০৪:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
আমেরিকার নতুন কৌশল, আসিয়ানের কঠিন ভারসাম্য সাগরে ৩৬ দিন ধরে ভেসে থাকা শ্রীলঙ্কান বাবা-ছেলেকে উদ্ধার করল বাংলাদেশি জেলেরা মারধরের পর ছাত্রলীগ পরিচয়ে কারাগারে, যা ঘটেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে হবিগঞ্জে এনসিপি-ছাত্রদল সংঘর্ষ, ব্যাংকে অবরুদ্ধ পাটওয়ারী ও সারজিস সন্তানহীন হয়ে পড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের বড় শহর, কমছে শিশুর সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রে ডাকযোগে ভোটে বিধিনিষেধ, সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চাইল ট্রাম্প প্রশাসন হংকংয়ের সাবেক বিরোধী নেতা উ চি-ওয়াইকে যুক্তরাজ্যে ছয় মাস থাকার অনুমতি ২১ বছর বয়সেই সাহিত্যজগতে ঝড় তুলেছিলেন ব্রেট ইস্টন এলিস, ‘লেস দ্যান জিরো’ নিয়ে মুখ খুললেন ত্বকের যত্নে নতুন চমক, একসঙ্গে আর্দ্রতা ও উজ্জ্বলতা দেবে টোনার প্যাড এইডস প্রতিরোধে অর্থসংকট, বিশ্বজুড়ে আবারও এইচআইভি সংক্রমণ বাড়ার শঙ্কা

ভিক্টর ক্লাসিক বাসে নারীকে ধর্ষণের হুমকি, দুইজন আটক

টঙ্গী, গাজীপুরে ভিক্টর ক্লাসিক পরিবহনের একটি বাসে এক নারী যাত্রীকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চালকের বিরুদ্ধে। ঘটনার প্রতিবাদ করায় আরেক যাত্রীকে মারধরের পর বিষয়টি নিয়ে পশ্চিম টঙ্গী থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় চালক ও তার সহকারীকে আটক করা হয়েছে এবং বাসটি জব্দ করা হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পশ্চিম টঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহিন খান জানান, ঘটনার দিনই চালক ও তার সহকারীকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. নাইম ইসলামের স্ত্রী উত্তরা বিএনএস এলাকা থেকে টঙ্গীর হোসেন মার্কেটগামী ভিক্টর ক্লাসিক বাসে ওঠেন। তিনি চালকের পাশের সংরক্ষিত নারী আসনে বসেছিলেন।

অভিযোগে বলা হয়, নিজেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর পরিবারের সদস্য পরিচয় দেওয়ার পর চালক অশালীন ও উসকানিমূলক মন্তব্য শুরু করেন। একপর্যায়ে বাসটি সাফিউদ্দিন সরকার একাডেমির সামনে ট্রাফিক পুলিশ বক্সের কাছে পৌঁছালে নাইম ইসলাম মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণের চেষ্টা করেন। তখন চালক তাকে বাসের জানালার সঙ্গে ধাক্কা দিয়ে ফোনটি ছুড়ে ফেলে দেন।

নারী যাত্রী পুলিশ বক্সের সামনে বাস থামাতে বললেও চালক তা অস্বীকার করেন। এ সময় তিনি চিৎকার শুরু করলে চালক বাসের ভেতরেই তাকে ধর্ষণের হুমকি দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। বিষয়টির প্রতিবাদ করেন যাত্রী নূর নবী। এতে চালক, তার সহকারী ও কয়েকজন যাত্রীর মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়।

পরবর্তীতে হোসেন মার্কেট এলাকায় বাস থামলে যাত্রীদের সহায়তায় ওই নারী নিরাপদে বাস থেকে নামতে সক্ষম হন। তবে অন্য যাত্রীরা নেমে যাওয়ার পর একা থাকা অবস্থায় নূর নবীর ওপর হামলা চালানো হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, চালক, তার সহকারী ও আরও একজন তাকে লোহার রড দিয়ে মারধর করে গুরুতর আহত করে।

