০১:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬
এক হাতে শক্তি আর বিস্ফোরণ ক্ষমতার চর্চা, সিঙ্গেল আর্ম হ্যাং ক্লিনে বদলান শরীরের ছন্দ ইউরোপজুড়ে তুষার ও বরফের তাণ্ডব, বাতিল শত শত ফ্লাইট, সড়কে প্রাণহানি কুয়াশা কী, কেন হয়? কুয়াশা পড়লে ঠান্ডা বাড়ে নাকি কমে? থাইল্যান্ডের বিমানবন্দর সংযোগ দ্রুতগতি রেল প্রকল্প অনিশ্চয়তায়, রাজনৈতিক টানাপোড়েনে আটকে সাত বিলিয়ন ডলারের উদ্যোগ এক মিনিটেই বদলে যেতে পারে জীবন পাকিস্তান-বাংলাদেশের নতুন প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি ভেনেজুয়েলা ঘিরে তেলের বাজারে ‘অতিরিক্ত সরবরাহ’ শঙ্কা ওজন কমানোর আশ্বাসে ওষুধ, বাস্তবে কাজই করে না অনেকের শরীরে তেল লুটের নতুন ছক, জলবায়ুর চরম ঝুঁকি জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান কেনা নিয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান বিমান বাহিনী প্রধানের মধ্যে কী আলোচনা হয়েছে

হিলি দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ, বাজারে দামের নতুন শঙ্কা

দেশীয় কৃষকের স্বার্থ দেখিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির নতুন অনুমতি বন্ধ করেছে সরকার। তবে আগে দেওয়া অনুমতির আওতায় আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত পেঁয়াজ আমদানি চালু থাকবে। আমদানিকারকদের আশঙ্কা, নতুন অনুমতি বন্ধ থাকলে বাজারে আবারও পেঁয়াজের দামে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

নতুন অনুমতি বন্ধের সিদ্ধান্ত
সোমবার সকাল থেকে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির নতুন কোনো অনুমতি দেয়নি। যদিও আগে ইস্যু করা অনুমতির ভিত্তিতে হিলিসহ দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। শুধু হিলি স্থলবন্দর দিয়েই এদিন ১২টি ট্রাকে মোট ৩৪৪ টন পেঁয়াজ দেশে প্রবেশ করেছে।

দাম কমার পেছনের বাস্তবতা
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক মোবারক হোসেন জানান, দেশে পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেলে পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার আমদানির অনুমতি দেয়। তিন মাস বন্ধ থাকার পর গত ৭ ডিসেম্বর থেকে আবার আমদানি শুরু হয়। শুরুতে অনুমতির পরিমাণ কম থাকায় সরবরাহ চাহিদার তুলনায় কম ছিল। পরে অনুমতির পরিমাণ বাড়ালে বিভিন্ন বন্দর দিয়ে আমদানি বাড়ে এবং বাজারে দাম কমতে শুরু করে। বর্তমানে পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে স্থিতিশীল রয়েছে।

আবারও দামের অস্থিরতার আশঙ্কা
তিনি আরও জানান, হঠাৎ করে নতুন আমদানির অনুমতি বন্ধ হওয়ায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আমদানির জন্য আবেদন করা হলেও কোনো অনুমোদন মিলছে না। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রজ্ঞাপন বা চিঠি জারি হয়নি, সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে—সোমবার থেকেই অনুমতি বন্ধ। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকলে বাজারে আবার দামের অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। তার মতে, আমদানি বন্ধ থাকলে পেঁয়াজের দাম আবার ৮০ থেকে ৮৫ টাকায় পৌঁছাতে পারে। ইতিমধ্যে অনুমতি বন্ধের খবরে বন্দরে কেজিপ্রতি প্রায় ২ টাকা দাম বেড়েছে।

