০৭:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬
মন্ট্রিয়ালে রোটিসেরি চিকেন: ক্লাসিক কুইবেকois স্বাদের আধুনিক প্রকাশ ব্রুস হর্নসবি: ৭১-এও সঙ্গীতের সীমা ছাড়িয়ে চলছেন ক্রিপ্টো বাজারে নতুন অধ্যায়: যুক্তরাষ্ট্রে নরম নিয়মে শিল্পের সুযোগ বৃদ্ধি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ধারণ করছে জাপানের চেরি ফুলের সময়সূচি পারিসে নয়, অ্যান্টওয়ার্প নিয়েছে ফ্যাশনের নেতৃত্ব ভারতীয় মুসলিম প্রতিনিধিত্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের আগে ৪৮৩ কর্মকর্তা বদলি, অন্য রাজ্যে মাত্র ২৩ ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের ভাষণ: গুরুত্বপূর্ণ পাঁচ দিক ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের অবস্থানকে ‘অগুরুত্বপূর্ণ’ বললেন ম্যাক্রোঁ, ন্যাটো নিয়ে সমালোচনাও ট্রাম্পের হুমকির জবাবে তেহরানের কড়া বার্তা, হামলা চলছেই

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আদালত এলাকায় যুবককে গুলি

ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌরসভার আদালত এলাকায় প্রকাশ্যে এক যুবককে গুলি করার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে আদালত চত্বরের কালীবাড়ি মোড়ে এই ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ যুবকের নাম মো. রাব্বি (২১)। তিনি শাহবাজপুর উপজেলার বাসিন্দা মো. হেলাল মিয়ার ছেলে এবং বর্তমানে পৌরসভার মাঝিকাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন।

আহতের অবস্থা ও চিকিৎসা
গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর রাব্বিকে প্রথমে নবীনগর সরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তার অবস্থার কথা বিবেচনা করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

চোখে দেখা ঘটনার বর্ণনা
প্রত্যক্ষদর্শী মো. বিল্লাল হোসেন জানান, তারা রাস্তার পাশের একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। হঠাৎ গুলির শব্দ শুনে সবাই চমকে ওঠেন। তখন তারা দেখেন, লম্বা গড়নের এক যুবক হাতে পিস্তল নিয়ে দৌড়ে পালাচ্ছে। তবে কাউকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। আহত রাব্বিকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ঘটনার পটভূমি
স্থানীয় সূত্র জানায়, পৌরসভার জমিদার বাড়ির কাছে বালুরচর মাঠে একটি সালিশ বৈঠক চলছিল। সেই বৈঠকে রাব্বি ও তার কয়েকজন বন্ধু উপস্থিত ছিলেন। সালিশ শেষে বাড়ি ফেরার পথে কালীবাড়ি মোড়ে পৌঁছালে তাকে গুলি করা হয়।

পুলিশ ও হাসপাতালের বক্তব্য
নবীনগর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. অংকন রায় জানান, রাব্বির বাম পাশের বুকে গুলির আঘাত রয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কুমিল্লায় পাঠানো হয়েছে।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে দুটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। প্রাথমিক তদন্ত চলছে এবং আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে।

তদন্তের অগ্রগতি
পুলিশ জানিয়েছে, হামলার উদ্দেশ্য ও জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে। ঘটনার পেছনে কোনো পূর্ববিরোধ বা স্থানীয় আধিপত্যসংক্রান্ত বিষয় আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মন্ট্রিয়ালে রোটিসেরি চিকেন: ক্লাসিক কুইবেকois স্বাদের আধুনিক প্রকাশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আদালত এলাকায় যুবককে গুলি

১২:১৩:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫

ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌরসভার আদালত এলাকায় প্রকাশ্যে এক যুবককে গুলি করার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে আদালত চত্বরের কালীবাড়ি মোড়ে এই ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ যুবকের নাম মো. রাব্বি (২১)। তিনি শাহবাজপুর উপজেলার বাসিন্দা মো. হেলাল মিয়ার ছেলে এবং বর্তমানে পৌরসভার মাঝিকাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন।

আহতের অবস্থা ও চিকিৎসা
গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর রাব্বিকে প্রথমে নবীনগর সরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তার অবস্থার কথা বিবেচনা করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

চোখে দেখা ঘটনার বর্ণনা
প্রত্যক্ষদর্শী মো. বিল্লাল হোসেন জানান, তারা রাস্তার পাশের একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। হঠাৎ গুলির শব্দ শুনে সবাই চমকে ওঠেন। তখন তারা দেখেন, লম্বা গড়নের এক যুবক হাতে পিস্তল নিয়ে দৌড়ে পালাচ্ছে। তবে কাউকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। আহত রাব্বিকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ঘটনার পটভূমি
স্থানীয় সূত্র জানায়, পৌরসভার জমিদার বাড়ির কাছে বালুরচর মাঠে একটি সালিশ বৈঠক চলছিল। সেই বৈঠকে রাব্বি ও তার কয়েকজন বন্ধু উপস্থিত ছিলেন। সালিশ শেষে বাড়ি ফেরার পথে কালীবাড়ি মোড়ে পৌঁছালে তাকে গুলি করা হয়।

পুলিশ ও হাসপাতালের বক্তব্য
নবীনগর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. অংকন রায় জানান, রাব্বির বাম পাশের বুকে গুলির আঘাত রয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কুমিল্লায় পাঠানো হয়েছে।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে দুটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। প্রাথমিক তদন্ত চলছে এবং আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে।

তদন্তের অগ্রগতি
পুলিশ জানিয়েছে, হামলার উদ্দেশ্য ও জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে। ঘটনার পেছনে কোনো পূর্ববিরোধ বা স্থানীয় আধিপত্যসংক্রান্ত বিষয় আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।