০২:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬
রাজধানীতে সিএনজি সংকট: পাম্পে গ্যাসের চাপ কমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে চালকরা, দুর্ভোগে যাত্রীরা বিমানের ওয়েবসাইটে ‘অনটাইম’, বাস্তবে ২২ ঘণ্টা বিলম্ব: সিলেট-জেদ্দা ফ্লাইটে ৮ শতাধিক যাত্রীর দুর্ভোগ বিদ্যুৎ বিল অস্বাভাবিক বৃদ্ধির অভিযোগ, বিষয়টি আমলে নেওয়ার আহ্বান আজহারির ঢাকা ক্লাবের ১৪০ বছরের ঐতিহ্যবাহী মেইন লাউঞ্জ ঝুঁকিতে, জরুরি প্রকৌশল মূল্যায়নের তাগিদ ৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই, সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় ডিএমপি ব্যাংক এশিয়ার অনুমোদিত মূলধন দ্বিগুণ, বেড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা প্রতিবন্ধী সেবার অধিকার সংকুচিত হওয়ার শঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে সিদ্ধান্ত বদলের আহ্বান খেলনা গাড়ির চাকার হুইলচেয়ারে নতুন জীবন পেল আহত বিড়ালছানা জেলাটো কাবেরীর পানি নিয়ে আবারও সুপ্রিম কোর্টে তামিলনাড়ু, কর্ণাটকের বিরুদ্ধে আদেশ অমান্যের অভিযোগ এয়ার ইন্ডিয়ার উড়োজাহাজ মাঝআকাশে ৩০০ ফুট নিচে নেমে গেল কেন? বর্ষার আকাশে টার্বুলেন্সের ঝুঁকি ব্যাখ্যা

ইসরায়েলি অর্থে পরিচালিত দলে থাকা অসম্ভব: রেজা কিবরিয়া

গণ অধিকার পরিষদ ছাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ড. রেজা কিবরিয়া বলেছেন, যে দল ইসরায়েলিদের অর্থে পরিচালিত হয়, সেখানে তার পক্ষে থাকা সম্ভব নয়। একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে দেওয়া সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

দল ছাড়ার পেছনের অবস্থান
সাক্ষাৎকারে রেজা কিবরিয়া স্পষ্ট করে বলেন, আদর্শগত কারণেই তিনি গণ অধিকার পরিষদে থাকতে পারেননি। তার ভাষায়, ইসরায়েলি অর্থ বা প্রভাবের সঙ্গে যুক্ত কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে তিনি নিজেকে একাত্ম করতে পারেন না।

একাধিক দল বদলের ব্যাখ্যা
বিভিন্ন সময়ে দল পরিবর্তনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, শুরুতে তিনি গণফোরামের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে সেখানে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও মতবিরোধ ক্রমেই তীব্র হয়ে ওঠে। বিশেষ করে সংসদে যোগ দেওয়া বা বর্জন করা নিয়ে দল দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এক পক্ষ সংসদ বর্জনের পক্ষে, অন্য পক্ষ সংসদে যোগ দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নেয়। এই বিভক্তির কারণেই তিনি দলটিতে আর থাকতে পারেননি।

গণ অধিকার পরিষদে যোগ দেওয়ার পেছনের কারণ
গণ অধিকার পরিষদে যোগ দেওয়ার বিষয়ে রেজা কিবরিয়া বলেন, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর প্রতি তার গভীর শ্রদ্ধা ছিল। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর অনুরোধেই তিনি ওই দলে যোগ দেন। কিছুদিন সেখানে থাকলেও পরবর্তীতে তিনি বুঝতে পারেন, এই দলে তার থাকার কোনো সুযোগ নেই।

ইসরায়েলি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ
রেজা কিবরিয়া জানান, শুরুতে তিনি এসব বিষয় সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। পরবর্তীতে দলের একটি বৈঠক সংক্রান্ত তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। এরপর ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত প্রকাশ্যে বলেন, নূরুল হক নূরের সঙ্গে তিনটি স্থানে মোসাদের বৈঠক হয়েছে। এসব তথ্য সামনে আসার পরই বিষয়টি সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত হন এবং তখনই দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন।

রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট
সাক্ষাৎকারে রেজা কিবরিয়া জোর দিয়ে বলেন, নৈতিকতা ও আদর্শের প্রশ্নে তিনি কোনো আপস করতে রাজি নন। ইসরায়েলি অর্থ বা প্রভাবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তার পথচলা সম্ভব নয় বলেই তিনি গণ অধিকার পরিষদ থেকে সরে আসেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে সিএনজি সংকট: পাম্পে গ্যাসের চাপ কমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে চালকরা, দুর্ভোগে যাত্রীরা

ইসরায়েলি অর্থে পরিচালিত দলে থাকা অসম্ভব: রেজা কিবরিয়া

০৭:৩২:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

গণ অধিকার পরিষদ ছাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ড. রেজা কিবরিয়া বলেছেন, যে দল ইসরায়েলিদের অর্থে পরিচালিত হয়, সেখানে তার পক্ষে থাকা সম্ভব নয়। একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে দেওয়া সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

দল ছাড়ার পেছনের অবস্থান
সাক্ষাৎকারে রেজা কিবরিয়া স্পষ্ট করে বলেন, আদর্শগত কারণেই তিনি গণ অধিকার পরিষদে থাকতে পারেননি। তার ভাষায়, ইসরায়েলি অর্থ বা প্রভাবের সঙ্গে যুক্ত কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে তিনি নিজেকে একাত্ম করতে পারেন না।

একাধিক দল বদলের ব্যাখ্যা
বিভিন্ন সময়ে দল পরিবর্তনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, শুরুতে তিনি গণফোরামের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে সেখানে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও মতবিরোধ ক্রমেই তীব্র হয়ে ওঠে। বিশেষ করে সংসদে যোগ দেওয়া বা বর্জন করা নিয়ে দল দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এক পক্ষ সংসদ বর্জনের পক্ষে, অন্য পক্ষ সংসদে যোগ দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নেয়। এই বিভক্তির কারণেই তিনি দলটিতে আর থাকতে পারেননি।

গণ অধিকার পরিষদে যোগ দেওয়ার পেছনের কারণ
গণ অধিকার পরিষদে যোগ দেওয়ার বিষয়ে রেজা কিবরিয়া বলেন, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর প্রতি তার গভীর শ্রদ্ধা ছিল। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর অনুরোধেই তিনি ওই দলে যোগ দেন। কিছুদিন সেখানে থাকলেও পরবর্তীতে তিনি বুঝতে পারেন, এই দলে তার থাকার কোনো সুযোগ নেই।

ইসরায়েলি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ
রেজা কিবরিয়া জানান, শুরুতে তিনি এসব বিষয় সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। পরবর্তীতে দলের একটি বৈঠক সংক্রান্ত তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। এরপর ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত প্রকাশ্যে বলেন, নূরুল হক নূরের সঙ্গে তিনটি স্থানে মোসাদের বৈঠক হয়েছে। এসব তথ্য সামনে আসার পরই বিষয়টি সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত হন এবং তখনই দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন।

রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট
সাক্ষাৎকারে রেজা কিবরিয়া জোর দিয়ে বলেন, নৈতিকতা ও আদর্শের প্রশ্নে তিনি কোনো আপস করতে রাজি নন। ইসরায়েলি অর্থ বা প্রভাবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তার পথচলা সম্ভব নয় বলেই তিনি গণ অধিকার পরিষদ থেকে সরে আসেন।