সরকারি অবস্থান ও আগের অনুমতির সুযোগ
হিলি স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তা ইউসুফ আলী জানান, বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার আগে আমদানির অনুমতি দিয়েছিল, সে কারণেই কিছুদিন ধরে ভারত থেকে পেঁয়াজ আসছে। সোমবারও পেঁয়াজ এসেছে, তবে তা আগের দেওয়া অনুমতির আওতায়। নতুন করে কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে তিনি নিশ্চিত হয়েছেন যে সোমবার থেকেই নতুন আমদানির অনুমতি বন্ধ রয়েছে। তবে আগেই ইস্যু করা অনুমতির ভিত্তিতে আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত পেঁয়াজ আমদানি করা যাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

এক হাতে শক্তি আর বিস্ফোরণ ক্ষমতার চর্চা, সিঙ্গেল আর্ম হ্যাং ক্লিনে বদলান শরীরের ছন্দ

হিলি দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ, বাজারে দামের নতুন শঙ্কা

০১:২৯:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

দেশীয় কৃষকের স্বার্থ দেখিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির নতুন অনুমতি বন্ধ করেছে সরকার। তবে আগে দেওয়া অনুমতির আওতায় আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত পেঁয়াজ আমদানি চালু থাকবে। আমদানিকারকদের আশঙ্কা, নতুন অনুমতি বন্ধ থাকলে বাজারে আবারও পেঁয়াজের দামে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

নতুন অনুমতি বন্ধের সিদ্ধান্ত
সোমবার সকাল থেকে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির নতুন কোনো অনুমতি দেয়নি। যদিও আগে ইস্যু করা অনুমতির ভিত্তিতে হিলিসহ দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। শুধু হিলি স্থলবন্দর দিয়েই এদিন ১২টি ট্রাকে মোট ৩৪৪ টন পেঁয়াজ দেশে প্রবেশ করেছে।

দাম কমার পেছনের বাস্তবতা
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক মোবারক হোসেন জানান, দেশে পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেলে পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার আমদানির অনুমতি দেয়। তিন মাস বন্ধ থাকার পর গত ৭ ডিসেম্বর থেকে আবার আমদানি শুরু হয়। শুরুতে অনুমতির পরিমাণ কম থাকায় সরবরাহ চাহিদার তুলনায় কম ছিল। পরে অনুমতির পরিমাণ বাড়ালে বিভিন্ন বন্দর দিয়ে আমদানি বাড়ে এবং বাজারে দাম কমতে শুরু করে। বর্তমানে পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে স্থিতিশীল রয়েছে।

আবারও দামের অস্থিরতার আশঙ্কা
তিনি আরও জানান, হঠাৎ করে নতুন আমদানির অনুমতি বন্ধ হওয়ায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আমদানির জন্য আবেদন করা হলেও কোনো অনুমোদন মিলছে না। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রজ্ঞাপন বা চিঠি জারি হয়নি, সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে—সোমবার থেকেই অনুমতি বন্ধ। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকলে বাজারে আবার দামের অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। তার মতে, আমদানি বন্ধ থাকলে পেঁয়াজের দাম আবার ৮০ থেকে ৮৫ টাকায় পৌঁছাতে পারে। ইতিমধ্যে অনুমতি বন্ধের খবরে বন্দরে কেজিপ্রতি প্রায় ২ টাকা দাম বেড়েছে।

সরকারি অবস্থান ও আগের অনুমতির সুযোগ
হিলি স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তা ইউসুফ আলী জানান, বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার আগে আমদানির অনুমতি দিয়েছিল, সে কারণেই কিছুদিন ধরে ভারত থেকে পেঁয়াজ আসছে। সোমবারও পেঁয়াজ এসেছে, তবে তা আগের দেওয়া অনুমতির আওতায়। নতুন করে কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে তিনি নিশ্চিত হয়েছেন যে সোমবার থেকেই নতুন আমদানির অনুমতি বন্ধ রয়েছে। তবে আগেই ইস্যু করা অনুমতির ভিত্তিতে আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত পেঁয়াজ আমদানি করা যাবে।