০৯:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
ইরানের অস্থিরতায় বেইজিংয়ের সামনে কঠিন সমীকরণ চীন সফরের আগমুহূর্তে ধাক্কা, কানাডা থেকে আমদানি কমিয়ে দিল বেইজিং সাকস গ্লোবালের দেউলিয়া আবেদন, ঋণের ভারে নেমে এল মার্কিন বিলাসবহুল ফ্যাশনের বড় ধস জাপানের ইয়েন দেড় বছরের সর্বনিম্নে, নির্বাচনী জল্পনায় হস্তক্ষেপের আশঙ্কা ব্যাংক অব ইংল্যান্ডে সুদের হার কমার ইঙ্গিত, মূল্যস্ফীতি দুই শতাংশে নামার পথে ডলারভিত্তিক স্থিতিশীল মুদ্রায় যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প পরিবারের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পাকিস্তানের অংশীদারত্ব নিম্ন কার্বন প্রকল্পে বড় ধাক্কা, পাঁচ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ক্ষতির ইঙ্গিত বিএপির ইরান ঘিরে সরবরাহ শঙ্কায় টানা পঞ্চম দিনে ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম রায় বহাল, কুমিল্লা-৪ আসনে নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না মঞ্জুরুল গয়না খাতে ভ্যাট ও টার্নওভার কর সংস্কারের ইঙ্গিত এনবিআর চেয়ারম্যানের

ইসরায়েলি অর্থে পরিচালিত দলে থাকা অসম্ভব: রেজা কিবরিয়া

গণ অধিকার পরিষদ ছাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ড. রেজা কিবরিয়া বলেছেন, যে দল ইসরায়েলিদের অর্থে পরিচালিত হয়, সেখানে তার পক্ষে থাকা সম্ভব নয়। একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে দেওয়া সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

দল ছাড়ার পেছনের অবস্থান
সাক্ষাৎকারে রেজা কিবরিয়া স্পষ্ট করে বলেন, আদর্শগত কারণেই তিনি গণ অধিকার পরিষদে থাকতে পারেননি। তার ভাষায়, ইসরায়েলি অর্থ বা প্রভাবের সঙ্গে যুক্ত কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে তিনি নিজেকে একাত্ম করতে পারেন না।

একাধিক দল বদলের ব্যাখ্যা
বিভিন্ন সময়ে দল পরিবর্তনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, শুরুতে তিনি গণফোরামের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে সেখানে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও মতবিরোধ ক্রমেই তীব্র হয়ে ওঠে। বিশেষ করে সংসদে যোগ দেওয়া বা বর্জন করা নিয়ে দল দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এক পক্ষ সংসদ বর্জনের পক্ষে, অন্য পক্ষ সংসদে যোগ দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নেয়। এই বিভক্তির কারণেই তিনি দলটিতে আর থাকতে পারেননি।

গণ অধিকার পরিষদে যোগ দেওয়ার পেছনের কারণ
গণ অধিকার পরিষদে যোগ দেওয়ার বিষয়ে রেজা কিবরিয়া বলেন, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর প্রতি তার গভীর শ্রদ্ধা ছিল। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর অনুরোধেই তিনি ওই দলে যোগ দেন। কিছুদিন সেখানে থাকলেও পরবর্তীতে তিনি বুঝতে পারেন, এই দলে তার থাকার কোনো সুযোগ নেই।

ইসরায়েলি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ
রেজা কিবরিয়া জানান, শুরুতে তিনি এসব বিষয় সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। পরবর্তীতে দলের একটি বৈঠক সংক্রান্ত তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। এরপর ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত প্রকাশ্যে বলেন, নূরুল হক নূরের সঙ্গে তিনটি স্থানে মোসাদের বৈঠক হয়েছে। এসব তথ্য সামনে আসার পরই বিষয়টি সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত হন এবং তখনই দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন।

রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট
সাক্ষাৎকারে রেজা কিবরিয়া জোর দিয়ে বলেন, নৈতিকতা ও আদর্শের প্রশ্নে তিনি কোনো আপস করতে রাজি নন। ইসরায়েলি অর্থ বা প্রভাবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তার পথচলা সম্ভব নয় বলেই তিনি গণ অধিকার পরিষদ থেকে সরে আসেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের অস্থিরতায় বেইজিংয়ের সামনে কঠিন সমীকরণ

ইসরায়েলি অর্থে পরিচালিত দলে থাকা অসম্ভব: রেজা কিবরিয়া

০৭:৩২:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

গণ অধিকার পরিষদ ছাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ড. রেজা কিবরিয়া বলেছেন, যে দল ইসরায়েলিদের অর্থে পরিচালিত হয়, সেখানে তার পক্ষে থাকা সম্ভব নয়। একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে দেওয়া সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

দল ছাড়ার পেছনের অবস্থান
সাক্ষাৎকারে রেজা কিবরিয়া স্পষ্ট করে বলেন, আদর্শগত কারণেই তিনি গণ অধিকার পরিষদে থাকতে পারেননি। তার ভাষায়, ইসরায়েলি অর্থ বা প্রভাবের সঙ্গে যুক্ত কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে তিনি নিজেকে একাত্ম করতে পারেন না।

একাধিক দল বদলের ব্যাখ্যা
বিভিন্ন সময়ে দল পরিবর্তনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, শুরুতে তিনি গণফোরামের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে সেখানে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও মতবিরোধ ক্রমেই তীব্র হয়ে ওঠে। বিশেষ করে সংসদে যোগ দেওয়া বা বর্জন করা নিয়ে দল দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এক পক্ষ সংসদ বর্জনের পক্ষে, অন্য পক্ষ সংসদে যোগ দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নেয়। এই বিভক্তির কারণেই তিনি দলটিতে আর থাকতে পারেননি।

গণ অধিকার পরিষদে যোগ দেওয়ার পেছনের কারণ
গণ অধিকার পরিষদে যোগ দেওয়ার বিষয়ে রেজা কিবরিয়া বলেন, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর প্রতি তার গভীর শ্রদ্ধা ছিল। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর অনুরোধেই তিনি ওই দলে যোগ দেন। কিছুদিন সেখানে থাকলেও পরবর্তীতে তিনি বুঝতে পারেন, এই দলে তার থাকার কোনো সুযোগ নেই।

ইসরায়েলি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ
রেজা কিবরিয়া জানান, শুরুতে তিনি এসব বিষয় সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। পরবর্তীতে দলের একটি বৈঠক সংক্রান্ত তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। এরপর ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত প্রকাশ্যে বলেন, নূরুল হক নূরের সঙ্গে তিনটি স্থানে মোসাদের বৈঠক হয়েছে। এসব তথ্য সামনে আসার পরই বিষয়টি সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত হন এবং তখনই দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন।

রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট
সাক্ষাৎকারে রেজা কিবরিয়া জোর দিয়ে বলেন, নৈতিকতা ও আদর্শের প্রশ্নে তিনি কোনো আপস করতে রাজি নন। ইসরায়েলি অর্থ বা প্রভাবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তার পথচলা সম্ভব নয় বলেই তিনি গণ অধিকার পরিষদ থেকে সরে আসেন।