০৩:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
ওডিশায় খ্রিস্টানদের ওপর হামলা বাড়ছে, উদ্বেগ মানবাধিকারকর্মীদের ইয়েন সংকটে সতর্ক টোকিও, ‘ফোন অন রাখুন’ বার্তা মুদ্রা ব্যবসায়ীদের দুবাই মেরিনায় নির্মাণাধীন ভবনে আগুন, হতাহতের খবর নেই বিজেপির সমর্থন নয়, শর্ত দিয়ে বিজয়ের টিভিকেকে পাশে দাঁড়াতে চায় কংগ্রেস কেরলে মুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়ে কংগ্রেসে জল্পনা, দৌড়ে সাথীসন-ভেনুগোপাল-চেন্নিথলা আসাম বিধানসভায় বিরোধীদলীয় নেতা নাও থাকতে পারে বিজয়ের ১৫ বছরের মাঠ প্রস্তুতি, তারপরই টিভিকে’র রাজনৈতিক উত্থান বিজেপির জয়ের পর পশ্চিমবঙ্গে সহিংসতা, তৃণমূল কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ রাহুলের অভিযোগ, ‘বাংলা-আসামে জনগণের রায় চুরি করেছে বিজেপি’ মমতার নতুন লক্ষ্য ইন্ডিয়া জোট, পরাজয়ের পরই বিরোধী ঐক্য জোরদারের বার্তা

যুদ্ধ ও নিষেধাজ্ঞার চাপে রাশিয়ার কারখানা ফিরিয়ে নিতে পারছে না হুন্ডাই

ইউক্রেন যুদ্ধ ও পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার বাস্তবতায় রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে নিজেদের পুরোনো গাড়ি কারখানা আবার কেনার অবস্থায় নেই দক্ষিণ কোরিয়ার গাড়ি নির্মাতা হুন্ডাই। কোম্পানির অভ্যন্তরীণ আলোচনার সঙ্গে পরিচিত একটি সূত্র জানিয়েছে, চলমান সংঘাতের কারণে জানুয়ারিতে শেষ হতে যাওয়া পুনঃক্রয় বিকল্পটি কার্যকর করা সম্ভব হচ্ছে না।

যুদ্ধের ছায়ায় সিদ্ধান্ত

২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের পর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞায় রাশিয়ায় গাড়ি উৎপাদন কার্যত অচল হয়ে পড়ে। সেই প্রেক্ষাপটে হুন্ডাই ও তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠান কিয়া সেন্ট পিটার্সবার্গের কারখানার কার্যক্রম স্থগিত করে। পরবর্তীতে ২০২৪ সালে প্রতীকী মূল্যে কারখানাটি রাশিয়ার একটি গোষ্ঠীর কাছে বিক্রি করা হয়। চুক্তিতে দুই বছরের মধ্যে পুনরায় কেনার সুযোগ রাখা হলেও যুদ্ধ থামেনি, নিষেধাজ্ঞাও বহাল রয়েছে।

সময় ফুরিয়ে আসছে

সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমান পরিস্থিতিতে শেয়ার ফেরত কেনার মতো পরিবেশ নেই। যদিও কোম্পানির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো নেয়া হয়নি। জানুয়ারিতে নির্ধারিত সময়সীমা পার হলে এই অধিকার পুরোপুরি হারাতে হবে কি না, নাকি বাড়তি সময় নিয়ে আলোচনা হতে পারে, তা স্পষ্ট নয়।

Hyundai not in a position to buy back Russian auto factory

রাশিয়ার বাজারের বদলে যাওয়া ছবি

একসময় রাশিয়ার সবচেয়ে বড় বিদেশি গাড়ি নির্মাতা ছিল হুন্ডাই ও কিয়া। যুদ্ধের আগে বছরে দুই লাখের বেশি গাড়ি উৎপাদনের সক্ষমতা ছিল ওই কারখানার। এখন রাশিয়ার গাড়ির বাজারে চীনা ব্র্যান্ডের দাপট বেড়েছে। বহু সাবেক পশ্চিমা কারখানায় নতুন নামে গাড়ি তৈরি হচ্ছে। হুন্দাইয়ের পুরোনো কারখানায়ও এখন ভিন্ন ব্র্যান্ডের উৎপাদন চলছে।

ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা

রাশিয়ায় বিনিয়োগ ফেরাতে পারবে কি না, তা অনেকটাই যুদ্ধের গতিপথ ও নিষেধাজ্ঞার ভবিষ্যতের ওপর নির্ভর করছে। শান্তি না এলে, বিদেশি গাড়ি নির্মাতাদের জন্য রাশিয়ায় ফেরার পথ যে কঠিনই থাকবে, তা স্পষ্ট।

জনপ্রিয় সংবাদ

ওডিশায় খ্রিস্টানদের ওপর হামলা বাড়ছে, উদ্বেগ মানবাধিকারকর্মীদের

যুদ্ধ ও নিষেধাজ্ঞার চাপে রাশিয়ার কারখানা ফিরিয়ে নিতে পারছে না হুন্ডাই

০১:১৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

ইউক্রেন যুদ্ধ ও পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার বাস্তবতায় রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে নিজেদের পুরোনো গাড়ি কারখানা আবার কেনার অবস্থায় নেই দক্ষিণ কোরিয়ার গাড়ি নির্মাতা হুন্ডাই। কোম্পানির অভ্যন্তরীণ আলোচনার সঙ্গে পরিচিত একটি সূত্র জানিয়েছে, চলমান সংঘাতের কারণে জানুয়ারিতে শেষ হতে যাওয়া পুনঃক্রয় বিকল্পটি কার্যকর করা সম্ভব হচ্ছে না।

যুদ্ধের ছায়ায় সিদ্ধান্ত

২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের পর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞায় রাশিয়ায় গাড়ি উৎপাদন কার্যত অচল হয়ে পড়ে। সেই প্রেক্ষাপটে হুন্ডাই ও তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠান কিয়া সেন্ট পিটার্সবার্গের কারখানার কার্যক্রম স্থগিত করে। পরবর্তীতে ২০২৪ সালে প্রতীকী মূল্যে কারখানাটি রাশিয়ার একটি গোষ্ঠীর কাছে বিক্রি করা হয়। চুক্তিতে দুই বছরের মধ্যে পুনরায় কেনার সুযোগ রাখা হলেও যুদ্ধ থামেনি, নিষেধাজ্ঞাও বহাল রয়েছে।

সময় ফুরিয়ে আসছে

সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমান পরিস্থিতিতে শেয়ার ফেরত কেনার মতো পরিবেশ নেই। যদিও কোম্পানির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো নেয়া হয়নি। জানুয়ারিতে নির্ধারিত সময়সীমা পার হলে এই অধিকার পুরোপুরি হারাতে হবে কি না, নাকি বাড়তি সময় নিয়ে আলোচনা হতে পারে, তা স্পষ্ট নয়।

Hyundai not in a position to buy back Russian auto factory

রাশিয়ার বাজারের বদলে যাওয়া ছবি

একসময় রাশিয়ার সবচেয়ে বড় বিদেশি গাড়ি নির্মাতা ছিল হুন্ডাই ও কিয়া। যুদ্ধের আগে বছরে দুই লাখের বেশি গাড়ি উৎপাদনের সক্ষমতা ছিল ওই কারখানার। এখন রাশিয়ার গাড়ির বাজারে চীনা ব্র্যান্ডের দাপট বেড়েছে। বহু সাবেক পশ্চিমা কারখানায় নতুন নামে গাড়ি তৈরি হচ্ছে। হুন্দাইয়ের পুরোনো কারখানায়ও এখন ভিন্ন ব্র্যান্ডের উৎপাদন চলছে।

ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা

রাশিয়ায় বিনিয়োগ ফেরাতে পারবে কি না, তা অনেকটাই যুদ্ধের গতিপথ ও নিষেধাজ্ঞার ভবিষ্যতের ওপর নির্ভর করছে। শান্তি না এলে, বিদেশি গাড়ি নির্মাতাদের জন্য রাশিয়ায় ফেরার পথ যে কঠিনই থাকবে, তা স্পষ্ট।