০২:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
সিএনএনের জনক টেড টার্নার আর নেই, ২৪ ঘণ্টার সংবাদযুগের পথিকৃৎকে বিদায় বাংলাদেশের নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ নাকচ ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের পর সীমান্তে সতর্ক বিজিবি, ‘পুশ-ইন’ ঠেকাতে আগাম প্রস্তুতি বক্স অফিসের নায়ক থেকে তামিল রাজনীতির বিস্ময়, কীভাবে ‘থালাপতি’ বিজয় বদলে দিলেন তামিলনাড়ুর সমীকরণ ক্রেনশর পথ ও “আন্তঃসংযোগ”-এর জন্ম চীনা কোম্পানির বৈশ্বিক আয় রেকর্ডে, শীর্ষে ফক্সকন ও বিওয়াইডি ভারসাম্যের কূটনীতিতে ভারত-ভিয়েতনাম ঘনিষ্ঠতা, সুপারপাওয়ার নির্ভরতা কমানোর বার্তা চিপ জুয়ার ধস: এআই বুমের মাঝেই শেনজেনের ব্যবসায়ীদের কোটি কোটি ইউয়ান গায়েব মধ্যবিত্ত পৃথিবীর শেষ আশ্রয়: বারো বছরের কিশোরীরা কেন এখনও ভবিষ্যতের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে আছে চীনের ক্ষোভ, ৮০ বছর পর বিদেশে ‘অফেনসিভ’ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল জাপান

দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে উত্তপ্ত বিক্ষোভ, ব্যারিকেড ভেঙে ঢোকার চেষ্টা

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে বড় ধরনের বিক্ষোভ ঘিরে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা নিরাপত্তা ব্যারিকেড ভেঙে হাইকমিশনের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা চালায় বলে ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা বাহিনীকে তৎপর থাকতে দেখা গেছে।

বিক্ষোভের কারণ ও পরিস্থিতির অবনতি

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ এবং ময়মনসিংহে দিপু চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু যুবকের মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ শুরু হয়। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বিক্ষোভ আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং একপর্যায়ে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করা হয়।

কারা ডেকেছে এই কর্মসূচি

দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ, নিরাপত্তা জোরদার | বগুড়া লাইভ

হিন্দুত্ববাদী সংগঠন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বজরং দলের আহ্বানে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। সেখানে পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে। বিক্ষোভকারীদের হাতে ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড দেখা গেছে এবং তারা বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছিল।

২০ ডিসেম্বরের আগের ঘটনার প্রসঙ্গ

এর আগে গত ২০ ডিসেম্বর রাতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের গেটের সামনে একটি ছোট আকারের বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে। ঢাকায় নিযুক্ত বাংলাদেশের প্রেস মিনিস্টার মো. ফয়সাল মাহমুদ জানান, ওই রাতে তিনটি গাড়িতে করে কয়েকজন ব্যক্তি এসে হাইকমিশনের সামনে স্লোগান দেয় এবং কিছুক্ষণ পর সেখান থেকে চলে যায়।

ভারত সরকারের ব্যাখ্যা

এই ঘটনার পর ভারত সরকার জানায়, বাংলাদেশি গণমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু খবর বিভ্রান্তিকর। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল দাবি করেন, সেদিন মাত্র ২০ থেকে ২৫ জন বিক্ষোভকারী সেখানে উপস্থিত ছিল এবং তারা কোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি সৃষ্টি করেনি।

এম তৌহিদ হোসেন | প্রথম আলো

বাংলাদেশের প্রতিক্রিয়া ও নিরাপত্তা প্রশ্ন

তবে ভারতের এই বক্তব্য বাংলাদেশ প্রত্যাখ্যান করেছে। ঢাকার পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, কূটনৈতিকভাবে সুরক্ষিত এলাকায় অনুমতি ছাড়া কীভাবে বিক্ষোভকারীরা প্রবেশ করতে পারল। বিষয়টিকে গুরুতর নিরাপত্তা ঘাটতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বক্তব্য

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেন, নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ মিশন অত্যন্ত সংবেদনশীল ও সুরক্ষিত কূটনৈতিক এলাকায় অবস্থিত। অনুমতি ছাড়া সেখানে এমন বিক্ষোভ হওয়া স্বাভাবিক নয়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কীভাবে উগ্র সংগঠনের সদস্যদের একটি দল সেই এলাকায় প্রবেশের সুযোগ পেল।

জনপ্রিয় সংবাদ

সিএনএনের জনক টেড টার্নার আর নেই, ২৪ ঘণ্টার সংবাদযুগের পথিকৃৎকে বিদায়

দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে উত্তপ্ত বিক্ষোভ, ব্যারিকেড ভেঙে ঢোকার চেষ্টা

০৫:৫০:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে বড় ধরনের বিক্ষোভ ঘিরে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা নিরাপত্তা ব্যারিকেড ভেঙে হাইকমিশনের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা চালায় বলে ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা বাহিনীকে তৎপর থাকতে দেখা গেছে।

বিক্ষোভের কারণ ও পরিস্থিতির অবনতি

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ এবং ময়মনসিংহে দিপু চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু যুবকের মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ শুরু হয়। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বিক্ষোভ আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং একপর্যায়ে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করা হয়।

কারা ডেকেছে এই কর্মসূচি

দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ, নিরাপত্তা জোরদার | বগুড়া লাইভ

হিন্দুত্ববাদী সংগঠন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বজরং দলের আহ্বানে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। সেখানে পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে। বিক্ষোভকারীদের হাতে ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড দেখা গেছে এবং তারা বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছিল।

২০ ডিসেম্বরের আগের ঘটনার প্রসঙ্গ

এর আগে গত ২০ ডিসেম্বর রাতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের গেটের সামনে একটি ছোট আকারের বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে। ঢাকায় নিযুক্ত বাংলাদেশের প্রেস মিনিস্টার মো. ফয়সাল মাহমুদ জানান, ওই রাতে তিনটি গাড়িতে করে কয়েকজন ব্যক্তি এসে হাইকমিশনের সামনে স্লোগান দেয় এবং কিছুক্ষণ পর সেখান থেকে চলে যায়।

ভারত সরকারের ব্যাখ্যা

এই ঘটনার পর ভারত সরকার জানায়, বাংলাদেশি গণমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু খবর বিভ্রান্তিকর। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল দাবি করেন, সেদিন মাত্র ২০ থেকে ২৫ জন বিক্ষোভকারী সেখানে উপস্থিত ছিল এবং তারা কোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি সৃষ্টি করেনি।

এম তৌহিদ হোসেন | প্রথম আলো

বাংলাদেশের প্রতিক্রিয়া ও নিরাপত্তা প্রশ্ন

তবে ভারতের এই বক্তব্য বাংলাদেশ প্রত্যাখ্যান করেছে। ঢাকার পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, কূটনৈতিকভাবে সুরক্ষিত এলাকায় অনুমতি ছাড়া কীভাবে বিক্ষোভকারীরা প্রবেশ করতে পারল। বিষয়টিকে গুরুতর নিরাপত্তা ঘাটতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বক্তব্য

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেন, নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ মিশন অত্যন্ত সংবেদনশীল ও সুরক্ষিত কূটনৈতিক এলাকায় অবস্থিত। অনুমতি ছাড়া সেখানে এমন বিক্ষোভ হওয়া স্বাভাবিক নয়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কীভাবে উগ্র সংগঠনের সদস্যদের একটি দল সেই এলাকায় প্রবেশের সুযোগ পেল।