০২:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
দিল্লি চলচ্চিত্র উৎসবে ‘মিনার-ই-দিল্লি’ সম্মানে রুনা লায়লা, মঞ্চ কাঁপালেন উষা উত্থুপের সঙ্গে দ্বৈত পরিবেশনায় আরাকান আর্মির প্রধান তুয়ান ম্রাত নাইং: মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে আলোচনা, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে খোলামেলা সাক্ষাৎকার বড় পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রে আবার উৎপাদন বন্ধ  ৪৭ আসনে জয়ের ব্যবধান ছাড়িয়েছে বাদ পড়া ভোটার—বঙ্গের ফলাফলে এসআইআর নিয়ে নতুন প্রশ্ন ভারতে প্রথমবার তরুণ ভোটারদের জোয়ারে বদলের বার্তা- নতুন রাজনৈতিক সংকেত পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের কৌশল: অঞ্চলভিত্তিক পরিকল্পনা, ইস্যুভিত্তিক লড়াই হিমন্ত বিশ্ব শর্মা: উত্তর-পূর্বে বিজেপির উত্থানের মুখ, টানা তৃতীয় জয়ে আরও শক্ত অবস্থান পশ্চিমবঙ্গের ‘ঝালমুড়ি’ রাজনীতি মমতা: শেষ অধ্যায়, নাকি ফিনিক্সের মতো নতুন করে উত্থান? মেট গালার আগে ঝলমলে আভাস, নিউইয়র্কে জোয়ি ক্রাভিৎসের স্বচ্ছ পোশাক আর বাগদানের আংটি নজর কাড়ল

ছোট শিশুরাও হাঁস হাঁস বলে স্লোগান দিচ্ছে: রুমিন ফারহানা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নির্বাচনে তার জন্য বরাদ্দ হয়েছে হাঁস প্রতীক।

বুধবার ২১ জানুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জাহান আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে এই প্রতীক তুলে দেন।

প্রতীক পেয়ে অনুভূতির কথা জানালেন রুমিন ফারহানা

হাঁস চুরির চেষ্টা করলে ছাড় দেব না', প্রতীক পেয়ে ...

হাঁস প্রতীক পেয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় রুমিন ফারহানা সাংবাদিকদের জানান, তিনি তার ভোটার ও কর্মী-সমর্থকদের প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসেন। তাদের সমর্থন ও ভালোবাসাই তাকে আজ এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি বলেন, যখন তিনি নির্বাচনী এলাকায় যান, তখন ছোট ছোট শিশুরাও তাকে দেখে হাঁস মার্কা, আমাদের হাঁস মার্কা বলে স্লোগান দিতে থাকে। এই প্রতীক তার ব্যক্তিগত পরিচয়ের চেয়ে বেশি তার ভোটারদের আবেগ ও ভালোবাসার প্রতীক। তিনি জানান, একসময় তিনি নিজেও হাঁস পালন করতেন, ফলে প্রতীকটির সঙ্গে তার ব্যক্তিগত স্মৃতিও জড়িত।

নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে সতর্কবার্তা

নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়ে প্রশাসনের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, এই নির্বাচনে যেন কোনো ধরনের কালিমা না লাগে, সে জন্য প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

হাঁস প্রতীক পেলেন রুমিন ফারহানা

একই সঙ্গে তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিও আহ্বান জানান, বৃহত্তর স্বার্থে যেন তাদের নেতাকর্মীরা কোনো অসংলগ্ন আচরণ না করেন, আইন ভঙ্গ না করেন এবং অসভ্য আচরণ থেকে বিরত থাকেন। তার মতে, বড় রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্ব হবে নির্বাচনী মাঠে শৃঙ্খলা ও সৌহার্দ্য বজায় রাখা।

তিনি আরও বলেন, কোনো নির্বাচনী এলাকায় যদি অনিয়মের দাগ পড়ে, সেই দায় শেষ পর্যন্ত বড় দলগুলোকেই দীর্ঘদিন বহন করতে হবে। তাই সবার সম্মিলিত দায়িত্ব হলো একটি গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা।

জনপ্রিয় সংবাদ

দিল্লি চলচ্চিত্র উৎসবে ‘মিনার-ই-দিল্লি’ সম্মানে রুনা লায়লা, মঞ্চ কাঁপালেন উষা উত্থুপের সঙ্গে দ্বৈত পরিবেশনায়

ছোট শিশুরাও হাঁস হাঁস বলে স্লোগান দিচ্ছে: রুমিন ফারহানা

০৪:৫৫:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নির্বাচনে তার জন্য বরাদ্দ হয়েছে হাঁস প্রতীক।

বুধবার ২১ জানুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জাহান আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে এই প্রতীক তুলে দেন।

প্রতীক পেয়ে অনুভূতির কথা জানালেন রুমিন ফারহানা

হাঁস চুরির চেষ্টা করলে ছাড় দেব না', প্রতীক পেয়ে ...

হাঁস প্রতীক পেয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় রুমিন ফারহানা সাংবাদিকদের জানান, তিনি তার ভোটার ও কর্মী-সমর্থকদের প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসেন। তাদের সমর্থন ও ভালোবাসাই তাকে আজ এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি বলেন, যখন তিনি নির্বাচনী এলাকায় যান, তখন ছোট ছোট শিশুরাও তাকে দেখে হাঁস মার্কা, আমাদের হাঁস মার্কা বলে স্লোগান দিতে থাকে। এই প্রতীক তার ব্যক্তিগত পরিচয়ের চেয়ে বেশি তার ভোটারদের আবেগ ও ভালোবাসার প্রতীক। তিনি জানান, একসময় তিনি নিজেও হাঁস পালন করতেন, ফলে প্রতীকটির সঙ্গে তার ব্যক্তিগত স্মৃতিও জড়িত।

নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে সতর্কবার্তা

নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়ে প্রশাসনের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, এই নির্বাচনে যেন কোনো ধরনের কালিমা না লাগে, সে জন্য প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

হাঁস প্রতীক পেলেন রুমিন ফারহানা

একই সঙ্গে তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিও আহ্বান জানান, বৃহত্তর স্বার্থে যেন তাদের নেতাকর্মীরা কোনো অসংলগ্ন আচরণ না করেন, আইন ভঙ্গ না করেন এবং অসভ্য আচরণ থেকে বিরত থাকেন। তার মতে, বড় রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্ব হবে নির্বাচনী মাঠে শৃঙ্খলা ও সৌহার্দ্য বজায় রাখা।

তিনি আরও বলেন, কোনো নির্বাচনী এলাকায় যদি অনিয়মের দাগ পড়ে, সেই দায় শেষ পর্যন্ত বড় দলগুলোকেই দীর্ঘদিন বহন করতে হবে। তাই সবার সম্মিলিত দায়িত্ব হলো একটি গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা।