০৫:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: টাইমস অব ইন্ডিয়া বলছে, ভেন্যু বিরোধে বাংলাদেশের পাশে পাকিস্তান—আইসিসিতে চিঠি  নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকায় ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবার ফেরানোর সিদ্ধান্ত ওসমান হাদির বিচার নিয়ে স্ত্রীর ক্ষোভ ও প্রশ্ন ছোট শিশুরাও হাঁস হাঁস বলে স্লোগান দিচ্ছে: রুমিন ফারহানা তারেক রহমান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ভেঙেছেন: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ময়মনসিংহে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত মসজিদ কর্মীদের জন্য বেতন কাঠামো ও সুবিধা চালু, গেজেট প্রকাশ ভুটানসহ যোগ্য দেশগুলোর জন্য ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধা বহাল রাখছে বাংলাদেশ চট্টগ্রাম রুটে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়াল নভোএয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত ছয় ব্যাংক ডুবছে দেড় লাখ কোটি টাকার মন্দ ঋণে

চীনের নতুন এইচ-৬জে সামুদ্রিক স্ট্রাইক বোমারু: নজরদারি বাড়ল, পাল্লা দীর্ঘ হলো, দায়িত্বও বিস্তৃত

চীনের এইচ-৬জে সামুদ্রিক স্ট্রাইক বোমারু বিমান নতুন দুটি রিকনেসান্স পড যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে আগের তুলনায় অনেক বেশি সক্ষম হয়ে উঠেছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সংযোজন একদিকে যেমন দীর্ঘ পাল্লার হামলা সক্ষমতা বাড়িয়েছে, তেমনি শান্তিকালীন সমুদ্র নজরদারিতেও বিমানটিকে আরও কার্যকর করেছে।

রিকনেসান্স পডে বাড়তি দৃষ্টি
পিপলস লিবারেশন আর্মির একটি বোমারু ইউনিটের সদস্য হিসেবে পরিচিত চাই সুলিয়াং রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভিতে সম্প্রচারিত এক অনুষ্ঠানে জানান, বাহ্যিক গঠনের দিক থেকে এইচ-৬জে মূলত এইচ-৬কে সংস্করণের মতোই। তবে পার্থক্য গড়ে দিয়েছে অতিরিক্ত রিকনেসান্স পড। তাঁর ভাষায়, এটি যেন বোমারু বিমানের জন্য বাড়তি এক জোড়া চোখ, যা সমুদ্রে অনেক দূরের লক্ষ্যবস্তু এবং বিস্তৃত এলাকা স্পষ্টভাবে শনাক্ত করতে সক্ষম।

China military: PLA sends H-6K bomber on long-range joint drill over South China  Sea | South China Morning Post

এইচ-৬জের নৌ-ভিত্তিক ভূমিকা
এইচ-৬জে মূলত পিএলএ বিমানবাহিনীর এইচ-৬কে বোমারুর নৌ-সংস্করণ। এর প্রধান কাজ জাহাজবিধ্বংসী হামলা চালানো, যা তাইওয়ানকে ঘিরে সম্ভাব্য সংঘাতসহ বিভিন্ন পরিস্থিতিতে শত্রু নৌযানকে নিরুৎসাহিত করার কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

দীর্ঘদিনের ব্যবহারে নতুন সক্ষমতা
এইচ-৬ সিরিজের এই সাম্প্রতিক সংস্করণটি অন্তত পাঁচ বছর ধরে চীনা বাহিনীতে ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে নতুন প্রযুক্তি সংযোজনের ফলে এর কার্যপরিধি ও দায়িত্ব আরও বিস্তৃত হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা

