১১:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
ইরানের সঙ্গে ‘ভালো আলোচনা’ চলছে, ব্যর্থ হলে আবার হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের বিক্রি বাড়ায় ছয় মাসে বাটা শুর ৮৬ শতাংশ মুনাফা বৃদ্ধি এডিপির এক লাখ কোটি টাকার বেশি উন্নয়ন ব্যয় অব্যবহৃত, শ্লথ হচ্ছে প্রবৃদ্ধি খুলনা বেতার এখনো পূর্ণাঙ্গ চালু নয়: দুই বছরেও ঘুরে দাঁড়ায়নি, অনিশ্চয়তায় ২,৩০০ শিল্পী-কলাকুশলী মডেল মসজিদে ফের চুরি: দুই দফায় ট্যাপ-ঝরনাসহ সরঞ্জাম উধাও, নিরাপত্তা জোরদারের দাবি একরামুল হত্যা মামলা: ব্রিগেডিয়ার মিফতাহ উদ্দিন সেনা হেফাজতে, আইনি প্রক্রিয়া শুরু বাংলাদেশে দেশীয় ভাইরাসে তৈরি হাঁসের প্লেগের স্বল্পমূল্যের টিকা, খামারিদের জন্য নতুন আশার দিগন্ত সিলেটে কাজীবাজার সেতুতে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত তামার নিচে লুকানো সম্পদ, ওপরে জমে থাকা দ্বন্দ্ব: উন্নয়ন, প্রকৃতি ও রাষ্ট্রের কঠিন সমীকরণ ক্ষুধার বিরুদ্ধে দক্ষিণ আমেরিকার জয়: শুধু ভর্তুকি নয়, অর্থনৈতিক শৃঙ্খলাই বদলে দিয়েছে বাস্তবতা

মৃত্যুভয়ে নির্বাচনী প্রচার কাজ বন্ধ রেখেছে জারা

মৃত্যুর আশঙ্কা ও সরাসরি নিরাপত্তা হুমকির মুখে ঢাকা-৯ আসনে নিজের নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রম বন্ধ রেখেছেন এনসিপি মনোনীত প্রার্থী ও দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সম্পাদক তাসনিম জারা। জারার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে মাঠে নামা তার জন্য জীবনঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ঘনিষ্ঠ সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক হুমকি ও আশঙ্কাজনক ঘটনার পর জারা নিজেকে এবং তার কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। প্রচারণা চালাতে গিয়ে যেকোনো সময় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে—এমন বাস্তব আশঙ্কা থেকেই আপাতত সব ধরনের প্রকাশ্য কর্মসূচি বন্ধ রাখা হয়েছে।

নির্বাচনী অঙ্গনে এই উদ্বেগ আরও বেড়ে যায় হাদিকে গুলি করার ঘটনার পর। ওই হামলার ঘটনাকে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টরা একটি সংগঠিত ভয়ভীতি ও সহিংসতার বার্তা হিসেবে দেখছেন। যদিও ঘটনার তদন্ত চলমান, তবু এটি প্রার্থী ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে।

এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই নারায়ণগঞ্জ এলাকা থেকে বিএনপির প্রার্থী মাসুদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। দলীয় ও স্থানীয় সূত্র জানায়, হাদির ওপর হামলার ঘটনা এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়েই মাসুদ এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন। তার সরে দাঁড়ানো নির্বাচনী মাঠে চাপ ও ভয়ভীতির চিত্রকে আরও স্পষ্ট করে তোলে।

জারার প্রচার কার্যক্রম বন্ধ রাখা, হাদির ওপর গুলিবর্ষণ এবং মাসুদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার—সব মিলিয়ে নির্বাচন ঘিরে একটি গভীর উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ভোটারদের মধ্যেও প্রশ্ন উঠছে, এই অবস্থায় নির্বাচন কতটা নিরাপদ ও অবাধ হতে পারে। এখন রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষ তাকিয়ে আছে প্রশাসনের দিকে, এই সংকটময় পরিস্থিতিতে আস্থা ফেরাতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়, সেই অপেক্ষায়।

#ElectionSecurity #BangladeshPolitics #CandidateSafety #PoliticalViolence #Dhaka9 #Narayanganj #Democracy

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের সঙ্গে ‘ভালো আলোচনা’ চলছে, ব্যর্থ হলে আবার হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

মৃত্যুভয়ে নির্বাচনী প্রচার কাজ বন্ধ রেখেছে জারা

১১:৩০:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

মৃত্যুর আশঙ্কা ও সরাসরি নিরাপত্তা হুমকির মুখে ঢাকা-৯ আসনে নিজের নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রম বন্ধ রেখেছেন এনসিপি মনোনীত প্রার্থী ও দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সম্পাদক তাসনিম জারা। জারার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে মাঠে নামা তার জন্য জীবনঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ঘনিষ্ঠ সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক হুমকি ও আশঙ্কাজনক ঘটনার পর জারা নিজেকে এবং তার কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। প্রচারণা চালাতে গিয়ে যেকোনো সময় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে—এমন বাস্তব আশঙ্কা থেকেই আপাতত সব ধরনের প্রকাশ্য কর্মসূচি বন্ধ রাখা হয়েছে।

নির্বাচনী অঙ্গনে এই উদ্বেগ আরও বেড়ে যায় হাদিকে গুলি করার ঘটনার পর। ওই হামলার ঘটনাকে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টরা একটি সংগঠিত ভয়ভীতি ও সহিংসতার বার্তা হিসেবে দেখছেন। যদিও ঘটনার তদন্ত চলমান, তবু এটি প্রার্থী ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে।

এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই নারায়ণগঞ্জ এলাকা থেকে বিএনপির প্রার্থী মাসুদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। দলীয় ও স্থানীয় সূত্র জানায়, হাদির ওপর হামলার ঘটনা এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়েই মাসুদ এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন। তার সরে দাঁড়ানো নির্বাচনী মাঠে চাপ ও ভয়ভীতির চিত্রকে আরও স্পষ্ট করে তোলে।

জারার প্রচার কার্যক্রম বন্ধ রাখা, হাদির ওপর গুলিবর্ষণ এবং মাসুদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার—সব মিলিয়ে নির্বাচন ঘিরে একটি গভীর উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ভোটারদের মধ্যেও প্রশ্ন উঠছে, এই অবস্থায় নির্বাচন কতটা নিরাপদ ও অবাধ হতে পারে। এখন রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষ তাকিয়ে আছে প্রশাসনের দিকে, এই সংকটময় পরিস্থিতিতে আস্থা ফেরাতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়, সেই অপেক্ষায়।

#ElectionSecurity #BangladeshPolitics #CandidateSafety #PoliticalViolence #Dhaka9 #Narayanganj #Democracy