০৯:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
ইরানের অস্থিরতায় বেইজিংয়ের সামনে কঠিন সমীকরণ চীন সফরের আগমুহূর্তে ধাক্কা, কানাডা থেকে আমদানি কমিয়ে দিল বেইজিং সাকস গ্লোবালের দেউলিয়া আবেদন, ঋণের ভারে নেমে এল মার্কিন বিলাসবহুল ফ্যাশনের বড় ধস জাপানের ইয়েন দেড় বছরের সর্বনিম্নে, নির্বাচনী জল্পনায় হস্তক্ষেপের আশঙ্কা ব্যাংক অব ইংল্যান্ডে সুদের হার কমার ইঙ্গিত, মূল্যস্ফীতি দুই শতাংশে নামার পথে ডলারভিত্তিক স্থিতিশীল মুদ্রায় যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প পরিবারের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পাকিস্তানের অংশীদারত্ব নিম্ন কার্বন প্রকল্পে বড় ধাক্কা, পাঁচ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ক্ষতির ইঙ্গিত বিএপির ইরান ঘিরে সরবরাহ শঙ্কায় টানা পঞ্চম দিনে ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম রায় বহাল, কুমিল্লা-৪ আসনে নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না মঞ্জুরুল গয়না খাতে ভ্যাট ও টার্নওভার কর সংস্কারের ইঙ্গিত এনবিআর চেয়ারম্যানের

ভেনেজুয়েলায় বন্দি মুক্তি দাবিতে বিভ্রান্তি ছড়াল রাষ্ট্র ও মানবাধিকার সংগঠনের মধ্যে

ভেনেজুয়েলার শীর্ষ আইন প্রণেতা বলেছেন সরকারের তথ্যমতে দেশব্যাপী বন্দি মুক্তির উদ্যোগে চারশো’রও বেশি মানুষ কারা থেকে মুক্ত হয়েছে, তবে স্বাধীন মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই সংখ্যাকে অনেক কম বলেছে। সরকার এমন সময় এই মুক্তির ঘোষণা দেয় যখন রাজনৈতিক নেতা ও আন্তর্জাতিক মনোযোগ এই দাবির পেছনে জোরদার চাপ সৃষ্টি করছে। সারাক্ষণ রিপোর্ট

মুক্তির দাবি ও বিরোধ
ভেনেজুয়েলার ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির সভাপতি জর্জ রদ্রিগেজ মঙ্গলবার জানান, সাম্প্রতিক বন্দি মুক্তির প্রক্রিয়ায় চারশো’রও বেশি মানুষ কারাগার থেকে ছাড়া হয়েছে, কিন্তু তিনি কখন তারা কারা থেকে বের হয় বা তাদের পরিচয় দেননি। তিনি বলেন এই বন্দিরা “রাজনৈতিক বন্দি নয়”, বরং যারা আইন ভঙ্গ করেছে এবং সংবিধান লঙ্ঘন করেছে তাদের ছাড়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রীয় ভাষণে। সরকারি এই তথ্যের প্রেক্ষাপটে বিরোধী নেতারা ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে আসলে এই সংখ্যা অনেক কম এবং বাস্তবে মাত্র পষট্ট থেকে সত্তরের মতো লোকই ছাড়া হয়েছে।

ভেনেজুয়েলায় মার্কিন বাহিনীর হামলা, জরুরি অবস্থা ঘোষণা

সরকারি ও সংগঠনের বিভিন্ন হিসাব
ভেনেজুয়েলার কারা প্রশাসন আগে জানিয়েছিল সোমবার পর্যন্ত একশত ষোল জন বন্দিকে ছাড়া হয়েছে। অন্যদিকে, ফরো পেনাল নামের একটি প্রধান স্থানীয় মানবাধিকার সংগঠন বলেছে বছরের শুরুতে অন্তত আটশোর বেশি রাজনৈতিক বন্দি কারাগারে ছিল এবং তারা ছাড়া হয়েছে বলে সরকারি দাবি যাচাই করতে পারছেনা। এই বিশাল পার্থক্য ও তথ্যের স্বচ্ছতার অভাব নিয়ে কৌতূহল ও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে দেশটিতে।