Xian H-6K : r/Planes

দক্ষিণ চীন সাগরে মহড়াসাম্প্রতিক বছরগুলোতে এইচ-৬জে দক্ষিণ চীন সাগরে একাধিক প্রশিক্ষণ মহড়ায় অংশ নিয়েছে। এই অঞ্চলটি এমন একটি এলাকা, যেখানে চীনের ভূখণ্ডগত দাবির সঙ্গে ফিলিপাইনসহ কয়েকটি প্রতিবেশী দেশের দাবি সংঘর্ষে জড়িয়েছে। এসব মহড়ার মাধ্যমে চীন তার সামুদ্রিক সক্ষমতা ও উপস্থিতি জোরালোভাবে তুলে ধরছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: টাইমস অব ইন্ডিয়া বলছে, ভেন্যু বিরোধে বাংলাদেশের পাশে পাকিস্তান—আইসিসিতে চিঠি

চীনের নতুন এইচ-৬জে সামুদ্রিক স্ট্রাইক বোমারু: নজরদারি বাড়ল, পাল্লা দীর্ঘ হলো, দায়িত্বও বিস্তৃত

০৩:১২:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

চীনের এইচ-৬জে সামুদ্রিক স্ট্রাইক বোমারু বিমান নতুন দুটি রিকনেসান্স পড যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে আগের তুলনায় অনেক বেশি সক্ষম হয়ে উঠেছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সংযোজন একদিকে যেমন দীর্ঘ পাল্লার হামলা সক্ষমতা বাড়িয়েছে, তেমনি শান্তিকালীন সমুদ্র নজরদারিতেও বিমানটিকে আরও কার্যকর করেছে।

রিকনেসান্স পডে বাড়তি দৃষ্টি
পিপলস লিবারেশন আর্মির একটি বোমারু ইউনিটের সদস্য হিসেবে পরিচিত চাই সুলিয়াং রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভিতে সম্প্রচারিত এক অনুষ্ঠানে জানান, বাহ্যিক গঠনের দিক থেকে এইচ-৬জে মূলত এইচ-৬কে সংস্করণের মতোই। তবে পার্থক্য গড়ে দিয়েছে অতিরিক্ত রিকনেসান্স পড। তাঁর ভাষায়, এটি যেন বোমারু বিমানের জন্য বাড়তি এক জোড়া চোখ, যা সমুদ্রে অনেক দূরের লক্ষ্যবস্তু এবং বিস্তৃত এলাকা স্পষ্টভাবে শনাক্ত করতে সক্ষম।

China military: PLA sends H-6K bomber on long-range joint drill over South China  Sea | South China Morning Post

এইচ-৬জের নৌ-ভিত্তিক ভূমিকা
এইচ-৬জে মূলত পিএলএ বিমানবাহিনীর এইচ-৬কে বোমারুর নৌ-সংস্করণ। এর প্রধান কাজ জাহাজবিধ্বংসী হামলা চালানো, যা তাইওয়ানকে ঘিরে সম্ভাব্য সংঘাতসহ বিভিন্ন পরিস্থিতিতে শত্রু নৌযানকে নিরুৎসাহিত করার কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

দীর্ঘদিনের ব্যবহারে নতুন সক্ষমতা
এইচ-৬ সিরিজের এই সাম্প্রতিক সংস্করণটি অন্তত পাঁচ বছর ধরে চীনা বাহিনীতে ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে নতুন প্রযুক্তি সংযোজনের ফলে এর কার্যপরিধি ও দায়িত্ব আরও বিস্তৃত হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা

Xian H-6K : r/Planes

দক্ষিণ চীন সাগরে মহড়াসাম্প্রতিক বছরগুলোতে এইচ-৬জে দক্ষিণ চীন সাগরে একাধিক প্রশিক্ষণ মহড়ায় অংশ নিয়েছে। এই অঞ্চলটি এমন একটি এলাকা, যেখানে চীনের ভূখণ্ডগত দাবির সঙ্গে ফিলিপাইনসহ কয়েকটি প্রতিবেশী দেশের দাবি সংঘর্ষে জড়িয়েছে। এসব মহড়ার মাধ্যমে চীন তার সামুদ্রিক সক্ষমতা ও উপস্থিতি জোরালোভাবে তুলে ধরছে।