০৬:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
ডেভিড–ভিক্টোরিয়ার ব্র্যান্ড বনাম পরিবারের সম্পর্ক, বিস্ফোরক অভিযোগে মুখ খুললেন ব্রুকলিন বেকহাম আমিরাতে বসবাসরত বাংলাদেশিদের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ভিসায় নতুন শর্ত, দিতে হতে পারে বড় অঙ্কের বন্ড শারজাহে দুই মিলিয়ন দিরহাম গবেষণা অনুদান চালু, ফায়া মানব ইতিহাস গবেষণায় নতুন দিগন্ত নিতিন নবীন বিজেপির নতুন জাতীয় সভাপতি, সবচেয়ে কম বয়সে শীর্ষ পদে সংবিধানের চেতনা দুর্বল করছে শাসকগোষ্ঠী, রায়বরেলিতে তীব্র আক্রমণ রাহুল গান্ধীর  ২০২৬ ‘ব্রিজ ইয়ার’—পোশাক খাতে স্থিতিশীলতা আছে, কিন্তু টেক-অফের আগে সময় কমছে আফগান বাণিজ্য বন্ধে বাধ্য পাকিস্তান, সন্ত্রাস দমনে কাবুলের অনীহার অভিযোগ গ্রিনল্যান্ড ঘিরে শুল্ক-চাপ থেকে সিরিয়া যুদ্ধবিরতি—বিশ্ব রাজনীতিতে অর্থনীতি ‘অস্ত্র’ হয়ে উঠছে সংযুক্ত আরব আমিরাত–ভারত সম্পর্কের নতুন অধ্যায়: বাণিজ্য দ্বিগুণের লক্ষ্য থেকে প্রতিরক্ষা অংশীদারত্ব রয়টার্স বলছে বাংলাদেশে ইসলামপন্থি রাজনৈতিক শক্তির উত্থান—মধ্যপন্থিদের উদ্বেগ, নির্বাচনের আগে নতুন সমীকরণ

ছোট শিশুরাও হাঁস হাঁস বলে স্লোগান দিচ্ছে: রুমিন ফারহানা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নির্বাচনে তার জন্য বরাদ্দ হয়েছে হাঁস প্রতীক।

বুধবার ২১ জানুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জাহান আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে এই প্রতীক তুলে দেন।

প্রতীক পেয়ে অনুভূতির কথা জানালেন রুমিন ফারহানা

হাঁস চুরির চেষ্টা করলে ছাড় দেব না', প্রতীক পেয়ে ...

হাঁস প্রতীক পেয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় রুমিন ফারহানা সাংবাদিকদের জানান, তিনি তার ভোটার ও কর্মী-সমর্থকদের প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসেন। তাদের সমর্থন ও ভালোবাসাই তাকে আজ এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি বলেন, যখন তিনি নির্বাচনী এলাকায় যান, তখন ছোট ছোট শিশুরাও তাকে দেখে হাঁস মার্কা, আমাদের হাঁস মার্কা বলে স্লোগান দিতে থাকে। এই প্রতীক তার ব্যক্তিগত পরিচয়ের চেয়ে বেশি তার ভোটারদের আবেগ ও ভালোবাসার প্রতীক। তিনি জানান, একসময় তিনি নিজেও হাঁস পালন করতেন, ফলে প্রতীকটির সঙ্গে তার ব্যক্তিগত স্মৃতিও জড়িত।

নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে সতর্কবার্তা

নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়ে প্রশাসনের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, এই নির্বাচনে যেন কোনো ধরনের কালিমা না লাগে, সে জন্য প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

হাঁস প্রতীক পেলেন রুমিন ফারহানা

একই সঙ্গে তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিও আহ্বান জানান, বৃহত্তর স্বার্থে যেন তাদের নেতাকর্মীরা কোনো অসংলগ্ন আচরণ না করেন, আইন ভঙ্গ না করেন এবং অসভ্য আচরণ থেকে বিরত থাকেন। তার মতে, বড় রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্ব হবে নির্বাচনী মাঠে শৃঙ্খলা ও সৌহার্দ্য বজায় রাখা।

তিনি আরও বলেন, কোনো নির্বাচনী এলাকায় যদি অনিয়মের দাগ পড়ে, সেই দায় শেষ পর্যন্ত বড় দলগুলোকেই দীর্ঘদিন বহন করতে হবে। তাই সবার সম্মিলিত দায়িত্ব হলো একটি গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেভিড–ভিক্টোরিয়ার ব্র্যান্ড বনাম পরিবারের সম্পর্ক, বিস্ফোরক অভিযোগে মুখ খুললেন ব্রুকলিন বেকহাম

ছোট শিশুরাও হাঁস হাঁস বলে স্লোগান দিচ্ছে: রুমিন ফারহানা

০৪:৫৫:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নির্বাচনে তার জন্য বরাদ্দ হয়েছে হাঁস প্রতীক।

বুধবার ২১ জানুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জাহান আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে এই প্রতীক তুলে দেন।

প্রতীক পেয়ে অনুভূতির কথা জানালেন রুমিন ফারহানা

হাঁস চুরির চেষ্টা করলে ছাড় দেব না', প্রতীক পেয়ে ...

হাঁস প্রতীক পেয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় রুমিন ফারহানা সাংবাদিকদের জানান, তিনি তার ভোটার ও কর্মী-সমর্থকদের প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসেন। তাদের সমর্থন ও ভালোবাসাই তাকে আজ এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি বলেন, যখন তিনি নির্বাচনী এলাকায় যান, তখন ছোট ছোট শিশুরাও তাকে দেখে হাঁস মার্কা, আমাদের হাঁস মার্কা বলে স্লোগান দিতে থাকে। এই প্রতীক তার ব্যক্তিগত পরিচয়ের চেয়ে বেশি তার ভোটারদের আবেগ ও ভালোবাসার প্রতীক। তিনি জানান, একসময় তিনি নিজেও হাঁস পালন করতেন, ফলে প্রতীকটির সঙ্গে তার ব্যক্তিগত স্মৃতিও জড়িত।

নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে সতর্কবার্তা

নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়ে প্রশাসনের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, এই নির্বাচনে যেন কোনো ধরনের কালিমা না লাগে, সে জন্য প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

হাঁস প্রতীক পেলেন রুমিন ফারহানা

একই সঙ্গে তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিও আহ্বান জানান, বৃহত্তর স্বার্থে যেন তাদের নেতাকর্মীরা কোনো অসংলগ্ন আচরণ না করেন, আইন ভঙ্গ না করেন এবং অসভ্য আচরণ থেকে বিরত থাকেন। তার মতে, বড় রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্ব হবে নির্বাচনী মাঠে শৃঙ্খলা ও সৌহার্দ্য বজায় রাখা।

তিনি আরও বলেন, কোনো নির্বাচনী এলাকায় যদি অনিয়মের দাগ পড়ে, সেই দায় শেষ পর্যন্ত বড় দলগুলোকেই দীর্ঘদিন বহন করতে হবে। তাই সবার সম্মিলিত দায়িত্ব হলো একটি গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা।