০৫:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যুক্তরাজ্যের ঋণ বেড়ে চাপে চ্যান্সেলর, বাজেটের আর্থিক সুযোগ কমছে তাইওয়ান ইস্যুতে ট্রাম্পকে চাপ দেবেন শি, ১৯৮২ সালের চুক্তির দোহাইয়ে অস্ত্র বিক্রি বন্ধের দাবি ভারতে ইউপিআইয়ে নতুন ফি, আরও শক্তিশালী হবে PhonePe-গুগল পে নাইজেরিয়ায় হেফাজতে ৩৭ খনি শ্রমিকের মৃত্যু, বেঁচে ফেরাদের ভয়াবহ বর্ণনা ট্রাম্প-শি বৈঠকে তিন ‘টি’: বাণিজ্যে সামান্য অগ্রগতি, তাইওয়ানে অনড়তা, প্রযুক্তিতে অনিশ্চয়তা সৌদি আরবকে হুথি হামলা ঠেকাতে সামরিক সহায়তা দেবে ব্রিটেন, জ্বালানি সংকটের শঙ্কা নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার হচ্ছেন পররাষ্ট্র সচিব সিয়াম পাটওয়ারীকে রিমান্ডে নিলেই বের হবে বাসে ককটেল-আগুনের নেপথ্যে কারা: রাশেদ খাঁন ব্যয় সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর সংক্ষিপ্ত: তথ্য উপদেষ্টা চট্টগ্রামে ৮ হাজারের পথে হাম রোগী, নেই স্থানীয় পরীক্ষার ব্যবস্থা

ইসরায়েলি অর্থে পরিচালিত দলে থাকা অসম্ভব: রেজা কিবরিয়া

গণ অধিকার পরিষদ ছাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ড. রেজা কিবরিয়া বলেছেন, যে দল ইসরায়েলিদের অর্থে পরিচালিত হয়, সেখানে তার পক্ষে থাকা সম্ভব নয়। একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে দেওয়া সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

দল ছাড়ার পেছনের অবস্থান
সাক্ষাৎকারে রেজা কিবরিয়া স্পষ্ট করে বলেন, আদর্শগত কারণেই তিনি গণ অধিকার পরিষদে থাকতে পারেননি। তার ভাষায়, ইসরায়েলি অর্থ বা প্রভাবের সঙ্গে যুক্ত কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে তিনি নিজেকে একাত্ম করতে পারেন না।

একাধিক দল বদলের ব্যাখ্যা
বিভিন্ন সময়ে দল পরিবর্তনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, শুরুতে তিনি গণফোরামের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে সেখানে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও মতবিরোধ ক্রমেই তীব্র হয়ে ওঠে। বিশেষ করে সংসদে যোগ দেওয়া বা বর্জন করা নিয়ে দল দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এক পক্ষ সংসদ বর্জনের পক্ষে, অন্য পক্ষ সংসদে যোগ দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নেয়। এই বিভক্তির কারণেই তিনি দলটিতে আর থাকতে পারেননি।

গণ অধিকার পরিষদে যোগ দেওয়ার পেছনের কারণ
গণ অধিকার পরিষদে যোগ দেওয়ার বিষয়ে রেজা কিবরিয়া বলেন, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর প্রতি তার গভীর শ্রদ্ধা ছিল। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর অনুরোধেই তিনি ওই দলে যোগ দেন। কিছুদিন সেখানে থাকলেও পরবর্তীতে তিনি বুঝতে পারেন, এই দলে তার থাকার কোনো সুযোগ নেই।

ইসরায়েলি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ
রেজা কিবরিয়া জানান, শুরুতে তিনি এসব বিষয় সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। পরবর্তীতে দলের একটি বৈঠক সংক্রান্ত তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। এরপর ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত প্রকাশ্যে বলেন, নূরুল হক নূরের সঙ্গে তিনটি স্থানে মোসাদের বৈঠক হয়েছে। এসব তথ্য সামনে আসার পরই বিষয়টি সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত হন এবং তখনই দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন।

রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট
সাক্ষাৎকারে রেজা কিবরিয়া জোর দিয়ে বলেন, নৈতিকতা ও আদর্শের প্রশ্নে তিনি কোনো আপস করতে রাজি নন। ইসরায়েলি অর্থ বা প্রভাবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তার পথচলা সম্ভব নয় বলেই তিনি গণ অধিকার পরিষদ থেকে সরে আসেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাজ্যের ঋণ বেড়ে চাপে চ্যান্সেলর, বাজেটের আর্থিক সুযোগ কমছে

ইসরায়েলি অর্থে পরিচালিত দলে থাকা অসম্ভব: রেজা কিবরিয়া

০৭:৩২:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

গণ অধিকার পরিষদ ছাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ড. রেজা কিবরিয়া বলেছেন, যে দল ইসরায়েলিদের অর্থে পরিচালিত হয়, সেখানে তার পক্ষে থাকা সম্ভব নয়। একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে দেওয়া সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

দল ছাড়ার পেছনের অবস্থান
সাক্ষাৎকারে রেজা কিবরিয়া স্পষ্ট করে বলেন, আদর্শগত কারণেই তিনি গণ অধিকার পরিষদে থাকতে পারেননি। তার ভাষায়, ইসরায়েলি অর্থ বা প্রভাবের সঙ্গে যুক্ত কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে তিনি নিজেকে একাত্ম করতে পারেন না।

একাধিক দল বদলের ব্যাখ্যা
বিভিন্ন সময়ে দল পরিবর্তনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, শুরুতে তিনি গণফোরামের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে সেখানে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও মতবিরোধ ক্রমেই তীব্র হয়ে ওঠে। বিশেষ করে সংসদে যোগ দেওয়া বা বর্জন করা নিয়ে দল দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এক পক্ষ সংসদ বর্জনের পক্ষে, অন্য পক্ষ সংসদে যোগ দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নেয়। এই বিভক্তির কারণেই তিনি দলটিতে আর থাকতে পারেননি।

গণ অধিকার পরিষদে যোগ দেওয়ার পেছনের কারণ
গণ অধিকার পরিষদে যোগ দেওয়ার বিষয়ে রেজা কিবরিয়া বলেন, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর প্রতি তার গভীর শ্রদ্ধা ছিল। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর অনুরোধেই তিনি ওই দলে যোগ দেন। কিছুদিন সেখানে থাকলেও পরবর্তীতে তিনি বুঝতে পারেন, এই দলে তার থাকার কোনো সুযোগ নেই।

ইসরায়েলি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ
রেজা কিবরিয়া জানান, শুরুতে তিনি এসব বিষয় সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। পরবর্তীতে দলের একটি বৈঠক সংক্রান্ত তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। এরপর ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত প্রকাশ্যে বলেন, নূরুল হক নূরের সঙ্গে তিনটি স্থানে মোসাদের বৈঠক হয়েছে। এসব তথ্য সামনে আসার পরই বিষয়টি সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত হন এবং তখনই দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন।

রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট
সাক্ষাৎকারে রেজা কিবরিয়া জোর দিয়ে বলেন, নৈতিকতা ও আদর্শের প্রশ্নে তিনি কোনো আপস করতে রাজি নন। ইসরায়েলি অর্থ বা প্রভাবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তার পথচলা সম্ভব নয় বলেই তিনি গণ অধিকার পরিষদ থেকে সরে আসেন।