০৪:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬
ট্রাম্পের ইরান জুয়া: সর্বশেষ হামলায় উপসাগরে ‘প্যান্ডোরার বাক্স’ খোলার ঝুঁকি পাকিস্তান–আফগানিস্তান ‘খোলা যুদ্ধ’: সীমান্তে গোলাবর্ষণ, আকাশপথে হামলা, বাড়ছে রক্তক্ষয় ভাষাই কি নতুন অস্ত্র? ইউক্রেন যুদ্ধের অভিজ্ঞতায় সামরিক ভাষা প্রশিক্ষণে বড় পরিবর্তনের আহ্বান এলিয়েন জীবনের খবর এলে বিশ্ব কীভাবে নেবে, উত্তেজনা না আতঙ্ক রাশিয়ার তীব্র নিন্দা: ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলা ‘উসকানিহীন আগ্রাসন’, কূটনীতিতে ফেরার আহ্বান পা গরম রাখলে ঘুম আসে তাড়াতাড়ি? বিশেষজ্ঞের ব্যাখ্যায় মিলল সহজ সমাধান ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তেল-গ্যাস ও বাণিজ্য হুমকিতে মধ্যপ্রাচ্যের ছয় দেশ, ওয়াশিংটনের ওপর আস্থায় বড় ধাক্কা টেক্সাস প্রাইমারি নির্বাচন ২০২৬: কেন প্যাক্সটন ঘিরে দুই দলে তীব্র দোলাচল ট্রাম্পের ভাষণে ঐক্যের বদলে বিভাজন, ২৫০ বছরে আমেরিকার সামনে নতুন প্রশ্ন চীনের দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে তিন জেনারেলের সিপিপিসিসি পদ বাতিল

হিলি দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ, বাজারে দামের নতুন শঙ্কা

দেশীয় কৃষকের স্বার্থ দেখিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির নতুন অনুমতি বন্ধ করেছে সরকার। তবে আগে দেওয়া অনুমতির আওতায় আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত পেঁয়াজ আমদানি চালু থাকবে। আমদানিকারকদের আশঙ্কা, নতুন অনুমতি বন্ধ থাকলে বাজারে আবারও পেঁয়াজের দামে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

নতুন অনুমতি বন্ধের সিদ্ধান্ত
সোমবার সকাল থেকে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির নতুন কোনো অনুমতি দেয়নি। যদিও আগে ইস্যু করা অনুমতির ভিত্তিতে হিলিসহ দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। শুধু হিলি স্থলবন্দর দিয়েই এদিন ১২টি ট্রাকে মোট ৩৪৪ টন পেঁয়াজ দেশে প্রবেশ করেছে।

দাম কমার পেছনের বাস্তবতা
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক মোবারক হোসেন জানান, দেশে পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেলে পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার আমদানির অনুমতি দেয়। তিন মাস বন্ধ থাকার পর গত ৭ ডিসেম্বর থেকে আবার আমদানি শুরু হয়। শুরুতে অনুমতির পরিমাণ কম থাকায় সরবরাহ চাহিদার তুলনায় কম ছিল। পরে অনুমতির পরিমাণ বাড়ালে বিভিন্ন বন্দর দিয়ে আমদানি বাড়ে এবং বাজারে দাম কমতে শুরু করে। বর্তমানে পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে স্থিতিশীল রয়েছে।

আবারও দামের অস্থিরতার আশঙ্কা
তিনি আরও জানান, হঠাৎ করে নতুন আমদানির অনুমতি বন্ধ হওয়ায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আমদানির জন্য আবেদন করা হলেও কোনো অনুমোদন মিলছে না। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রজ্ঞাপন বা চিঠি জারি হয়নি, সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে—সোমবার থেকেই অনুমতি বন্ধ। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকলে বাজারে আবার দামের অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। তার মতে, আমদানি বন্ধ থাকলে পেঁয়াজের দাম আবার ৮০ থেকে ৮৫ টাকায় পৌঁছাতে পারে। ইতিমধ্যে অনুমতি বন্ধের খবরে বন্দরে কেজিপ্রতি প্রায় ২ টাকা দাম বেড়েছে।

সরকারি অবস্থান ও আগের অনুমতির সুযোগ
হিলি স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তা ইউসুফ আলী জানান, বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার আগে আমদানির অনুমতি দিয়েছিল, সে কারণেই কিছুদিন ধরে ভারত থেকে পেঁয়াজ আসছে। সোমবারও পেঁয়াজ এসেছে, তবে তা আগের দেওয়া অনুমতির আওতায়। নতুন করে কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে তিনি নিশ্চিত হয়েছেন যে সোমবার থেকেই নতুন আমদানির অনুমতি বন্ধ রয়েছে। তবে আগেই ইস্যু করা অনুমতির ভিত্তিতে আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত পেঁয়াজ আমদানি করা যাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের ইরান জুয়া: সর্বশেষ হামলায় উপসাগরে ‘প্যান্ডোরার বাক্স’ খোলার ঝুঁকি

হিলি দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ, বাজারে দামের নতুন শঙ্কা

০১:২৯:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

দেশীয় কৃষকের স্বার্থ দেখিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির নতুন অনুমতি বন্ধ করেছে সরকার। তবে আগে দেওয়া অনুমতির আওতায় আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত পেঁয়াজ আমদানি চালু থাকবে। আমদানিকারকদের আশঙ্কা, নতুন অনুমতি বন্ধ থাকলে বাজারে আবারও পেঁয়াজের দামে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

নতুন অনুমতি বন্ধের সিদ্ধান্ত
সোমবার সকাল থেকে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির নতুন কোনো অনুমতি দেয়নি। যদিও আগে ইস্যু করা অনুমতির ভিত্তিতে হিলিসহ দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। শুধু হিলি স্থলবন্দর দিয়েই এদিন ১২টি ট্রাকে মোট ৩৪৪ টন পেঁয়াজ দেশে প্রবেশ করেছে।

দাম কমার পেছনের বাস্তবতা
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক মোবারক হোসেন জানান, দেশে পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেলে পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার আমদানির অনুমতি দেয়। তিন মাস বন্ধ থাকার পর গত ৭ ডিসেম্বর থেকে আবার আমদানি শুরু হয়। শুরুতে অনুমতির পরিমাণ কম থাকায় সরবরাহ চাহিদার তুলনায় কম ছিল। পরে অনুমতির পরিমাণ বাড়ালে বিভিন্ন বন্দর দিয়ে আমদানি বাড়ে এবং বাজারে দাম কমতে শুরু করে। বর্তমানে পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে স্থিতিশীল রয়েছে।

আবারও দামের অস্থিরতার আশঙ্কা
তিনি আরও জানান, হঠাৎ করে নতুন আমদানির অনুমতি বন্ধ হওয়ায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আমদানির জন্য আবেদন করা হলেও কোনো অনুমোদন মিলছে না। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রজ্ঞাপন বা চিঠি জারি হয়নি, সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে—সোমবার থেকেই অনুমতি বন্ধ। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকলে বাজারে আবার দামের অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। তার মতে, আমদানি বন্ধ থাকলে পেঁয়াজের দাম আবার ৮০ থেকে ৮৫ টাকায় পৌঁছাতে পারে। ইতিমধ্যে অনুমতি বন্ধের খবরে বন্দরে কেজিপ্রতি প্রায় ২ টাকা দাম বেড়েছে।

সরকারি অবস্থান ও আগের অনুমতির সুযোগ
হিলি স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তা ইউসুফ আলী জানান, বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার আগে আমদানির অনুমতি দিয়েছিল, সে কারণেই কিছুদিন ধরে ভারত থেকে পেঁয়াজ আসছে। সোমবারও পেঁয়াজ এসেছে, তবে তা আগের দেওয়া অনুমতির আওতায়। নতুন করে কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে তিনি নিশ্চিত হয়েছেন যে সোমবার থেকেই নতুন আমদানির অনুমতি বন্ধ রয়েছে। তবে আগেই ইস্যু করা অনুমতির ভিত্তিতে আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত পেঁয়াজ আমদানি করা যাবে।