০২:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
ট্রাম্পের অস্থির কৌশল নিয়ে বেইজিংয়ের চিন্তা, শি বৈঠকের আগে বাড়ছে কূটনৈতিক হিসাব চীনের ইউয়ান লেনদেনে রেকর্ড, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা নতুন গতি দিল হরমুজ প্রণালিতে টোল নিয়ে নতুন ভাবনা, ফি বা চীনা টোকেনে নিষ্পত্তির প্রস্তাব এক কিশোরের বেঁচে ওঠার গল্প অভিজাত স্কুলের একাকিত্ব থেকে ইমোর ভিড়ে— সার উৎপাদনে গতি ফিরিয়ে আনতে বড় পদক্ষেপ, কৃষি ও শিল্প খাতে বাড়ানো হলো বাণিজ্যিক গ্যাস সরবরাহ কেরালার ভোটে লম্বা লাইন, নীরব বার্তা আর তৃতীয় মেয়াদের কঠিন পরীক্ষা গ্লোবাল ভিলেজ কবে খুলবে, এখনো নেই নিশ্চিত তারিখ ফুয়েল পাসে ঢাকার দুই পাম্পে জ্বালানি বিক্রি শুরু পরীক্ষামূলকভাবে শ্রম আইন সংশোধনী পাস, ছাঁটাই ক্ষতিপূরণ ও ট্রেড ইউনিয়ন অধিকারে বড় পরিবর্তন মূল্যস্ফীতি ৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ার শঙ্কা, জ্বালানি সংকটে চাপ বাড়ছে

যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় চাল ‘ডাম্পিং’ বিতর্ক: নতুন শুল্ক আরোপের ইঙ্গিতে ট্রাম্প, প্রশ্ন তুললেন ছাড় সুবিধা নিয়ে

যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় চাল ‘ডাম্পিং’ হচ্ছে—এমন অভিযোগের পর ভারতসহ কয়েকটি দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানতে চেয়েছেন, ভারত কেন যুক্তরাষ্ট্রে চাল পাঠাতে বিশেষ কোনো শুল্কছাড় পাচ্ছে এবং সেই সুবিধা আদৌ থাকা উচিত কি না।


ঘটনার সারসংক্ষেপ

হোয়াইট হাউসে কৃষকদের জন্য ১২ বিলিয়ন ডলারের নতুন সহায়তা ঘোষণা করতে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, বিদেশি চাল আমদানির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় উৎপাদকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। চালের দাম কমে যাওয়ার বিষয়টি তাকে জানান মার্কিন চাল ব্যবসায়ী মেরিল কেনেডি, যিনি কেনেডি রাইস মিলস এবং 4 Sisters Rice – এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী।

ট্রাম্পকে দেওয়া একটি তালিকায় উল্লেখ করা হয়—ভারত, থাইল্যান্ড এবং চীন যুক্তরাষ্ট্রে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ চাল ডাম্পিং করছে।


ভারতকে নিয়ে ট্রাম্পের প্রশ্ন

সভায় ট্রাম্প ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসান্টকে প্রশ্ন করেন, ভারত কীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে চাল পাঠাচ্ছে এবং তাদের কি কোনো শুল্কছাড় রয়েছে।

বেসান্ট ব্যাখ্যা করতে গেলে ট্রাম্প মাঝপথে হস্তক্ষেপ করে বলেন, ডাম্পিং চলতে দেওয়া যাবে না। তিনি জানান, এ বিষয়ে তিনি আরও তথ্য পেয়েছেন এবং প্রয়োজন হলে ব্যবস্থা নেবেন।


কানাডার সার আমদানিতেও শুল্কের হুঁশিয়ারি

শুধু চাল নয়, কানাডা থেকে সার আমদানির ওপরও নতুন শুল্ক দেওয়ার ইঙ্গিত দেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি বলেন, স্থানীয় উৎপাদন বাড়াতে হলে প্রয়োজনে কঠোর শুল্ক আরোপ করা হবে। তাঁর ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্র নিজেই এসব পণ্য উৎপাদন করতে সক্ষম।


প্রেক্ষাপট: মূল্যস্ফীতি, কৃষকের চাপ ও বাণিজ্য–দ্বন্দ্ব

ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন সময় এলো, যখন দেশে মূল্যস্ফীতি, কৃষকের উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং বাজারচাপ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। কৃষকেরা ট্রাম্পের অন্যতম প্রধান ভোট–ভিত্তি, যারা সাম্প্রতিক শুল্কনীতির কারণে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।

ভারত ও কানাডার সঙ্গে বাণিজ্য–আলোচনাও জটিলতায় পড়েছে। এ বছরের শুরুতে ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে ট্রাম্প প্রশাসন, ভারতের বাণিজ্য–বাধা ও জ্বালানি ক্রয়নীতির সমালোচনা করে। এ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল ভারতের সঙ্গে আলোচনায় বসবে, তবে বড় ধরনের অগ্রগতি আশা করা হচ্ছে না।

