন্সিলের বৈঠকে পরিবেশকর্মী রোকে হেইন্স সরাসরি শহরের মেয়রের উদ্দেশে বলেন—এটা শহরের জন্য অন্ধকার সময়। তিনি মেয়র ভিক্টর ডি. ত্রেভিনোকে অনুরোধ করেন চার্চিলের মতো দৃঢ় হয়ে এই ‘হুমকি’ প্রতিহত করতে, চেম্বারলিন এর মতো আপোষ না করে।

তবে মেয়র ত্রেভিনোর সামনে চ্যালেঞ্জ বড়—ওয়াশিংটনের দৃঢ় প্রশাসন, রক্ষণশীল অঙ্গরাজ্য সরকার এবং কংগ্রেসের বিপুল বাজেট বরাদ্দ মিলিয়ে দেয়াল নির্মাণ এখন কার্যত অনিবার্য। মেয়রের ভাষায়, “এটা হবে—কাজ করুক বা না-করুক। তাই আমরা অন্তত আলোচনার মাধ্যমে শহরের জন্য কিছু সুবিধা আদায় করতে চাই।”


ট্রাম্প প্রশাসনের প্রত্যাবর্তন: নতুন বরাদ্দ, নতুন গতিতে নির্মাণ

ট্রাম্পের প্রথম দফায় প্রাচীর নির্মাণ নানা মামলা ও কম বাজেটের কারণে ধীরগতি ছিল—প্রতিশ্রুত ২,০০০ মাইলের মধ্যে তৈরি হয়েছিল মাত্র ৪৫৩ মাইল। পরে বাইডেন প্রশাসন সেই কাজ বন্ধ করে দেয়।

কিন্তু ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে পরিস্থিতি পাল্টে যায়। অবৈধ সীমান্ত পারাপার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে, আর প্রশাসন এখন জোর দিচ্ছে অভ্যন্তরীণ অভিযান ও গণ-বহিষ্কারে। জনমনে দেয়ালের প্রসঙ্গ কিছুটা চাপা পড়লেও ট্রাম্প কিন্তু ভুলে যাননি।

জুলাইয়ে কংগ্রেস দেয়াল নির্মাণে ৪৬.৫ বিলিয়ন ডলারের অনুমোদন দেয়—২০১৮ সালে ট্রাম্পের চাওয়া ৫ বিলিয়নের তুলনায় প্রায় দশগুণ। সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে দ্রুত নির্মাণের জন্য নতুন চুক্তি ও আইনি ছাড়পত্র জারি হয়।


লারেডোর সামনে নতুন বাস্তবতা: শহরের ভেতর দিয়ে যাবে দেয়ালের পথ

যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহত্তম স্থলবন্দর লারেডো—যা মেক্সিকোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের জন্যও পরিচিত—সম্প্রতি সরকারি নোটিশে জানতে পারে, শহরের মধ্য দিয়ে বিশাল অংশজুড়ে দেয়াল নির্মিত হবে। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ জানিয়েছে, ওয়েব কাউন্টি ও পাশের জাপাতা কাউন্টি মিলিয়ে রিও গ্র্যান্ডে নদীর ধার বরাবর ১০৮ মাইল প্রাচীর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

সরকারি মানচিত্র অনুযায়ী, দেয়াল যাবে—

  • নদী কাঠের আবাসিক এলাকা গুলোর মাঝ দিয়ে
  • শহরের পার্ক বিভক্ত করে
  • এমনকি একটি গলফ কোর্স ও পানি শোধনাগারও কেটে যেতে পারে

এছাড়া ঠিকাদারদের সুবিধার জন্য ৩০ টিরও বেশি ফেডারেল আইন সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।


কম অপরাধের এলাকায় কেন দেয়াল?

হোয়াইট হাউস বলছে, আগের প্রশাসনের “অবৈধ অভিবাসনের পক্ষে নীতি” বাতিল করা হচ্ছে।
কিন্তু লারেডো এলাকায় অবৈধ সীমান্ত পারাপার সবসময়ই অন্য অঞ্চলের তুলনায় কম ছিল।
অক্টোবর ২০২৫-এ ৮৭৫টি ‘এনকাউন্টার’ নথিভুক্ত হয়েছে—২০২৪ সালের অক্টোবরের তুলনায় যা অনেক কম।


শহরবাসীর হতাশা ও সরকার বিরোধী ক্ষোভ

লারেডো সিটি কাউন্সিল সম্প্রতি দেয়ালের নকশা নিয়ে মতামত দেওয়ার জন্য একটি কমিউনিটি অ্যাডভাইজরি কমিটি গঠন করেছে এবং প্রশাসনের সঙ্গে সমঝোতার জন্য একজন আইনজীবী নিয়োগ করেছে।
তবে বৈঠকে অনেক বাসিন্দা কাউন্সিলকে অনুরোধ করেন লড়াই চালিয়ে যেতে।

একজন আইনজীবী বলেন—“ওদের আপনাদের ভয় দেখাতে দেবেন না।”
কিন্তু অনেকেরই ধারণা—সরকার শেষ পর্যন্ত ভূমি অধিগ্রহণ করবেই।
শহরের মেয়রও উদ্বেগ প্রকাশ করেন—যদি লারেডো একেবারে অস্বীকৃতি জানায়, তাহলে ফেডারেল সরকার জোরপূর্বক ভূমি অধিগ্রহণ করতে পারে।


কঠিন আলোচনার পথ: দেয়ালের নকশায় কিছু পরিবর্তনের আশা

শহর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে—হোমল্যান্ড সিকিউরিটির সঙ্গে আলোচনার মূল বিষয় হচ্ছে দেয়ালের চেহারা। তারা ৩০ ফুট উঁচু ইস্পাত খুঁটির বদলে কিছুটা নান্দনিক নকশা চান। ফেডারেল রেন্ডারিং অনুযায়ী নতুন প্রস্তাবে নদীর ধারে কংক্রিটের দেয়াল দেখানো হয়েছে।

লারেডো চাইছে—যেখানে সম্ভব সেখানে ‘ইজমেন্ট’ বা সীমিত অধিকার অনুমোদন করা হোক, যাতে জমির মালিকানা পুরোপুরি হারাতে না হয়।

টেক্সাসের এই সীমান্ত শহরের মানুষ বহু বছর ধরে যে দেয়ালের বিরুদ্ধে লড়াই করছে, এখন সেটির আগমন প্রায় অনিবার্য। শহরবাসীর প্রধান চাওয়া—তাদের ভূমি, সম্পর্ক ও পরিবেশ যেন রক্ষা পায়। আর মেয়র ও কাউন্সিল চেষ্টা করছেন অন্তত ক্ষতি কমিয়ে আনতে।
তবুও লারেডো দুশ্চিন্তা স্পষ্ট—এই দেয়াল তাদের ইতিহাস ও পরিচয়ের মাঝখানে এক গভীর বিভাজন তৈরি করে দেবে।


#লারেডো #টেক্সাস #সীমান্তপ্রাচীর #ট্রাম্প #মার্কিনরাজনীতি #মেক্সিকো #ইমিগ্রেশন #হোমল্যান্ডসিকিউরিটি #যুক্তরাষ্ট্র #সারাক্ষণরিপোর্ট

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা ‘বোর্ড অব পিস’ বিতর্ক: ট্রাম্পের নতুন প্ল্যাটফর্মে নেতানিয়াহুর যোগ, সমান্তরাল কূটনীতি নিয়ে প্রশ্ন

