০৩:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
ভারতের কফি বিপ্লব: বিশেষায়িত কফির উত্থানে বদলে যাচ্ছে চাষিদের ভবিষ্যৎ ট্রাম্প কি মধ্যবর্তী নির্বাচন জিততে চান, নাকি রিপাবলিকান পার্টির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণই তাঁর আসল লক্ষ্য? ইরান যুদ্ধের প্রভাবে এশিয়ার পর্যটন খাতে নতুন সংকট, ভ্রমণ ব্যয় বাড়ায় কমছে পর্যটক মার্সিয়া লুকাস আর নেই: ‘স্টার ওয়ার্স’-এর সাফল্যের নেপথ্যের কিংবদন্তি সম্পাদক মারা গেলেন ৮০ বছর বয়সে ২০৩৫ সালের যুদ্ধবিমান প্রকল্পে চাপের মুখে যুক্তরাজ্য, উদ্বিগ্ন জাপান ও ইতালি ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি: ধীরগতির ইরান আলোচনা, প্রয়োজনে ‘ভিন্ন পথে’ সমাধানের ইঙ্গিত দীর্ঘ সময় চার্জে রাখা ফোনের ঝুঁকি কতটা? মানিকগঞ্জে পারিবারিক বিরোধে ভাশুরের হামলা, নিহত ভাবি ও দেড় বছরের শিশু দিল্লিতে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে শোনা যাচ্ছে আর্তচিৎকার উড়োজাহাজ ভাড়ার সংকট: জ্বালানি নয়, আসল সমস্যা বাজারের কাঠামো

সংবিধান বাতিল নয়, বিচার বিভাগের জবাবদিহিই ছিল জুলাই বিপ্লবের লক্ষ্য: বিদায়ী প্রধান বিচারপতি

সংবিধান বাতিল করা জুলাই বিপ্লবের উদ্দেশ্য ছিল না বলে স্পষ্ট মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। তিনি বলেছেন, ওই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল সংবিধানের আলোকে বিচার বিভাগের ভূমিকা আরও স্বচ্ছ, বিশুদ্ধ ও জবাবদিহিমূলক করা।

শেষ কর্মদিবসে বক্তব্য

বৃহস্পতিবার অবসরের আগে আপিল বিভাগে নিজের শেষ কর্মদিবসে বিদায়ী বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যতদিন বিচার বিভাগের মূল্যবোধ অটুট থাকবে, ততদিন সুপ্রিম কোর্ট ন্যায়বিচার ও স্বাধীনতার শেষ ভরসা হয়ে থাকবে।

সংবিধানের মূল কাঠামো মানার আহ্বান

জুলাই বিপ্লব সংবিধান বাতিলের কথা বলেনি : প্রধান বিচারপতি

প্রধান বিচারপতি তার বক্তব্যে বলেন, বিচার বিভাগকে অবশ্যই বর্তমান সংবিধানের মূল কাঠামো নীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে। এই কাঠামোর মধ্যে রয়েছে ক্ষমতার পৃথকীকরণ, বিচারিক স্বাধীনতা, গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, মৌলিক অধিকার এবং জনগণের সার্বভৌমত্বের মতো মৌলিক আদর্শ।

বিচার বিভাগের শক্তির উৎস

তিনি আরও বলেন, বিচার বিভাগের প্রকৃত শক্তি কোনো একক প্রতিষ্ঠান বা দপ্তরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং সততা, দূরদর্শিতা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সম্মিলিত অঙ্গীকারের মধ্যেই এই শক্তির মূল ভিত্তি নিহিত।

শেষ কর্মদিবসে প্রধান বিচারপতি, 'সংবিধান বাতিল করা জুলাই বিপ্লবের লক্ষ্য ছিল  না' – এওয়াননিউজ২৪ ডটকম

বিদায়ী সংবর্ধনা

প্রধান বিচারপতির শেষ কর্মদিবসে আপিল বিভাগের এজলাসেই তাকে বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় এবং সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, বিভিন্ন ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি, আইনজীবী এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের কফি বিপ্লব: বিশেষায়িত কফির উত্থানে বদলে যাচ্ছে চাষিদের ভবিষ্যৎ

সংবিধান বাতিল নয়, বিচার বিভাগের জবাবদিহিই ছিল জুলাই বিপ্লবের লক্ষ্য: বিদায়ী প্রধান বিচারপতি

০৬:১৪:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

সংবিধান বাতিল করা জুলাই বিপ্লবের উদ্দেশ্য ছিল না বলে স্পষ্ট মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। তিনি বলেছেন, ওই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল সংবিধানের আলোকে বিচার বিভাগের ভূমিকা আরও স্বচ্ছ, বিশুদ্ধ ও জবাবদিহিমূলক করা।

শেষ কর্মদিবসে বক্তব্য

বৃহস্পতিবার অবসরের আগে আপিল বিভাগে নিজের শেষ কর্মদিবসে বিদায়ী বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যতদিন বিচার বিভাগের মূল্যবোধ অটুট থাকবে, ততদিন সুপ্রিম কোর্ট ন্যায়বিচার ও স্বাধীনতার শেষ ভরসা হয়ে থাকবে।

সংবিধানের মূল কাঠামো মানার আহ্বান

জুলাই বিপ্লব সংবিধান বাতিলের কথা বলেনি : প্রধান বিচারপতি

প্রধান বিচারপতি তার বক্তব্যে বলেন, বিচার বিভাগকে অবশ্যই বর্তমান সংবিধানের মূল কাঠামো নীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে। এই কাঠামোর মধ্যে রয়েছে ক্ষমতার পৃথকীকরণ, বিচারিক স্বাধীনতা, গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, মৌলিক অধিকার এবং জনগণের সার্বভৌমত্বের মতো মৌলিক আদর্শ।

বিচার বিভাগের শক্তির উৎস

তিনি আরও বলেন, বিচার বিভাগের প্রকৃত শক্তি কোনো একক প্রতিষ্ঠান বা দপ্তরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং সততা, দূরদর্শিতা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সম্মিলিত অঙ্গীকারের মধ্যেই এই শক্তির মূল ভিত্তি নিহিত।

শেষ কর্মদিবসে প্রধান বিচারপতি, 'সংবিধান বাতিল করা জুলাই বিপ্লবের লক্ষ্য ছিল  না' – এওয়াননিউজ২৪ ডটকম

বিদায়ী সংবর্ধনা

প্রধান বিচারপতির শেষ কর্মদিবসে আপিল বিভাগের এজলাসেই তাকে বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় এবং সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, বিভিন্ন ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি, আইনজীবী এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।