মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার ফ্লোরিডার মার-আ-লাগোতে চীনবিষয়ক মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডুর সঙ্গে বৈঠক করছেন। একদিনের কূটনৈতিক তৎপরতার শেষ পর্ব হিসেবে এই বৈঠক হচ্ছে, যার সূচনা হয় জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে ট্রাম্পের টেলিফোনালাপ দিয়ে।
সংবেদনশীল সময়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ
এই ধারাবাহিক যোগাযোগ এমন এক সংবেদনশীল সময়ে হচ্ছে, যখন টোকিও ও বেইজিংয়ের মধ্যে তাইওয়ান ইস্যুতে কূটনৈতিক টানাপোড়েন আরও গভীর হয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির আলোকে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিজেদের অবস্থান ও সমন্বয় জোরদার করার চেষ্টা করছে।
তাইওয়ান ঘিরে উত্তেজনা ও অস্ত্র বিক্রির প্রেক্ষাপট
ওয়াশিংটন সম্প্রতি স্বশাসিত তাইওয়ানের কাছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে আঞ্চলিক রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের ওপরও প্রভাব ফেলছে।
তাইওয়ান প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের অবস্থান
চীন তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে দেখে এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে পুনরেকত্রীকরণের কথা বলে। যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানসহ অধিকাংশ দেশ তাইওয়ানকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দিলেও, যুক্তরাষ্ট্র জোর দিয়ে বলছে যে তারা বলপ্রয়োগের যেকোনো প্রচেষ্টার বিরোধিতা করে এবং তাইওয়ানকে প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্র সরবরাহে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