স্থানীয়দের সহায়তায় পরে বাসটি আটকানো হলেও চালক ও তার সহকারী পালিয়ে যান। তবে অন্য একজন চালককে ধরে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

এ ঘটনায় মো. নাইম ইসলাম পশ্চিম টঙ্গী থানায় ধর্ষণের হুমকি ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ঘটনার পর রাত সাড়ে তিনটার দিকে বাস মালিক সমিতির ১৫ থেকে ২০ জন থানায় এসে মামলা তুলে নিতে হুমকি দেয়।

তিনি আরও দাবি করেন, অভিযুক্ত চালক চার দিন আগে উত্তরা পূর্ব থানার একটি মাদক মামলায় জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

আমেরিকার নতুন কৌশল, আসিয়ানের কঠিন ভারসাম্য

ভিক্টর ক্লাসিক বাসে নারীকে ধর্ষণের হুমকি, দুইজন আটক

০৮:২৭:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

টঙ্গী, গাজীপুরে ভিক্টর ক্লাসিক পরিবহনের একটি বাসে এক নারী যাত্রীকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চালকের বিরুদ্ধে। ঘটনার প্রতিবাদ করায় আরেক যাত্রীকে মারধরের পর বিষয়টি নিয়ে পশ্চিম টঙ্গী থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় চালক ও তার সহকারীকে আটক করা হয়েছে এবং বাসটি জব্দ করা হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পশ্চিম টঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহিন খান জানান, ঘটনার দিনই চালক ও তার সহকারীকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. নাইম ইসলামের স্ত্রী উত্তরা বিএনএস এলাকা থেকে টঙ্গীর হোসেন মার্কেটগামী ভিক্টর ক্লাসিক বাসে ওঠেন। তিনি চালকের পাশের সংরক্ষিত নারী আসনে বসেছিলেন।

অভিযোগে বলা হয়, নিজেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর পরিবারের সদস্য পরিচয় দেওয়ার পর চালক অশালীন ও উসকানিমূলক মন্তব্য শুরু করেন। একপর্যায়ে বাসটি সাফিউদ্দিন সরকার একাডেমির সামনে ট্রাফিক পুলিশ বক্সের কাছে পৌঁছালে নাইম ইসলাম মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণের চেষ্টা করেন। তখন চালক তাকে বাসের জানালার সঙ্গে ধাক্কা দিয়ে ফোনটি ছুড়ে ফেলে দেন।

নারী যাত্রী পুলিশ বক্সের সামনে বাস থামাতে বললেও চালক তা অস্বীকার করেন। এ সময় তিনি চিৎকার শুরু করলে চালক বাসের ভেতরেই তাকে ধর্ষণের হুমকি দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। বিষয়টির প্রতিবাদ করেন যাত্রী নূর নবী। এতে চালক, তার সহকারী ও কয়েকজন যাত্রীর মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়।

পরবর্তীতে হোসেন মার্কেট এলাকায় বাস থামলে যাত্রীদের সহায়তায় ওই নারী নিরাপদে বাস থেকে নামতে সক্ষম হন। তবে অন্য যাত্রীরা নেমে যাওয়ার পর একা থাকা অবস্থায় নূর নবীর ওপর হামলা চালানো হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, চালক, তার সহকারী ও আরও একজন তাকে লোহার রড দিয়ে মারধর করে গুরুতর আহত করে।

স্থানীয়দের সহায়তায় পরে বাসটি আটকানো হলেও চালক ও তার সহকারী পালিয়ে যান। তবে অন্য একজন চালককে ধরে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

এ ঘটনায় মো. নাইম ইসলাম পশ্চিম টঙ্গী থানায় ধর্ষণের হুমকি ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ঘটনার পর রাত সাড়ে তিনটার দিকে বাস মালিক সমিতির ১৫ থেকে ২০ জন থানায় এসে মামলা তুলে নিতে হুমকি দেয়।

তিনি আরও দাবি করেন, অভিযুক্ত চালক চার দিন আগে উত্তরা পূর্ব থানার একটি মাদক মামলায় জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন।