যশোরে রানা প্রতাপ বৈরাগী হত্যাকাণ্ডকে ধর্মীয় পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত করার কোনো ভিত্তি নেই বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, নিহত ব্যক্তিকে হিন্দু পরিচয়ের কারণে হত্যা করা হয়নি এবং ঘটনাটির সঙ্গে সাংবাদিকতারও কোনো সম্পর্ক পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পর ছড়ানো গুজব নিয়ে সরকারের বক্তব্য

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধান উপদেষ্টার জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ বলেন, সোমবার যশোরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের পর নিহতের ধর্মীয় পরিচয় সামনে এনে এবং তাকে সাংবাদিক হিসেবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে—এমন দাবি করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়। তিনি বলেন, এসব দাবি বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের ব্যাখ্যা
সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়, নড়াইলভিত্তিক দৈনিক বিডি খবর পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রানা প্রতাপ বৈরাগীকে যশোরের মণিরামপুর উপজেলায় গুলি করে হত্যা করা হয়। এ প্রসঙ্গে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পেশাগত পরিচয় বা ধর্মীয় পরিচয় এই হত্যাকাণ্ডের কারণ নয়।

তদন্তের অগ্রগতি
প্রেস সচিব বলেন, এই হত্যাকাণ্ডে একাধিক পক্ষের সম্পৃক্ততা রয়েছে এবং এটি পুরোনো রাজনৈতিক বিরোধের জের। ধর্ম বা সাংবাদিকতার সঙ্গে এর কোনো যোগ নেই। পুলিশ ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে এবং জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ করছে।
#রানা_প্রতাপ_বৈরাগী #যশোর #হত্যাকাণ্ড #সরকারি_বক্তব্য #গুজব #পুলিশি_তদন্ত
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