কানাডার সঙ্গেও ট্রাম্পের শুল্ক–বিতর্ক দীর্ঘদিনের। তিনি আগেও নর্থ আমেরিকান ফ্রি ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্টের বাইরে থাকা কানাডীয় পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়ানোর হুমকি দিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি আবারও ওই চুক্তি পুনর্বিবেচনার কথা বলেছেন।


#USPolitics #IndiaUSTrade #RiceDumping #DonaldTrump #TariffPolicy

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের অস্থির কৌশল নিয়ে বেইজিংয়ের চিন্তা, শি বৈঠকের আগে বাড়ছে কূটনৈতিক হিসাব

যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় চাল ‘ডাম্পিং’ বিতর্ক: নতুন শুল্ক আরোপের ইঙ্গিতে ট্রাম্প, প্রশ্ন তুললেন ছাড় সুবিধা নিয়ে

১১:২৭:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় চাল ‘ডাম্পিং’ হচ্ছে—এমন অভিযোগের পর ভারতসহ কয়েকটি দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানতে চেয়েছেন, ভারত কেন যুক্তরাষ্ট্রে চাল পাঠাতে বিশেষ কোনো শুল্কছাড় পাচ্ছে এবং সেই সুবিধা আদৌ থাকা উচিত কি না।


ঘটনার সারসংক্ষেপ

হোয়াইট হাউসে কৃষকদের জন্য ১২ বিলিয়ন ডলারের নতুন সহায়তা ঘোষণা করতে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, বিদেশি চাল আমদানির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় উৎপাদকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। চালের দাম কমে যাওয়ার বিষয়টি তাকে জানান মার্কিন চাল ব্যবসায়ী মেরিল কেনেডি, যিনি কেনেডি রাইস মিলস এবং 4 Sisters Rice – এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী।

ট্রাম্পকে দেওয়া একটি তালিকায় উল্লেখ করা হয়—ভারত, থাইল্যান্ড এবং চীন যুক্তরাষ্ট্রে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ চাল ডাম্পিং করছে।


ভারতকে নিয়ে ট্রাম্পের প্রশ্ন

সভায় ট্রাম্প ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসান্টকে প্রশ্ন করেন, ভারত কীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে চাল পাঠাচ্ছে এবং তাদের কি কোনো শুল্কছাড় রয়েছে।

বেসান্ট ব্যাখ্যা করতে গেলে ট্রাম্প মাঝপথে হস্তক্ষেপ করে বলেন, ডাম্পিং চলতে দেওয়া যাবে না। তিনি জানান, এ বিষয়ে তিনি আরও তথ্য পেয়েছেন এবং প্রয়োজন হলে ব্যবস্থা নেবেন।


কানাডার সার আমদানিতেও শুল্কের হুঁশিয়ারি

শুধু চাল নয়, কানাডা থেকে সার আমদানির ওপরও নতুন শুল্ক দেওয়ার ইঙ্গিত দেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি বলেন, স্থানীয় উৎপাদন বাড়াতে হলে প্রয়োজনে কঠোর শুল্ক আরোপ করা হবে। তাঁর ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্র নিজেই এসব পণ্য উৎপাদন করতে সক্ষম।


প্রেক্ষাপট: মূল্যস্ফীতি, কৃষকের চাপ ও বাণিজ্য–দ্বন্দ্ব

ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন সময় এলো, যখন দেশে মূল্যস্ফীতি, কৃষকের উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং বাজারচাপ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। কৃষকেরা ট্রাম্পের অন্যতম প্রধান ভোট–ভিত্তি, যারা সাম্প্রতিক শুল্কনীতির কারণে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।

ভারত ও কানাডার সঙ্গে বাণিজ্য–আলোচনাও জটিলতায় পড়েছে। এ বছরের শুরুতে ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে ট্রাম্প প্রশাসন, ভারতের বাণিজ্য–বাধা ও জ্বালানি ক্রয়নীতির সমালোচনা করে। এ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল ভারতের সঙ্গে আলোচনায় বসবে, তবে বড় ধরনের অগ্রগতি আশা করা হচ্ছে না।

কানাডার সঙ্গেও ট্রাম্পের শুল্ক–বিতর্ক দীর্ঘদিনের। তিনি আগেও নর্থ আমেরিকান ফ্রি ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্টের বাইরে থাকা কানাডীয় পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়ানোর হুমকি দিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি আবারও ওই চুক্তি পুনর্বিবেচনার কথা বলেছেন।


#USPolitics #IndiaUSTrade #RiceDumping #DonaldTrump #TariffPolicy