০৭:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ: মিরাজ শেখকে উদ্ধারে বিচার বিভাগীয় তদন্ত চাইল আসক ক্ষমতার অসুখ: নেতৃত্বের সবচেয়ে বড় বিপদ অহংকার নয়, জবাবদিহির অভাব ফরচুন গ্লোবাল ৫০০: আয় ধরে রাখলেও মুনাফায় যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় অনেক পিছিয়ে চীনা কোম্পানিগুলো চীনের নতুন রহস্যময় পারমাণবিক সাবমেরিন ঘিরে উদ্বেগ, পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে শক্তি বাড়ানোর ইঙ্গিত বাংলাদেশে হামের মৃত্যু বেড়ে ৮৩১, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর প্রাণহানি শিক্ষককে বাদ দিয়ে নয়, প্রযুক্তিকে পাশে নিয়েই শিক্ষা সংস্কার রেড সিতে জাহাজ চলাচলে নতুন ফি আরোপের চিন্তা হুথিদের, বৈশ্বিক বাণিজ্যে বাড়ছে অনিশ্চয়তা যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি যৌথ হামলায় নতুন মোড়, ইরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে আবারও যুদ্ধের উত্তাপ চীনের কাছ থেকে ৪০০ কাঁধে বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র পাচ্ছে ইরান, যুদ্ধের মাঝেই ৭০ মিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা চুক্তি সোয়াতে যৌথ অভিযানে চার জঙ্গি নিহত, এলিট ফোর্সের এক কনস্টেবল নিহত

তারেক রহমানের দেশে ফেরা সামনে রেখে শঙ্কার কথা জানালেন মির্জা আব্বাস

দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা সামনে রেখে সারাদেশে এক ধরনের নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র নেতা ও স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, স্বাগত প্রস্তুতি চললেও মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও শঙ্কা স্পষ্টভাবে অনুভূত হচ্ছে।

দেশজুড়ে নিরাপত্তা শঙ্কার কথা জানাল বিএনপি
সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মির্জা আব্বাস বলেন, তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে গোটা জাতি এখন এক ধরনের নিরাপত্তা ভয়ের মধ্যে রয়েছে। বিএনপি নেতাকর্মীরা তাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত থাকলেও সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

নিরাপত্তা প্রসঙ্গে দলের অবস্থান
নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যতটুকু সম্ভব নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে সবকিছু মানুষের নিয়ন্ত্রণে নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাকিটা আল্লাহর ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কোনো নির্দিষ্ট হুমকির কথা উল্লেখ না করলেও সামগ্রিক বাস্তবতায় উদ্বেগ স্বাভাবিক বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সংবর্ধনা প্রস্তুতি ও রাজনৈতিক তাৎপর্য
রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় তারেক রহমানকে বরণ করে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত করা সংবর্ধনা মঞ্চ পরিদর্শনের সময় মির্জা আব্বাস বলেন, বিএনপি তার নেতাকে স্বাগত জানাতে পুরোপুরি প্রস্তুত। তার মতে, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে এবং ইতোমধ্যেই এ নিয়ে জনমনে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জনসমাগম নিয়ে ব্যাখ্যা
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে লক্ষাধিক মানুষের সমাবেশের পরিকল্পনা নেই জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, তবে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন ঘিরে মানুষের মধ্যে যে জাগরণ তৈরি হয়েছে, তার ফলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে বড় জনসমাগম হতে পারে। দলীয়ভাবে বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ আনার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলেও তিনি জানান।

অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা
আয়োজনে অন্তর্বর্তী সরকারের সহযোগিতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কতটুকু সহযোগিতা মিলছে তা নির্দিষ্ট করে বলা কঠিন, তবে কোনো অসহযোগিতার অভিযোগও নেই।

ফেরাকে ঘিরে প্রত্যাশা
বিএনপির এই নেতা বলেন, মানুষ অধীর আগ্রহে তারেক রহমানের দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছে। দলের প্রত্যাশা, তার আগমন জনমনে নতুন উদ্দীপনা এবং রাজনৈতিক জাগরণ সৃষ্টি করবে।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর থেকে লন্ডনে অবস্থানরত তারেক রহমান আগামী বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

#তারেকরহমান #নিরাপত্তাউদ্বেগ #মির্জাআব্বাস #বিএনপি #বাংলাদেশরাজনীতি #তারেকেরফেরা

জনপ্রিয় সংবাদ

কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ: মিরাজ শেখকে উদ্ধারে বিচার বিভাগীয় তদন্ত চাইল আসক

তারেক রহমানের দেশে ফেরা সামনে রেখে শঙ্কার কথা জানালেন মির্জা আব্বাস

০৮:০৪:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা সামনে রেখে সারাদেশে এক ধরনের নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র নেতা ও স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, স্বাগত প্রস্তুতি চললেও মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও শঙ্কা স্পষ্টভাবে অনুভূত হচ্ছে।

দেশজুড়ে নিরাপত্তা শঙ্কার কথা জানাল বিএনপি
সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মির্জা আব্বাস বলেন, তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে গোটা জাতি এখন এক ধরনের নিরাপত্তা ভয়ের মধ্যে রয়েছে। বিএনপি নেতাকর্মীরা তাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত থাকলেও সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

নিরাপত্তা প্রসঙ্গে দলের অবস্থান
নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যতটুকু সম্ভব নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে সবকিছু মানুষের নিয়ন্ত্রণে নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাকিটা আল্লাহর ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কোনো নির্দিষ্ট হুমকির কথা উল্লেখ না করলেও সামগ্রিক বাস্তবতায় উদ্বেগ স্বাভাবিক বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সংবর্ধনা প্রস্তুতি ও রাজনৈতিক তাৎপর্য
রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় তারেক রহমানকে বরণ করে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত করা সংবর্ধনা মঞ্চ পরিদর্শনের সময় মির্জা আব্বাস বলেন, বিএনপি তার নেতাকে স্বাগত জানাতে পুরোপুরি প্রস্তুত। তার মতে, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে এবং ইতোমধ্যেই এ নিয়ে জনমনে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জনসমাগম নিয়ে ব্যাখ্যা
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে লক্ষাধিক মানুষের সমাবেশের পরিকল্পনা নেই জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, তবে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন ঘিরে মানুষের মধ্যে যে জাগরণ তৈরি হয়েছে, তার ফলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে বড় জনসমাগম হতে পারে। দলীয়ভাবে বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ আনার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলেও তিনি জানান।

অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা
আয়োজনে অন্তর্বর্তী সরকারের সহযোগিতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কতটুকু সহযোগিতা মিলছে তা নির্দিষ্ট করে বলা কঠিন, তবে কোনো অসহযোগিতার অভিযোগও নেই।

ফেরাকে ঘিরে প্রত্যাশা
বিএনপির এই নেতা বলেন, মানুষ অধীর আগ্রহে তারেক রহমানের দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছে। দলের প্রত্যাশা, তার আগমন জনমনে নতুন উদ্দীপনা এবং রাজনৈতিক জাগরণ সৃষ্টি করবে।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর থেকে লন্ডনে অবস্থানরত তারেক রহমান আগামী বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

#তারেকরহমান #নিরাপত্তাউদ্বেগ #মির্জাআব্বাস #বিএনপি #বাংলাদেশরাজনীতি #তারেকেরফেরা