মার্কিন চাপের মুখে 'বিপুল সংখ্যক' বন্দি মুক্তি শুরু করলো ভেনেজুয়েলা

অপজিশন ও মানবাধিকার উদ্বেগ
অপজিশনের নেতা ও নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মারিয়া করিনা মাচাদো এই বন্দি মুক্তির দাবির অন্যতম প্রধান কণ্ঠস্বর। তিনি যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্টের সাথে সাক্ষাতের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং বন্দিদের মুক্তি এবং গণতন্ত্রের পথে অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি পরিবারগত ও অধিকার সংগঠনগুলো জনস্বার্থে অভিযোগ করেছে বন্দিদের সাথে নিষ্ঠুর আচরণ করা হচ্ছে, চিকিৎসা সেবা নাকচ করা হচ্ছে, একটিাকৌকাঠের মতো শাস্তি দেয়া হচ্ছে, আইনজীবী সঙ্গে যোগাযোগ সীমাবদ্ধ রাখা হচ্ছে এবং নির্যাতনের অভিযোগও উঠেছে। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতেই রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি নিয়ে দেশের ভিতরে ও বাইরে চাপ বাড়ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের অস্থিরতায় বেইজিংয়ের সামনে কঠিন সমীকরণ

ভেনেজুয়েলায় বন্দি মুক্তি দাবিতে বিভ্রান্তি ছড়াল রাষ্ট্র ও মানবাধিকার সংগঠনের মধ্যে

০৭:২০:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

ভেনেজুয়েলার শীর্ষ আইন প্রণেতা বলেছেন সরকারের তথ্যমতে দেশব্যাপী বন্দি মুক্তির উদ্যোগে চারশো’রও বেশি মানুষ কারা থেকে মুক্ত হয়েছে, তবে স্বাধীন মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই সংখ্যাকে অনেক কম বলেছে। সরকার এমন সময় এই মুক্তির ঘোষণা দেয় যখন রাজনৈতিক নেতা ও আন্তর্জাতিক মনোযোগ এই দাবির পেছনে জোরদার চাপ সৃষ্টি করছে। সারাক্ষণ রিপোর্ট

মুক্তির দাবি ও বিরোধ
ভেনেজুয়েলার ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির সভাপতি জর্জ রদ্রিগেজ মঙ্গলবার জানান, সাম্প্রতিক বন্দি মুক্তির প্রক্রিয়ায় চারশো’রও বেশি মানুষ কারাগার থেকে ছাড়া হয়েছে, কিন্তু তিনি কখন তারা কারা থেকে বের হয় বা তাদের পরিচয় দেননি। তিনি বলেন এই বন্দিরা “রাজনৈতিক বন্দি নয়”, বরং যারা আইন ভঙ্গ করেছে এবং সংবিধান লঙ্ঘন করেছে তাদের ছাড়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রীয় ভাষণে। সরকারি এই তথ্যের প্রেক্ষাপটে বিরোধী নেতারা ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে আসলে এই সংখ্যা অনেক কম এবং বাস্তবে মাত্র পষট্ট থেকে সত্তরের মতো লোকই ছাড়া হয়েছে।

ভেনেজুয়েলায় মার্কিন বাহিনীর হামলা, জরুরি অবস্থা ঘোষণা

সরকারি ও সংগঠনের বিভিন্ন হিসাব
ভেনেজুয়েলার কারা প্রশাসন আগে জানিয়েছিল সোমবার পর্যন্ত একশত ষোল জন বন্দিকে ছাড়া হয়েছে। অন্যদিকে, ফরো পেনাল নামের একটি প্রধান স্থানীয় মানবাধিকার সংগঠন বলেছে বছরের শুরুতে অন্তত আটশোর বেশি রাজনৈতিক বন্দি কারাগারে ছিল এবং তারা ছাড়া হয়েছে বলে সরকারি দাবি যাচাই করতে পারছেনা। এই বিশাল পার্থক্য ও তথ্যের স্বচ্ছতার অভাব নিয়ে কৌতূহল ও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে দেশটিতে।

মার্কিন চাপের মুখে 'বিপুল সংখ্যক' বন্দি মুক্তি শুরু করলো ভেনেজুয়েলা

অপজিশন ও মানবাধিকার উদ্বেগ
অপজিশনের নেতা ও নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মারিয়া করিনা মাচাদো এই বন্দি মুক্তির দাবির অন্যতম প্রধান কণ্ঠস্বর। তিনি যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্টের সাথে সাক্ষাতের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং বন্দিদের মুক্তি এবং গণতন্ত্রের পথে অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি পরিবারগত ও অধিকার সংগঠনগুলো জনস্বার্থে অভিযোগ করেছে বন্দিদের সাথে নিষ্ঠুর আচরণ করা হচ্ছে, চিকিৎসা সেবা নাকচ করা হচ্ছে, একটিাকৌকাঠের মতো শাস্তি দেয়া হচ্ছে, আইনজীবী সঙ্গে যোগাযোগ সীমাবদ্ধ রাখা হচ্ছে এবং নির্যাতনের অভিযোগও উঠেছে। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতেই রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি নিয়ে দেশের ভিতরে ও বাইরে চাপ বাড়ছে।