১০:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
“আমি এ বছরই দেশে ফিরব” – শেখ হাসিনা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চাহিদায় উড়ছে সিঙ্গাপুরের কারখানা উৎপাদন, টানা নয় মাস প্রবৃদ্ধি নামমাত্র পরিচালক হয়ে বিপাকে সিঙ্গাপুরের নারী, চাকরি হারিয়ে এখনও ১৫ প্রতিষ্ঠানের পরিচালক! নতুন শ্রবণ পরীক্ষা বুথে অপেক্ষার সময় অর্ধেক, দ্রুত সেবা পাচ্ছেন রোগীরা সিঙ্গাপুরে দুই মসজিদের সাবেক চেয়ারম্যানের কারাদণ্ড, ঠিকাদারি কাজ পাইয়ে দিতে দুর্নীতির প্রমাণ এয়ারএশিয়ার বড় সিদ্ধান্ত: ১ জুলাই থেকে বন্ধ সিঙ্গাপুর-জাকার্তা সরাসরি ফ্লাইট, বাড়বে যাত্রার সময় স্থানীয় নির্বাচনে একক প্রার্থী দিতে বহু কৌশল বিএনপির নেশার বিরুদ্ধে বড় অভিযান: ৬৮০ মিলিয়ন ডলারের মাদক আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করল মিয়ানমার পেন্টাগনের নতুন নীতি: যুদ্ধক্ষেত্রে লক্ষ্য নির্ধারণে বাড়ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভূমিকা ইসরায়েল-লেবানন সমঝোতার পথে নতুন উদ্যোগ, দক্ষিণ লেবাননে ‘হিজবুল্লাহমুক্ত অঞ্চল’ নিয়ে আলোচনা

অবতারের তৃতীয় অধ্যায়ে চোখধাঁধানো দৃশ্য, গল্পে শূন্যতা

জেমস ক্যামেরনের নতুন ছবি ‘অবতার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ মুক্তির আগেই প্রত্যাশার পাহাড় গড়েছিল। তবে পর্দায় এসে তিন ঘণ্টার বেশি সময়জুড়ে ছবিটি যা দেয়, তা মূলত চোখের আরাম, হৃদয়ের গভীর টান নয়। প্রযুক্তির জাঁকজমক থাকলেও শক্তিশালী গল্পের অভাবে এই পর্বটি দর্শকের মনে দীর্ঘস্থায়ী দাগ কাটতে ব্যর্থ হয়েছে

চমকপ্রদ যাত্রা, দুর্বল নাটকীয়তা
ছবির শুরুতেই দর্শককে আকাশ আর জলের দুই ভিন্ন অভিযানে নিয়ে যাওয়া হয়। এই দৃশ্যগুলো নিঃসন্দেহে বিস্ময়কর। তবে এই ভিজ্যুয়াল রাইড যত এগোয়, ততই স্পষ্ট হয় যে এর ভেতরে আবেগী বা মানসিক গভীরতার ঘাটতি রয়েছে। আগের দুই পর্বে যে প্রযুক্তিগত নতুনত্ব দর্শককে মুগ্ধ করেছিল, তা এবার আর নতুন বলে মনে হয় না। ফলে গল্পের দুর্বলতা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

প্যান্ডোরায় পুরোনো সংঘাত, নতুন আগুন
প্যান্ডোরার নীলচে জগতে জেক সালি এখন নাভি জাতির সম্মানিত নেতা। পরিবার ও সম্প্রদায় নিয়ে শান্তিতে থাকার চেষ্টাই তার লক্ষ্য। কিন্তু মানুষ আর নাভিদের পুরোনো দ্বন্দ্ব আবার মাথাচাড়া দেয়। কর্পোরেট শক্তি ও সামরিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রকৃতি-নির্ভর প্রতিরোধের গল্প আবারও বলা হয়, শুধু এবার আগুন আর ধ্বংসের মাত্রা বেশি।

প্রযুক্তির ভারে চাপা মানবিক অনুভূতি
ছবির চরিত্ররা প্রকৃতির সঙ্গে একাত্ম হওয়ার যে দর্শন তুলে ধরে, তা দৃশ্যত আকর্ষণীয় হলেও কথায় কথায় পরিবেশবাদী বার্তা অতিরঞ্জিত হয়ে ওঠে। ডিজিটাল রূপান্তর এতটাই ভারী যে অভিনয়ের মানবিক সূক্ষ্মতা হারিয়ে যায়। ফলে চরিত্রগুলোর আবেগ দর্শকের কাছে পৌঁছাতে পারে না।