প্রায় ভুলে যাওয়া এক দেয়াল

০৮:১৩:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

সীমান্ত শহরে পুরোনো লড়াইয়ের পুনরুত্থান

টেক্সাসের সীমান্ত শহর লারেডোর মানুষ আবারও উদ্বেগে—একসময় ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির প্রতীক হয়ে ওঠা সীমান্ত প্রাচীর এবার সত্যি সত্যিই তাদের দরজায় হাজির হতে চলেছে। বহু বছর ধরে যেটিকে শহরবাসী একটি “কদর্য দানব” বলে বিরোধিতা করে এসেছে, সেটির নির্মাণ আবার জোরেশোরে শুরু হতে যাচ্ছে। লারেডোর বাসিন্দারা আশঙ্কা করছেন—এই দেয়াল শুধু তাদের ভূমি দখলই করবে না, বরং মেক্সিকোর সঙ্গে বহু পুরোনো ব্যবসায়িক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ককেও ক্ষতিগ্রস্ত করবে।


জনসভায় তীব্র প্রতিবাদ: ‘চার্চিলের দৃঢ়তা চাই’

১৪ নভেম্বর লারেডো সিটি কাউন্সিলের বৈঠকে পরিবেশকর্মী রোকে হেইন্স সরাসরি শহরের মেয়রের উদ্দেশে বলেন—এটা শহরের জন্য অন্ধকার সময়। তিনি মেয়র ভিক্টর ডি. ত্রেভিনোকে অনুরোধ করেন চার্চিলের মতো দৃঢ় হয়ে এই ‘হুমকি’ প্রতিহত করতে, চেম্বারলিন এর মতো আপোষ না করে।

তবে মেয়র ত্রেভিনোর সামনে চ্যালেঞ্জ বড়—ওয়াশিংটনের দৃঢ় প্রশাসন, রক্ষণশীল অঙ্গরাজ্য সরকার এবং কংগ্রেসের বিপুল বাজেট বরাদ্দ মিলিয়ে দেয়াল নির্মাণ এখন কার্যত অনিবার্য। মেয়রের ভাষায়, “এটা হবে—কাজ করুক বা না-করুক। তাই আমরা অন্তত আলোচনার মাধ্যমে শহরের জন্য কিছু সুবিধা আদায় করতে চাই।”


ট্রাম্প প্রশাসনের প্রত্যাবর্তন: নতুন বরাদ্দ, নতুন গতিতে নির্মাণ

ট্রাম্পের প্রথম দফায় প্রাচীর নির্মাণ নানা মামলা ও কম বাজেটের কারণে ধীরগতি ছিল—প্রতিশ্রুত ২,০০০ মাইলের মধ্যে তৈরি হয়েছিল মাত্র ৪৫৩ মাইল। পরে বাইডেন প্রশাসন সেই কাজ বন্ধ করে দেয়।

কিন্তু ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে পরিস্থিতি পাল্টে যায়। অবৈধ সীমান্ত পারাপার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে, আর প্রশাসন এখন জোর দিচ্ছে অভ্যন্তরীণ অভিযান ও গণ-বহিষ্কারে। জনমনে দেয়ালের প্রসঙ্গ কিছুটা চাপা পড়লেও ট্রাম্প কিন্তু ভুলে যাননি।

জুলাইয়ে কংগ্রেস দেয়াল নির্মাণে ৪৬.৫ বিলিয়ন ডলারের অনুমোদন দেয়—২০১৮ সালে ট্রাম্পের চাওয়া ৫ বিলিয়নের তুলনায় প্রায় দশগুণ। সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে দ্রুত নির্মাণের জন্য নতুন চুক্তি ও আইনি ছাড়পত্র জারি হয়।


লারেডোর সামনে নতুন বাস্তবতা: শহরের ভেতর দিয়ে যাবে দেয়ালের পথ

যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহত্তম স্থলবন্দর লারেডো—যা মেক্সিকোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের জন্যও পরিচিত—সম্প্রতি সরকারি নোটিশে জানতে পারে, শহরের মধ্য দিয়ে বিশাল অংশজুড়ে দেয়াল নির্মিত হবে। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ জানিয়েছে, ওয়েব কাউন্টি ও পাশের জাপাতা কাউন্টি মিলিয়ে রিও গ্র্যান্ডে নদীর ধার বরাবর ১০৮ মাইল প্রাচীর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

সরকারি মানচিত্র অনুযায়ী, দেয়াল যাবে—

  • নদী কাঠের আবাসিক এলাকা গুলোর মাঝ দিয়ে
  • শহরের পার্ক বিভক্ত করে
  • এমনকি একটি গলফ কোর্স ও পানি শোধনাগারও কেটে যেতে পারে

এছাড়া ঠিকাদারদের সুবিধার জন্য ৩০ টিরও বেশি ফেডারেল আইন সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।


কম অপরাধের এলাকায় কেন দেয়াল?

হোয়াইট হাউস বলছে, আগের প্রশাসনের “অবৈধ অভিবাসনের পক্ষে নীতি” বাতিল করা হচ্ছে।
কিন্তু লারেডো এলাকায় অবৈধ সীমান্ত পারাপার সবসময়ই অন্য অঞ্চলের তুলনায় কম ছিল।
অক্টোবর ২০২৫-এ ৮৭৫টি ‘এনকাউন্টার’ নথিভুক্ত হয়েছে—২০২৪ সালের অক্টোবরের তুলনায় যা অনেক কম।


শহরবাসীর হতাশা ও সরকার বিরোধী ক্ষোভ

লারেডো সিটি কাউন্সিল সম্প্রতি দেয়ালের নকশা নিয়ে মতামত দেওয়ার জন্য একটি কমিউনিটি অ্যাডভাইজরি কমিটি গঠন করেছে এবং প্রশাসনের সঙ্গে সমঝোতার জন্য একজন আইনজীবী নিয়োগ করেছে।
তবে বৈঠকে অনেক বাসিন্দা কাউন্সিলকে অনুরোধ করেন লড়াই চালিয়ে যেতে।

একজন আইনজীবী বলেন—“ওদের আপনাদের ভয় দেখাতে দেবেন না।”
কিন্তু অনেকেরই ধারণা—সরকার শেষ পর্যন্ত ভূমি অধিগ্রহণ করবেই।
শহরের মেয়রও উদ্বেগ প্রকাশ করেন—যদি লারেডো একেবারে অস্বীকৃতি জানায়, তাহলে ফেডারেল সরকার জোরপূর্বক ভূমি অধিগ্রহণ করতে পারে।


কঠিন আলোচনার পথ: দেয়ালের নকশায় কিছু পরিবর্তনের আশা

শহর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে—হোমল্যান্ড সিকিউরিটির সঙ্গে আলোচনার মূল বিষয় হচ্ছে দেয়ালের চেহারা। তারা ৩০ ফুট উঁচু ইস্পাত খুঁটির বদলে কিছুটা নান্দনিক নকশা চান। ফেডারেল রেন্ডারিং অনুযায়ী নতুন প্রস্তাবে নদীর ধারে কংক্রিটের দেয়াল দেখানো হয়েছে।

লারেডো চাইছে—যেখানে সম্ভব সেখানে ‘ইজমেন্ট’ বা সীমিত অধিকার অনুমোদন করা হোক, যাতে জমির মালিকানা পুরোপুরি হারাতে না হয়।

টেক্সাসের এই সীমান্ত শহরের মানুষ বহু বছর ধরে যে দেয়ালের বিরুদ্ধে লড়াই করছে, এখন সেটির আগমন প্রায় অনিবার্য। শহরবাসীর প্রধান চাওয়া—তাদের ভূমি, সম্পর্ক ও পরিবেশ যেন রক্ষা পায়। আর মেয়র ও কাউন্সিল চেষ্টা করছেন অন্তত ক্ষতি কমিয়ে আনতে।
তবুও লারেডো দুশ্চিন্তা স্পষ্ট—এই দেয়াল তাদের ইতিহাস ও পরিচয়ের মাঝখানে এক গভীর বিভাজন তৈরি করে দেবে।


#লারেডো #টেক্সাস #সীমান্তপ্রাচীর #ট্রাম্প #মার্কিনরাজনীতি #মেক্সিকো #ইমিগ্রেশন #হোমল্যান্ডসিকিউরিটি #যুক্তরাষ্ট্র #সারাক্ষণরিপোর্ট