চীনের এইচ-৬জে সামুদ্রিক স্ট্রাইক বোমারু বিমান নতুন দুটি রিকনেসান্স পড যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে আগের তুলনায় অনেক বেশি সক্ষম হয়ে উঠেছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সংযোজন একদিকে যেমন দীর্ঘ পাল্লার হামলা সক্ষমতা বাড়িয়েছে, তেমনি শান্তিকালীন সমুদ্র নজরদারিতেও বিমানটিকে আরও কার্যকর করেছে।
রিকনেসান্স পডে বাড়তি দৃষ্টি
পিপলস লিবারেশন আর্মির একটি বোমারু ইউনিটের সদস্য হিসেবে পরিচিত চাই সুলিয়াং রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভিতে সম্প্রচারিত এক অনুষ্ঠানে জানান, বাহ্যিক গঠনের দিক থেকে এইচ-৬জে মূলত এইচ-৬কে সংস্করণের মতোই। তবে পার্থক্য গড়ে দিয়েছে অতিরিক্ত রিকনেসান্স পড। তাঁর ভাষায়, এটি যেন বোমারু বিমানের জন্য বাড়তি এক জোড়া চোখ, যা সমুদ্রে অনেক দূরের লক্ষ্যবস্তু এবং বিস্তৃত এলাকা স্পষ্টভাবে শনাক্ত করতে সক্ষম।

এইচ-৬জের নৌ-ভিত্তিক ভূমিকা
এইচ-৬জে মূলত পিএলএ বিমানবাহিনীর এইচ-৬কে বোমারুর নৌ-সংস্করণ। এর প্রধান কাজ জাহাজবিধ্বংসী হামলা চালানো, যা তাইওয়ানকে ঘিরে সম্ভাব্য সংঘাতসহ বিভিন্ন পরিস্থিতিতে শত্রু নৌযানকে নিরুৎসাহিত করার কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
দীর্ঘদিনের ব্যবহারে নতুন সক্ষমতা
এইচ-৬ সিরিজের এই সাম্প্রতিক সংস্করণটি অন্তত পাঁচ বছর ধরে চীনা বাহিনীতে ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে নতুন প্রযুক্তি সংযোজনের ফলে এর কার্যপরিধি ও দায়িত্ব আরও বিস্তৃত হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা

দক্ষিণ চীন সাগরে মহড়াসাম্প্রতিক বছরগুলোতে এইচ-৬জে দক্ষিণ চীন সাগরে একাধিক প্রশিক্ষণ মহড়ায় অংশ নিয়েছে। এই অঞ্চলটি এমন একটি এলাকা, যেখানে চীনের ভূখণ্ডগত দাবির সঙ্গে ফিলিপাইনসহ কয়েকটি প্রতিবেশী দেশের দাবি সংঘর্ষে জড়িয়েছে। এসব মহড়ার মাধ্যমে চীন তার সামুদ্রিক সক্ষমতা ও উপস্থিতি জোরালোভাবে তুলে ধরছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