নতুন খলনায়ক, পুরোনো সমস্যা
এই পর্বে একমাত্র উল্লেখযোগ্য সংযোজন ‘অ্যাশ পিপল’-এর নেত্রী ভারাং। তার লাল অলংকার আর কঠোর উপস্থিতি আলাদা করে নজর কাড়ে। তবু সামগ্রিকভাবে চূড়ান্ত সংঘর্ষটি মহাকাব্যিক হওয়ার বদলে এলোমেলো সংঘর্ষের মতো লাগে। প্রযুক্তির বিস্ময় গল্পের ভীতের ওপর দাঁড়াতে না পেরে শেষ পর্যন্ত ফাঁপা মনে হয়।

#অবতারফায়ারঅ্যান্ডঅ্যাশ #জেমসক্যামেরন #চলচ্চিত্রসমালোচনা #হলিউডসংবাদ #সিনেমা #প্যান্ডোরা

জনপ্রিয় সংবাদ

“আমি এ বছরই দেশে ফিরব” – শেখ হাসিনা

অবতারের তৃতীয় অধ্যায়ে চোখধাঁধানো দৃশ্য, গল্পে শূন্যতা

১১:৫২:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫

জেমস ক্যামেরনের নতুন ছবি ‘অবতার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ মুক্তির আগেই প্রত্যাশার পাহাড় গড়েছিল। তবে পর্দায় এসে তিন ঘণ্টার বেশি সময়জুড়ে ছবিটি যা দেয়, তা মূলত চোখের আরাম, হৃদয়ের গভীর টান নয়। প্রযুক্তির জাঁকজমক থাকলেও শক্তিশালী গল্পের অভাবে এই পর্বটি দর্শকের মনে দীর্ঘস্থায়ী দাগ কাটতে ব্যর্থ হয়েছে

চমকপ্রদ যাত্রা, দুর্বল নাটকীয়তা
ছবির শুরুতেই দর্শককে আকাশ আর জলের দুই ভিন্ন অভিযানে নিয়ে যাওয়া হয়। এই দৃশ্যগুলো নিঃসন্দেহে বিস্ময়কর। তবে এই ভিজ্যুয়াল রাইড যত এগোয়, ততই স্পষ্ট হয় যে এর ভেতরে আবেগী বা মানসিক গভীরতার ঘাটতি রয়েছে। আগের দুই পর্বে যে প্রযুক্তিগত নতুনত্ব দর্শককে মুগ্ধ করেছিল, তা এবার আর নতুন বলে মনে হয় না। ফলে গল্পের দুর্বলতা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

প্যান্ডোরায় পুরোনো সংঘাত, নতুন আগুন
প্যান্ডোরার নীলচে জগতে জেক সালি এখন নাভি জাতির সম্মানিত নেতা। পরিবার ও সম্প্রদায় নিয়ে শান্তিতে থাকার চেষ্টাই তার লক্ষ্য। কিন্তু মানুষ আর নাভিদের পুরোনো দ্বন্দ্ব আবার মাথাচাড়া দেয়। কর্পোরেট শক্তি ও সামরিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রকৃতি-নির্ভর প্রতিরোধের গল্প আবারও বলা হয়, শুধু এবার আগুন আর ধ্বংসের মাত্রা বেশি।

প্রযুক্তির ভারে চাপা মানবিক অনুভূতি
ছবির চরিত্ররা প্রকৃতির সঙ্গে একাত্ম হওয়ার যে দর্শন তুলে ধরে, তা দৃশ্যত আকর্ষণীয় হলেও কথায় কথায় পরিবেশবাদী বার্তা অতিরঞ্জিত হয়ে ওঠে। ডিজিটাল রূপান্তর এতটাই ভারী যে অভিনয়ের মানবিক সূক্ষ্মতা হারিয়ে যায়। ফলে চরিত্রগুলোর আবেগ দর্শকের কাছে পৌঁছাতে পারে না।

নতুন খলনায়ক, পুরোনো সমস্যা
এই পর্বে একমাত্র উল্লেখযোগ্য সংযোজন ‘অ্যাশ পিপল’-এর নেত্রী ভারাং। তার লাল অলংকার আর কঠোর উপস্থিতি আলাদা করে নজর কাড়ে। তবু সামগ্রিকভাবে চূড়ান্ত সংঘর্ষটি মহাকাব্যিক হওয়ার বদলে এলোমেলো সংঘর্ষের মতো লাগে। প্রযুক্তির বিস্ময় গল্পের ভীতের ওপর দাঁড়াতে না পেরে শেষ পর্যন্ত ফাঁপা মনে হয়।

#অবতারফায়ারঅ্যান্ডঅ্যাশ #জেমসক্যামেরন #চলচ্চিত্রসমালোচনা #হলিউডসংবাদ #সিনেমা #প্যান্ডোরা